
Edopain ER600 mg
Incepta Pharmaceuticals Ltd.
Etodolac একটি নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID) যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত: অস্টিওআর্থ্রাইটিস: অস্টিওআর্থ্রাইটিসের লক্ষণ ও উপসর্গ উপশমে ইত্যাদি।
Etodolac একটি নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID) যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত:
এগুলো প্রতিষ্ঠিত ও অনুমোদিত ব্যবহার। শিশুদের ক্ষেত্রে অস্টিওআর্থ্রাইটিস/রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের জন্য Etodolac-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রমাণিত নয়।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা |
|---|---|
| অস্টিওআর্থ্রাইটিস/রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (তাৎক্ষণিক-মুক্তি) | দিনে দুই বা তিনবার ৩০০ মিগ্রা, অথবা দিনে দুইবার ৪০০-৫০০ মিগ্রা; দৈনিক মোট মাত্রা সাধারণত ১০০০ মিগ্রার বেশি নয় |
| অস্টিওআর্থ্রাইটিস/রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (বর্ধিত-মুক্তি) | দিনে একবার ৪০০-১০০০ মিগ্রা, রোগীর প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী নির্ধারিত |
| তীব্র ব্যথা | প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতি ৬-৮ ঘণ্টায় ২০০-৪০০ মিগ্রা; দৈনিক মোট মাত্রা ১০০০ মিগ্রার বেশি নয় (শুধুমাত্র তাৎক্ষণিক-মুক্তি ফর্ম) |
পাকস্থলীর অস্বস্তি হলে Etodolac খাবার, দুধ বা অ্যান্টাসিডের সাথে সেবন করা যেতে পারে, যদিও এতে পাকস্থলীর ক্ষত হওয়ার ঝুঁকি সম্পূর্ণ দূর হয় না। NSAID শ্রেণীর নিরাপত্তা সুপারিশ অনুযায়ী সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা সবচেয়ে কম সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত। বর্ধিত-মুক্তি ট্যাবলেট পুরো গিলে খেতে হবে, ভাঙা, চিবানো বা টুকরা করা যাবে না। যকৃত বা কিডনি সমস্যায় মাত্রা সমন্বয়ের জন্য দেখুন 'শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার' অংশ।
Etodolac-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে:
Etodolac-এর কম সাধারণ কিন্তু গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে পাকস্থলীর ক্ষত/রক্তক্ষরণ/ছিদ্র, হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত জটিলতা (হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক), যকৃতের ক্ষতি, কিডনি সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট ফেইলিউর বৃদ্ধি, গুরুতর চর্মরোগ এবং অ্যানাফাইল্যাক্টয়েড প্রতিক্রিয়া। Etodolac সেবনকালে কালো পায়খানা, রক্তবমি, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, হঠাৎ দুর্বলতা বা কথা জড়িয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Etodolac নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।