জেনেরিক ওষুধ

Cisplatin: বাংলাদেশে ব্র্যান্ড, দাম ও ব্যবহার

প্রতিষ্ঠিত ও অনুমোদিত ব্যবহার মেটাস্ট্যাটিক টেস্টিকুলার (অণ্ডকোষের) টিউমার : যথাযথ অস্ত্রোপচার ও/অথবা রেডিওথেরাপি গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে অন্যান্য সাইটোটক্সিক ওষুধের সাথে প্রতিষ্ঠিত সংযুক্ত…

ধরন:IV Infusion

Cisplatin সম্পর্কে

Cisplatin-এর নির্দেশনা

প্রতিষ্ঠিত ও অনুমোদিত ব্যবহার

  • মেটাস্ট্যাটিক টেস্টিকুলার (অণ্ডকোষের) টিউমার: যথাযথ অস্ত্রোপচার ও/অথবা রেডিওথেরাপি গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে অন্যান্য সাইটোটক্সিক ওষুধের সাথে প্রতিষ্ঠিত সংযুক্ত কেমোথেরাপি পদ্ধতিতে Cisplatin ব্যবহৃত হয়।
  • মেটাস্ট্যাটিক ওভারিয়ান (ডিম্বাশয়ের) টিউমার: প্রথম সারির চিকিৎসা হিসেবে সাইক্লোফসফামাইডের সাথে সংযুক্তভাবে, অথবা পূর্বে কেমোথেরাপি না পাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে একক ওষুধ হিসেবে Cisplatin নির্দেশিত।
  • অ্যাডভান্সড ব্লাডার (মূত্রথলির) ক্যান্সার: স্থানীয় চিকিৎসা (অস্ত্রোপচার ও/অথবা রেডিওথেরাপি) দ্বারা আর নিয়ন্ত্রণযোগ্য নয় এমন ট্রানজিশনাল সেল ব্লাডার ক্যান্সারে একক ওষুধ হিসেবে Cisplatin নির্দেশিত।

গাইডলাইন-সমর্থিত ও সংযুক্ত ব্যবহার (বিস্তৃত অনকোলজি চর্চা অনুযায়ী)

  • মাথা ও ঘাড়ের স্কোয়ামাস সেল ক্যান্সারে সংযুক্ত কেমোথেরাপি পদ্ধতির অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • সার্ভিক্যাল (জরায়ুমুখ) ক্যান্সারে প্রায়শই রেডিওথেরাপির সাথে (কেমোরেডিয়েশন হিসেবে) সংযুক্ত কেমোথেরাপির অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • নন-স্মল সেল ও স্মল সেল ফুসফুস ক্যান্সারে সংযুক্ত কেমোথেরাপি পদ্ধতির অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • অনকোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে ইসোফ্যাগাল ও গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সারের মতো অন্যান্য সলিড টিউমারেও সংযুক্ত পদ্ধতিতে ব্যবহৃত হয়, যা নির্দিষ্ট লেবেল-নির্দেশনার পরিবর্তে প্রতিষ্ঠিত অনকোলজি চর্চার ভিত্তিতে করা হয়।

Cisplatin একটি অত্যন্ত বিষাক্ত সাইটোটক্সিক কেমোথেরাপি ওষুধ এবং এটি শুধুমাত্র অভিজ্ঞ অনকোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার পর্যাপ্ত সুবিধাসহ, ব্যবহার করা উচিত।

Cisplatin-এর মাত্রা ও সেবনবিধি

Cisplatin-এর মাত্রা রোগের ধরন, শরীরের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল, পূর্ববর্তী চিকিৎসা ও অঙ্গের কার্যক্ষমতার ভিত্তিতে চিকিৎসক দ্বারা পৃথকভাবে নির্ধারিত হয়, এবং সবসময় বাধ্যতামূলক শিরাপথে হাইড্রেশনসহ শিরাপথে ইনফিউশন হিসেবে দেওয়া হয়। অনকোলজি রেফারেন্সে বর্ণিত প্রতিনিধিত্বমূলক পদ্ধতিগুলো নিম্নরূপ:

নির্দেশনাসাধারণ মাত্রাসময়সূচি
মেটাস্ট্যাটিক টেস্টিকুলার টিউমার (সংযুক্ত)২০ mg/m² শিরাপথেটানা ৫ দিন দৈনিক একবার, প্রতি ৩ সপ্তাহে পুনরাবৃত্তি, ৩ বা ততোধিক চক্র
মেটাস্ট্যাটিক ওভারিয়ান টিউমার (সাইক্লোফসফামাইডসহ)৭৫-১০০ mg/m² শিরাপথেপ্রতি ৪ সপ্তাহে একবার
মেটাস্ট্যাটিক ওভারিয়ান টিউমার (একক)১০০ mg/m² শিরাপথেপ্রতি ৪ সপ্তাহে একবার
অ্যাডভান্সড ব্লাডার ক্যান্সার (একক)৫০-৭০ mg/m² শিরাপথেপ্রতি ৩-৪ সপ্তাহে একবার (পূর্বে রেডিওথেরাপি নেওয়া বা বেশি চিকিৎসাপ্রাপ্ত রোগীদের ক্ষেত্রে কম মাত্রা বা বেশি ঘন ঘন)

প্রতি চক্রে ১০০ mg/m²-এর বেশি মাত্রা (প্রতি ৩-৪ সপ্তাহে) খুব কম ব্যবহৃত হয়, কারণ এতে স্পষ্ট অতিরিক্ত উপকারিতা ছাড়াই বিষক্রিয়া বৃদ্ধি পায়।

বাধ্যতামূলক হাইড্রেশন পদ্ধতি

কিডনি বিষক্রিয়া কমাতে, প্রতিটি Cisplatin মাত্রার আগে রোগীদের অবশ্যই তীব্র শিরাপথে হাইড্রেশন গ্রহণ করতে হবে, সাধারণত ৮-১২ ঘণ্টা ধরে ১-২ লিটার শিরাপথে তরল। এরপর Cisplatin সাধারণত ম্যানিটলসহ ডেক্সট্রোজ/স্যালাইন দ্রবণে মিশিয়ে ৬-৮ ঘণ্টা ধরে (বা প্রাতিষ্ঠানিক পদ্ধতি অনুযায়ী) ইনফিউশন হিসেবে দেওয়া হয়, এরপর পর্যাপ্ত পোস্ট-হাইড্রেশন ও নিয়ন্ত্রিত প্রস্রাব নির্গমন (সাধারণত ঘণ্টায় অন্তত ১০০ mL) কয়েক ঘণ্টা বজায় রাখতে হয়। প্রতিটি চক্র শুরুর আগে পর্যাপ্ত হাইড্রেশন ও প্রয়োজনে ফোর্সড ডাইইউরেসিস নিশ্চিত করতে হবে।

কিডনি সমস্যায়

প্রথম মাত্রার আগে এবং পরবর্তী প্রতিটি চক্রের আগে কিডনির কার্যক্ষমতা (সিরাম ক্রিয়েটিনিন, BUN, ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স) ও ইলেক্ট্রোলাইট পর্যবেক্ষণ করতে হবে; কিডনির কার্যক্ষমতা গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে না ফেরা পর্যন্ত Cisplatin পুনরায় দেওয়া উচিত নয়, এবং কিডনি সমস্যায় মাত্রা হ্রাস বা বিলম্ব প্রয়োজন (পূর্ব-বিদ্যমান উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যার জন্য প্রতিনির্দেশনা দেখুন)।

যকৃত সমস্যায়

যকৃত সমস্যার জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠিত মাত্রা-সমন্বয় নির্দেশিকা নেই; চিকিৎসকের নির্দেশে সতর্কতার সাথে ও নিবিড় পর্যবেক্ষণসহ ব্যবহার করতে হবে।

উল্লেখযোগ্য অস্থিমজ্জা দমন, শ্রবণ বিষক্রিয়া, স্নায়ু বিষক্রিয়া, বা অতিসংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়ার ক্ষেত্রে চিকিৎসকের বিবেচনায় মাত্রা পরিবর্তন, বিলম্ব বা বন্ধ করা প্রয়োজন হতে পারে। Cisplatin সম্পূর্ণভাবে চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হবে; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সময়সূচি, মাত্রা বা সংযুক্ত পদ্ধতি পরিবর্তন করা উচিত নয়।

Cisplatin-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

অত্যন্ত সাধারণ

  • তীব্র বমি বমি ভাব ও বমি (অত্যন্ত এমেটোজেনিক; পর্যাপ্ত অ্যান্টিইমেটিক প্রতিরোধ ছাড়া প্রায় সব রোগীর ক্ষেত্রেই দেখা যায়)
  • কিডনি বিষক্রিয়া (কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস; সতর্কতা অংশ দেখুন)
  • অস্থিমজ্জা দমন: শ্বেত রক্তকণিকা, লোহিত রক্তকণিকা (রক্তস্বল্পতা) ও প্লেটলেট হ্রাস
  • শ্রবণ বিষক্রিয়া: কানে শোঁ শোঁ শব্দ ও উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সি শ্রবণশক্তি হ্রাস (সতর্কতা অংশ দেখুন)
  • ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা: ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও সোডিয়ামের অভাব

সাধারণ

  • পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি (হাত-পায়ে অবশভাব, ঝিনঝিন অনুভূতি), যা ক্রমপুঞ্জিত মাত্রায় অপরিবর্তনীয় হতে পারে
  • ক্ষুধামন্দা, স্বাদের পরিবর্তন, ক্লান্তি ও দুর্বলতা
  • হেঁচকি ও যকৃতের এনজাইমের মৃদু বৃদ্ধি

গুরুতর/কম সাধারণ

  • অ্যানাফাইল্যাক্টিক-জাতীয় প্রতিক্রিয়া (মুখমণ্ডল ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, দ্রুত হৃদস্পন্দন, নিম্ন রক্তচাপ), যা প্রয়োগের কয়েক মিনিটের মধ্যে দেখা দিতে পারে, বিশেষত পুনরায় প্রয়োগের ক্ষেত্রে
  • উচ্চ-মাত্রা বা দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় চোখের বিষক্রিয়া (ঝাপসা দৃষ্টি, রঙের উপলব্ধিতে পরিবর্তন, অপটিক নিউরাইটিস)
  • ইনফিউশন শিরার বাইরে বেরিয়ে গেলে (এক্সট্রাভ্যাসেশন) স্থানীয় টিস্যু ক্ষতি বা আলসার
  • Cisplatin-ভিত্তিক কেমোথেরাপির সাথে হৃদরক্তনালীজনিত ঘটনা, যেমন থ্রম্বোএম্বোলিজম, রিপোর্ট করা হয়েছে

Cisplatin ইনফিউশনের সময় বা পরপরই জ্বর, সংক্রমণের লক্ষণ, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ/কালশিটে দাগ, তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী বমি, কানে শোঁ শোঁ শব্দ, প্রস্রাব কমে যাওয়া, অবশভাব/ঝিনঝিন অনুভূতি, বা অ্যালার্জির যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Cisplatin-এর প্রতিনির্দেশনা

  • Cisplatin অথবা অন্যান্য প্ল্যাটিনামযুক্ত যৌগের প্রতি পরিচিত অতিসংবেদনশীলতা।
  • পূর্ব-বিদ্যমান উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যা।
  • পূর্ব-বিদ্যমান উল্লেখযোগ্য অস্থিমজ্জা দমন।
  • পূর্ব-বিদ্যমান শ্রবণশক্তি হ্রাস।

দ্রষ্টব্য: কিডনি সমস্যা, অস্থিমজ্জা দমন, ও শ্রবণশক্তি হ্রাস Cisplatin-এর লেবেলিং অনুযায়ী এই অঙ্গব্যবস্থায় এর পূর্বানুমেয়, মাত্রা-নির্ভর বিষক্রিয়ার কারণে সুপ্রতিষ্ঠিত পরম প্রতিনির্দেশনা; কম গুরুতর বা সীমারেখার অঙ্গ কার্যক্ষমতা হ্রাসের ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় বর্জনের পরিবর্তে বিশেষজ্ঞের সতর্ক ঝুঁকি-উপকারিতা মূল্যায়ন প্রয়োজন। পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয়তার জন্য সতর্কতা অংশ দেখুন।

Cisplatin সম্পর্কে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Cisplatin কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

Cisplatin একটি প্ল্যাটিনাম-ভিত্তিক কেমোথেরাপি ওষুধ, যা অনকোলজিস্টের নির্দেশনায় সংযুক্ত বা একক পদ্ধতিতে মেটাস্ট্যাটিক টেস্টিকুলার ক্যান্সার, মেটাস্ট্যাটিক ওভারিয়ান ক্যান্সার, এবং অ্যাডভান্সড ব্লাডার ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, এবং মাথা-ঘাড়, সার্ভিক্যাল ও ফুসফুস ক্যান্সারের মতো অন্যান্য কিছু সলিড টিউমারেও সংযুক্ত পদ্ধতিতে ব্যবহৃত হয়।

Cisplatin কীভাবে দেওয়া হয়?

Cisplatin শুধুমাত্র হাসপাতাল বা বিশেষায়িত অনকোলজি ইউনিটে ধীরগতিতে শিরাপথে ইনফিউশন হিসেবে দেওয়া হয়, কখনোই মুখে খাওয়ানো হয় না। প্রতিটি মাত্রার আগে তীব্র শিরাপথে তরল হাইড্রেশন এবং পরে নিয়ন্ত্রিত প্রস্রাব নির্গমনসহ পোস্ট-হাইড্রেশন দিতে হবে, কারণ এটি Cisplatin থেকে কিডনি ক্ষতির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়।

Cisplatin চিকিৎসার সবচেয়ে গুরুতর ঝুঁকিগুলো কী কী?

Cisplatin-এর সবচেয়ে গুরুতর, সুপ্রতিষ্ঠিত ঝুঁকিগুলো হলো কিডনি ক্ষতি (নেফ্রোটক্সিসিটি), শ্রবণশক্তি হ্রাস ও কানে শোঁ শোঁ শব্দ (ওটোটক্সিসিটি), তীব্র বমি বমি ভাব ও বমি, এবং অস্থিমজ্জা দমন (যা সংক্রমণ ও রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়)। চিকিৎসাকালীন সময়ে আপনার চিকিৎসক দল নিয়মিতভাবে আপনার কিডনির কার্যক্ষমতা, রক্ত পরীক্ষা, শ্রবণশক্তি ও ইলেক্ট্রোলাইট পরীক্ষা করবেন যাতে এসব সমস্যা প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে।

Cisplatin মাত্রার আগে ও পরে কেন এত বেশি শিরাপথে তরল প্রয়োজন?

Cisplatin উল্লেখযোগ্য কিডনি ক্ষতি করতে পারে, এবং প্রতিটি মাত্রার আগে ও পরে পর্যাপ্ত শিরাপথে তরল (হাইড্রেশন) দেওয়া, পাশাপাশি ভালো প্রস্রাব নির্গমন বজায় রাখা, Cisplatin চিকিৎসার সময় কিডনি রক্ষা করার একটি সুপ্রতিষ্ঠিত ও অপরিহার্য উপায়। এই হাইড্রেশন এড়িয়ে যাওয়া বা কমানো হলে গুরুতর কিডনি ক্ষতির ঝুঁকি বেড়ে যায়।

গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Cisplatin গ্রহণ করা কি নিরাপদ?

না। Cisplatin গর্ভাবস্থায় নিষিদ্ধ, কারণ এটি একটি সাইটোটক্সিক কেমোথেরাপি ওষুধ যা বিকাশমান ভ্রূণের গুরুতর ক্ষতি করতে পারে, এবং এটি স্তন্যদানকালেও নিষিদ্ধ কারণ এটি বুকের দুধে প্রবেশ করে। চিকিৎসাকালীন ও পরবর্তী সময়ে কার্যকর গর্ভনিরোধক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়; Cisplatin শুরু করার আগে আপনার অনকোলজিস্টের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করুন।

Cisplatin ইনফিউশনের সময় কানে শোঁ শোঁ শব্দ, অবশভাব, বা অ্যালার্জি-জাতীয় প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করলে কী করব?

অবিলম্বে আপনার চিকিৎসক দলকে জানান। কানে শোঁ শোঁ শব্দ বা শ্রবণ পরিবর্তন শ্রবণ বিষক্রিয়ার লক্ষণ হতে পারে, অবশভাব বা ঝিনঝিন অনুভূতি স্নায়ু বিষক্রিয়ার (পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি) লক্ষণ হতে পারে, এবং ইনফিউশনের সময় বা পরপরই মুখমণ্ডল ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, বা দ্রুত হৃদস্পন্দন গুরুতর অ্যালার্জি-জাতীয় (অ্যানাফাইল্যাক্টিক) প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ হতে পারে, যার জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন। অতিরিক্ত মাত্রা বা গুরুতর প্রতিক্রিয়ার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবায় যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

DoctorBlogArticles