
Dibenol5 mg
Square Pharmaceuticals PLC.
প্রধান নির্দেশনা Glibenclamide প্রাপ্তবয়স্কদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলিটাস -এ রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হিসেবে খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের পাশাপাশি ব্যবহৃত হয়।
Glibenclamide প্রাপ্তবয়স্কদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলিটাস-এ রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হিসেবে খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের পাশাপাশি ব্যবহৃত হয়।
একক থেরাপিতে পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ না হলে চিকিৎসকের পরামর্শে Glibenclamide মেটফরমিন বা অন্য অ্যান্টিডায়াবেটিক ওষুধের সাথে সংযুক্তভাবেও ব্যবহার করা হয়।
টাইপ ১ ডায়াবেটিস বা ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিসে Glibenclamide নির্দেশিত নয় — এসব ক্ষেত্রে ইনসুলিন প্রয়োজন।
| পর্যায় | মাত্রা |
|---|---|
| প্রাথমিক মাত্রা | সকালের নাস্তা বা প্রথম প্রধান খাবারের সাথে দৈনিক ২.৫–৫ মি.গ্রা. |
| সংবেদনশীল রোগী (বয়স্ক, অপুষ্টিগ্রস্ত, বৃক্ক/যকৃত সমস্যাযুক্ত) | দৈনিক ১.২৫ মি.গ্রা. দিয়ে শুরু |
| মাত্রা সমন্বয় | রক্তে গ্লুকোজের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২.৫ মি.গ্রা. বাড়ানো যেতে পারে |
| রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা | দৈনিক ১.২৫–২০ মি.গ্রা., একবারে অথবা দুই ভাগে বিভক্ত করে |
| সর্বোচ্চ মাত্রা | Glibenclamide-এর দৈনিক ২০ মি.গ্রা.-এর বেশি মাত্রা সুপারিশ করা হয় না |
বৃক্ক বা যকৃতের কার্যক্ষমতা কমে গেলে Glibenclamide ব্যবহারে দীর্ঘস্থায়ী হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়; তাই কম মাত্রায় শুরু করে সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত, এবং উল্লেখযোগ্য সমস্যায় প্রায়ই বিকল্প স্বল্প-কার্যকাল ওষুধ ব্যবহার করা হয় (সতর্কতা অংশ দেখুন)।
শিশুদের ক্ষেত্রে Glibenclamide-এর ব্যবহার প্রতিষ্ঠিত নয় (শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার অংশ দেখুন)।
Glibenclamide-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে শর্করা কমে যাওয়া); দীর্ঘ কার্যকালের কারণে এটি দীর্ঘস্থায়ী ও গুরুতর হতে পারে, বিরল ক্ষেত্রে কোমা বা খিঁচুনিও দেখা দিতে পারে (সতর্কতা ও মাত্রাধিক্যতা অংশ দেখুন)।
Glibenclamide নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।