Product gallery
MRP ৩০.০৯% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ২৮.৫৯/100 ml bottle
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • রক্তে পটাশিয়ামের ঘাটতি (হাইপোক্যালেমিয়া) প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় KT ব্যবহার করা হয়, যা মূত্রবর্ধক ওষুধ সেবন, বমি, ডায়রিয়া, বা খাদ্যে পর্যাপ্ত পটাশিয়ামের অভাবের কারণে হতে পারে।
  • যেসব রোগীর মূত্রবর্ধক বা ডিজিটালিস জাতীয় ওষুধ সেবনের কারণে পটাশিয়ামের ঘাটতি হওয়ার ঝুঁকি বেশি, তাদের ক্ষেত্রে প্রতিরোধমূলকভাবে KT দেওয়া হয়।

সহায়ক ব্যবহার

  • ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিসের চিকিৎসায় ইনসুলিন প্রয়োগের পর প্রয়োজন অনুযায়ী KT সহায়ক থেরাপি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • ডিগক্সিন সেবনকারী রোগীদের ক্ষেত্রে পটাশিয়ামের ঘাটতি সংশোধনে KT ব্যবহার করা হয়, কারণ কম পটাশিয়াম ডিজিটালিস বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

KT "ইলেক্ট্রোলাইট ও মিনারেল" থেরাপিউটিক শ্রেণির অন্তর্গত, যা নির্দিষ্টভাবে "পটাশিয়াম রিপ্লেসমেন্ট / ইলেক্ট্রোলাইট সাপ্লিমেন্ট" হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ।

ফার্মাকোলজি

পটাশিয়াম শরীরের প্রধান ইন্ট্রাসেলুলার (কোষের ভেতরের) ক্যাটায়ন, যা স্নায়ু সংকেত পরিবহন, হৃৎপিণ্ডসহ পেশির সংকোচন, এবং কোষের অসমোটিক ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। Potassium Chloride শরীরে হ্রাসপ্রাপ্ত পটাশিয়াম ও ক্লোরাইড আয়ন পুনরায় সরবরাহ করে স্বাভাবিক সিরাম পটাশিয়ামের মাত্রা (৩.৫–৫.০ mEq/L) পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে, যার ফলে হৃৎপেশি ও কঙ্কাল পেশির স্বাভাবিক বৈদ্যুতিক কার্যক্রম বজায় থাকে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

নির্দেশনা অনুযায়ী মাত্রা

নির্দেশনাপ্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রাশিশুদের মাত্রা
হাইপোক্যালেমিয়া প্রতিরোধপ্রতিদিন ১৬–২৪ mEq, বিভক্ত মাত্রায়প্রতি কেজি ওজনে দৈনিক ১ mEq, চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী
হাইপোক্যালেমিয়ার চিকিৎসাপ্রতিদিন ৪০–১০০ mEq, বিভক্ত মাত্রায়, সিরাম পটাশিয়াম অনুযায়ী সমন্বয়যোগ্যপ্রতি কেজি ওজনে দৈনিক ২–৪ mEq, ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে
তীব্র হাইপোক্যালেমিয়া (শিরাপথে)পাতলা করে ধীরগতিতে শিরাপথে, সাধারণত ঘণ্টায় ১০ mEq (নিবিড় পর্যবেক্ষণে সর্বোচ্চ ২০ mEq/ঘণ্টা)বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ওজন ও সিরাম পটাশিয়াম অনুযায়ী নির্ধারিত

KT-এর এক্সটেন্ডেড-রিলিজ ট্যাবলেট/ক্যাপসুল পুরোটা গিলে খেতে হবে, চিবানো বা ভাঙা যাবে না, এবং খাবারের সাথে পূর্ণ গ্লাস পানি দিয়ে সেবন করতে হবে যাতে পাকস্থলীর সমস্যা কম হয়। শিরাপথে KT কখনোই সরাসরি বা দ্রুত ইনজেকশন হিসেবে দেওয়া যাবে না — তা অবশ্যই পাতলা করে ধীরে ধীরে হৃদযন্ত্র পর্যবেক্ষণের মধ্যে দিতে হবে, কারণ দ্রুত প্রয়োগ প্রাণঘাতী হৃদস্পন্দনজনিত জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

  • পটাশিয়াম-স্পেয়ারিং ডাই-ইউরেটিক (স্পিরোনোল্যাকটোন, অ্যামিলোরাইড, ট্রায়ামটেরিন): KT-এর সাথে একত্রে ব্যবহারে হাইপারক্যালেমিয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
  • ACE ইনহিবিটর ও ARB জাতীয় ওষুধ: পটাশিয়াম নিঃসরণ কমিয়ে KT সেবনকালে হাইপারক্যালেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।
  • NSAID (ব্যথানাশক): কিডনির মাধ্যমে পটাশিয়াম নিঃসরণ কমিয়ে KT-এর সাথে হাইপারক্যালেমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • নন-সিলেক্টিভ বিটা-ব্লকার: কোষে পটাশিয়াম গ্রহণ ব্যাহত করে সিরাম পটাশিয়াম বাড়িয়ে দিতে পারে।
  • লবণের বিকল্প (সল্ট সাবস্টিটিউট) ও পটাশিয়ামযুক্ত সাপ্লিমেন্ট: KT-এর সাথে একত্রে গ্রহণে অতিরিক্ত পটাশিয়াম জমা হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
  • ডিগক্সিন: হাইপোক্যালেমিয়া ডিজিটালিস বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়, তাই KT দিয়ে সংশোধন গুরুত্বপূর্ণ, তবে সিরাম পটাশিয়াম ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

প্রতিনির্দেশনা

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Potassium Chloride ব্যবহার করা যাবে না:

  • Potassium Chloride বা এর উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা।
  • হাইপারক্যালেমিয়া (রক্তে অতিরিক্ত পটাশিয়াম) যেকোনো কারণে হোক না কেন।
  • প্রস্রাব কমে যাওয়া বা বন্ধ হয়ে যাওয়াসহ তীব্র কিডনি সমস্যা
  • অচিকিৎসিত অ্যাডিসন'স ডিজিজ (অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির অপ্রতুলতা)।
  • ব্যাপক টিস্যু ক্ষতিসহ অবস্থা, যেমন মারাত্মক পোড়া, যা হাইপারক্যালেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।
  • তীব্র পানিশূন্যতা ও হিট ক্র্যাম্প।
  • যেসব রোগীর পরিপাকতন্ত্রে খাদ্য চলাচলে বাধা বা বিলম্ব হয়, তাদের ক্ষেত্রে Potassium Chloride-এর কঠিন মৌখিক ফর্ম (ট্যাবলেট/ক্যাপসুল) প্রতিনির্দেশিত।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

  • বমি বমি ভাব, বমি
  • পেটে অস্বস্তি বা ব্যথা
  • ডায়রিয়া
  • পেট ফাঁপা

গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন)

  • পরিপাকতন্ত্রে ক্ষত, রক্তক্ষরণ বা ছিদ্র হওয়া (বিরল, মূলত কঠিন মৌখিক ফর্মে)
  • হাইপারক্যালেমিয়ার লক্ষণ: হাত-পা বা ঠোঁটে ঝিনঝিন অনুভূতি, পেশির দুর্বলতা বা পক্ষাঘাত, অনিয়মিত বা ধীর হৃদস্পন্দন
  • শিরাপথে প্রয়োগের স্থানে ব্যথা, লালচেভাব বা ফোলাভাব

KT সেবনকালে হাইপারক্যালেমিয়ার কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় পটাশিয়াম একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রয়োজন, এবং চিকিৎসকের পরামর্শে নিশ্চিত পটাশিয়ামের ঘাটতি সংশোধনে KT ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এটি শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে, পর্যবেক্ষণসহ এবং প্রকৃত প্রয়োজন থাকলেই ব্যবহার করা উচিত, কারণ কম বা বেশি উভয় পটাশিয়াম মাত্রাই গর্ভাবস্থায় ক্ষতিকর হতে পারে।

স্তন্যদান: পটাশিয়াম স্বাভাবিকভাবেই বুকের দুধে থাকে, এবং প্রয়োজনীয় মাত্রায় সেবন করলে স্তন্যদানকালে KT সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়। তবুও, KT শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত এবং শিশুর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

সতর্কতা

সতর্কীকরণ

  • উচ্চ-সতর্কতামূলক ওষুধ: ঘনীভূত শিরাপথের KT কখনোই অপাতলা অবস্থায় বা দ্রুত ইনজেকশন হিসেবে দেওয়া যাবে না — এতে তাৎক্ষণিক প্রাণঘাতী হৃদস্পন্দনজনিত জটিলতা ও হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এটি অবশ্যই যথাযথভাবে পাতলা করে ধীরগতিতে হৃদযন্ত্র পর্যবেক্ষণের মধ্যে প্রয়োগ করতে হবে।
  • হাইপারক্যালেমিয়ার ঝুঁকি: কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগী বা পটাশিয়াম-স্পেয়ারিং ডাই-ইউরেটিক, ACE ইনহিবিটর/ARB সেবনকারীদের ক্ষেত্রে KT সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে; সিরাম পটাশিয়াম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।
  • পরিপাকতন্ত্রে ক্ষত: KT-এর কঠিন মৌখিক ফর্ম পরিপাকতন্ত্রে ক্ষত, রক্তক্ষরণ বা ছিদ্রের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে; খাবারের সাথে পূর্ণ গ্লাস পানিসহ সেবন করুন এবং তীব্র পেটব্যথা, বমি বা রক্তক্ষরণ হলে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • ডিগক্সিন সেবনকারী বা হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে KT ব্যবহার করতে হবে।

KT সেবনকালে, বিশেষ করে মাত্রা পরিবর্তনের সময়, নিয়মিত সিরাম পটাশিয়াম ও কিডনি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।

মাত্রাধিক্যতা

KT-এর মাত্রাধিক্যতায় প্রাণঘাতী হাইপারক্যালেমিয়া হতে পারে। লক্ষণের মধ্যে রয়েছে হাত-পায়ে ঝিনঝিন অনুভূতি, পেশির দুর্বলতা বা পক্ষাঘাত, বিভ্রান্তি, এবং অনিয়মিত হৃদস্পন্দন বা হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যাওয়া, যা কোনো স্পষ্ট পূর্ব-লক্ষণ ছাড়াই ঘটতে পারে। KT-এর মাত্রাধিক্যতা একটি জরুরি চিকিৎসা অবস্থা — সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন বা নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন। বাড়িতে নিজে থেকে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

KT ৩০°সে তাপমাত্রার নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। ইনজেকশন সলিউশন জমাট বাঁধতে দেবেন না।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে

শিশুদের ক্ষেত্রে KT শুধুমাত্র নিশ্চিত বা উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ হাইপোক্যালেমিয়ায় শিশু বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা হয়, সাধারণত প্রতি কেজি ওজনে দৈনিক ১–৪ mEq মাত্রায়, সিরাম পটাশিয়াম অনুযায়ী সমন্বয় করে। এক্সটেন্ডেড-রিলিজ ফর্মের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা শিশুদের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়; তরল বা পাউডার ফর্ম অধিক উপযোগী হতে পারে।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে

বয়স্ক রোগীদের কিডনি কার্যক্রম প্রায়ই হ্রাস পায় এবং হাইপারক্যালেমিয়ার প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারেন; তাই এই জনগোষ্ঠীতে KT সতর্কতার সাথে এবং ঘনঘন সিরাম পটাশিয়াম পর্যবেক্ষণসহ ব্যবহার করা উচিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: KT 100 ml Syrup কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: KT 100 ml Syrup রক্তে পটাশিয়ামের ঘাটতি (হাইপোক্যালেমিয়া) প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, যা মূত্রবর্ধক ওষুধ সেবন, বমি, ডায়রিয়া বা খাদ্যে অপর্যাপ্ত পটাশিয়ামের কারণে হতে পারে।

Q: KT 100 ml Syrup ট্যাবলেট কি চিবিয়ে বা ভেঙে খাওয়া যাবে?

A: না। এক্সটেন্ডেড-রিলিজ KT 100 ml Syrup ট্যাবলেট/ক্যাপসুল পুরোটা গিলে খেতে হবে এবং খাবারের সাথে পূর্ণ গ্লাস পানি দিয়ে সেবন করতে হবে; চিবানো বা ভাঙলে দ্রুত পটাশিয়াম নিঃসরণ হয়ে পাকস্থলীর ক্ষতির ঝুঁকি বাড়তে পারে।

Q: গর্ভাবস্থায় KT 100 ml Syrup সেবন কি নিরাপদ?

A: চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে প্রকৃত প্রয়োজনে KT 100 ml Syrup গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে অবশ্যই পর্যবেক্ষণসহ, কারণ কম বা বেশি উভয় পটাশিয়াম মাত্রাই ক্ষতিকর হতে পারে। ব্যবহারের আগে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: KT 100 ml Syrup থেকে অতিরিক্ত পটাশিয়াম (হাইপারক্যালেমিয়া)-এর লক্ষণ কী কী?

A: KT 100 ml Syrup-জনিত হাইপারক্যালেমিয়ার লক্ষণের মধ্যে রয়েছে হাত-পা বা ঠোঁটে ঝিনঝিন অনুভূতি, পেশির দুর্বলতা এবং অনিয়মিত বা ধীর হৃদস্পন্দন। এটি একটি জরুরি চিকিৎসা অবস্থা — লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসা নিন।

Q: কাদের KT 100 ml Syrup সেবন করা উচিত নয়?

A: হাইপারক্যালেমিয়া, তীব্র কিডনি সমস্যা, অচিকিৎসিত অ্যাডিসন'স ডিজিজ, মারাত্মক পোড়া বা টিস্যু ক্ষতি, অথবা এর প্রতি অতি সংবেদনশীলতা থাকা রোগীদের KT 100 ml Syrup সেবন করা উচিত নয়; পরিপাকতন্ত্রে বাধা থাকা রোগীদের কঠিন মৌখিক ফর্মও এড়িয়ে চলা উচিত।

Q: KT 100 ml Syrup কি সরাসরি শিরায় ইনজেকশন হিসেবে দেওয়া যায়?

A: না। শিরাপথের KT 100 ml Syrup সবসময় পাতলা করে ধীরগতিতে, হৃদযন্ত্র পর্যবেক্ষণের মধ্যে প্রয়োগ করতে হয়। অপাতলা বা দ্রুত ইনজেকশন প্রাণঘাতী হৃদস্পন্দনজনিত জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে, তাই এটি শুধুমাত্র প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীরা তত্ত্বাবধানে প্রয়োগ করেন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor