
Xolair150 mg/via
Novartis (Bangladesh) Ltd.
Omalizumab একটি রিকম্বিন্যান্ট হিউম্যানাইজড মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি যা IgE (ইমিউনোগ্লোবিউলিন ই)-কে লক্ষ্য করে কাজ করে এবং বিভিন্ন IgE-নির্ভর অ্যালার্জিক রোগে ব্যবহৃত হয়।
Omalizumab একটি রিকম্বিন্যান্ট হিউম্যানাইজড মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি যা IgE (ইমিউনোগ্লোবিউলিন ই)-কে লক্ষ্য করে কাজ করে এবং বিভিন্ন IgE-নির্ভর অ্যালার্জিক রোগে ব্যবহৃত হয়।
Omalizumab হঠাৎ ব্রঙ্কোস্প্যাজম বা স্ট্যাটাস অ্যাজমাটিকাসের জরুরি চিকিৎসার জন্য নির্দেশিত নয়।
Omalizumab-এর মাত্রা ও ব্যবধান নির্ভর করে কোন রোগের চিকিৎসা করা হচ্ছে তার উপর, এবং কিছু ক্ষেত্রে রোগীর বেসলাইন সিরাম টোটাল IgE মাত্রা ও শরীরের ওজনের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। Omalizumab শুধুমাত্র সাবকিউটেনিয়াস (ত্বকের নিচে) ইনজেকশন হিসেবে দেওয়া হয়।
| নির্দেশনা | অনুমোদিত বয়স | সাধারণ মাত্রা | ব্যবধান |
|---|---|---|---|
| অ্যালার্জিক অ্যাজমা | ৬ বছর ও তদূর্ধ্ব | ৭৫–৩৭৫ মিগ্রা (IgE ও ওজন অনুযায়ী নির্ধারিত) | প্রতি ২ বা ৪ সপ্তাহে |
| ক্রনিক ইডিওপ্যাথিক ইউর্টিকারিয়া | ১২ বছর ও তদূর্ধ্ব | নির্দিষ্ট ১৫০ মিগ্রা বা ৩০০ মিগ্রা (IgE/ওজন নির্বিশেষে) | প্রতি ৪ সপ্তাহে |
| ক্রনিক রাইনোসাইনুসাইটিস উইথ নাসাল পলিপ | ১৮ বছর ও তদূর্ধ্ব | ৭৫–৬০০ মিগ্রা (IgE ও ওজন অনুযায়ী) | প্রতি ২ বা ৪ সপ্তাহে |
| IgE-নির্ভর খাদ্য অ্যালার্জি | ১ বছর ও তদূর্ধ্ব | ৭৫–৬০০ মিগ্রা (IgE ও ওজন অনুযায়ী) | প্রতি ২ বা ৪ সপ্তাহে |
১৫০ মিগ্রার বেশি মাত্রা সাধারণত একাধিক ইনজেকশন স্থানে ভাগ করে দেওয়া হয়। Omalizumab অবশ্যই একজন স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীর তত্ত্বাবধানে এমন পরিবেশে দিতে হবে যেখানে অ্যানাফাইল্যাক্সিস চিহ্নিতকরণ ও চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে (দেখুন সতর্কতা অংশ), এবং এটি তীব্র অ্যাজমা আক্রমণের সময় ব্যবহারের জন্য নয়।
বেশিরভাগ রোগী Omalizumab মোটামুটি ভালোভাবে সহ্য করেন; পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণ ও মৃদু থেকে বিরল কিন্তু গুরুতর পর্যন্ত হতে পারে।
Omalizumab নেওয়ার পর গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার কোনো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসা সহায়তা নিন।
Omalizumab তাদের ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত, যাদের অতীতে Omalizumab বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি গুরুতর অতি-সংবেদনশীলতা (অ্যানাফাইল্যাক্সিসসহ) হয়েছে।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।