জেনেরিক ওষুধ

Glibenclamide: বাংলাদেশে ব্র্যান্ড, দাম ও ব্যবহার

প্রধান নির্দেশনা Glibenclamide প্রাপ্তবয়স্কদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলিটাস -এ রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হিসেবে খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের পাশাপাশি ব্যবহৃত হয়।

ধরন:Tablet

Glibenclamide সম্পর্কে

Glibenclamide-এর নির্দেশনা

প্রধান নির্দেশনা

Glibenclamide প্রাপ্তবয়স্কদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলিটাস-এ রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হিসেবে খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের পাশাপাশি ব্যবহৃত হয়।

সংযুক্ত চিকিৎসা

একক থেরাপিতে পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ না হলে চিকিৎসকের পরামর্শে Glibenclamide মেটফরমিন বা অন্য অ্যান্টিডায়াবেটিক ওষুধের সাথে সংযুক্তভাবেও ব্যবহার করা হয়।

টাইপ ১ ডায়াবেটিস বা ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিসে Glibenclamide নির্দেশিত নয় — এসব ক্ষেত্রে ইনসুলিন প্রয়োজন।

Glibenclamide-এর মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য — টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলিটাস

পর্যায়মাত্রা
প্রাথমিক মাত্রাসকালের নাস্তা বা প্রথম প্রধান খাবারের সাথে দৈনিক ২.৫–৫ মি.গ্রা.
সংবেদনশীল রোগী (বয়স্ক, অপুষ্টিগ্রস্ত, বৃক্ক/যকৃত সমস্যাযুক্ত)দৈনিক ১.২৫ মি.গ্রা. দিয়ে শুরু
মাত্রা সমন্বয়রক্তে গ্লুকোজের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২.৫ মি.গ্রা. বাড়ানো যেতে পারে
রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রাদৈনিক ১.২৫–২০ মি.গ্রা., একবারে অথবা দুই ভাগে বিভক্ত করে
সর্বোচ্চ মাত্রাGlibenclamide-এর দৈনিক ২০ মি.গ্রা.-এর বেশি মাত্রা সুপারিশ করা হয় না

বৃক্ক/যকৃত সমস্যায়

বৃক্ক বা যকৃতের কার্যক্ষমতা কমে গেলে Glibenclamide ব্যবহারে দীর্ঘস্থায়ী হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়; তাই কম মাত্রায় শুরু করে সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত, এবং উল্লেখযোগ্য সমস্যায় প্রায়ই বিকল্প স্বল্প-কার্যকাল ওষুধ ব্যবহার করা হয় (সতর্কতা অংশ দেখুন)।

শিশুদের ক্ষেত্রে

শিশুদের ক্ষেত্রে Glibenclamide-এর ব্যবহার প্রতিষ্ঠিত নয় (শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার অংশ দেখুন)।

Glibenclamide-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি

Glibenclamide-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে শর্করা কমে যাওয়া); দীর্ঘ কার্যকালের কারণে এটি দীর্ঘস্থায়ী ও গুরুতর হতে পারে, বিরল ক্ষেত্রে কোমা বা খিঁচুনিও দেখা দিতে পারে (সতর্কতা ও মাত্রাধিক্যতা অংশ দেখুন)।

সাধারণ

  • বমি বমি ভাব, পেটে অস্বস্তি, বুক জ্বালা
  • ওজন বৃদ্ধি
  • রক্তে গ্লুকোজের ওঠানামার কারণে সাময়িক ঝাপসা দৃষ্টি

কম সাধারণ / বিরল

  • ত্বকের প্রতিক্রিয়া: চুলকানি, লালচে ভাব, আমবাত, বিরল ক্ষেত্রে আলোক সংবেদনশীলতা
  • রক্তের সমস্যা: লিউকোপেনিয়া, থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া, হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া (বিশেষত G6PD ঘাটতিযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে, সতর্কতা অংশ দেখুন)
  • হাইপোন্যাট্রেমিয়া ও SIADH
  • বিরল ক্ষেত্রে জন্ডিস বা যকৃতের এনজাইম বৃদ্ধি

Glibenclamide-এর প্রতিনির্দেশনা

Glibenclamide নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:

  • Glibenclamide বা অন্য কোনো সালফোনিলইউরিয়া বা ফর্মুলেশনের কোনো উপাদানে অতি সংবেদনশীলতা (অ্যালার্জি)
  • টাইপ ১ ডায়াবেটিস মেলিটাস
  • ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস, কোমাসহ বা ছাড়া

Glibenclamide সম্পর্কে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Glibenclamide কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

Glibenclamide প্রাপ্তবয়স্কদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলিটাসে খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে ব্যবহৃত হয়।

Glibenclamide কীভাবে সেবন করব?

প্রতিদিন একই সময়ে সকালের নাস্তা বা প্রথম প্রধান খাবারের সাথে চিকিৎসকের নির্দেশিত মাত্রায় Glibenclamide মুখে সেবন করুন। ওষুধ সেবনের পর খাবার এড়িয়ে যাবেন না।

Glibenclamide-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী?

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে শর্করা কমে যাওয়া), যা Glibenclamide-এর দীর্ঘ কার্যকালের কারণে দীর্ঘস্থায়ী ও গুরুতর হতে পারে। ঘাম, কাঁপুনি, বিভ্রান্তি বা ক্ষুধার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিনি বা গ্লুকোজ খান এবং গুরুতর হলে চিকিৎসকের সাহায্য নিন।

গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Glibenclamide খাওয়া যাবে কি?

চিকিৎসক যদি মনে করেন উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি, তবেই গর্ভাবস্থায় Glibenclamide ব্যবহার করা যেতে পারে; সাধারণত গর্ভাবস্থায় ইনসুলিনকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয় এবং প্রসবের আগে Glibenclamide বন্ধ করে দেওয়া হয়। স্তন্যদানকালে Glibenclamide ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কারণ এটি বুকের দুধে যায় কিনা তা নিশ্চিতভাবে জানা নেই এবং শিশুর হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে।

কাদের Glibenclamide ব্যবহার করা উচিত নয়?

Glibenclamide বা অন্য সালফোনিলইউরিয়ার প্রতি অ্যালার্জি থাকা ব্যক্তি, টাইপ ১ ডায়াবেটিস রোগী, বা ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিসে আক্রান্ত রোগীদের Glibenclamide ব্যবহার করা উচিত নয় — এসব ক্ষেত্রে ইনসুলিন প্রয়োজন।

Glibenclamide-এর সাথে অন্য ওষুধ খাওয়া যাবে কি?

কিছু ওষুধ (যেমন NSAIDs, নির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যালকোহল) Glibenclamide-এর সাথে রক্তে শর্করা কমে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে, আবার কিছু ওষুধ (যেমন স্টেরয়েড বা রিফাম্পিন) এর কার্যকারিতা কমাতে পারে। Glibenclamide শুরু করার আগে আপনার চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে আপনার সেবনকৃত সব ওষুধের কথা জানান।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

DoctorBlogArticles