
Lozicum1 mg
Incepta Pharmaceuticals Ltd.
Lorazepam একটি বেনজোডায়াজেপিন গোত্রের ঔষধ, যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়: প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার উদ্বেগজনিত রোগ (Anxiety disorders): স্বল্পমেয়াদী (সাধারণত ৪ মাসের বেশি নয়) উদ্বেগের লক্ষণ বা…
Lorazepam একটি বেনজোডায়াজেপিন গোত্রের ঔষধ, যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
Lorazepam দৈনন্দিন মানসিক চাপজনিত উদ্বেগের জন্য নির্দেশিত নয় এবং দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার সাধারণত পরামর্শযোগ্য নয়।
| নির্দেশনা | সাধারণ মাত্রা |
|---|---|
| উদ্বেগ (মুখে সেবন) | দৈনিক ১-১০ মি.গ্রা., বিভক্ত মাত্রায়; সাধারণত দৈনিক ২-৩ মি.গ্রা. দিয়ে শুরু করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সমন্বয় করা হয়। |
| উদ্বেগজনিত অনিদ্রা (অফ-লেবেল) | রাতে ঘুমানোর আগে ২-৪ মি.গ্রা.। |
| স্ট্যাটাস এপিলেপটিকাস (শিরাপথে, হাসপাতালে) | সাধারণত ৪ মি.গ্রা. ধীরগতিতে শিরাপথে; প্রয়োজনে ১০-১৫ মিনিট পর একবার পুনরাবৃত্তি করা যেতে পারে, চিকিৎসকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী। |
বয়স্ক ও দুর্বল রোগীদের ক্ষেত্রে কম মাত্রায় (দৈনিক ১-২ মি.গ্রা.) শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয়, কারণ তারা Lorazepam-এর প্রশমক প্রভাবের প্রতি বেশি সংবেদনশীল।
Lorazepam সাধারণ যকৃত বিপাক প্রক্রিয়ার উপর নির্ভরশীল না হওয়ায় যকৃতের রোগে তুলনামূলক নিরাপদ হতে পারে, তবে উল্লেখযোগ্য যকৃত বা কিডনি সমস্যায় মাত্রা কমানো ও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সবচেয়ে কম কার্যকর মাত্রায় এবং সবচেয়ে কম সময়ের জন্য Lorazepam সেবন করা উচিত।
Lorazepam-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:
কম দেখা যায় এমন প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মাথাব্যথা, দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া, বমি বমি ভাব এবং চর্মে র্যাশ। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের পর হঠাৎ বন্ধ করলে প্রত্যাহার লক্ষণ দেখা দিতে পারে (সতর্কতা অংশ দেখুন)। Lorazepam সেবনে কোনো অস্বাভাবিক বা গুরুতর প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Lorazepam নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়:
ওপিওয়েডের সাথে Lorazepam-এর একত্রে ব্যবহারে তীব্র প্রশমন ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি সংক্রান্ত বক্সড ওয়ার্নিং রয়েছে (বিস্তারিত মিথষ্ক্রিয়া ও সতর্কতা অংশে দেখুন)।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।