
Ontaxel6 mg/ml
Drug International Ltd.
Paclitaxel একটি ট্যাক্সেন গোত্রের কেমোথেরাপি ওষুধ, যা বিভিন্ন কঠিন টিউমার জাতীয় ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
Paclitaxel একটি ট্যাক্সেন গোত্রের কেমোথেরাপি ওষুধ, যা বিভিন্ন কঠিন টিউমার জাতীয় ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
ডিম্বাশয় ও ফুসফুসের ক্যান্সারে Paclitaxel সাধারণত অন্য ওষুধের (যেমন সিসপ্ল্যাটিন) সাথে সংমিশ্রণে দেওয়া হয়, একক ওষুধ হিসেবে নয়।
কিছু ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ অনকোলজিস্ট চিকিৎসা নির্দেশিকা অনুসরণ করে অন্যান্য কঠিন টিউমারেও Paclitaxel ব্যবহার করতে পারেন; এ ধরনের ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে চিকিৎসকের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল।
Paclitaxel-এর মাত্রা রোগের ধরন, প্রোটোকল এবং রোগীর সহনশীলতার উপর ভিত্তি করে পৃথক করা হয়, এবং এটি কেবল কেমোথেরাপি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানেই প্রয়োগ করা যায়।
| রোগ | Paclitaxel-এর মাত্রা | সময়সূচি |
|---|---|---|
| ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার (প্রথম সারি, সিসপ্ল্যাটিনের সাথে) | ১৩৫ মিগ্রা/মি² (২৪ ঘণ্টায়) অথবা ১৭৫ মিগ্রা/মি² (৩ ঘণ্টায়) | প্রতি ৩ সপ্তাহে একবার |
| স্তন ক্যান্সার (adjuvant/মেটাস্ট্যাটিক) | ১৭৫ মিগ্রা/মি² (৩ ঘণ্টায়) | প্রতি ৩ সপ্তাহে একবার |
| ফুসফুসের ক্যান্সার (NSCLC, সিসপ্ল্যাটিনের সাথে) | ১৩৫ মিগ্রা/মি² (২৪ ঘণ্টায়) | প্রতি ৩ সপ্তাহে একবার |
| কাপোসি সারকোমা | ১৩৫ মিগ্রা/মি² (৩ ঘণ্টায়) অথবা ১০০ মিগ্রা/মি² | ৩ সপ্তাহ বা ২ সপ্তাহ অন্তর |
প্রতিটি ইনফিউশনের আগে কর্টিকোস্টেরয়েড, অ্যান্টিহিস্টামিন এবং H2-ব্লকার দিয়ে প্রি-মেডিকেশন করা আবশ্যক (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)। নিউট্রোফিল সংখ্যা ১৫০০/মিমি³-এর নিচে থাকলে (কাপোসি সারকোমায় ১০০০/মিমি³) পরবর্তী ডোজ দেওয়া হয় না। Paclitaxel শুধুমাত্র শিরাপথে, মাইক্রো-ফিল্টারযুক্ত টিউবিং দিয়ে প্রয়োগ করা হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে Paclitaxel-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়।
Paclitaxel-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণ এবং মাত্রা-নির্ভর। গুরুতর প্রতিক্রিয়াগুলো (অতি-সংবেদনশীলতা, অস্থিমজ্জা দমন, পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি) বিস্তারিতভাবে সতর্কতা অংশে বর্ণনা করা হয়েছে।
Paclitaxel নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।