
Vasocor2.5 mg
Popular Pharmaceuticals Ltd.
Nebivolol প্রাপ্তবয়স্কদের উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়, একা অথবা অন্যান্য রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণকারী ওষুধের সাথে সংমিশ্রণে।
Nebivolol প্রাপ্তবয়স্কদের উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়, একা অথবা অন্যান্য রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণকারী ওষুধের সাথে সংমিশ্রণে। রক্তচাপ কমালে স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের মতো কার্ডিওভাসকুলার জটিলতার ঝুঁকি হ্রাস পায়।
কিছু ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে স্থিতিশীল, মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার দীর্ঘমেয়াদি হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা (heart failure) ব্যবস্থাপনায় সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে Nebivolol ব্যবহৃত হয়ে থাকে, যদিও এটি যুক্তরাষ্ট্রে FDA-অনুমোদিত ইঙ্গিত নয়।
শুরুর মাত্রা: দিনে একবার ৫ মি.গ্রা., খাবারের সাথে বা ছাড়া। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতি ২ সপ্তাহ অন্তর মাত্রা বাড়ানো যেতে পারে, সর্বোচ্চ মাত্রা দিনে একবার ৪০ মি.গ্রা. পর্যন্ত।
মৃদু-মাঝারি কিডনি জটিলতায় সাধারণত মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। মারাত্মক কিডনি জটিলতায় (creatinine clearance <30 mL/min) বা ডায়ালাইসিসের রোগীদের ক্ষেত্রে দিনে একবার ২.৫ মি.গ্রা. দিয়ে শুরু করে সতর্কতার সাথে মাত্রা বাড়াতে হবে।
মাঝারি লিভার জটিলতায় দিনে একবার ২.৫ মি.গ্রা. দিয়ে শুরু করে সতর্কতার সাথে মাত্রা বাড়াতে হবে। মারাত্মক লিভার জটিলতায় Nebivolol ব্যবহার নিষিদ্ধ (প্রতিনির্দেশনা দেখুন)।
কোনো মাত্রা ভুলে গেলে মনে পড়ার সাথে সাথে তা গ্রহণ করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় ঘনিয়ে এলে ভুলে যাওয়া মাত্রাটি বাদ দিন। একসাথে দ্বিগুণ মাত্রা নেবেন না।
Nebivolol কখনোই হঠাৎ বন্ধ করা উচিত নয়; বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন।
বেশিরভাগ রোগী Nebivolol ভালোভাবে সহ্য করেন। সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:
কম দেখা গেলেও গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে তীব্র ব্র্যাডিকার্ডিয়া, রক্তচাপ অতিরিক্ত কমে যাওয়া, হার্ট ব্লক ও শ্বাসনালী সংকোচন (ব্রঙ্কোস্পাজম)। অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, অত্যন্ত ধীর নাড়ি, তীব্র মাথা ঘোরা বা শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Nebivolol ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।