
Enaril5 mg
Beximco Pharmaceuticals Ltd.
Enalapril Maleate একটি অ্যাঞ্জিওটেনসিন-কনভার্টিং এনজাইম (ACE) ইনহিবিটর, যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়: প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension): Enalapril Maleate একা অথবা অন্য…
Enalapril Maleate একটি অ্যাঞ্জিওটেনসিন-কনভার্টিং এনজাইম (ACE) ইনহিবিটর, যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
Enalapril Maleate যেকোনো ইন্ডিকেশনের জন্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পৃথকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
Enalapril Maleate-এর মাত্রা রোগীর অবস্থা, রক্তচাপ, কিডনি কার্যকারিতা এবং সহযোগে ব্যবহৃত ওষুধের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন।
| ইন্ডিকেশন | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা | মন্তব্য |
|---|---|---|
| উচ্চ রক্তচাপ | শুরুতে দৈনিক ৫ মি.গ্রা. (ডাইইউরেটিক সেবনকারীদের ক্ষেত্রে ২.৫ মি.গ্রা.); রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা দৈনিক ১০-৪০ মি.গ্রা., একবারে বা দুই ভাগে | কমপক্ষে ১-২ সপ্তাহ অন্তর মাত্রা সমন্বয় |
| হার্ট ফেইলিওর | শুরুতে দৈনিক ২.৫ মি.গ্রা. একবার বা দুইবার; লক্ষ্যমাত্রা দৈনিক ২০ মি.গ্রা. দুই ভাগে | ঘনিষ্ঠ চিকিৎসা তত্ত্বাবধানে শুরু করা উচিত |
| উপসর্গহীন LV ডিসফাংশন | শুরুতে ২.৫ মি.গ্রা. দিনে দুইবার, ধীরে ধীরে ২০ মি.গ্রা./দিন পর্যন্ত | কয়েক সপ্তাহ ধরে মাত্রা বৃদ্ধি |
ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ≤৩০ মি.লি./মিনিট হলে Enalapril Maleate-এর প্রাথমিক মাত্রা দৈনিক ২.৫ মি.গ্রা. রাখা হয় এবং সতর্কভাবে সমন্বয় করা হয়।
শিশুদের ওজন-ভিত্তিক মাত্রার জন্য "শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার" অংশ দেখুন।
Enalapril Maleate-এর কোনো মাত্রা বাদ পড়লে মনে পড়ামাত্র তা সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে বাদ পড়া মাত্রাটি বাদ দিন। একসাথে দ্বিগুণ মাত্রা সেবন করবেন না।
Enalapril Maleate সেবনে নিম্নলিখিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে:
Enalapril Maleate সেবনকালে মুখ/জিহ্বা/গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, বা লিভার সমস্যার লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Enalapril Maleate ব্যবহার নিষিদ্ধ:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।