
KCL100 ml
Opsonin Pharma Ltd.
প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার রক্তে পটাশিয়ামের ঘাটতি (হাইপোক্যালেমিয়া) প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় Potassium Chloride ব্যবহার করা হয়, যা মূত্রবর্ধক ওষুধ সেবন, বমি, ডায়রিয়া ইত্যাদি।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা | শিশুদের মাত্রা |
|---|---|---|
| হাইপোক্যালেমিয়া প্রতিরোধ | প্রতিদিন ১৬–২৪ mEq, বিভক্ত মাত্রায় | প্রতি কেজি ওজনে দৈনিক ১ mEq, চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী |
| হাইপোক্যালেমিয়ার চিকিৎসা | প্রতিদিন ৪০–১০০ mEq, বিভক্ত মাত্রায়, সিরাম পটাশিয়াম অনুযায়ী সমন্বয়যোগ্য | প্রতি কেজি ওজনে দৈনিক ২–৪ mEq, ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে |
| তীব্র হাইপোক্যালেমিয়া (শিরাপথে) | পাতলা করে ধীরগতিতে শিরাপথে, সাধারণত ঘণ্টায় ১০ mEq (নিবিড় পর্যবেক্ষণে সর্বোচ্চ ২০ mEq/ঘণ্টা) | বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ওজন ও সিরাম পটাশিয়াম অনুযায়ী নির্ধারিত |
Potassium Chloride-এর এক্সটেন্ডেড-রিলিজ ট্যাবলেট/ক্যাপসুল পুরোটা গিলে খেতে হবে, চিবানো বা ভাঙা যাবে না, এবং খাবারের সাথে পূর্ণ গ্লাস পানি দিয়ে সেবন করতে হবে যাতে পাকস্থলীর সমস্যা কম হয়। শিরাপথে Potassium Chloride কখনোই সরাসরি বা দ্রুত ইনজেকশন হিসেবে দেওয়া যাবে না — তা অবশ্যই পাতলা করে ধীরে ধীরে হৃদযন্ত্র পর্যবেক্ষণের মধ্যে দিতে হবে, কারণ দ্রুত প্রয়োগ প্রাণঘাতী হৃদস্পন্দনজনিত জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।
Potassium Chloride সেবনকালে হাইপারক্যালেমিয়ার কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Potassium Chloride ব্যবহার করা যাবে না:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।