
Feroplus TR200 mg+200
Pacific Pharmaceuticals Ltd.
Ferrous Fumarate + Folic acid নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়: প্রতিষ্ঠিত/নির্দেশিকা-সমর্থিত ব্যবহার: গর্ভাবস্থায় আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ ও চিকিৎসা ইত্যাদি।
Ferrous Fumarate + Folic acid নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
Ferrous Fumarate + Folic acid আয়রন বা ফলেট ঘাটতি ব্যতীত অন্য কারণে সৃষ্ট রক্তস্বল্পতায় (যেমন দীর্ঘস্থায়ী রোগজনিত রক্তস্বল্পতা, হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া, অথবা ভিটামিন বি১২ ঘাটতিজনিত/পার্নিসিয়াস অ্যানিমিয়া) উপযুক্ত নয়, এবং রক্তস্বল্পতার প্রকৃত কারণ নির্ণয় ও চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।
| নির্দেশনা | সাধারণ মাত্রা |
|---|---|
| গর্ভাবস্থায় আয়রন ও ফলেট ঘাটতি রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ | প্রতিদিন একটি ট্যাবলেট, সাধারণত প্রথম অ্যান্টিনেটাল ভিজিটে শুরু করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পুরো গর্ভাবস্থা ও প্রসবোত্তর কিছু সময় (সাধারণত প্রায় ৩ মাস) পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়া হয়। |
| গর্ভাবস্থায় বা প্রাপ্তবয়স্কদের নিশ্চিত আয়রন ও/অথবা ফলেট ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতার চিকিৎসা | ঘাটতির তীব্রতা ও চিকিৎসার প্রতিক্রিয়ার উপর নির্ভর করে চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী দিনে একবার বা দুইবার একটি ট্যাবলেট। |
শিশুদের জন্য Ferrous Fumarate + Folic acid-এর নির্দিষ্ট মাত্রা সুপ্রতিষ্ঠিত নয়; শিশুদের আয়রন ও ফলিক এসিডের চাহিদা সাধারণত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ওজন-ভিত্তিক মাত্রায় নির্দিষ্ট শিশু-উপযোগী প্রস্তুতি দিয়ে পূরণ করা হয় (শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার দেখুন)।
Ferrous Fumarate + Folic acid-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া প্রধানত এর আয়রন উপাদানের সাথে সম্পর্কিত এবং সাধারণত মাত্রা-নির্ভর:
খালি পেটের পরিবর্তে খাবারের সাথে Ferrous Fumarate + Folic acid সেবন করলে পাকস্থলীর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কমতে পারে, যদিও এতে আয়রন শোষণ কিছুটা কমতে পারে। শুধুমাত্র কালো মলের জন্য চিকিৎসা বন্ধ করার প্রয়োজন নেই, তবে নতুন কোনো পরিপাকতন্ত্রীয় রক্তক্ষরণ সন্দেহ হলে সবসময় চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন।
Ferrous Fumarate + Folic acid নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (contraindicated):
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।