
Mygest100 mg
Drug International Ltd.
Progesterone Micronized একটি প্রাকৃতিক প্রোজেস্টিন হরমোন, যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়: প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার সেকেন্ডারি অ্যামেনোরিয়া: শরীরে পর্যাপ্ত প্রোজেস্টেরন তৈরি না হওয়ার কারণে…
Progesterone Micronized একটি প্রাকৃতিক প্রোজেস্টিন হরমোন, যা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
যোনিপথে বা টপিক্যাল আকারে ব্যবহৃত Progesterone Micronized-এর অতিরিক্ত বা ভিন্ন নির্দেশনা থাকতে পারে; নির্দিষ্ট পণ্যের লেবেল এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করুন।
Progesterone Micronized-এর মাত্রা নির্দেশনা, প্রয়োগের পথ এবং রোগীর প্রতিক্রিয়ার উপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা | স্থায়িত্ব |
|---|---|---|
| সেকেন্ডারি অ্যামেনোরিয়া | রাতে শোবার আগে দৈনিক ৪০০ মি.গ্রা. মুখে, ১০ দিন | একটি চক্র; প্রয়োজনে চিকিৎসকের নির্দেশে পুনরাবৃত্তি |
| এন্ডোমেট্রিয়াল হাইপারপ্লাসিয়া প্রতিরোধ (ইস্ট্রোজেনের সাথে) | রাতে শোবার আগে দৈনিক ২০০ মি.গ্রা. মুখে, প্রতি ২৮ দিনের চক্রে ১২ দিন | ইস্ট্রোজেন থেরাপি চলাকালীন চক্রাকারে অব্যাহত |
| আইভিএফ/এআরটি-তে লুটিয়াল ফেজ সাপোর্ট | প্রোটোকল অনুযায়ী পরিবর্তনশীল (প্রায়ই দৈনিক ২০০-৮০০ মি.গ্রা., মুখে/যোনিপথে/ইনজেকশনে বিভক্ত মাত্রায়) | ফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞের নির্দেশ অনুযায়ী |
Progesterone Micronized ক্যাপসুল সাধারণত রাতে শোবার সময় পানির সাথে গিলে খেতে হয়, কারণ সেবনের কিছুক্ষণ পরেই ঝিমুনি বা মাথা ঘোরা দেখা দিতে পারে। যোনিপথে ব্যবহৃত ফর্মুলেশনের শোষণ ভিন্ন হতে পারে, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া প্রয়োগের পথ পরিবর্তন করবেন না। সবসময় চিকিৎসকের নির্ধারিত সঠিক মাত্রা অনুসরণ করুন।
Progesterone Micronized-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াসমূহ:
কম দেখা যায় কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে রক্তনালীতে জমাট বাঁধা (VTE), তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া এবং জন্ডিস। বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, পায়ে ফোলাভাব/ব্যথা, হঠাৎ দৃষ্টি পরিবর্তন বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Progesterone Micronized ব্যবহার করা উচিত নয়:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।