
Diaplus5 mg
Pacific Pharmaceuticals Ltd.
Glipizide একটি মুখে খাওয়ার ডায়াবেটিস-বিরোধী ওষুধ, যা প্রাপ্তবয়স্কদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলাইটাস নিয়ন্ত্রণে খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Glipizide একটি মুখে খাওয়ার ডায়াবেটিস-বিরোধী ওষুধ, যা প্রাপ্তবয়স্কদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলাইটাস নিয়ন্ত্রণে খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Glipizide এর মাত্রা রক্তে শর্করার প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী চিকিৎসক ব্যক্তিভেদে নির্ধারণ করেন। সাধারণত কম মাত্রায় শুরু করে ধীরে ধীরে বাড়ানো হয়।
| রোগী/অবস্থা | সাধারণ মাত্রা |
|---|---|
| প্রাপ্তবয়স্ক, সাধারণ (ইমিডিয়েট-রিলিজ) ট্যাবলেট | শুরুতে সকালের নাস্তার আগে দিনে একবার ৫ মিগ্রা; প্রয়োজন অনুযায়ী কয়েকদিন পরপর ২.৫-৫ মিগ্রা করে বাড়ানো যায়; সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা ৫-২০ মিগ্রা/দিন; দৈনিক ১৫ মিগ্রার বেশি মাত্রা সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করে দেওয়া হয়; সর্বোচ্চ ৪০ মিগ্রা/দিন। |
| প্রাপ্তবয়স্ক, এক্সটেন্ডেড-রিলিজ ট্যাবলেট | শুরুতে নাস্তার সাথে দিনে একবার ৫ মিগ্রা; সাড়া অনুযায়ী ধাপে ধাপে ৫ মিগ্রা করে বাড়ানো যায়; সর্বোচ্চ ২০ মিগ্রা/দিন। |
| বয়স্ক রোগী বা লিভারের সমস্যা | হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি কমাতে শুরুতে দিনে একবার ২.৫ মিগ্রা। |
| কিডনি সমস্যা | সতর্কতার সাথে শুরুতে দিনে একবার ২.৫ মিগ্রা এবং ধীরে মাত্রা বাড়ানো। |
| শিশু | নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রমাণিত নয়; সুপারিশ করা হয় না। |
Glipizide ইমিডিয়েট-রিলিজ ট্যাবলেট সাধারণত নাস্তার প্রায় ৩০ মিনিট আগে খেতে হয়, যাতে খাবারের পর রক্তে শর্করা বৃদ্ধির সাথে ওষুধের কার্যকারিতার সময় মিলে যায়। এক্সটেন্ডেড-রিলিজ ট্যাবলেট নাস্তার সাথে সম্পূর্ণ গিলে খেতে হয়, ভাঙা, চিবানো বা ভাগ করা যাবে না। চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া মাত্রা পরিবর্তন বা ওষুধ বন্ধ করা উচিত নয়।
Glipizide এর অধিকাংশ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মাত্রা-সম্পর্কিত এবং মাত্রা সমন্বয়ে ঠিক হয়ে যায়।
Glipizide সেবনকালে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ (ঘাম, কাঁপুনি, বিভ্রান্তি, দ্রুত হৃদস্পন্দন), তীব্র চর্ম প্রতিক্রিয়া, জন্ডিস বা অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Glipizide ব্যবহার করা যাবে না:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।