
Bexidal50 mg
Beximco Pharmaceuticals Ltd.
প্রধান ব্যবহার অ্যালার্জিক রাইনাইটিস (হাঁচি, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া) উপশমে Mebhydrolin Napadisylate ব্যবহৃত হয়।
অ্যালার্জিক (extrinsic) হাঁপানিতে প্রচলিত চিকিৎসার পাশাপাশি সহায়ক হিসেবে Mebhydrolin Napadisylate ব্যবহৃত হতে পারে, তবে এটি মূল হাঁপানি নিয়ন্ত্রণ চিকিৎসার বিকল্প নয়।
উল্লেখ্য: Mebhydrolin Napadisylate যুক্তরাষ্ট্রে বাজারজাত বা FDA-অনুমোদিত নয়; উপরের ব্যবহারগুলো বাংলাদেশসহ যেসব দেশে এটি বাজারজাত হয়, সেখানকার নির্দেশিকা অনুযায়ী।
Mebhydrolin Napadisylate ৫০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট: প্রতিদিন ২-৬টি ট্যাবলেট (১০০-৩০০ মি.গ্রা.), বিভক্ত মাত্রায়।
| বয়স | মাত্রা |
|---|---|
| ৫-১০ বছর | প্রতিদিন ২-৪টি ট্যাবলেট, বিভক্ত মাত্রায় |
| ২-৫ বছর | প্রতিদিন ১-৩টি ট্যাবলেট, বিভক্ত মাত্রায় |
| ২ বছরের কম | প্রতিদিন ১-২টি ট্যাবলেট, শুধুমাত্র চিকিৎসকের সরাসরি পরামর্শে |
Mebhydrolin Napadisylate সাধারণত খাবারের সাথে সেবন করা ভালো যাতে পেটে অস্বস্তি না হয়; ছোট শিশুদের জন্য ট্যাবলেট গুঁড়ো করে খাবারের সাথে মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে।
লিভার/কিডনি সমস্যা: নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের তথ্য প্রতিষ্ঠিত নয়; উল্লেখযোগ্য লিভার বা কিডনি সমস্যায় Mebhydrolin Napadisylate সতর্কতার সাথে ও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করতে হবে।
Mebhydrolin Napadisylate-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো ঝিমুনি/তন্দ্রাভাব। অন্যান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে:
Mebhydrolin Napadisylate-এর প্রতি গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া (র্যাশ, অ্যাঞ্জিওএডিমা) বিরল, তবে হলে সাথে সাথে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
Mebhydrolin Napadisylate-এর প্রতি জানা হাইপারসেনসিটিভিটি (অ্যালার্জি) থাকলে এটি ব্যবহার করা যাবে না। এটিই একমাত্র প্রতিষ্ঠিত পরম প্রতিনির্দেশনা। ন্যারো-অ্যাঙ্গেল গ্লুকোমা, প্রোস্টেট বৃদ্ধি/প্রস্রাব ধরে রাখা, তীব্র হাঁপানি/COPD এবং গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকের ক্ষেত্রে Mebhydrolin Napadisylate সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে (দেখুন সতর্কতা ও গর্ভাবস্থা অংশ), সরাসরি প্রতিনির্দেশনা নয়।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।