
Curazith200 mg/5 m
Synovia Pharma PLC

Azomac একটি ম্যাক্রোলাইড অ্যান্টিবায়োটিক যা সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট বিভিন্ন সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
Azomac শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, প্রমাণিত বা সন্দেহভাজন সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা উচিত।
Azomac একটি ম্যাক্রোলাইড শ্রেণীর অ্যান্টিবায়োটিক (Azalide উপশ্রেণি)।
Azithromycin ব্যাকটেরিয়ার ৫০এস (50S) রাইবোজোমাল সাবইউনিটের সাথে যুক্ত হয়ে প্রোটিন সংশ্লেষণ বাধাগ্রস্ত করে, ফলে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি থেমে যায় (ব্যাকটেরিওস্ট্যাটিক, তবে উচ্চ মাত্রায় কিছু জীবাণুর ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিসাইডাল হতে পারে)।
মুখে খাওয়ার পর Azithromycin দ্রুত শোষিত হয় এবং টিস্যুতে ব্যাপকভাবে বিতরণ হয়, যেখানে এর ঘনত্ব রক্তের প্লাজমার চেয়ে অনেক বেশি থাকে। এটি সীমিতভাবে যকৃতে বিপাকিত হয় এবং প্রধানত পিত্তের মাধ্যমে অপরিবর্তিত অবস্থায় নিঃসৃত হয়। এর দীর্ঘ অর্ধায়ু (২-৪ দিন) থাকার কারণে দিনে একবার এবং স্বল্পমেয়াদী কোর্সে ব্যবহার করা সম্ভব হয়।
Azomac-এর মাত্রা সংক্রমণের ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। সাধারণ প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা: প্রথম দিনে ৫০০ মি.গ্রা., এরপর ২য়-৫ম দিনে দৈনিক ২৫০ মি.গ্রা.; অথবা দৈনিক ৫০০ মি.গ্রা. একটানা ৩ দিন। শিশুদের ক্ষেত্রে (৬ মাস বা তার বেশি বয়সী) ওজন অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারিত হয় (সাধারণত ১০ মি.গ্রা./কেজি প্রথম দিনে, এরপর ৫ মি.গ্রা./কেজি)। ক্ল্যামাইডিয়া সংক্রমণে একবারে ১ গ্রাম মাত্রা ব্যবহার করা হতে পারে। Azomac-এর সঠিক মাত্রা ও মেয়াদ সবসময় চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী Azomac সম্পূর্ণ কোর্স সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, কোর্স দীর্ঘায়িত করবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, এবং অন্য কাউকে এই ওষুধ শেয়ার করবেন না।
Azomac-এর সাথে নিম্নলিখিত ওষুধের মিথষ্ক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ:
Azomac শুরু করার আগে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে অন্য সকল ওষুধ সম্পর্কে অবহিত করুন।
Azithromycin নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে সেবন করা যাবে না:
Azomac সেবনে সাধারণত হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
গর্ভাবস্থা: বর্তমান তথ্য অনুযায়ী Azomac ব্যবহারে জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি বৃদ্ধির প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে তথ্য সীমিত। গর্ভাবস্থায় Azomac শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই ব্যবহার করা উচিত। ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
স্তন্যদান: Azomac বুকের দুধে নিঃসৃত হয়। স্তন্যদানকালে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত এবং শিশুর মধ্যে ডায়রিয়া বা র্যাশের মতো লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা উচিত। স্তন্যদানকালে Azomac ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
QT দীর্ঘায়ন: Azomac হৃদস্পন্দনের QT ব্যবধান দীর্ঘায়িত করতে পারে এবং বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর হৃদস্পন্দনজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। QT দীর্ঘায়ন, ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য QT দীর্ঘায়িতকারী ওষুধ সেবনকারীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন।
যকৃতের ক্ষতি: বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর, কখনও প্রাণঘাতী যকৃতের ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। জন্ডিসের লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে Azomac বন্ধ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ক্লস্ট্রিডিওয়াইডিস ডিফিসিল সংক্রান্ত ডায়রিয়া: চিকিৎসা চলাকালীন বা পরবর্তী কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত দেখা দিতে পারে।
মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিস: Azomac সেবনে মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিসের লক্ষণ বৃদ্ধির বিরল খবর পাওয়া গেছে।
শিশুদের পাইলোরিক স্টেনোসিস: নবজাতকদের ক্ষেত্রে ম্যাক্রোলাইড ব্যবহারের সাথে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে বিধায় সতর্কতা প্রয়োজন।
অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণভাবে Azomac সেবন করুন; নিজে থেকে বন্ধ, দীর্ঘায়িত, বাদ দেওয়া বা অন্যকে দেওয়া উচিত নয়।
Azomac-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনে তীব্র বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া এবং বিরল ক্ষেত্রে সাময়িক শ্রবণ সমস্যা দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা মূলত সহায়ক ও উপসর্গভিত্তিক; কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই।
Azomac ট্যাবলেট/ক্যাপসুল ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মিশ্রিত Azomac সাসপেনশন লেবেলে উল্লিখিত নির্দেশ অনুযায়ী সংরক্ষণ করুন এবং ব্যবহার না হলে ১০ দিন পর ফেলে দিন।
শিশুদের ক্ষেত্রে: ৬ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের কানের সংক্রমণ, নিউমোনিয়া এবং (২ বছরের বেশি বয়সীদের) ফ্যারিনজাইটিসে Azomac ব্যবহারের অনুমোদন রয়েছে, ওজন অনুযায়ী মাত্রায়। ৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে Azomac-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
বয়স্কদের ক্ষেত্রে: বয়স্ক রোগীরা QT দীর্ঘায়নজনিত হৃদস্পন্দন সমস্যার প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারেন; হৃদরোগের ঝুঁকি থাকলে Azomac সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।
Q: Azomac 200 mg/5 ml Powder for Suspension কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Azomac 200 mg/5 ml Powder for Suspension একটি অ্যান্টিবায়োটিক যা শ্বাসতন্ত্র, ত্বক, কান এবং কিছু যৌনবাহিত সংক্রমণসহ বিভিন্ন সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের চিকিৎসায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহৃত হয়।
Q: Azomac 200 mg/5 ml Powder for Suspension কীভাবে সেবন করব?
A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী প্রতিদিন একই সময়ে Azomac 200 mg/5 ml Powder for Suspension সেবন করুন, খাবারের সাথে বা ছাড়া। লক্ষণ ভালো হয়ে গেলেও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোর্স মাঝপথে বন্ধ করবেন না।
Q: গর্ভাবস্থায় কি Azomac 200 mg/5 ml Powder for Suspension সেবন করা যাবে?
A: গর্ভাবস্থায় Azomac 200 mg/5 ml Powder for Suspension শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত, যেখানে সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি।
Q: Azomac 200 mg/5 ml Powder for Suspension-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: Azomac 200 mg/5 ml Powder for Suspension-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা, বমি এবং মাথাব্যথা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এগুলো হালকা এবং নিজে থেকেই সেরে যায়।
Q: কাদের Azomac 200 mg/5 ml Powder for Suspension সেবন করা উচিত নয়?
A: যাদের Azomac 200 mg/5 ml Powder for Suspension বা অন্য ম্যাক্রোলাইড অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি অ্যালার্জি রয়েছে, অথবা যাদের পূর্বে Azomac 200 mg/5 ml Powder for Suspension সেবনের সাথে সম্পর্কিত যকৃতের সমস্যার ইতিহাস রয়েছে, তাদের এটি সেবন করা উচিত নয়।
Q: Azomac 200 mg/5 ml Powder for Suspension অতিরিক্ত সেবন করলে কী করব?
A: অতিরিক্ত মাত্রায় Azomac 200 mg/5 ml Powder for Suspension সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।