
Ivaprex5 mg
Incepta Pharmaceuticals Ltd.
প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত নির্দেশনা দীর্ঘমেয়াদী হার্ট ফেইলিউর (কমে যাওয়া ইজেকশন ফ্র্যাকশনসহ): স্থিতিশীল, লক্ষণযুক্ত দীর্ঘমেয়াদী হার্ট ফেইলিউর রোগী, যাদের লেফট ভেন্ট্রিকুলার ইজেকশন ফ্র্যাকশন ≤৩৫% ইত্যাদি।
উল্লেখ্য: হার্ট ফেইলিউরে বিটা-ব্লকার, ACE ইনহিবিটর/ARB/ARNI, মিনারেলোকর্টিকয়েড রিসেপ্টর অ্যান্টাগনিস্ট এবং SGLT2 ইনহিবিটরের মতো গাইডলাইন-নির্দেশিত চিকিৎসার পরিবর্তে নয়, বরং সহায়ক হিসেবেই Ivabradine ব্যবহার করতে হয়।
| ধাপ | মাত্রা |
|---|---|
| স্বাভাবিক প্রারম্ভিক মাত্রা | দিনে দুইবার ৫ মিগ্রা, খাবারের সাথে |
| প্রারম্ভিক মাত্রা (কন্ডাকশন সমস্যাযুক্ত বা অতিরিক্ত হৃদস্পন্দন হ্রাসের ঝুঁকিপূর্ণ রোগী, যেমন বয়স >৭৫) | দিনে দুইবার ২.৫ মিগ্রা, খাবারের সাথে |
| মাত্রা সমন্বয় | ২ সপ্তাহ পর বিশ্রামরত হৃদস্পন্দন অনুযায়ী সমন্বয় করে ৫০-৬০ বিট/মিনিট লক্ষ্যমাত্রায় আনা |
| সর্বোচ্চ মাত্রা | দিনে দুইবার ৭.৫ মিগ্রা |
| হৃদস্পন্দন ক্রমাগত ৫০ বিট/মিনিটের নিচে বা ব্র্যাডিকার্ডিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে | চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী মাত্রা কমানো বা বন্ধ করা |
স্বাভাবিক প্রারম্ভিক মাত্রা দিনে দুইবার ৫ মিগ্রা, ৩-৪ সপ্তাহ পর প্রতিক্রিয়া ও সহনশীলতা অনুযায়ী সমন্বয় করে সর্বোচ্চ দিনে দুইবার ৭.৫ মিগ্রা পর্যন্ত, বিশ্রামরত হৃদস্পন্দন ও এনজাইনার উপসর্গ অনুযায়ী।
| শরীরের ওজন | প্রারম্ভিক মাত্রা | সর্বোচ্চ মাত্রা |
|---|---|---|
| < ৪০ কেজি | দিনে দুইবার ০.০৫ মিগ্রা/কেজি, খাবারের সাথে | দিনে দুইবার সর্বোচ্চ ০.২ মিগ্রা/কেজি (৬-১২ মাস বয়স) বা ০.৩ মিগ্রা/কেজি (≥১ বছর বয়স), তবে দিনে দুইবার ৭.৫ মিগ্রার বেশি নয় |
| ≥ ৪০ কেজি | দিনে দুইবার ২.৫ মিগ্রা, খাবারের সাথে | দিনে দুইবার ৭.৫ মিগ্রা |
শিশুদের ক্ষেত্রে, চিকিৎসকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে হৃদস্পন্দনের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী প্রতি ২ সপ্তাহ অন্তর ধাপে ধাপে মাত্রা সমন্বয় করা হয়।
Ivabradine-এর কোনো মাত্রা মিস হলে, পরবর্তী মাত্রা স্বাভাবিক নির্ধারিত সময়ে সেবন করতে হবে; মিসড মাত্রা পূরণ করতে দ্বিগুণ মাত্রা সেবন করা উচিত নয়।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।