Product gallery

Platinex1 mg/ml

IV Infusion

Cisplatin

MRP ২৫০.০০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ২৩৭.৫০/10 mg vial
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

প্রতিষ্ঠিত ও অনুমোদিত ব্যবহার

  • মেটাস্ট্যাটিক টেস্টিকুলার (অণ্ডকোষের) টিউমার: যথাযথ অস্ত্রোপচার ও/অথবা রেডিওথেরাপি গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে অন্যান্য সাইটোটক্সিক ওষুধের সাথে প্রতিষ্ঠিত সংযুক্ত কেমোথেরাপি পদ্ধতিতে Platinex ব্যবহৃত হয়।
  • মেটাস্ট্যাটিক ওভারিয়ান (ডিম্বাশয়ের) টিউমার: প্রথম সারির চিকিৎসা হিসেবে সাইক্লোফসফামাইডের সাথে সংযুক্তভাবে, অথবা পূর্বে কেমোথেরাপি না পাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে একক ওষুধ হিসেবে Platinex নির্দেশিত।
  • অ্যাডভান্সড ব্লাডার (মূত্রথলির) ক্যান্সার: স্থানীয় চিকিৎসা (অস্ত্রোপচার ও/অথবা রেডিওথেরাপি) দ্বারা আর নিয়ন্ত্রণযোগ্য নয় এমন ট্রানজিশনাল সেল ব্লাডার ক্যান্সারে একক ওষুধ হিসেবে Platinex নির্দেশিত।

গাইডলাইন-সমর্থিত ও সংযুক্ত ব্যবহার (বিস্তৃত অনকোলজি চর্চা অনুযায়ী)

  • মাথা ও ঘাড়ের স্কোয়ামাস সেল ক্যান্সারে সংযুক্ত কেমোথেরাপি পদ্ধতির অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • সার্ভিক্যাল (জরায়ুমুখ) ক্যান্সারে প্রায়শই রেডিওথেরাপির সাথে (কেমোরেডিয়েশন হিসেবে) সংযুক্ত কেমোথেরাপির অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • নন-স্মল সেল ও স্মল সেল ফুসফুস ক্যান্সারে সংযুক্ত কেমোথেরাপি পদ্ধতির অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • অনকোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে ইসোফ্যাগাল ও গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সারের মতো অন্যান্য সলিড টিউমারেও সংযুক্ত পদ্ধতিতে ব্যবহৃত হয়, যা নির্দিষ্ট লেবেল-নির্দেশনার পরিবর্তে প্রতিষ্ঠিত অনকোলজি চর্চার ভিত্তিতে করা হয়।

Platinex একটি অত্যন্ত বিষাক্ত সাইটোটক্সিক কেমোথেরাপি ওষুধ এবং এটি শুধুমাত্র অভিজ্ঞ অনকোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার পর্যাপ্ত সুবিধাসহ, ব্যবহার করা উচিত।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Platinex একটি অ্যান্টিনিওপ্লাস্টিক (ক্যান্সার-বিরোধী) ওষুধ, যা প্ল্যাটিনাম কো-অর্ডিনেশন কমপ্লেক্স (প্ল্যাটিনাম-ভিত্তিক কেমোথেরাপি) শ্রেণির অন্তর্গত — এই গোত্রের ওষুধ ডিএনএ ক্রস-লিংকিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ করে, যা প্রচলিত অ্যালকাইলেটিং ওষুধের প্রভাবের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

ফার্মাকোলজি

Cisplatin একটি হেভি-মেটাল কো-অর্ডিনেশন কমপ্লেক্স, যার কেন্দ্রে একটি প্ল্যাটিনাম পরমাণু এবং সিস-বিন্যাসে দুটি ক্লোরাইড পরমাণু ও দুটি অ্যামোনিয়া অণু থাকে। শিরাপথে প্রয়োগের পর, কোষের ভেতরে (যেখানে ক্লোরাইডের ঘনত্ব কম থাকে) ক্লোরাইড লিগ্যান্ডগুলো প্রতিস্থাপিত হয়ে (অ্যাকুয়েশন) অত্যন্ত সক্রিয়, ধনাত্মক চার্জযুক্ত প্ল্যাটিনাম উপাদান তৈরি করে। এই সক্রিয় উপাদান ডিএনএ-র নিউক্লিওফিলিক স্থানের সাথে সমযোজী বন্ধন তৈরি করে, প্রধানত পাশাপাশি অবস্থিত গুয়ানিন বেসের মধ্যে ইন্ট্রাস্ট্র্যান্ড ক্রস-লিংক গঠন করে। এই ক্রস-লিংকিং ডিএনএ হেলিক্সকে বিকৃত করে, ডিএনএ প্রতিলিপি ও ট্রান্সক্রিপশন বাধাগ্রস্ত করে, এবং কোষ-চক্র থেমে যাওয়া ও অ্যাপোপটোসিস (প্রোগ্রামড কোষমৃত্যু) সৃষ্টি করে — এই প্রভাব কোষ-চক্রের নির্দিষ্ট পর্যায়ের সাথে সীমাবদ্ধ নয় এবং সামগ্রিক প্রভাবে অ্যালকাইলেটিং শ্রেণির কেমোথেরাপি ওষুধের সাদৃশ্যপূর্ণ। Cisplatin রক্তের প্রোটিনের সাথে ব্যাপকভাবে (৯০%-এর বেশি) ও অপরিবর্তনীয়ভাবে আবদ্ধ হয়। মুক্ত (অ-আবদ্ধ) প্ল্যাটিনামের প্লাজমা অর্ধায়ু প্রায় ২০-৩০ মিনিট, কিন্তু প্রোটিন-আবদ্ধ প্ল্যাটিনাম অত্যন্ত ধীরে নির্গত হয়, যার শেষ অর্ধায়ু কয়েক দিন পর্যন্ত হতে পারে, যা দীর্ঘস্থায়ী টিস্যু ধারণক্ষমতায় ভূমিকা রাখে। নির্গমন প্রধানত কিডনির মাধ্যমে হয়; কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস পেলে ওষুধের ক্লিয়ারেন্স কমে যায় এবং শরীরে ও টিস্যুতে এক্সপোজার বেড়ে যায়, যা Cisplatin-এর মাত্রা-সীমাবদ্ধকারী কিডনি বিষক্রিয়ার ফার্মাকোলজিক ভিত্তি।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Platinex-এর মাত্রা রোগের ধরন, শরীরের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল, পূর্ববর্তী চিকিৎসা ও অঙ্গের কার্যক্ষমতার ভিত্তিতে চিকিৎসক দ্বারা পৃথকভাবে নির্ধারিত হয়, এবং সবসময় বাধ্যতামূলক শিরাপথে হাইড্রেশনসহ শিরাপথে ইনফিউশন হিসেবে দেওয়া হয়। অনকোলজি রেফারেন্সে বর্ণিত প্রতিনিধিত্বমূলক পদ্ধতিগুলো নিম্নরূপ:

নির্দেশনাসাধারণ মাত্রাসময়সূচি
মেটাস্ট্যাটিক টেস্টিকুলার টিউমার (সংযুক্ত)২০ mg/m² শিরাপথেটানা ৫ দিন দৈনিক একবার, প্রতি ৩ সপ্তাহে পুনরাবৃত্তি, ৩ বা ততোধিক চক্র
মেটাস্ট্যাটিক ওভারিয়ান টিউমার (সাইক্লোফসফামাইডসহ)৭৫-১০০ mg/m² শিরাপথেপ্রতি ৪ সপ্তাহে একবার
মেটাস্ট্যাটিক ওভারিয়ান টিউমার (একক)১০০ mg/m² শিরাপথেপ্রতি ৪ সপ্তাহে একবার
অ্যাডভান্সড ব্লাডার ক্যান্সার (একক)৫০-৭০ mg/m² শিরাপথেপ্রতি ৩-৪ সপ্তাহে একবার (পূর্বে রেডিওথেরাপি নেওয়া বা বেশি চিকিৎসাপ্রাপ্ত রোগীদের ক্ষেত্রে কম মাত্রা বা বেশি ঘন ঘন)

প্রতি চক্রে ১০০ mg/m²-এর বেশি মাত্রা (প্রতি ৩-৪ সপ্তাহে) খুব কম ব্যবহৃত হয়, কারণ এতে স্পষ্ট অতিরিক্ত উপকারিতা ছাড়াই বিষক্রিয়া বৃদ্ধি পায়।

বাধ্যতামূলক হাইড্রেশন পদ্ধতি

কিডনি বিষক্রিয়া কমাতে, প্রতিটি Platinex মাত্রার আগে রোগীদের অবশ্যই তীব্র শিরাপথে হাইড্রেশন গ্রহণ করতে হবে, সাধারণত ৮-১২ ঘণ্টা ধরে ১-২ লিটার শিরাপথে তরল। এরপর Platinex সাধারণত ম্যানিটলসহ ডেক্সট্রোজ/স্যালাইন দ্রবণে মিশিয়ে ৬-৮ ঘণ্টা ধরে (বা প্রাতিষ্ঠানিক পদ্ধতি অনুযায়ী) ইনফিউশন হিসেবে দেওয়া হয়, এরপর পর্যাপ্ত পোস্ট-হাইড্রেশন ও নিয়ন্ত্রিত প্রস্রাব নির্গমন (সাধারণত ঘণ্টায় অন্তত ১০০ mL) কয়েক ঘণ্টা বজায় রাখতে হয়। প্রতিটি চক্র শুরুর আগে পর্যাপ্ত হাইড্রেশন ও প্রয়োজনে ফোর্সড ডাইইউরেসিস নিশ্চিত করতে হবে।

কিডনি সমস্যায়

প্রথম মাত্রার আগে এবং পরবর্তী প্রতিটি চক্রের আগে কিডনির কার্যক্ষমতা (সিরাম ক্রিয়েটিনিন, BUN, ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স) ও ইলেক্ট্রোলাইট পর্যবেক্ষণ করতে হবে; কিডনির কার্যক্ষমতা গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে না ফেরা পর্যন্ত Platinex পুনরায় দেওয়া উচিত নয়, এবং কিডনি সমস্যায় মাত্রা হ্রাস বা বিলম্ব প্রয়োজন (পূর্ব-বিদ্যমান উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যার জন্য প্রতিনির্দেশনা দেখুন)।

যকৃত সমস্যায়

যকৃত সমস্যার জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠিত মাত্রা-সমন্বয় নির্দেশিকা নেই; চিকিৎসকের নির্দেশে সতর্কতার সাথে ও নিবিড় পর্যবেক্ষণসহ ব্যবহার করতে হবে।

উল্লেখযোগ্য অস্থিমজ্জা দমন, শ্রবণ বিষক্রিয়া, স্নায়ু বিষক্রিয়া, বা অতিসংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়ার ক্ষেত্রে চিকিৎসকের বিবেচনায় মাত্রা পরিবর্তন, বিলম্ব বা বন্ধ করা প্রয়োজন হতে পারে। Platinex সম্পূর্ণভাবে চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হবে; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সময়সূচি, মাত্রা বা সংযুক্ত পদ্ধতি পরিবর্তন করা উচিত নয়।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

কিডনি-বিষাক্ত ওষুধ (অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড, অ্যামফোটেরিসিন বি) — গুরুত্বপূর্ণ

Platinex-এর সাথে অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যামফোটেরিসিন বি-এর মতো অন্যান্য কিডনি-বিষাক্ত ওষুধ একসাথে বা ধারাবাহিকভাবে ব্যবহার করলে সংযোজিত কিডনি ক্ষতি হতে পারে; এই ধরনের সংযুক্ত ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত, বা শুধুমাত্র অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ও নিবিড় কিডনি পর্যবেক্ষণসহ করা উচিত।

শ্রবণ-বিষাক্ত ওষুধ (লুপ ডাইইউরেটিক, অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড)

Platinex-এর সাথে ফুরোসেমাইডের মতো লুপ ডাইইউরেটিক বা অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিকের মতো শ্রবণ-বিষাক্ত ওষুধ একসাথে ব্যবহার করলে সংযোজিত শ্রবণ বিষক্রিয়ার কারণে শ্রবণশক্তি হ্রাস ও কানে শোঁ শোঁ শব্দের ঝুঁকি ও তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে; একসাথে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা ও অডিওমেট্রিক পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

ফেনিটয়িন ও অন্যান্য অ্যান্টিকনভালসেন্ট

Platinex রক্তে ফেনিটয়িনের (এবং সম্ভবত অন্যান্য অ্যান্টিকনভালসেন্টের) ঘনত্ব কমিয়ে দিতে পারে, যা খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে দিতে পারে; Platinex চিকিৎসার সময় ও পরে অ্যান্টিকনভালসেন্টের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

জীবন্ত ভ্যাকসিন

Platinex উল্লেখযোগ্য ইমিউনোসাপ্রেশন ঘটায় বলে, চিকিৎসার সময় ও পরবর্তী একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত জীবন্ত বা লাইভ-অ্যাটেনুয়েটেড ভ্যাকসিন এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এতে ভ্যাকসিন-স্ট্রেইন সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে; টিকাদানের সময় সম্পর্কে অনকোলজিস্টের পরামর্শ নিন।

অন্যান্য অস্থিমজ্জা-দমনকারী ওষুধ

Platinex-এর সাথে অন্যান্য অস্থিমজ্জা-দমনকারী কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি সংযুক্ত করলে গুরুতর অস্থিমজ্জা দমনের ঝুঁকি বেড়ে যায়; এটি প্রায়ই তত্ত্বাবধানকৃত সংযুক্ত পদ্ধতির মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবেই করা হয়, তবে এর জন্য নিবিড় রক্ত পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

প্রতিনির্দেশনা

  • Cisplatin অথবা অন্যান্য প্ল্যাটিনামযুক্ত যৌগের প্রতি পরিচিত অতিসংবেদনশীলতা।
  • পূর্ব-বিদ্যমান উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যা।
  • পূর্ব-বিদ্যমান উল্লেখযোগ্য অস্থিমজ্জা দমন।
  • পূর্ব-বিদ্যমান শ্রবণশক্তি হ্রাস।

দ্রষ্টব্য: কিডনি সমস্যা, অস্থিমজ্জা দমন, ও শ্রবণশক্তি হ্রাস Cisplatin-এর লেবেলিং অনুযায়ী এই অঙ্গব্যবস্থায় এর পূর্বানুমেয়, মাত্রা-নির্ভর বিষক্রিয়ার কারণে সুপ্রতিষ্ঠিত পরম প্রতিনির্দেশনা; কম গুরুতর বা সীমারেখার অঙ্গ কার্যক্ষমতা হ্রাসের ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় বর্জনের পরিবর্তে বিশেষজ্ঞের সতর্ক ঝুঁকি-উপকারিতা মূল্যায়ন প্রয়োজন। পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয়তার জন্য সতর্কতা অংশ দেখুন।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

অত্যন্ত সাধারণ

  • তীব্র বমি বমি ভাব ও বমি (অত্যন্ত এমেটোজেনিক; পর্যাপ্ত অ্যান্টিইমেটিক প্রতিরোধ ছাড়া প্রায় সব রোগীর ক্ষেত্রেই দেখা যায়)
  • কিডনি বিষক্রিয়া (কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস; সতর্কতা অংশ দেখুন)
  • অস্থিমজ্জা দমন: শ্বেত রক্তকণিকা, লোহিত রক্তকণিকা (রক্তস্বল্পতা) ও প্লেটলেট হ্রাস
  • শ্রবণ বিষক্রিয়া: কানে শোঁ শোঁ শব্দ ও উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সি শ্রবণশক্তি হ্রাস (সতর্কতা অংশ দেখুন)
  • ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা: ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও সোডিয়ামের অভাব

সাধারণ

  • পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি (হাত-পায়ে অবশভাব, ঝিনঝিন অনুভূতি), যা ক্রমপুঞ্জিত মাত্রায় অপরিবর্তনীয় হতে পারে
  • ক্ষুধামন্দা, স্বাদের পরিবর্তন, ক্লান্তি ও দুর্বলতা
  • হেঁচকি ও যকৃতের এনজাইমের মৃদু বৃদ্ধি

গুরুতর/কম সাধারণ

  • অ্যানাফাইল্যাক্টিক-জাতীয় প্রতিক্রিয়া (মুখমণ্ডল ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, দ্রুত হৃদস্পন্দন, নিম্ন রক্তচাপ), যা প্রয়োগের কয়েক মিনিটের মধ্যে দেখা দিতে পারে, বিশেষত পুনরায় প্রয়োগের ক্ষেত্রে
  • উচ্চ-মাত্রা বা দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় চোখের বিষক্রিয়া (ঝাপসা দৃষ্টি, রঙের উপলব্ধিতে পরিবর্তন, অপটিক নিউরাইটিস)
  • ইনফিউশন শিরার বাইরে বেরিয়ে গেলে (এক্সট্রাভ্যাসেশন) স্থানীয় টিস্যু ক্ষতি বা আলসার
  • Platinex-ভিত্তিক কেমোথেরাপির সাথে হৃদরক্তনালীজনিত ঘটনা, যেমন থ্রম্বোএম্বোলিজম, রিপোর্ট করা হয়েছে

Platinex ইনফিউশনের সময় বা পরপরই জ্বর, সংক্রমণের লক্ষণ, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ/কালশিটে দাগ, তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী বমি, কানে শোঁ শোঁ শব্দ, প্রস্রাব কমে যাওয়া, অবশভাব/ঝিনঝিন অনুভূতি, বা অ্যালার্জির যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

Platinex গর্ভাবস্থায় ব্যবহার নিষিদ্ধ। একটি সাইটোটক্সিক, ডিএনএ-ক্ষতিকারক কেমোথেরাপি ওষুধ হিসেবে, Platinex মিউটাজেনিক এবং প্রাণীদেহে গবেষণায় টেরাটোজেনিক ও ভ্রূণ-বিষাক্ত প্রমাণিত হয়েছে, এবং এটি ভ্রূণের গুরুতর ক্ষতি করতে পারে। সন্তান ধারণে সক্ষম নারীদের Platinex চিকিৎসাকালে এবং চিকিৎসা শেষ হওয়ার পরও একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কার্যকর গর্ভনিরোধক ব্যবহার করা উচিত এবং গর্ভধারণ এড়িয়ে চলা উচিত। চিকিৎসাকালে গর্ভধারণ ঘটলে রোগীকে ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে জানাতে হবে এবং অবিলম্বে বিশেষজ্ঞ মূল্যায়নের জন্য পাঠাতে হবে।

Platinex স্তন্যদানকালেও নিষিদ্ধ; এটি মায়ের বুকের দুধে পাওয়া গেছে, এবং শিশুর গুরুতর বিষক্রিয়ার ঝুঁকি থাকায় চিকিৎসা শুরুর আগে ও চিকিৎসাকালীন সম্পূর্ণ সময় স্তন্যদান বন্ধ রাখতে হবে।

সতর্কতা

কিডনি বিষক্রিয়া (গুরুতর, সুপ্রতিষ্ঠিত ঝুঁকি)

Platinex-এর একটি প্রধান, সুপ্রতিষ্ঠিত বিষক্রিয়া হলো ক্রমপুঞ্জিত, মাত্রা-নির্ভর কিডনি ক্ষতি, যা গুরুতর হতে পারে। চিকিৎসা শুরুর আগে এবং পরবর্তী প্রতিটি চক্রের আগে কিডনির কার্যক্ষমতা (সিরাম ক্রিয়েটিনিন, BUN, ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স) ও সিরাম ইলেক্ট্রোলাইট মূল্যায়ন করতে হবে। প্রতিটি মাত্রার আগে ও পরে তীব্র শিরাপথে হাইড্রেশন (মাত্রা ও সেবনবিধি দেখুন) এবং সম্ভব হলে অন্যান্য কিডনি-বিষাক্ত ওষুধ এড়িয়ে চলা এই ঝুঁকি কমাতে অপরিহার্য; কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস পেলে মাত্রা বন্ধ রাখা বা কমানো উচিত।

শ্রবণ বিষক্রিয়া (গুরুতর, সুপ্রতিষ্ঠিত ঝুঁকি)

বিশেষত উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সি পরিসরে শ্রবণশক্তি হ্রাস ও কানে শোঁ শোঁ শব্দ দেখা দিতে পারে, যা বারবার মাত্রা প্রয়োগে ক্রমপুঞ্জিত ও অপরিবর্তনীয় হতে পারে; শিশুদের ক্ষেত্রে এবং সহগামী মাথার রেডিওথেরাপি বা অন্যান্য শ্রবণ-বিষাক্ত ওষুধের সাথে ঝুঁকি বেশি। চিকিৎসা শুরুর আগে, প্রতিটি পরবর্তী মাত্রার আগে, এবং চিকিৎসা শেষ হওয়ার পরে দীর্ঘমেয়াদী ফলো-আপের জন্য অডিওমেট্রিক পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়।

তীব্র বমি বমি ভাব ও বমি

Platinex অত্যন্ত এমেটোজেনিক; প্রতিটি মাত্রার আগে ও পরে তীব্র প্রাথমিক ও বিলম্বিত বমি বমি ভাব ও বমি প্রতিরোধ করতে বর্তমান অ্যান্টিইমেটিক নির্দেশিকা অনুযায়ী আক্রমণাত্মক প্রফিল্যাক্টিক অ্যান্টিইমেটিক চিকিৎসা দিতে হবে, অন্যথায় এটি পানিশূন্যতা ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার কারণ হতে পারে।

অস্থিমজ্জা দমন

অস্থিমজ্জা দমন (শ্বেত রক্তকণিকা, লোহিত রক্তকণিকা ও প্লেটলেট হ্রাস) সাধারণ ও মাত্রা-নির্ভর, সাধারণত মাত্রা প্রয়োগের ২-৩ সপ্তাহ পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছায়। নিয়মিত সম্পূর্ণ রক্ত পরীক্ষা (CBC) পর্যবেক্ষণ করতে হবে, এবং উল্লেখযোগ্য অস্থিমজ্জা দমনের ক্ষেত্রে চিকিৎসা বন্ধ রাখা বা মাত্রা কমাতে হবে, কারণ এতে সংক্রমণ ও রক্তক্ষরণের গুরুতর ঝুঁকি জড়িত।

অ্যানাফাইল্যাক্টিক-জাতীয় প্রতিক্রিয়া

Platinex প্রয়োগের কয়েক মিনিটের মধ্যে মুখমণ্ডল ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট (ব্রঙ্কোকনস্ট্রিকশন), দ্রুত হৃদস্পন্দন, ও নিম্ন রক্তচাপ দেখা দিতে পারে, বিশেষত পূর্বে চিকিৎসাপ্রাপ্ত রোগীদের ক্ষেত্রে। Platinex প্রয়োগের সময় রিসাসিটেশন সরঞ্জাম ও ওষুধ প্রস্তুত রাখতে হবে, এবং প্রতিটি ইনফিউশনের সময় ও পরে রোগীকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

ইলেক্ট্রোলাইট ঘাটতি

Platinex সাধারণত কিডনির মাধ্যমে ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম ও ক্যালসিয়ামের ক্ষয় ঘটায়, যার জন্য চিকিৎসার আগে, চলাকালীন ও পরে ইলেক্ট্রোলাইট পর্যবেক্ষণ ও প্রতিস্থাপন প্রয়োজন হতে পারে।

পেরিফেরাল স্নায়ু ও চোখের বিষক্রিয়া

বিশেষত উচ্চতর ক্রমপুঞ্জিত মাত্রা বা দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় পেরিফেরাল সেন্সরি নিউরোপ্যাথি দেখা দিতে পারে, যা অপরিবর্তনীয় হতে পারে; শেষ মাত্রার কয়েক সপ্তাহ পরও লক্ষণ দেখা দিতে বা বাড়তে পারে। দৃষ্টি সংক্রান্ত সমস্যা, বিরল অপটিক নিউরাইটিসসহ, রিপোর্ট করা হয়েছে; নতুন বা বেড়ে যাওয়া অবশভাব, ঝিনঝিন অনুভূতি, বা দৃষ্টি পরিবর্তন হলে দ্রুত জানান।

সাধারণ ব্যবহার নির্দেশনা

Platinex একটি অত্যন্ত বিষাক্ত সাইটোটক্সিক ওষুধ এবং প্রশিক্ষিত কর্মীদের দ্বারা প্রাতিষ্ঠানিক ঝুঁকিপূর্ণ ওষুধ ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রস্তুত, পরিচালনা ও নিষ্পত্তি করতে হবে। Platinex চিকিৎসকের নির্দেশ ও সময়সূচি অনুযায়ী হুবহু প্রয়োগ করতে হবে — সরাসরি চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা, চক্র বা সংযুক্ত পদ্ধতি কখনোই পরিবর্তন, বিলম্বিত বা অন্য কারো সাথে ভাগ করা উচিত নয়, এবং প্রতিটি নির্ধারিত পরীক্ষাগার পর্যবেক্ষণ (কিডনি কার্যক্ষমতা, রক্ত পরীক্ষা, ইলেক্ট্রোলাইট, শ্রবণ পরীক্ষা) নিয়মিত করাতে হবে।

মাত্রাধিক্যতা

Platinex-এর অতিরিক্ত মাত্রা গুরুতর, এমনকি প্রাণঘাতী বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে তীব্র কিডনি বিকল হওয়া, যকৃত বিকল হওয়া, দীর্ঘস্থায়ী তীব্র অস্থিমজ্জা দমন, তীব্র ও নিয়ন্ত্রণ-অসাধ্য বমি বমি ভাব ও বমি, বধিরতা, অপটিক নিউরাইটিস ও অন্যান্য চোখের বিষক্রিয়া, এবং পেরিফেরাল নিউরাইটিস। Platinex-এর অতিরিক্ত মাত্রার জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (অ্যান্টিডোট) নেই, এবং একবার ওষুধ প্রোটিনের সাথে আবদ্ধ হয়ে গেলে হেমোডায়ালাইসিস কার্যকর হয় না। অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন অথবা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; বিশেষজ্ঞ (অনকোলজি/ক্রিটিক্যাল কেয়ার) তত্ত্বাবধানে সহায়ক চিকিৎসা দেওয়া হয়, যার মধ্যে নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও ফলস্বরূপ অঙ্গ বিষক্রিয়ার চিকিৎসা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

সংরক্ষণ

অখোলা Platinex ভায়াল নিয়ন্ত্রিত ঘরের তাপমাত্রায় (২০-২৫°C), আলো থেকে সুরক্ষিত অবস্থায় সংরক্ষণ করুন এবং ফ্রিজে রাখবেন না, কারণ ফ্রিজে রাখলে ওষুধটি দ্রবণ থেকে পলি (precipitate) হিসেবে জমাট বেঁধে যেতে পারে। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। ইনফিউশনের জন্য পুনর্গঠিত বা মিশ্রিত করার পর, Platinex দ্রবণের স্থিতিশীলতা সীমিত, আলো থেকে সুরক্ষিত রাখতে হবে, কখনো ফ্রিজে রাখা যাবে না, এবং প্রোডাক্ট লেবেল বা হাসপাতাল ফার্মেসি পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবহার করতে হবে; অব্যবহৃত অংশ প্রাতিষ্ঠানিক নির্দেশিকা অনুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ সাইটোটক্সিক বর্জ্য হিসেবে নিষ্পত্তি করতে হবে।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে

নির্দিষ্ট শৈশবকালীন সলিড টিউমারের জন্য বিশেষজ্ঞ-নির্দেশিত সংযুক্ত কেমোথেরাপি পদ্ধতির অংশ হিসেবে পেডিয়াট্রিক অনকোলজিতে Platinex ব্যবহৃত হয়, তবে শিশুদের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা তথ্য প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় সীমিত, এবং এটি শুধুমাত্র পেডিয়াট্রিক অনকোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত। শিশুদের ক্ষেত্রে Platinex-জনিত শ্রবণ বিষক্রিয়া প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় বেশি সাধারণ ও গুরুতর হতে পারে; ক্রমপুঞ্জিত ও অপরিবর্তনীয় শ্রবণশক্তি হ্রাসের ঝুঁকি থাকায় চিকিৎসা শুরুর আগে, চিকিৎসাকালীন, ও চিকিৎসা শেষের পর কয়েক বছর ধরে অডিওমেট্রিক (শ্রবণ) পরীক্ষা প্রয়োজন।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে

বয়স্ক রোগীরা Platinex-জনিত কিডনি বিষক্রিয়া, অস্থিমজ্জা দমন ও পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথির প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারেন, এবং তাদের সংক্রামক জটিলতার ঝুঁকি বেশি থাকে; এই গোষ্ঠীতে কিডনির কার্যক্ষমতা বিশেষভাবে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Platinex 1 mg/ml IV Infusion কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Platinex 1 mg/ml IV Infusion একটি প্ল্যাটিনাম-ভিত্তিক কেমোথেরাপি ওষুধ, যা অনকোলজিস্টের নির্দেশনায় সংযুক্ত বা একক পদ্ধতিতে মেটাস্ট্যাটিক টেস্টিকুলার ক্যান্সার, মেটাস্ট্যাটিক ওভারিয়ান ক্যান্সার, এবং অ্যাডভান্সড ব্লাডার ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, এবং মাথা-ঘাড়, সার্ভিক্যাল ও ফুসফুস ক্যান্সারের মতো অন্যান্য কিছু সলিড টিউমারেও সংযুক্ত পদ্ধতিতে ব্যবহৃত হয়।

Q: Platinex 1 mg/ml IV Infusion কীভাবে দেওয়া হয়?

A: Platinex 1 mg/ml IV Infusion শুধুমাত্র হাসপাতাল বা বিশেষায়িত অনকোলজি ইউনিটে ধীরগতিতে শিরাপথে ইনফিউশন হিসেবে দেওয়া হয়, কখনোই মুখে খাওয়ানো হয় না। প্রতিটি মাত্রার আগে তীব্র শিরাপথে তরল হাইড্রেশন এবং পরে নিয়ন্ত্রিত প্রস্রাব নির্গমনসহ পোস্ট-হাইড্রেশন দিতে হবে, কারণ এটি Platinex 1 mg/ml IV Infusion থেকে কিডনি ক্ষতির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়।

Q: Platinex 1 mg/ml IV Infusion চিকিৎসার সবচেয়ে গুরুতর ঝুঁকিগুলো কী কী?

A: Platinex 1 mg/ml IV Infusion-এর সবচেয়ে গুরুতর, সুপ্রতিষ্ঠিত ঝুঁকিগুলো হলো কিডনি ক্ষতি (নেফ্রোটক্সিসিটি), শ্রবণশক্তি হ্রাস ও কানে শোঁ শোঁ শব্দ (ওটোটক্সিসিটি), তীব্র বমি বমি ভাব ও বমি, এবং অস্থিমজ্জা দমন (যা সংক্রমণ ও রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়)। চিকিৎসাকালীন সময়ে আপনার চিকিৎসক দল নিয়মিতভাবে আপনার কিডনির কার্যক্ষমতা, রক্ত পরীক্ষা, শ্রবণশক্তি ও ইলেক্ট্রোলাইট পরীক্ষা করবেন যাতে এসব সমস্যা প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে।

Q: Platinex 1 mg/ml IV Infusion মাত্রার আগে ও পরে কেন এত বেশি শিরাপথে তরল প্রয়োজন?

A: Platinex 1 mg/ml IV Infusion উল্লেখযোগ্য কিডনি ক্ষতি করতে পারে, এবং প্রতিটি মাত্রার আগে ও পরে পর্যাপ্ত শিরাপথে তরল (হাইড্রেশন) দেওয়া, পাশাপাশি ভালো প্রস্রাব নির্গমন বজায় রাখা, Platinex 1 mg/ml IV Infusion চিকিৎসার সময় কিডনি রক্ষা করার একটি সুপ্রতিষ্ঠিত ও অপরিহার্য উপায়। এই হাইড্রেশন এড়িয়ে যাওয়া বা কমানো হলে গুরুতর কিডনি ক্ষতির ঝুঁকি বেড়ে যায়।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Platinex 1 mg/ml IV Infusion গ্রহণ করা কি নিরাপদ?

A: না। Platinex 1 mg/ml IV Infusion গর্ভাবস্থায় নিষিদ্ধ, কারণ এটি একটি সাইটোটক্সিক কেমোথেরাপি ওষুধ যা বিকাশমান ভ্রূণের গুরুতর ক্ষতি করতে পারে, এবং এটি স্তন্যদানকালেও নিষিদ্ধ কারণ এটি বুকের দুধে প্রবেশ করে। চিকিৎসাকালীন ও পরবর্তী সময়ে কার্যকর গর্ভনিরোধক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়; Platinex 1 mg/ml IV Infusion শুরু করার আগে আপনার অনকোলজিস্টের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করুন।

Q: Platinex 1 mg/ml IV Infusion ইনফিউশনের সময় কানে শোঁ শোঁ শব্দ, অবশভাব, বা অ্যালার্জি-জাতীয় প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করলে কী করব?

A: অবিলম্বে আপনার চিকিৎসক দলকে জানান। কানে শোঁ শোঁ শব্দ বা শ্রবণ পরিবর্তন শ্রবণ বিষক্রিয়ার লক্ষণ হতে পারে, অবশভাব বা ঝিনঝিন অনুভূতি স্নায়ু বিষক্রিয়ার (পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি) লক্ষণ হতে পারে, এবং ইনফিউশনের সময় বা পরপরই মুখমণ্ডল ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, বা দ্রুত হৃদস্পন্দন গুরুতর অ্যালার্জি-জাতীয় (অ্যানাফাইল্যাক্টিক) প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ হতে পারে, যার জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন। অতিরিক্ত মাত্রা বা গুরুতর প্রতিক্রিয়ার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবায় যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor