
Asunra400 mg
Novartis (Bangladesh) Ltd.
Deferasirox একটি মুখে খাওয়ার আয়রন-কিলেটিং ওষুধ।
Deferasirox একটি মুখে খাওয়ার আয়রন-কিলেটিং ওষুধ। এর প্রমাণ-ভিত্তিক নির্দেশনাগুলো নিচে দেওয়া হলো।
Deferasirox-এর শুরুর মাত্রা নির্দেশনা, শরীরের ওজন, ট্রান্সফিউশনজনিত আয়রন গ্রহণ এবং চিকিৎসার লক্ষ্য অনুযায়ী পৃথকভাবে নির্ধারণ করা হয়, এবং পরবর্তীতে প্রতি ৩-৬ মাস অন্তর সিরাম ফেরিটিনের ধারাবাহিক পরিবর্তন (এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে লিভার আয়রন কনসেনট্রেশন) অনুযায়ী সমন্বয় করা হয়। চিকিৎসা শুরুর আগে বেসলাইন কিডনি কার্যকারিতা (eGFR) মূল্যায়ন করা উচিত, এবং সংশ্লিষ্ট নির্দেশনার জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তাবিত মাত্রা অতিক্রম করা উচিত নয়।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা | মন্তব্য |
|---|---|---|
| ট্রান্সফিউশনজনিত আয়রন ওভারলোড | শুরুতে প্রায় ১৪ mg/kg/day (ফিল্ম-কোটেড ট্যাবলেট মাত্রা অনুযায়ী; অন্যান্য ফর্মুলেশনের জন্য সমতুল্য সমন্বয় প্রয়োজন); ফেরিটিনের প্রবণতা অনুযায়ী প্রতি ৩-৬ মাসে ৩.৫-৭ mg/kg বৃদ্ধি করা যেতে পারে, সর্বোচ্চ ২৮ mg/kg/day পর্যন্ত | পরপর দুই মূল্যায়নে ফেরিটিন প্রায় ১,০০০ mcg/L-এর নিচে নামলে মাত্রা কমাতে হবে; ফেরিটিন প্রায় ৫০০ mcg/L-এর নিচে নামলে চিকিৎসা সাময়িকভাবে বন্ধ করতে হবে |
| নন-ট্রান্সফিউশন-ডিপেন্ডেন্ট থ্যালাসেমিয়া (NTDT) | শুরুতে প্রায় ৭ mg/kg/day; লিভার আয়রন কনসেনট্রেশন বেশি থাকলে ৪ সপ্তাহ পর ১৪ mg/kg/day পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে; সর্বোচ্চ ১৪ mg/kg/day | লিভার আয়রন কনসেনট্রেশন ও ফেরিটিন লক্ষ্যমাত্রা/নিম্ন স্তরে নামলে চিকিৎসা বন্ধ করতে হবে; প্রতি ৬ মাসে পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে |
২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের (ট্রান্সফিউশনজনিত আয়রন ওভারলোড) এবং ১০ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের (NTDT) ক্ষেত্রে, প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই একই mg/kg ভিত্তিতে মাত্রা নির্ধারণ করা হয়, তবে ভলিউম হ্রাস, কিডনির বিষক্রিয়া এবং ওভারকিলেশনের (প্রকৃত আয়রন বোঝার তুলনায় অতিরিক্ত মাত্রা) জন্য ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
Deferasirox সেবনে নিম্নলিখিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর খবর পাওয়া গেছে।
নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে Deferasirox প্রতিনির্দেশিত।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।