
Cisplat1 mg/ml
Healthcare Pharmaceuticals Ltd.
প্রতিষ্ঠিত ও অনুমোদিত ব্যবহার মেটাস্ট্যাটিক টেস্টিকুলার (অণ্ডকোষের) টিউমার : যথাযথ অস্ত্রোপচার ও/অথবা রেডিওথেরাপি গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে অন্যান্য সাইটোটক্সিক ওষুধের সাথে প্রতিষ্ঠিত সংযুক্ত…
Cisplatin একটি অত্যন্ত বিষাক্ত সাইটোটক্সিক কেমোথেরাপি ওষুধ এবং এটি শুধুমাত্র অভিজ্ঞ অনকোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার পর্যাপ্ত সুবিধাসহ, ব্যবহার করা উচিত।
Cisplatin-এর মাত্রা রোগের ধরন, শরীরের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল, পূর্ববর্তী চিকিৎসা ও অঙ্গের কার্যক্ষমতার ভিত্তিতে চিকিৎসক দ্বারা পৃথকভাবে নির্ধারিত হয়, এবং সবসময় বাধ্যতামূলক শিরাপথে হাইড্রেশনসহ শিরাপথে ইনফিউশন হিসেবে দেওয়া হয়। অনকোলজি রেফারেন্সে বর্ণিত প্রতিনিধিত্বমূলক পদ্ধতিগুলো নিম্নরূপ:
| নির্দেশনা | সাধারণ মাত্রা | সময়সূচি |
|---|---|---|
| মেটাস্ট্যাটিক টেস্টিকুলার টিউমার (সংযুক্ত) | ২০ mg/m² শিরাপথে | টানা ৫ দিন দৈনিক একবার, প্রতি ৩ সপ্তাহে পুনরাবৃত্তি, ৩ বা ততোধিক চক্র |
| মেটাস্ট্যাটিক ওভারিয়ান টিউমার (সাইক্লোফসফামাইডসহ) | ৭৫-১০০ mg/m² শিরাপথে | প্রতি ৪ সপ্তাহে একবার |
| মেটাস্ট্যাটিক ওভারিয়ান টিউমার (একক) | ১০০ mg/m² শিরাপথে | প্রতি ৪ সপ্তাহে একবার |
| অ্যাডভান্সড ব্লাডার ক্যান্সার (একক) | ৫০-৭০ mg/m² শিরাপথে | প্রতি ৩-৪ সপ্তাহে একবার (পূর্বে রেডিওথেরাপি নেওয়া বা বেশি চিকিৎসাপ্রাপ্ত রোগীদের ক্ষেত্রে কম মাত্রা বা বেশি ঘন ঘন) |
প্রতি চক্রে ১০০ mg/m²-এর বেশি মাত্রা (প্রতি ৩-৪ সপ্তাহে) খুব কম ব্যবহৃত হয়, কারণ এতে স্পষ্ট অতিরিক্ত উপকারিতা ছাড়াই বিষক্রিয়া বৃদ্ধি পায়।
কিডনি বিষক্রিয়া কমাতে, প্রতিটি Cisplatin মাত্রার আগে রোগীদের অবশ্যই তীব্র শিরাপথে হাইড্রেশন গ্রহণ করতে হবে, সাধারণত ৮-১২ ঘণ্টা ধরে ১-২ লিটার শিরাপথে তরল। এরপর Cisplatin সাধারণত ম্যানিটলসহ ডেক্সট্রোজ/স্যালাইন দ্রবণে মিশিয়ে ৬-৮ ঘণ্টা ধরে (বা প্রাতিষ্ঠানিক পদ্ধতি অনুযায়ী) ইনফিউশন হিসেবে দেওয়া হয়, এরপর পর্যাপ্ত পোস্ট-হাইড্রেশন ও নিয়ন্ত্রিত প্রস্রাব নির্গমন (সাধারণত ঘণ্টায় অন্তত ১০০ mL) কয়েক ঘণ্টা বজায় রাখতে হয়। প্রতিটি চক্র শুরুর আগে পর্যাপ্ত হাইড্রেশন ও প্রয়োজনে ফোর্সড ডাইইউরেসিস নিশ্চিত করতে হবে।
প্রথম মাত্রার আগে এবং পরবর্তী প্রতিটি চক্রের আগে কিডনির কার্যক্ষমতা (সিরাম ক্রিয়েটিনিন, BUN, ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স) ও ইলেক্ট্রোলাইট পর্যবেক্ষণ করতে হবে; কিডনির কার্যক্ষমতা গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে না ফেরা পর্যন্ত Cisplatin পুনরায় দেওয়া উচিত নয়, এবং কিডনি সমস্যায় মাত্রা হ্রাস বা বিলম্ব প্রয়োজন (পূর্ব-বিদ্যমান উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যার জন্য প্রতিনির্দেশনা দেখুন)।
যকৃত সমস্যার জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠিত মাত্রা-সমন্বয় নির্দেশিকা নেই; চিকিৎসকের নির্দেশে সতর্কতার সাথে ও নিবিড় পর্যবেক্ষণসহ ব্যবহার করতে হবে।
উল্লেখযোগ্য অস্থিমজ্জা দমন, শ্রবণ বিষক্রিয়া, স্নায়ু বিষক্রিয়া, বা অতিসংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়ার ক্ষেত্রে চিকিৎসকের বিবেচনায় মাত্রা পরিবর্তন, বিলম্ব বা বন্ধ করা প্রয়োজন হতে পারে। Cisplatin সম্পূর্ণভাবে চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হবে; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সময়সূচি, মাত্রা বা সংযুক্ত পদ্ধতি পরিবর্তন করা উচিত নয়।
Cisplatin ইনফিউশনের সময় বা পরপরই জ্বর, সংক্রমণের লক্ষণ, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ/কালশিটে দাগ, তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী বমি, কানে শোঁ শোঁ শব্দ, প্রস্রাব কমে যাওয়া, অবশভাব/ঝিনঝিন অনুভূতি, বা অ্যালার্জির যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
দ্রষ্টব্য: কিডনি সমস্যা, অস্থিমজ্জা দমন, ও শ্রবণশক্তি হ্রাস Cisplatin-এর লেবেলিং অনুযায়ী এই অঙ্গব্যবস্থায় এর পূর্বানুমেয়, মাত্রা-নির্ভর বিষক্রিয়ার কারণে সুপ্রতিষ্ঠিত পরম প্রতিনির্দেশনা; কম গুরুতর বা সীমারেখার অঙ্গ কার্যক্ষমতা হ্রাসের ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় বর্জনের পরিবর্তে বিশেষজ্ঞের সতর্ক ঝুঁকি-উপকারিতা মূল্যায়ন প্রয়োজন। পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয়তার জন্য সতর্কতা অংশ দেখুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।