
Urbifen50 mg
General Pharmaceuticals Ltd.
Flurbiprofen একটি নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID), যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়: প্রতিষ্ঠিত (মুখে সেবনযোগ্য) ব্যবহার অস্টিওআর্থ্রাইটিস -এর লক্ষণ ও উপসর্গ উপশমে রিউমাটয়েড…
Flurbiprofen একটি নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID), যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
উপরে উল্লেখিত ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে Flurbiprofen ব্যবহারের কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয় এবং তা কেবল চিকিৎসকের পরামর্শেই করা উচিত।
Flurbiprofen-এর মাত্রা রোগীর চিকিৎসার লক্ষ্য অনুযায়ী সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় এবং সংক্ষিপ্ততম সময়ের জন্য নির্ধারণ করা উচিত।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা |
|---|---|
| অস্টিওআর্থ্রাইটিস / রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস | দৈনিক মোট ২০০-৩০০ মিগ্রা, ২-৪ ভাগে বিভক্ত; একক মাত্রা সর্বোচ্চ ১০০ মিগ্রা; দৈনিক সর্বোচ্চ মাত্রা ৩০০ মিগ্রা |
| মৃদু-মাঝারি ব্যথা / প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়া | ৫০ মিগ্রা প্রতি ৪-৬ ঘণ্টা প্রয়োজন অনুযায়ী |
| চোখে ব্যবহার (মায়োসিস প্রতিরোধ) | নির্দিষ্ট পণ্যের অনুমোদিত সময়সূচি অনুযায়ী অস্ত্রোপচারের কয়েক ঘণ্টা আগে থেকে প্রতি ৩০ মিনিট অন্তর অপারেটিভ চোখে ১ ফোঁটা ophthalmic Flurbiprofen দ্রবণ প্রয়োগ |
শিশুদের ক্ষেত্রে: শিশুদের মধ্যে মুখে সেবনযোগ্য Flurbiprofen-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়; বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়।
কিডনি/যকৃতের সমস্যা থাকলে: সতর্কতার সাথে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ব্যবহার করুন এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ করুন; গুরুতর কিডনি বা যকৃতের সমস্যায় এড়িয়ে চলুন (দেখুন বিশেষ জনগোষ্ঠীতে ব্যবহার)।
খাবার, দুধ বা অ্যান্টাসিডের সাথে এক গ্লাস পানি দিয়ে ট্যাবলেট সেবন করলে পাকস্থলীর অস্বস্তি কমে; সেবনের পর ১৫-৩০ মিনিট সোজা হয়ে বসে/দাঁড়িয়ে থাকুন।
Flurbiprofen-এর সাথে সম্পর্কিত সাধারণ ও গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াসমূহ:
Ophthalmic Flurbiprofen সাময়িক জ্বালাপোড়া/চোখ কড়কড় করা, মৃদু জ্বালা এবং বিরল ক্ষেত্রে কর্নিয়া নিরাময়ে বিলম্ব ঘটাতে পারে।
Flurbiprofen নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (contraindicated):
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।