Product gallery

AFM-Plus0.1%+0.3%

Ophthalmic Ointment

Fluorometholone + Gentamicin

MRP ১৩০.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১১৭.০০/3 gm tube
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

AFM-Plus হলো একটি কর্টিকোস্টেরয়েড (ফ্লুরোমিথোলোন) ও একটি অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিকের (জেন্টামাইসিন) সংমিশ্রণ, যা চোখের স্টেরয়েড-প্রতিক্রিয়াশীল প্রদাহ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি থাকলে ব্যবহৃত হয়।

প্রধান ব্যবহারক্ষেত্র

  • চোখের কনজাংটিভা, কর্নিয়া ও সামনের অংশের স্টেরয়েড-প্রতিক্রিয়াশীল প্রদাহ (যেমন অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস, আইরাইটিস, সাইক্লাইটিস, এপিস্ক্লেরাইটিস), যেখানে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি বা উপস্থিতি রয়েছে।
  • রাসায়নিক, তাপ বা বিকিরণজনিত চোখের পোড়া বা আঘাতজনিত প্রদাহ, যেখানে সংক্রমণ প্রতিরোধ প্রয়োজন।
  • চোখের অস্ত্রোপচারের পরবর্তী প্রদাহ, যেখানে চিকিৎসক প্রদাহনাশক ও অ্যান্টিবায়োটিক উভয় কভারেজকে উপযুক্ত মনে করেন।

AFM-Plus-এর জেন্টামাইসিন উপাদান সিউডোমোনাসসহ বেশ কিছু গ্রাম-নেগেটিভ এবং কিছু গ্রাম-পজিটিভ ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর হলেও স্ট্রেপ্টোকক্কাসের বিরুদ্ধে নির্ভরযোগ্য নয়, এবং এটি ভাইরাস, ছত্রাক বা মাইকোব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে ব্যবহারযোগ্য নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

AFM-Plus “চক্ষু কর্টিকোস্টেরয়েড – অ্যান্টিবায়োটিক সংমিশ্রণ” থেরাপিউটিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, যা একইসাথে প্রদাহনাশক ও সংক্রমণনাশক হিসেবে কাজ করে।

ফার্মাকোলজি

Fluorometholone + Gentamicin-এ দুটি সক্রিয় উপাদান রয়েছে, প্রতিটির কর্মপদ্ধতি ভিন্ন:

  • ফ্লুরোমিথোলোন একটি সিন্থেটিক কর্টিকোস্টেরয়েড, যা প্রদাহ প্রক্রিয়াকে দমন করে — রক্তনালীর প্রসারণ, শ্বেত রক্তকণিকার স্থানান্তর ও প্রদাহজনিত মধ্যস্থতাকারী পদার্থের নিঃসরণ কমায়। অন্যান্য শক্তিশালী স্টেরয়েডের তুলনায় এটি কর্নিয়া/সামনের প্রকোষ্ঠে কম প্রবেশ করে বলে স্বল্পমেয়াদি ব্যবহারে চোখের চাপ বৃদ্ধির প্রবণতা কিছুটা কম, তবে এই সুরক্ষা সম্পূর্ণ নয়।
  • জেন্টামাইসিন একটি অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক, যা ব্যাকটেরিয়ার ৩০এস রাইবোজোমাল সাবইউনিটের সাথে অপরিবর্তনীয়ভাবে যুক্ত হয়ে প্রোটিন সংশ্লেষণ ব্যাহত করে এবং সিউডোমোনাসসহ বহু গ্রাম-নেগেটিভ ও কিছু গ্রাম-পজিটিভ ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে ব্যাকটেরিয়াঘাতী কার্যকারিতা দেখায়।

স্বাভাবিকভাবে সাময়িক (topical) ব্যবহারে দেহে শোষণ কম হলেও দীর্ঘমেয়াদি বা অতিরিক্ত ব্যবহারে, অথবা কর্নিয়া/কনজাংটিভার এপিথেলিয়াম ক্ষতিগ্রস্ত থাকলে, শোষণ বাড়তে পারে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

AFM-Plus-এর মাত্রা সবসময় চিকিৎসকের নির্দেশ ও নির্দিষ্ট পণ্যের লেবেল অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে।

ব্যবহারক্ষেত্রপ্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা
মৃদু/মাঝারি প্রদাহআক্রান্ত চোখে দিনে ২–৪ বার ১–২ ফোঁটা, অথবা মলম দিনে ২–৩ বার
তীব্র প্রদাহশুরুতে প্রতি ২–৪ ঘণ্টায় ১–২ ফোঁটা, উন্নতির সাথে সাথে ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা হয়
অস্ত্রোপচার-পরবর্তী প্রদাহ (চিকিৎসকের নির্দেশে)দিনে ৩–৪ বার ১–২ ফোঁটা, অথবা নির্দিষ্টভাবে নির্দেশিত অনুযায়ী

শিশুদের ক্ষেত্রে: ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে AFM-Plus-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি; ব্যবহার করলে চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে সবচেয়ে কম কার্যকর মাত্রায় করা উচিত।

ওষুধ ব্যবহারের নিয়ম মেনে চলা: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ঠিক যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবেই AFM-Plus ব্যবহার করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না এবং অন্য কাউকে দেবেন না।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

AFM-Plus-এর সাথে সাধারণ ওষুধের মিথষ্ক্রিয়া নিয়ে সীমিত তথ্য পাওয়া যায়, কারণ সাময়িক ব্যবহারে দেহে শোষণ সাধারণত কম থাকে; তবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ:

  • অন্যান্য কর্টিকোস্টেরয়েড (চোখে বা সারাশরীরে ব্যবহৃত) একসাথে ব্যবহার করলে চোখের চাপ বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়তে পারে।
  • কর্নিয়া/কনজাংটিভার এপিথেলিয়াম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত থাকলে জেন্টামাইসিন বেশি শোষিত হতে পারে, যা অন্যান্য অটোটক্সিক বা নেফ্রোটক্সিক ওষুধের (যেমন সিস্টেমিক অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড) সাথে সংযুক্ত ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • একই সাথে একাধিক চোখের ওষুধ ব্যবহার করলে একে অপরের কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে; বিভিন্ন ওষুধের মধ্যে সময়ের ব্যবধান রাখুন।

প্রতিনির্দেশনা

Fluorometholone + Gentamicin নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:

  • ফ্লুরোমিথোলোন, জেন্টামাইসিন, অন্য কোনো অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক, অন্য কর্টিকোস্টেরয়েড, অথবা প্রস্তুতির যেকোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা থাকলে।
  • চোখের বেশিরভাগ ভাইরাসজনিত রোগ, যেমন হার্পিস সিমপ্লেক্স কেরাটাইটিস, ভ্যাকসিনিয়াভ্যারিসেলা
  • চোখের মাইকোব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ
  • চোখের ছত্রাকজনিত সংক্রমণ

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

AFM-Plus-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণত স্থানীয় হয়:

  • সাধারণ: ব্যবহারের পর সাময়িক জ্বালাপোড়া, চোখ চুলকানো বা দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া।
  • অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া: চোখের চারপাশে চুলকানি, লালচেভাব বা ফোলাভাব দেখা দিতে পারে — এমন হলে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে (কর্টিকোস্টেরয়েডজনিত): চোখের চাপ বৃদ্ধি/গ্লুকোমা, ছানি পড়া, ক্ষত সারতে দেরি হওয়া, কর্নিয়া বা স্ক্লেরা পাতলা হয়ে ছিদ্র হওয়া, এবং গৌণ সংক্রমণ (ছত্রাকসহ)।
  • বিরল: উল্লেখযোগ্য পরিমাণে জেন্টামাইসিন শোষিত হলে শ্রবণশক্তি হ্রাস (অটোটক্সিসিটি) বা কিডনির ক্ষতি (নেফ্রোটক্সিসিটি), যদিও স্বাভাবিক সাময়িক ব্যবহারে এটি বিরল।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: AFM-Plus-এর ফ্লুরোমিথোলোন উপাদান প্রাণী গবেষণায় উচ্চ মাত্রায় সারাশরীরে ব্যবহার করলে ভ্রূণের ওপর প্রভাব ফেলতে দেখা গেছে; জেন্টামাইসিনের মতো অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড প্লাসেন্টা অতিক্রম করতে পারে এবং উল্লেখযোগ্য সারাশরীর শোষণ হলে ভ্রূণের শ্রবণশক্তির ক্ষতির ঝুঁকি তাত্ত্বিকভাবে থাকে, যদিও সাময়িক চোখের ব্যবহারে শোষণ সাধারণত সামান্য। গর্ভাবস্থায় AFM-Plus শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত — ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

স্তন্যদান: সাময়িকভাবে প্রয়োগকৃত AFM-Plus-এর উপাদানগুলো মায়ের বুকের দুধে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে নিঃসৃত হয় কিনা তা জানা নেই। স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

  • AFM-Plus শুধুমাত্র চোখে সাময়িক ব্যবহারের জন্য; কখনো ইনজেকশন হিসেবে ব্যবহার করবেন না।
  • ১০ দিন বা তার বেশি সময় ব্যবহার করলে চিকিৎসকের মাধ্যমে চোখের চাপ পরীক্ষা করানো প্রয়োজন, কারণ দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে গ্লুকোমা ও অপটিক নার্ভের ক্ষতির ঝুঁকি থাকে।
  • দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে ছানি, ক্ষত সারতে দেরি এবং গৌণ সংক্রমণের (ছত্রাকসহ) ঝুঁকি বাড়ে; চিকিৎসা সত্ত্বেও কর্নিয়ার ক্ষত না সারলে ছত্রাক সংক্রমণের সন্দেহ করা উচিত।
  • কর্নিয়া বা স্ক্লেরা পাতলা হওয়ার প্রবণতা থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন, কারণ ছিদ্র হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
  • AFM-Plus বিদ্যমান সংক্রমণের লক্ষণ আড়াল করতে পারে বা গৌণ সংক্রমণ অলক্ষিতভাবে তৈরি হতে দিতে পারে; উপসর্গের উন্নতি না হলে বা খারাপ হলে চিকিৎসকের পুনর্মূল্যায়ন প্রয়োজন।
  • AFM-Plus দীর্ঘমেয়াদি তত্ত্বাবধানহীন ব্যবহারের জন্য নয়; নিয়মিত চিকিৎসকের ফলোআপ প্রয়োজন এবং নির্ধারিত মেয়াদের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়।
  • ওষুধ ব্যবহারের নিয়ম মেনে চলা: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ঠিক যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবেই AFM-Plus ব্যবহার করুন; মাঝপথে বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না এবং অন্য কাউকে দেবেন না, যাতে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি না হয়।

মাত্রাধিক্যতা

AFM-Plus-এর সাময়িক (চোখে) অতিরিক্ত ব্যবহারে সাধারণত গুরুতর সারাশরীর বিষক্রিয়ার ঝুঁকি কম, তবে বারবার অতিরিক্ত ব্যবহারে স্থানীয় জ্বালাপোড়া, লালচেভাব বা চোখের চাপ বৃদ্ধি হতে পারে। নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ব্যবহার হলে অথবা দুর্ঘটনাক্রমে গিলে ফেললে, ঘরোয়া চিকিৎসার চেষ্টা না করে অবিলম্বে চিকিৎসকের সাহায্য নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চোখে দুর্ঘটনাক্রমে AFM-Plus বেশি পরিমাণে পড়লে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সংরক্ষণ

ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। ব্যবহারের আগে সাসপেনশন ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন। জমাট বাঁধাবেন না। খোলার পর লেবেলে উল্লিখিত সময়ের (সাধারণত ৪ সপ্তাহ) মধ্যে অব্যবহৃত অংশ ফেলে দিন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

  • শিশু: ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে AFM-Plus-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ব্যবহার করলে শুধুমাত্র চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে সবচেয়ে কম কার্যকর মাত্রায় ও সংক্ষিপ্ততম সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।
  • বয়স্ক: নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই, তবে গ্লুকোমা বা ছানির মতো পূর্ববর্তী চোখের সমস্যায় বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।
  • কিডনি/লিভারের সমস্যা: সাময়িক ব্যবহারে দেহে শোষণ সাধারণত কম থাকায় নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই, তবে দীর্ঘমেয়াদি বা ব্যাপক ব্যবহারে সতর্কতা প্রয়োজন।
  • কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারকারী: AFM-Plus ব্যবহারের আগে লেন্স খুলে ফেলুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আবার পরবেন না।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: AFM-Plus 0.1%+0.3% Ophthalmic Ointment কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: AFM-Plus 0.1%+0.3% Ophthalmic Ointment একটি সংমিশ্রণ ওষুধ যা চোখের প্রদাহ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি থাকলে ব্যবহার করা হয়। এটি শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত।

Q: ভাইরাস বা ছত্রাকজনিত চোখের সংক্রমণে কি AFM-Plus 0.1%+0.3% Ophthalmic Ointment ব্যবহার করা যাবে?

A: না। AFM-Plus 0.1%+0.3% Ophthalmic Ointment হার্পিস সিমপ্লেক্স কেরাটাইটিস, ভ্যাকসিনিয়া, ভ্যারিসেলার মতো ভাইরাসজনিত সংক্রমণে এবং ছত্রাক বা মাইকোব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে নিষিদ্ধ, কারণ কর্টিকোস্টেরয়েড উপাদান এসব সংক্রমণকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

Q: AFM-Plus 0.1%+0.3% Ophthalmic Ointment কতদিন ব্যবহার করা যাবে?

A: AFM-Plus 0.1%+0.3% Ophthalmic Ointment সাধারণত স্বল্পমেয়াদি ব্যবহারের জন্য, চিকিৎসকের পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া সাধারণত ৭–১৪ দিনের বেশি নয়। ১০ দিন বা তার বেশি ব্যবহার করলে চোখের চাপ পরীক্ষা করানো উচিত, কারণ দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে চোখের চাপ বেড়ে যাওয়া ও ছানি পড়ার মতো জটিলতা হতে পারে।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে AFM-Plus 0.1%+0.3% Ophthalmic Ointment কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে AFM-Plus 0.1%+0.3% Ophthalmic Ointment শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং চিকিৎসক মনে করলে যে উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি, তখনই ব্যবহার করা উচিত। ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: AFM-Plus 0.1%+0.3% Ophthalmic Ointment ব্যবহারে কী কী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য রাখা উচিত?

A: সাধারণ প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে AFM-Plus 0.1%+0.3% Ophthalmic Ointment প্রয়োগের পর সাময়িক জ্বালাপোড়া, চুলকানি বা দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া। দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে চোখের চাপ বৃদ্ধি, ছানি, ক্ষত সারতে দেরি বা গৌণ সংক্রমণ হতে পারে, তাই উপসর্গের উন্নতি না হলে, খারাপ হলে, বা প্রায় ১০ দিনের বেশি ব্যবহার করলে চিকিৎসককে জানান।

Q: একটি ডোজ মিস করলে বা আগে বন্ধ করতে চাইলে কী করব?

A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ঠিক যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবেই AFM-Plus 0.1%+0.3% Ophthalmic Ointment ব্যবহার করুন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, মেয়াদ বাড়াবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না এবং অন্য কাউকে দেবেন না, কারণ এতে চিকিৎসা ব্যর্থ হতে পারে বা অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে পারে।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor