
Cotrim DS800 mg+160
Square Pharmaceuticals PLC.

Aptrim 800 mg+160 mg Tablet মেডইজিতে পাওয়া যাচ্ছে ৳১.৮২ প্রতি piece দরে, বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায় হোম ডেলিভারিসহ। এটি তৈরি করে Apollo Pharmaceutical Ltd। এর জেনেরিক নাম Cotrimoxazole।
Aptrim একটি সংমিশ্রণ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ওষুধ (সালফামেথক্সাজোল ও ট্রাইমেথোপ্রিম, যা কো-ট্রাইমক্সাজল/SMX-TMP নামেও পরিচিত), যা ব্যাকটেরিয়ার ফলিক অ্যাসিড সংশ্লেষণের দুটি ধাপকে ক্রমান্বয়ে বাধা দিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করে।
Aptrim শুধুমাত্র প্রমাণিত বা সন্দেহভাজন সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা উচিত, যাতে ওষুধ-প্রতিরোধী জীবাণুর বিকাশ কমানো যায়।
Aptrim একটি সংমিশ্রণ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল (সালফোনামাইড + ফোলেট-পাথওয়ে ইনহিবিটর); এটি কো-ট্রাইমক্সাজল/SMX-TMP নামেও পরিচিত।
Cotrimoxazole-এ থাকা দুটি উপাদান ব্যাকটেরিয়ার ফলিক অ্যাসিড সংশ্লেষণের ক্রমান্বয়ে দুটি ধাপকে বাধা দেয়। সালফামেথক্সাজোল ডাইহাইড্রোপটেরোয়েট সিন্থেটেজ এনজাইমকে বাধা দিয়ে PABA-কে ডাইহাইড্রোফলিক অ্যাসিডে রূপান্তর রোধ করে, আর ট্রাইমেথোপ্রিম ডাইহাইড্রোফলেট রিডাক্টেজ এনজাইমকে বাধা দিয়ে ডাইহাইড্রোফলিক অ্যাসিডকে টেট্রাহাইড্রোফলিক অ্যাসিডে রূপান্তর রোধ করে। এই দ্বৈত ক্রমান্বয়িক বাধাদান বিস্তৃত পরিসরের গ্রাম-পজিটিভ ও গ্রাম-নেগেটিভ জীবাণুর বিরুদ্ধে সমন্বিত ব্যাকটেরিসাইডাল প্রভাব তৈরি করে।
মুখে খাওয়ার পর Cotrimoxazole-এর উভয় উপাদান ভালোভাবে শোষিত হয় এবং ১-৪ ঘণ্টার মধ্যে সর্বোচ্চ রক্তের ঘনত্বে পৌঁছায়। এটি শরীরের বিভিন্ন টিস্যু ও তরলে ব্যাপকভাবে বিতরণ হয়। উভয় উপাদান মূলত কিডনির মাধ্যমে নিঃসৃত হয়, স্বাভাবিক কিডনি কার্যক্ষমতার রোগীদের ক্ষেত্রে অর্ধায়ু প্রায় ৮-১২ ঘণ্টা; কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন হয়।
Aptrim-এর মাত্রা সংক্রমণের ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত হয় এবং ট্রাইমেথোপ্রিম উপাদানের হিসাবে প্রকাশ করা হয়।
| রোগ/সংক্রমণ | প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা | শিশুদের মাত্রা (২ মাস বা তার বেশি) |
|---|---|---|
| মূত্রনালীর সংক্রমণ | ১টি ডাবল-স্ট্রেংথ (৮০০/১৬০ মি.গ্রা.) ট্যাবলেট প্রতি ১২ ঘণ্টা অন্তর, ১০-১৪ দিন | ৮ মি.গ্রা./কেজি/দিন (TMP) + ৪০ মি.গ্রা./কেজি/দিন (SMX), ১২ ঘণ্টা অন্তর ভাগ করে |
| শিগেলোসিস | ১টি ডাবল-স্ট্রেংথ ট্যাবলেট প্রতি ১২ ঘণ্টা অন্তর, ৫ দিন | একই ওজন-ভিত্তিক মাত্রা, ৫ দিন |
| ভ্রমণকালীন ডায়রিয়া | ১টি ডাবল-স্ট্রেংথ ট্যাবলেট প্রতি ১২ ঘণ্টা অন্তর, ৫ দিন | নিয়মিত ব্যবহৃত হয় না; চিকিৎসকের নির্দেশনা প্রয়োজন |
| নিউমোসিস্টিস জাইরোভেসি নিউমোনিয়া (চিকিৎসা) | ১৫-২০ মি.গ্রা./কেজি/দিন (TMP), ৬-৮ ঘণ্টা অন্তর ভাগ করে, ১৪-২১ দিন | একই উচ্চমাত্রার ওজন-ভিত্তিক রেজিমেন, বিশেষজ্ঞের নির্দেশনা অনুযায়ী |
| নিউমোসিস্টিস জাইরোভেসি নিউমোনিয়া (প্রতিরোধ) | ১টি ডাবল-স্ট্রেংথ বা সিঙ্গেল-স্ট্রেংথ ট্যাবলেট দৈনিক একবার | চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী ওজন-ভিত্তিক মাত্রা, সপ্তাহে ৩ দিন |
কিডনির সমস্যা থাকলে: ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ১৫-৩০ মি.লি./মিনিট হলে স্বাভাবিক মাত্রার অর্ধেক দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়; ১৫ মি.লি./মিনিটের নিচে Aptrim ব্যবহার সুপারিশ করা হয় না, যদি না রোগী ডায়ালাইসিসে থাকেন এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকেন।
Aptrim ট্যাবলেট এক গ্লাস পানির সাথে সেবন করা উচিত এবং চিকিৎসাকালীন পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ বজায় রাখা উচিত। খাবারের সাথে বা ছাড়া সেবন করা যায়।
অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী Aptrim সম্পূর্ণ কোর্স সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, কোর্স দীর্ঘায়িত করবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, এবং অন্য কাউকে এই ওষুধ শেয়ার করবেন না।
Aptrim-এর সাথে নিম্নলিখিত ওষুধের মিথষ্ক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ:
Aptrim শুরু করার আগে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে অন্য সকল ওষুধ সম্পর্কে অবহিত করুন।
Cotrimoxazole নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে সেবন করা যাবে না:
Aptrim সেবনে সাধারণত হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, তবে কিছু গুরুতর প্রতিক্রিয়ার ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।
গর্ভাবস্থা: Aptrim সাধারণত গর্ভাবস্থায়, বিশেষত প্রথম ত্রৈমাসিকে (জন্মগত ত্রুটির সাথে সম্পর্ক থাকতে পারে) এবং প্রসবকালীন সময়ে (নবজাতকের কার্নিক্টেরাসের ঝুঁকি) এড়িয়ে চলা উচিত। Aptrim শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে, নিরাপদ বিকল্প না থাকলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই ব্যবহার করা উচিত। ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন; প্রসবের কাছাকাছি সময়ে Aptrim ব্যবহার নিষিদ্ধ।
স্তন্যদান: Aptrim-এর উভয় উপাদান বুকের দুধে নিঃসৃত হয়। নবজাতক, অপরিণত শিশু, বা হাইপারবিলিরুবিনেমিয়া/G6PD ঘাটতিযুক্ত শিশুকে স্তন্যদানকালে Aptrim এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ কার্নিক্টেরাস ও হিমোলাইসিসের ঝুঁকি থাকে। স্তন্যদানকালে Aptrim ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গুরুতর ত্বক/অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া: Aptrim-এর সাথে বিরল কিন্তু গুরুতর এবং প্রাণঘাতী হতে পারে এমন প্রতিক্রিয়ার সম্পর্ক পাওয়া গেছে, যেমন স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম ও টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিস। ত্বকে র্যাশ বা অ্যালার্জির যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে Aptrim বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
হাইপারক্যালেমিয়া: Aptrim রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে পারে, বিশেষত কিডনির সমস্যা, বয়স্ক রোগী, বা অন্যান্য পটাশিয়াম-বৃদ্ধিকারী ওষুধ সেবনকারীদের ক্ষেত্রে; ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের সিরাম পটাশিয়াম পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
রক্তের সমস্যা: দীর্ঘমেয়াদী বা উচ্চমাত্রায় Aptrim ব্যবহারে ফোলেট বিরোধিতার কারণে অ্যাগ্রানুলোসাইটোসিস, অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া ও থ্রম্বোসাইটোপেনিয়ার মতো রক্তের সমস্যা হতে পারে; দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার ক্ষেত্রে নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়।
যকৃত ও কিডনির কার্যক্ষমতা: যকৃত বা কিডনির কার্যক্ষমতা ব্যাহত হওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে Aptrim সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত; কিডনির সমস্যায় মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন এবং গুরুতর যকৃত বা কিডনির সমস্যায় এটি নিষিদ্ধ (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।
সূর্যালোক সংবেদনশীলতা: Aptrim সূর্যালোকের প্রতি সংবেদনশীলতা বাড়াতে পারে; চিকিৎসাকালীন অতিরিক্ত রোদে যাওয়া এড়িয়ে চলুন।
G6PD ঘাটতি: গ্লুকোজ-৬-ফসফেট ডিহাইড্রোজিনেজ ঘাটতিযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে হিমোলাইসিস হতে পারে; সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।
অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণভাবে Aptrim সেবন করুন; নিজে থেকে বন্ধ, দীর্ঘায়িত, বাদ দেওয়া বা অন্যকে দেওয়া উচিত নয়।
Aptrim-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনে বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা, মাথা ঘোরা, বিভ্রান্তি, মাথাব্যথা এবং গুরুতর ক্ষেত্রে অস্থিমজ্জা দমন, জন্ডিস ও ক্রিস্টালিউরিয়া দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা মূলত সহায়ক ও উপসর্গভিত্তিক; কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই, তবে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ফোলিনিক অ্যাসিড ব্যবহার করা যেতে পারে।
Aptrim ট্যাবলেট/সাসপেনশন ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মোড়কে মুদ্রিত মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখের পরে ব্যবহার করবেন না।
শিশুদের ক্ষেত্রে: ২ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে সংবেদনশীল মূত্রনালীর সংক্রমণ, কানের সংক্রমণ, শিগেলোসিস, এবং নিউমোসিস্টিস জাইরোভেসি নিউমোনিয়ার চিকিৎসা/প্রতিরোধে Aptrim ব্যবহারের অনুমোদন রয়েছে, ওজন অনুযায়ী মাত্রায় (ট্রাইমেথোপ্রিম উপাদানের হিসাবে)। ২ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে কার্নিক্টেরাসের ঝুঁকি এবং প্রতিষ্ঠিত নিরাপত্তা ও কার্যকারিতার অভাবের কারণে Aptrim নিষিদ্ধ।
বয়স্কদের ক্ষেত্রে: কিডনির সমস্যা বা মূত্রবর্ধক সেবনকারী বয়স্ক রোগীরা Aptrim-এর গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার (হাইপারক্যালেমিয়া, রক্তের সমস্যা) ঝুঁকিতে বেশি থাকেন; সতর্কতার সাথে ও ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করা উচিত।
Q: Aptrim 800 mg+160 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Aptrim 800 mg+160 mg Tablet একটি সংমিশ্রণ অ্যান্টিবায়োটিক যা মূত্রনালীর সংক্রমণ, নির্দিষ্ট শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, ভ্রমণকালীন ডায়রিয়া, শিগেলোসিস এবং নিউমোসিস্টিস জাইরোভেসি নিউমোনিয়ার চিকিৎসা ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়, বিশেষত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
Q: Aptrim 800 mg+160 mg Tablet কীভাবে সেবন করব?
A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী এক গ্লাস পানির সাথে এবং পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ বজায় রেখে Aptrim 800 mg+160 mg Tablet সেবন করুন, খাবারের সাথে বা ছাড়া। লক্ষণ ভালো হয়ে গেলেও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোর্স মাঝপথে বন্ধ করবেন না।
Q: গর্ভাবস্থায় কি Aptrim 800 mg+160 mg Tablet সেবন করা যাবে?
A: গর্ভাবস্থায়, বিশেষত প্রথম ত্রৈমাসিকে ও প্রসবের কাছাকাছি সময়ে, Aptrim 800 mg+160 mg Tablet সাধারণত এড়িয়ে চলা উচিত। শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত, যেখানে নিরাপদ বিকল্প নেই এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি। প্রসবের কাছাকাছি সময়ে এটি নিষিদ্ধ।
Q: কাদের Aptrim 800 mg+160 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়?
A: যাদের সালফোনামাইড বা ট্রাইমেথোপ্রিমের প্রতি অ্যালার্জি রয়েছে, ২ মাসের কম বয়সী শিশু, ফোলেট ঘাটতিজনিত মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়ার রোগী, গুরুতর যকৃত বা কিডনির সমস্যাযুক্ত রোগী, এবং প্রসবের কাছাকাছি সময়ে থাকা গর্ভবতী নারীদের Aptrim 800 mg+160 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়।
Q: Aptrim 800 mg+160 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: Aptrim 800 mg+160 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, বমি, ক্ষুধামন্দা, ত্বকে র্যাশ এবং মাথাব্যথা। ত্বকে র্যাশ, জ্বর, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ বা জন্ডিসের মতো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কারণ এগুলো বিরল কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ হতে পারে।
Q: Aptrim 800 mg+160 mg Tablet অতিরিক্ত সেবন করলে কী করব?
A: অতিরিক্ত মাত্রায় Aptrim 800 mg+160 mg Tablet সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। নিজে থেকে কোনো ঘরোয়া চিকিৎসা নেবেন না।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।