
Magmil200 ml
Pacific Pharmaceuticals Ltd.
Milk of Magnesia একটি ওভার-দ্য-কাউন্টার ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড সাসপেনশন, যার দুটি মাত্রা-নির্ভর প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার রয়েছে: অ্যান্টাসিড (কম মাত্রায়): বুক জ্বালাপোড়া ইত্যাদি।
Milk of Magnesia একটি ওভার-দ্য-কাউন্টার ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড সাসপেনশন, যার দুটি মাত্রা-নির্ভর প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার রয়েছে:
Milk of Magnesia কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয় এবং এটি কোনো সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য নির্দেশিত নয়। দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য বা বদহজম ব্যবস্থাপনার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।
| ব্যবহার | রোগীর ধরন | সাধারণ মাত্রা |
|---|---|---|
| অ্যান্টাসিড | প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছরের বেশি শিশু | ৫-১৫ মিলি (১-৩ চা চামচ), প্রয়োজনে দিনে সর্বোচ্চ ৪ বার, অথবা লেবেল অনুযায়ী |
| অ্যান্টাসিড | ১২ বছরের কম বয়সী শিশু | ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন |
| ল্যাক্সেটিভ | প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছরের বেশি শিশু | ৩০-৬০ মিলি (২-৪ টেবিল চামচ), সাধারণত দিনে একবার, রাতে ঘুমানোর আগে, এক গ্লাস পানির সাথে |
| ল্যাক্সেটিভ | ৬-১১ বছর বয়সী শিশু | দিনে একবার ১৫-৩০ মিলি, চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী |
| ল্যাক্সেটিভ | ২-৫ বছর বয়সী শিশু | দিনে একবার ৫-১৫ মিলি, শুধুমাত্র চিকিৎসকের নির্দেশনায় |
প্রতিবার ব্যবহারের আগে বোতল ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ল্যাক্সেটিভ হিসেবে ১ সপ্তাহের বেশি এবং অ্যান্টাসিড হিসেবে টানা ২ সপ্তাহের বেশি Milk of Magnesia ব্যবহার করবেন না।
নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করলে Milk of Magnesia সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়। রিপোর্ট করা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:
বিরল কিন্তু গুরুতর: হাইপারম্যাগনেসেমিয়া (বিশেষত কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগী বা অতিরিক্ত/দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে), যার লক্ষণ দুর্বলতা, রক্তচাপ কমে যাওয়া, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন বা বিভ্রান্তি - বিস্তারিত জানতে মাত্রাধিক্যতা অংশ দেখুন। মলদ্বার দিয়ে রক্তপাত হলে বা ব্যবহারের পরও মলত্যাগ না হলে (অন্ত্র বাধার লক্ষণ হতে পারে) ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Milk of Magnesia নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।