Product gallery
MRP ৮.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৭.২০/piece
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Edopain একটি নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID) যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত:

  • অস্টিওআর্থ্রাইটিস: অস্টিওআর্থ্রাইটিসের লক্ষণ ও উপসর্গ উপশমে, তীব্র ও দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থাপনা উভয় ক্ষেত্রেই।
  • রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস: রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের লক্ষণ ও উপসর্গ উপশমে।
  • তীব্র ব্যথা ব্যবস্থাপনা: প্রাপ্তবয়স্কদের মৃদু থেকে মাঝারি তীব্র ব্যথা (যেমন অস্ত্রোপচার পরবর্তী বা মাংসপেশি/হাড়ের ব্যথা) নিয়ন্ত্রণে।

এগুলো প্রতিষ্ঠিত ও অনুমোদিত ব্যবহার। শিশুদের ক্ষেত্রে অস্টিওআর্থ্রাইটিস/রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের জন্য Edopain-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রমাণিত নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Edopain নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID) শ্রেণীর অন্তর্গত, বিশেষভাবে পাইরানোকার্বক্সিলিক অ্যাসিড উপশ্রেণীর একটি ওষুধ। এটি ব্যথানাশক, প্রদাহনাশক এবং জ্বরনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

কার্যপ্রণালী: Etodolac সাইক্লো-অক্সিজেনেজ (COX) এনজাইম প্রতিরোধ করে কাজ করে, যার ফলে প্রদাহ, ব্যথা ও জ্বর সৃষ্টিকারী প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনের সংশ্লেষণ হ্রাস পায়। এর ফলে Etodolac-এর প্রদাহনাশক, ব্যথানাশক ও জ্বরনাশক প্রভাব দেখা যায়।

Etodolac কিছু পুরনো NSAID-এর তুলনায় COX-1-এর চেয়ে COX-2-এর প্রতি কিছুটা বেশি নির্বাচনশীলতা দেখায়, তবে এটি সম্পূর্ণ নির্বাচনী COX-2 প্রতিরোধক নয় এবং এখনও NSAID শ্রেণীর সাধারণ পাকস্থলী ও হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত ঝুঁকি বহন করে।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স: Etodolac মুখে সেবনের পর ভালোভাবে শোষিত হয়, উচ্চ মাত্রায় প্রোটিনের সাথে যুক্ত হয় (>৯৯%), যকৃতে বিপাকিত হয় এবং প্রধানত কিডনির মাধ্যমে বিপাকজ পদার্থ হিসেবে নির্গত হয়। এর অর্ধায়ু প্রায় ৬-৮ ঘণ্টা, যা দিনে দুই/তিনবার (তাৎক্ষণিক-মুক্তি) এবং দিনে একবার (বর্ধিত-মুক্তি) উভয় প্রকার ফর্মুলেশন সমর্থন করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

নির্দেশনাপ্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
অস্টিওআর্থ্রাইটিস/রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (তাৎক্ষণিক-মুক্তি)দিনে দুই বা তিনবার ৩০০ মিগ্রা, অথবা দিনে দুইবার ৪০০-৫০০ মিগ্রা; দৈনিক মোট মাত্রা সাধারণত ১০০০ মিগ্রার বেশি নয়
অস্টিওআর্থ্রাইটিস/রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (বর্ধিত-মুক্তি)দিনে একবার ৪০০-১০০০ মিগ্রা, রোগীর প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী নির্ধারিত
তীব্র ব্যথাপ্রয়োজন অনুযায়ী প্রতি ৬-৮ ঘণ্টায় ২০০-৪০০ মিগ্রা; দৈনিক মোট মাত্রা ১০০০ মিগ্রার বেশি নয় (শুধুমাত্র তাৎক্ষণিক-মুক্তি ফর্ম)

পাকস্থলীর অস্বস্তি হলে Edopain খাবার, দুধ বা অ্যান্টাসিডের সাথে সেবন করা যেতে পারে, যদিও এতে পাকস্থলীর ক্ষত হওয়ার ঝুঁকি সম্পূর্ণ দূর হয় না। NSAID শ্রেণীর নিরাপত্তা সুপারিশ অনুযায়ী সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা সবচেয়ে কম সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত। বর্ধিত-মুক্তি ট্যাবলেট পুরো গিলে খেতে হবে, ভাঙা, চিবানো বা টুকরা করা যাবে না। যকৃত বা কিডনি সমস্যায় মাত্রা সমন্বয়ের জন্য দেখুন 'শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার' অংশ।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Edopain-এর সাথে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:

  • অ্যাসপিরিন ও অন্যান্য NSAID: একসাথে ব্যবহারে পাকস্থলীর রক্তক্ষরণ/ক্ষতের ঝুঁকি বাড়ে, কার্যকারিতা না বাড়িয়ে; Edopain-এর সাথে অন্য NSAID বা অ্যাসপিরিন একত্রে এড়িয়ে চলুন।
  • রক্ত পাতলাকারী ওষুধ (যেমন ওয়ারফারিন) ও অ্যান্টিপ্লেটলেট ওষুধ: Edopain রক্ত পাতলাকারী ওষুধের প্রভাব বাড়িয়ে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে; একসাথে ব্যবহারে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • ACE ইনহিবিটর, ARB ও ডাইইউরেটিক: Edopain এসব ওষুধের রক্তচাপ ও মূত্রবর্ধক প্রভাব কমিয়ে দিতে পারে এবং তরল-স্বল্পতাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে কিডনি ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • লিথিয়াম: Edopain লিথিয়ামের কিডনি নিঃসরণ কমিয়ে রক্তে লিথিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
  • মেথোট্রেক্সেট: Edopain মেথোট্রেক্সেটের নিঃসরণ কমিয়ে এর বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • কর্টিকোস্টেরয়েড: Edopain-এর সাথে একত্রে ব্যবহারে পাকস্থলীর ক্ষত ও রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে।
  • সাইক্লোস্পোরিন: Edopain সাইক্লোস্পোরিনের কিডনির উপর ক্ষতিকর প্রভাব বাড়াতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

Etodolac নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়:

  • Etodolac বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা থাকলে।
  • অ্যাসপিরিন বা অন্যান্য NSAID সেবনের পর হাঁপানি, আর্টিকেরিয়া বা অন্য ধরনের অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার ইতিহাস থাকলে (তীব্র, প্রাণঘাতী অ্যানাফাইল্যাক্টয়েড প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকির কারণে)।
  • করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফট (CABG) অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে ব্যবহার (এতে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে বলে প্রমাণিত)।
  • গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ব্যবহার (ভ্রূণের ডাক্টাস আর্টেরিওসাস অকালে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কারণে)।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Edopain-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে:

  • পরিপাকতন্ত্র: বদহজম, পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা
  • স্নায়ুতন্ত্র: মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, তন্দ্রাভাব
  • অন্যান্য: তরল ধারণ/ফোলাভাব, র‍্যাশ, চুলকানি, কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ

Edopain-এর কম সাধারণ কিন্তু গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে পাকস্থলীর ক্ষত/রক্তক্ষরণ/ছিদ্র, হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত জটিলতা (হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক), যকৃতের ক্ষতি, কিডনি সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট ফেইলিউর বৃদ্ধি, গুরুতর চর্মরোগ এবং অ্যানাফাইল্যাক্টয়েড প্রতিক্রিয়া। Edopain সেবনকালে কালো পায়খানা, রক্তবমি, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, হঠাৎ দুর্বলতা বা কথা জড়িয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহ থেকে Edopain এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এই পর্যায়ে NSAID ব্যবহারে ভ্রূণের কিডনি কার্যক্রমে সমস্যা এবং অলিগোহাইড্র্যামনিওস হতে পারে। গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে Edopain ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, কারণ এতে ভ্রূণের হৃদযন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালী অকালে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। গর্ভাবস্থার প্রথমদিকে Edopain শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে হলেই ব্যবহার করা উচিত।

স্তন্যদান: Edopain বুকের দুধে নির্গত হয় কিনা তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা নেই। শিশুর ক্ষতির সম্ভাবনা বিবেচনা করে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী স্তন্যদান বন্ধ করা বা Edopain বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

Edopain-এর ক্ষেত্রে NSAID শ্রেণীর অন্যান্য ওষুধের মতোই গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা প্রযোজ্য:

  • হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত ঝুঁকি: Edopain-সহ NSAID ব্যবহারে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মতো গুরুতর, এমনকি প্রাণঘাতী জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে, বিশেষত দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে বা হৃদরোগের ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের ক্ষেত্রে। CABG অস্ত্রোপচারের পেরিঅপারেটিভ ব্যথায় Edopain ব্যবহার নিষিদ্ধ।
  • পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত ঝুঁকি: Edopain-সহ NSAID পাকস্থলী বা অন্ত্রের রক্তক্ষরণ, ক্ষত ও ছিদ্রের ঝুঁকি বাড়ায়, যা প্রাণঘাতী হতে পারে এবং কোনো পূর্ব লক্ষণ ছাড়াই ঘটতে পারে; বয়স্কদের ঝুঁকি বেশি।

অতিরিক্ত সতর্কতা: পেপটিক আলসার/পাকস্থলীর রক্তক্ষরণের ইতিহাস, কিডনি বা যকৃতের সমস্যা, হার্ট ফেইলিউর, উচ্চ রক্তচাপ বা তরল ধারণের প্রবণতা থাকলে সতর্কতার সাথে Edopain ব্যবহার করুন; বয়স্ক ও পানিশূন্য রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করুন। যেখানে সম্ভব অন্য NSAID, অ্যাসপিরিন, রক্ত পাতলাকারী ওষুধ বা কর্টিকোস্টেরয়েডের সাথে একত্রে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া)। Edopain এর প্রদাহনাশক ও জ্বরনাশক প্রভাবের কারণে সংক্রমণের লক্ষণ ঢেকে দিতে পারে। সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা সবচেয়ে কম সময়ের জন্য ব্যবহার করুন।

মাত্রাধিক্যতা

Edopain-এর মাত্রাধিক্যের লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে অলসতা, তন্দ্রাভাব, বমি বমি ভাব, বমি, পেটের উপরিভাগে ব্যথা, পাকস্থলীর রক্তক্ষরণ, উচ্চ রক্তচাপ, তীব্র কিডনি বিকল হওয়া, শ্বাসক্রিয়া কমে যাওয়া এবং বিরল ক্ষেত্রে কোমা বা খিঁচুনি। Edopain-এর মাত্রাধিক্যের জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। মাত্রাধিক্যের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের কাছে যান বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। এটি সহায়ক ও উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসার মাধ্যমে সমাধান করা হয়; নিজে থেকে বাড়িতে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

৩০°সে তাপমাত্রার নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্কদের ক্ষেত্রে: বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে Edopain সেবনে গুরুতর পাকস্থলী, হৃদযন্ত্র ও কিডনি সংক্রান্ত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি; সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ব্যবহার করে নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

কিডনি সমস্যা: উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে Edopain ব্যাপকভাবে গবেষণা করা হয়নি; সতর্কতার সাথে ব্যবহার করে কিডনি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করুন। উন্নত কিডনি রোগে উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি না হলে Edopain এড়িয়ে চলুন।

যকৃতের সমস্যা: যকৃতের সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে Edopain সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন এবং যকৃতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করুন।

শিশুদের ক্ষেত্রে: শিশুদের ক্ষেত্রে Edopain-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রমাণিত নয়; শিশুদের ক্ষেত্রে এর ব্যবহার সুপারিশ করা হয় না।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান: বিস্তারিত জানতে দেখুন গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে অংশ।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Edopain 300 mg Capsule কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Edopain 300 mg Capsule একটি নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID) যা অস্টিওআর্থ্রাইটিস ও রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের কারণে সৃষ্ট ব্যথা, ফোলাভাব ও শক্তভাব উপশমে এবং মৃদু থেকে মাঝারি তীব্র ব্যথা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।

Q: আমি কি Edopain 300 mg Capsule-এর সাথে অ্যাসপিরিন বা আইবুপ্রোফেনের মতো অন্য ব্যথানাশক নিতে পারি?

A: না। Edopain 300 mg Capsule-এর সাথে অ্যাসপিরিন বা অন্য NSAID একত্রে ব্যবহারে অতিরিক্ত ব্যথা উপশম ছাড়াই পাকস্থলীর ক্ষত ও রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে। Edopain 300 mg Capsule শুরু করার আগে আপনার সেবন করা সব ওষুধের কথা চিকিৎসককে জানান।

Q: গর্ভাবস্থায় Edopain 300 mg Capsule কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহ থেকে শিশুর কিডনির ঝুঁকির কারণে Edopain 300 mg Capsule এড়িয়ে চলা উচিত, এবং তৃতীয় ত্রৈমাসিকে এটি নিষিদ্ধ কারণ এটি ভ্রূণের হৃদযন্ত্রের একটি রক্তনালী অকালে বন্ধ করে দিতে পারে। গর্ভাবস্থার প্রথমদিকে শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে, উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই Edopain 300 mg Capsule ব্যবহার করুন।

Q: Edopain 300 mg Capsule সেবনের গুরুতর ঝুঁকি কী কী?

A: অন্যান্য NSAID-এর মতো, Edopain 300 mg Capsule সেবনে হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত গুরুতর জটিলতা (হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক) ও পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত গুরুতর জটিলতা (রক্তক্ষরণ, ক্ষত, ছিদ্র) হতে পারে, যা কোনো পূর্ব লক্ষণ ছাড়াই ঘটতে পারে। Edopain 300 mg Capsule সেবনকালে বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, কালো বা রক্তমিশ্রিত পায়খানা, বা রক্তবমি হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সাহায্য নিন।

Q: কাদের Edopain 300 mg Capsule সেবন করা উচিত নয়?

A: যাদের Edopain 300 mg Capsule, অ্যাসপিরিন বা অন্যান্য NSAID-এর প্রতি অ্যালার্জি আছে (হাঁপানি বা চুলকানির ইতিহাসসহ), যারা করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফট (CABG) অস্ত্রোপচার করাচ্ছেন, এবং যেসব নারী গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে আছেন, তাদের Edopain 300 mg Capsule সেবন করা উচিত নয়।

Q: শিশুরা কি Edopain 300 mg Capsule সেবন করতে পারে?

A: শিশুদের ক্ষেত্রে Edopain 300 mg Capsule-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রমাণিত নয়, তাই শিশুদের ক্ষেত্রে এটি সুপারিশ করা হয় না। শিশুদের জন্য উপযুক্ত বিকল্পের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor