Product gallery
MRP ৩০.০০১০ % ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ২৭.০০/10's Strip
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Acecol একটি নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID), যা নিচের ক্ষেত্রে ব্যথা ও প্রদাহ উপশমে ব্যবহৃত হয়:

  • অস্টিওআর্থ্রাইটিস (Osteoarthritis) — জয়েন্টের ব্যথা ও শক্তভাব কমাতে।
  • রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (Rheumatoid arthritis) — জয়েন্টের ব্যথা, ফোলাভাব ও প্রদাহ কমাতে।
  • অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিস (Ankylosing spondylitis) — মেরুদণ্ড ও জয়েন্টের ব্যথা ও প্রদাহ কমাতে।
  • তীব্র মাসকুলোস্কেলেটাল ব্যথা, যেমন কোমর ব্যথা (lumbago), পেরিআর্থ্রাইটিস, মচকে যাওয়া এবং আঘাতজনিত ব্যথা ও ফোলাভাব।
  • অস্ত্রোপচার-পরবর্তী ও দাঁতের ব্যথা (যেমন দাঁত ব্যথা) - স্বল্পমেয়াদী উপসর্গভিত্তিক উপশমের জন্য।

Acecol শুধুমাত্র ব্যথা ও প্রদাহের উপসর্গভিত্তিক উপশম দেয়; এটি রোগের মূল কারণ নিরাময় করে না। সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় এবং সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য এটি ব্যবহার করা উচিত।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Acecol "নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID)" শ্রেণীর ঔষধ, বিশেষভাবে ফিনাইলএসেটিক অ্যাসিড ডেরিভেটিভ উপশ্রেণীর (ডাইক্লোফেনাকের সাথে রাসায়নিকভাবে সম্পর্কিত)। এটি একটি নন-সিলেক্টিভ সাইক্লো-অক্সিজেনেজ (COX) ইনহিবিটর, যার ব্যথানাশক, প্রদাহনাশক এবং জ্বরনাশক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

ফার্মাকোলজি

Aceclofenac সাইক্লো-অক্সিজেনেজ (COX-1 এবং COX-2) এনজাইম নিষ্ক্রিয় করে কাজ করে, যা প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন উৎপাদন হ্রাস করে — প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন হলো ব্যথা, প্রদাহ ও জ্বরের প্রধান মধ্যস্থতাকারী। কিছু তথ্য অনুসারে, Aceclofenac অন্যান্য কিছু NSAID-এর তুলনায় COX-1-এর চেয়ে COX-2-কে বেশি নিষ্ক্রিয় করে, এবং এটি কার্টিলেজ ক্ষয়ে জড়িত কিছু সাইটোকাইনের (যেমন ইন্টারলিউকিন-১) উৎপাদনও সামান্য হ্রাস করতে পারে, যদিও এর ক্লিনিকাল গুরুত্ব সুনির্ধারিত নয়।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স: মুখে সেবনের পর Aceclofenac দ্রুত ও প্রায় সম্পূর্ণরূপে পরিপাকতন্ত্র থেকে শোষিত হয়, রক্তে সর্বোচ্চ মাত্রা পৌঁছাতে ১.২৫-৩ ঘণ্টা সময় লাগে। এটি প্রোটিনের সাথে উচ্চমাত্রায় (৯৯%-এর বেশি) সংযুক্ত হয় এবং প্রধানত লিভারে CYP2C9 এনজাইমের মাধ্যমে বিপাকিত হয়ে 4'-হাইড্রক্সিএসিক্লোফেনাক ও অন্যান্য মেটাবোলাইট (সামান্য পরিমাণে ডাইক্লোফেনাকসহ) তৈরি করে। এর অর্ধায়ু প্রায় ৪ ঘণ্টা এবং এটি মূলত প্রস্রাবের মাধ্যমে মেটাবোলাইট আকারে নির্গত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

নির্দেশনাফর্মুলেশনসাধারণ মাত্রা
অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিস, তীব্র মাসকুলোস্কেলেটাল ব্যথাপ্রচলিত (ইমিডিয়েট-রিলিজ) ট্যাবলেট, ১০০ মি.গ্রা.দিনে দুইবার একটি করে ট্যাবলেট (১০০ মি.গ্রা.), সকালে ও সন্ধ্যায়
একই নির্দেশনাসাসটেইনড/এক্সটেন্ডেড-রিলিজ ট্যাবলেট, ২০০ মি.গ্রা.দিনে একবার একটি ট্যাবলেট (২০০ মি.গ্রা.)

শিশুদের মাত্রা

শিশুদের ক্ষেত্রে (সাধারণত ১৮ বছরের কম বয়সী, এবং বিশেষভাবে ৬ বছরের কম বয়সী) Acecol-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি; সাধারণত শিশুদের ক্ষেত্রে এটি সুপারিশ করা হয় না (বিস্তারিত দেখুন "শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার" অংশে)।

কিডনি/লিভার জটিলতায় মাত্রা সমন্বয়

মৃদু কিডনি বা লিভার জটিলতায় Acecol সতর্কতার সাথে ও সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় ব্যবহার করতে হবে; গুরুতর কিডনি বা লিভার জটিলতায় এটি এড়িয়ে চলতে হবে (বিস্তারিত "সতর্কতা" অংশে)।

সেবনবিধি

Acecol ট্যাবলেট পানির সাথে পুরোটা গিলে খেতে হবে, সাধারণত পরিপাকতন্ত্রের অস্বস্তি কমাতে খাবারের সাথে বা পরে সেবন করা উত্তম। সাসটেইনড/এক্সটেন্ডেড-রিলিজ ট্যাবলেট চূর্ণ বা চিবিয়ে খাওয়া যাবে না।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Acecol-এর সাথে নিম্নলিখিত সুপ্রতিষ্ঠিত ও ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:

  • অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট (যেমন ওয়ারফারিন): রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়; একসাথে ব্যবহারে কোয়াগুলেশন অবস্থা নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • লিথিয়াম: Acecol লিথিয়ামের রেনাল ক্লিয়ারেন্স কমিয়ে দেয়, ফলে রক্তে লিথিয়ামের মাত্রা ও বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
  • ডিগোক্সিন: Acecol রক্তে ডিগোক্সিনের মাত্রা বাড়াতে পারে; ডিগোক্সিনের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • মূত্রবর্ধক (ডাইউরেটিক) ও উচ্চরক্তচাপের ঔষধ (যেমন ACE ইনহিবিটর, ARB): Acecol এসব ঔষধের কার্যকারিতা কমাতে পারে এবং বিশেষত পানিশূন্য রোগীদের কিডনি জটিলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • মেথোট্রেক্সেট: Acecol-সহ NSAID মেথোট্রেক্সেটের রেনাল ক্লিয়ারেন্স কমাতে পারে, ফলে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে, বিশেষত উচ্চ মাত্রায়।
  • অন্যান্য NSAID বা কর্টিকোস্টেরয়েড: একসাথে ব্যবহারে পাকস্থলীর ক্ষত ও রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
  • মুখে সেবনযোগ্য ডায়াবেটিসের ঔষধ: Acecol সালফোনাইলইউরিয়ার প্রভাব বাড়াতে পারে; রক্তে গ্লুকোজ পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • সাইক্লোস্পোরিন: একসাথে ব্যবহারে কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

প্রতিনির্দেশনা

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Aceclofenac ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ:

  • Aceclofenac বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি জানা অতিসংবেদনশীলতা।
  • অ্যাসপিরিন বা অন্য কোনো NSAID দ্বারা সৃষ্ট অতিসংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়ার (ব্রঙ্কোস্পাজম, হাঁপানি, তীব্র রাইনাইটিস, অ্যাঞ্জিওএডিমা, বা আর্টিকেরিয়া) পূর্ব ইতিহাস।
  • সক্রিয় বা বারবার হওয়া পেপটিক আলসার, পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ, বা ছিদ্রের ইতিহাস।
  • গুরুতর হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা (severe heart failure)।
  • গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিক।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Acecol-এর অধিকাংশ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মৃদু এবং সেবন বন্ধ করলে সেরে যায়। সাধারণত রিপোর্ট করা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো হলো:

  • পরিপাকতন্ত্র: ডিসপেপসিয়া, পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া; কম ক্ষেত্রে পেপটিক আলসার, পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ বা ছিদ্র (NSAID শ্রেণীর সাধারণ প্রভাব; দেখুন "সতর্কতা")।
  • স্নায়ুতন্ত্র: মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, ভার্টিগো, তন্দ্রাচ্ছন্নতা।
  • ত্বক: র‍্যাশ, চুলকানি, আর্টিকেরিয়া।
  • অন্যান্য (কম দেখা যায়): লিভার এনজাইম বৃদ্ধি, পানি জমা (edema), রক্তচাপ বৃদ্ধি, এবং বিরল ক্ষেত্রে কিডনি জটিলতা।

গুরুতর কিন্তু বিরল প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে গুরুতর ত্বক প্রতিক্রিয়া (স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম, টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিস), গুরুতর লিভার ক্ষতি, এবং হৃদরোগ-সম্পর্কিত জটিলতা (হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক) যা NSAID শ্রেণীর সাধারণ ঝুঁকি। কালো পায়খানা, রক্তবমি, অব্যাখ্যাত র‍্যাশ, জন্ডিস, বা বুকে ব্যথা/শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থায়, বিশেষ করে তৃতীয় ত্রৈমাসিকে, Acecol এড়িয়ে চলতে হবে, কারণ এই সময়ে NSAID ব্যবহার ভ্রূণের হৃদযন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালী (ডাক্টাস আর্টেরিওসাস) অকালে বন্ধ হয়ে যাওয়া, অলিগোহাইড্রামনিওস এবং ভ্রূণের কিডনি জটিলতার ঝুঁকি বাড়ায়। গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে Acecol শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে, সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় ও সর্বনিম্ন সময়ের জন্য, এবং মায়ের সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি কিনা তা বিবেচনা করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।

Acecol মায়ের বুকের দুধে নিঃসৃত হয় কিনা তা সুনির্ধারিত নয়। শিশুর উপর সম্ভাব্য প্রতিকূল প্রভাবের কারণে, চিকিৎসক উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি বলে মনে না করলে স্তন্যদানকালে Acecol এড়িয়ে চলা উচিত।

সতর্কতা

হৃদরোগের ঝুঁকি: অন্যান্য NSAID-এর মতো, Acecol গুরুতর হৃদরোগ-সম্পর্কিত জটিলতার (হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক) ঝুঁকি বাড়াতে পারে, যা প্রাণঘাতী হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে এবং হৃদরোগের পূর্ব ইতিহাস বা ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বাড়তে পারে; সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় ও সর্বনিম্ন সময়ের জন্য ব্যবহার করুন।

পরিপাকতন্ত্রের ঝুঁকি: Acecol-সহ NSAID পাকস্থলী বা অন্ত্রে রক্তক্ষরণ, আলসার ও ছিদ্র সৃষ্টির গুরুতর ঝুঁকি বহন করে, যা কোনো পূর্ব লক্ষণ ছাড়াই যেকোনো সময় ঘটতে পারে। বয়স্ক রোগী এবং পেপটিক আলসারের পূর্ব ইতিহাস থাকা রোগীদের ঝুঁকি বেশি।

কিডনির প্রভাব: কিডনি জটিলতা, হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা, লিভার জটিলতা বা পানিশূন্য (যেমন মূত্রবর্ধক ব্যবহারকারী) রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন, কারণ NSAID কিডনিতে রক্ত প্রবাহ কমিয়ে তীব্র কিডনি জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

লিভারের প্রভাব: বিরল ক্ষেত্রে লিভারের ক্ষতি (লিভার এনজাইম বৃদ্ধি, হেপাটাইটিস) রিপোর্ট করা হয়েছে; লিভার জটিলতার লক্ষণ দেখা দিলে সেবন বন্ধ করুন।

তরল জমা ও উচ্চরক্তচাপ: Acecol শরীরে পানি জমা ও ফোলাভাব সৃষ্টি করতে পারে এবং উচ্চরক্তচাপ বা হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা নিয়ন্ত্রণ খারাপ করতে পারে।

রক্তের প্রভাব: এটি রক্ত জমাট বাঁধা প্রক্রিয়া (platelet aggregation) কমাতে পারে; রক্তক্ষরণজনিত রোগ বা অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট থেরাপিতে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন।

ত্বকের প্রতিক্রিয়া: গুরুতর ত্বক প্রতিক্রিয়া, কিছু ক্ষেত্রে প্রাণঘাতী, কোনো পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই ঘটতে পারে; ত্বকে র‍্যাশ বা অতিসংবেদনশীলতার লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে সেবন বন্ধ করুন।

গাড়ি চালানো/যন্ত্রপাতি পরিচালনা: মাথা ঘোরা বা তন্দ্রাচ্ছন্নতা অনুভব করলে গাড়ি চালানো বা যন্ত্রপাতি পরিচালনা এড়িয়ে চলুন।

বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে Acecol সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ তারা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার প্রতি বেশি সংবেদনশীল (দেখুন "শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার")।

মাত্রাধিক্যতা

Acecol-এর অতিরিক্ত মাত্রার লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা, পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ, তন্দ্রাচ্ছন্নতা, মাথা ঘোরা এবং গুরুতর ক্ষেত্রে নিম্ন রক্তচাপ, শ্বাসকষ্ট, বা কিডনি জটিলতা। Acecol-এর অতিরিক্ত মাত্রার জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (antidote) নেই।

অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সাহায্য নিন অথবা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা মূলত সহায়ক ও উপসর্গভিত্তিক; চিকিৎসকের বিবেচনায় প্রয়োজন হলে দ্রুত পাকস্থলী পরিষ্কার এবং সহায়ক চিকিৎসা দেওয়া হতে পারে। বাড়িতে নিজে থেকে অতিরিক্ত মাত্রার চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

৩০°সে তাপমাত্রার নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, স্বাভাবিক ঘরের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

গর্ভবতী নারী

গর্ভাবস্থায়, বিশেষত তৃতীয় ত্রৈমাসিকে, Acecol এড়িয়ে চলতে হবে (দেখুন "গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে")।

স্তন্যদানকারী মায়েরা

স্পষ্ট প্রয়োজন না হলে স্তন্যদানকালে Acecol এড়িয়ে চলা উচিত (দেখুন "গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে")।

শিশু রোগী

শিশুদের ক্ষেত্রে Acecol-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি; এই বয়সীদের ক্ষেত্রে সাধারণত এটি ব্যবহারের সুপারিশ করা হয় না।

বয়স্ক রোগী

বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে NSAID-সম্পর্কিত পরিপাকতন্ত্র, কিডনি ও হৃদরোগজনিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি। Acecol সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায়, সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার জন্য পর্যবেক্ষণসহ ব্যবহার করতে হবে।

কিডনি জটিলতা

মৃদু কিডনি জটিলতায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন; গুরুতর কিডনি জটিলতায় এড়িয়ে চলুন।

লিভার জটিলতা

মৃদু-থেকে-মাঝারি লিভার জটিলতায় সতর্কতার সাথে ও কম মাত্রায় ব্যবহার করুন; গুরুতর লিভার জটিলতায় এড়িয়ে চলুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Acecol 100 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Acecol 100 mg Tablet একটি নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID), যা অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিস এবং তীব্র মাসকুলোস্কেলেটাল ব্যথায় (যেমন কোমর ব্যথা, মচকে যাওয়া, আঘাতজনিত ব্যথা) ব্যথা, ফোলাভাব ও শক্তভাব কমাতে ব্যবহার করা হয়।

Q: Acecol 100 mg Tablet কীভাবে সেবন করতে হয়?

A: সাধারণত Acecol 100 mg Tablet দিনে দুইবার ১০০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট আকারে অথবা দিনে একবার ২০০ মি.গ্রা. সাসটেইনড/এক্সটেন্ডেড-রিলিজ ট্যাবলেট আকারে সেবন করা হয়, পানির সাথে পুরোটা গিলে, সাধারণত খাবারের সাথে বা পরে। চিকিৎসকের নির্দিষ্ট নির্দেশনা মেনে চলুন এবং নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি সেবন করবেন না।

Q: গর্ভাবস্থায় কি Acecol 100 mg Tablet সেবন করা যায়?

A: গর্ভাবস্থায়, বিশেষত তৃতীয় ত্রৈমাসিকে, Acecol 100 mg Tablet এড়িয়ে চলতে হবে, কারণ NSAID ভ্রূণের হৃদযন্ত্রের একটি রক্তনালী (ডাক্টাস আর্টেরিওসাস) অকালে বন্ধ হয়ে যাওয়াসহ অন্যান্য জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং চিকিৎসক উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে করলেই এটি ব্যবহার করা উচিত। গর্ভবতী বা গর্ভধারণের পরিকল্পনা থাকলে Acecol 100 mg Tablet সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: Acecol 100 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: Acecol 100 mg Tablet-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো হলো পরিপাকতন্ত্রের উপসর্গ (বদহজম, পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব), মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা এবং ত্বকে র‍্যাশ। বিরল কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ/আলসার, লিভারের সমস্যা এবং হৃদরোগ-সম্পর্কিত জটিলতা (হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক), যা NSAID শ্রেণীর সাধারণ ঝুঁকি। কালো পায়খানা, রক্তবমি, তীব্র পেটে ব্যথা, ত্বক/চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, বা বুকে ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: কাদের Acecol 100 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়?

A: Acecol 100 mg Tablet বা অন্য কোনো NSAID/অ্যাসপিরিনে অ্যালার্জি আছে এমন ব্যক্তি (যাদের অতীতে NSAID/অ্যাসপিরিন সেবনে হাঁপানি, আর্টিকেরিয়া, বা শ্বাসকষ্ট হয়েছে), সক্রিয় পাকস্থলীর আলসার বা পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ আছে এমন রোগী, গুরুতর হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতায় ভুগছেন এমন রোগী, এবং গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে থাকা নারীদের Acecol 100 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়।

Q: Acecol 100 mg Tablet কি অন্য ঔষধের সাথে সেবন করা যায়?

A: Acecol 100 mg Tablet রক্ত পাতলাকারী ঔষধ (যেমন ওয়ারফারিন), লিথিয়াম, ডিগোক্সিন, মেথোট্রেক্সেট, মূত্রবর্ধক এবং রক্তচাপের ঔষধের সাথে মিথষ্ক্রিয়া করতে পারে, যা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বাড়াতে বা ওই ঔষধগুলোর কার্যকারিতা কমাতে পারে। Acecol 100 mg Tablet শুরু করার আগে আপনি যে সকল ঔষধ সেবন করছেন তা চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor
Cart
Account