
Puregon50 IU
Healthcare Pharmaceuticals Ltd.
Follitropin Beta একটি রিকম্বিন্যান্ট হিউম্যান ফলিকল স্টিমুলেটিং হরমোন (FSH), যা বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
Follitropin Beta একটি রিকম্বিন্যান্ট হিউম্যান ফলিকল স্টিমুলেটিং হরমোন (FSH), যা বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এর প্রধান ব্যবহারগুলো হলো:
Follitropin Beta সবসময় একজন বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে এবং আল্ট্রাসাউন্ড/হরমোন পর্যবেক্ষণের সুবিধাসহ ব্যবহার করতে হয়।
Follitropin Beta-এর মাত্রা সবসময় একজন বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ দ্বারা ব্যক্তিভিত্তিকভাবে নির্ধারণ করতে হয়, যাতে ওভারিয়ান হাইপারস্টিমুলেশন সিন্ড্রোম (OHSS) ও একাধিক গর্ভধারণের ঝুঁকি কমানো যায়।
| নির্দেশনা | প্রাথমিক মাত্রা | সমন্বয় |
|---|---|---|
| ডিম্বস্ফোটন প্ররোচনা | প্রতিদিন ৫০ IU ত্বকের নিচে, কমপক্ষে ৭ দিন | প্রতিক্রিয়া অপর্যাপ্ত হলে ৭ দিন অন্তর ২৫-৫০ IU বাড়ানো যায়, সাধারণত সর্বোচ্চ ২২৫-২৫০ IU/দিন পর্যন্ত; পর্যাপ্ত ফলিকল বৃদ্ধি নিশ্চিত হলে hCG দেওয়া হয় |
| IVF/ICSI-এর জন্য নিয়ন্ত্রিত ডিম্বাশয় উদ্দীপনা | প্রতিদিন ১৫০-২২৫ IU ত্বকের নিচে, কমপক্ষে ৪-৭ দিন | আল্ট্রাসাউন্ড ও ইস্ট্রাডায়ল পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সমন্বয়; ফলিকল পরিপক্ব হলে hCG দিয়ে ৩৪-৩৬ ঘণ্টা পর ডিম্বাণু সংগ্রহ করা হয় |
| পুরুষদের শুক্রাণু উৎপাদন প্ররোচনা | প্রথমে কয়েক মাস শুধু hCG, এরপর Follitropin Beta সপ্তাহে ২-৩ বার ১৫০-২২৫ IU, hCG অব্যাহত রেখে | কমপক্ষে ৩-৪ মাস চালিয়ে যেতে হয়; প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে ১২ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে |
সব চিকিৎসা চক্রে ট্রান্সভ্যাজাইনাল আল্ট্রাসাউন্ড ও সিরাম ইস্ট্রাডায়ল (নারী) অথবা টেস্টোস্টেরন ও সিমেন অ্যানালাইসিস (পুরুষ) দিয়ে পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
Follitropin Beta ব্যবহারে সাধারণত যেসব পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়:
এর চেয়ে গুরুতর কিন্তু কম সাধারণ ঝুঁকি হলো ওভারিয়ান হাইপারস্টিমুলেশন সিন্ড্রোম (OHSS)—বিস্তারিত জানতে সতর্কতা অংশ দেখুন। বিরল ক্ষেত্রে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া (অ্যানাফাইল্যাক্সিসসহ) ও রক্তনালীতে জমাট বাঁধা দেখা যেতে পারে।
Follitropin Beta নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।