
Hemoron100 ml
Square Pharmaceuticals PLC.
Sodium Feredetate Trihydrate আয়রন স্বল্পতাজনিত রক্তশূন্যতা (iron-deficiency anemia) প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি মুখে খাওয়ার আয়রন সম্পূরক।
Sodium Feredetate Trihydrate আয়রন স্বল্পতাজনিত রক্তশূন্যতা (iron-deficiency anemia) প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি মুখে খাওয়ার আয়রন সম্পূরক।
আয়রন স্বল্পতা ব্যতীত অন্য কারণে সৃষ্ট রক্তশূন্যতায় (যেমন হেমোলাইটিক অ্যানিমিয়া বা ভিটামিন বি১২/ফোলেট স্বল্পতাজনিত রক্তশূন্যতা) Sodium Feredetate Trihydrate নির্দেশিত নয়।
Sodium Feredetate Trihydrate-এর মাত্রা বয়স, ওজন, রক্তশূন্যতার তীব্রতা এবং ব্যবহারের উদ্দেশ্য (চিকিৎসা নাকি প্রতিরোধ) অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হয়। সর্বদা চিকিৎসকের নির্দেশনা ও পণ্যের লেবেল অনুসরণ করুন।
| রোগী/নির্দেশনা | প্রচলিত মাত্রা |
|---|---|
| প্রাপ্তবয়স্ক ও বয়স্ক - রক্তশূন্যতার চিকিৎসা | শুরুতে প্রায় ৫ মিলি, ধীরে ধীরে বাড়িয়ে দিনে তিনবার সর্বোচ্চ ১০ মিলি পর্যন্ত |
| শিশু - রক্তশূন্যতার চিকিৎসা | প্রতিদিন প্রায় ৩-৬ মিগ্রা/কেজি এলিমেন্টাল আয়রন, ২-৩ ভাগে বিভক্ত (সর্বোচ্চ প্রায় ২০০ মিগ্রা/দিন) |
| কম ওজনের/শুধুমাত্র বুকের দুধ পানকারী নবজাতক - প্রতিরোধ | প্রায় ৫ মিগ্রা এলিমেন্টাল আয়রন/দিন (কিছু ক্ষেত্রে ২ মিগ্রা/কেজি পর্যন্ত) |
| ৬-২৪ মাস বয়সী শিশু - প্রতিরোধ | প্রায় ১২.৫ মিগ্রা/দিন |
| ২-৫ বছর বয়সী শিশু - প্রতিরোধ | প্রায় ২০-৩০ মিগ্রা/দিন |
| ৬-১১ বছর বয়সী শিশু - প্রতিরোধ | প্রায় ৩০-৬০ মিগ্রা/দিন |
| কিশোর-কিশোরী - প্রতিরোধ | প্রায় ৬০ মিগ্রা/দিন |
অ্যান্টাসিড, প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর বা টেট্রাসাইক্লিন-জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে একসাথে খেলে Sodium Feredetate Trihydrate-এর শোষণ কমে যেতে পারে (বিস্তারিত ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া অংশে দেখুন)।
Sodium Feredetate Trihydrate-এর অধিকাংশ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত এবং সাধারণত প্রচলিত আয়রন লবণের চেয়ে মৃদু, তবে হতে পারে:
Sodium Feredetate Trihydrate গ্রহণকালে তীব্র পেটব্যথা, ক্রমাগত বমি, কালো মলের সাথে মাথা ঘোরা, বা অ্যালার্জির লক্ষণ (ফোলাভাব, শ্বাসকষ্ট) দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Sodium Feredetate Trihydrate নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ (contraindicated):
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।