
Salitic15 ml
Ziska Pharmaceuticals Ltd.

D-film টপিক্যাল সলিউশন (কলোডিয়ন ভিত্তিক) সাধারণ আঁচিল (কমন ওয়ার্ট), পায়ের তলার আঁচিল (প্লান্টার ওয়ার্ট), কর্ণ ও ক্যালাস দূর করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
মুখমণ্ডল, যৌনাঙ্গ/এনোজেনিটাল আঁচিল, মিউকাস মেমব্রেনের আঁচিল, অথবা চিকিৎসকের দ্বারা পরীক্ষা করা হয়নি এমন তিল বা অন্যান্য ত্বকের ক্ষততে D-film ব্যবহারের নির্দেশনা নেই।
D-film একটি টপিক্যাল কেরাটোলাইটিক (আঁচিল ও কর্ণ অপসারণকারী) শ্রেণীর ওষুধ, যা শুধুমাত্র বাহ্যিক ত্বকের ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট।
Salicylic Acid + Lactic Acid সম্মিলিত কেরাটোলাইটিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ করে। স্যালিসাইলিক এসিড ত্বকের বাইরের স্তরের কোষগুলোকে একসাথে ধরে রাখা আন্তঃকোষীয় বন্ধন ভেঙে দেয়, ফলে পুরু হয়ে যাওয়া ত্বক নরম হয়ে খসে পড়তে শুরু করে। ল্যাকটিক এসিড অতিরিক্ত কেরাটোলাইটিক ও মৃদু ক্ষয়কারী প্রভাব যোগ করে আঁচিল বা কর্ণের অস্বাভাবিক কেরাটিন টিস্যু ভাঙতে সাহায্য করে। ফ্লেক্সিবল কলোডিয়ন বাহক শুকিয়ে একটি প্রতিরক্ষামূলক আবরণ তৈরি করে, যা সক্রিয় উপাদানগুলোকে ক্ষত স্থানে কেন্দ্রীভূত রাখে ও প্রবেশ ক্ষমতা বাড়ায়।
D-film শুধুমাত্র বাহ্যিক প্রয়োগের জন্য এবং শুধুমাত্র আঁচিল, কর্ণ বা ক্যালাসের উপর প্রয়োগ করতে হয়, চারপাশের সুস্থ ত্বক এড়িয়ে।
| নির্দেশনা | প্রয়োগ পদ্ধতি |
|---|---|
| সাধারণ/প্লান্টার আঁচিল | আক্রান্ত স্থান প্রায় ৫ মিনিট গরম পানিতে ভিজিয়ে, পিউমিস স্টোন দিয়ে হালকাভাবে ঘষে আলগা ত্বক তুলে ফেলুন এবং ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। এরপর ব্রাশ অ্যাপ্লিকেটর দিয়ে শুধুমাত্র আঁচিলের উপর D-film প্রয়োগ করুন, দিনে একবার (বা নির্দেশনা অনুযায়ী), পুরোপুরি শুকাতে দিন এবং প্রয়োজনে প্লাস্টার দিয়ে ঢেকে দিন। ৬-১২ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রতিদিন চালিয়ে যান এবং নিয়মিত ক্ষতের অবস্থা পর্যালোচনা করুন। |
| কর্ণ ও ক্যালাস | উপরের নিয়মে ভিজিয়ে ও পুরু ত্বক ছেঁটে ফেলার পর, চারপাশের সুস্থ ত্বক রক্ষা করে (যেমন পেট্রোলিয়াম জেলি দিয়ে) দিনে একবার অল্প পরিমাণ D-film প্রয়োগ করুন এবং ঢাকার আগে সম্পূর্ণ শুকাতে দিন। |
১২ সপ্তাহ নিয়মিত ব্যবহারের পরও উন্নতি না হলে বা ক্ষত খারাপ হতে থাকলে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
নির্দেশনা অনুযায়ী সীমিত স্থানে ব্যবহার করলে D-film-এর সিস্টেমিক শোষণ খুবই সামান্য হওয়ায় উল্লেখযোগ্য কোনো সিস্টেমিক ওষুধ মিথষ্ক্রিয়া প্রতিষ্ঠিত নয়। তবে একই স্থানে অন্য টপিক্যাল কেরাটোলাইটিক, রেটিনয়েড বা জ্বালাকর প্রস্তুতি একসাথে ব্যবহার করলে স্থানীয় জ্বালা বা শোষণ বেড়ে যেতে পারে, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এড়িয়ে চলা উচিত। ত্বকের বড় অংশে, ক্ষতস্থানে বা শক্তভাবে ঢেকে ব্যবহার করলে স্যালিসাইলেট শোষণ বাড়তে পারে, বিশেষত অন্য স্যালিসাইলেট গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে।
Salicylic Acid + Lactic Acid নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:
সঠিকভাবে নির্দিষ্ট ক্ষতস্থানে প্রয়োগ করলে D-film সাধারণত ভালোভাবে সহ্য হয়। রিপোর্ট করা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো মূলত স্থানীয়:
অতিরিক্ত বা বিস্তৃত ব্যবহার, বিশেষত ক্ষতযুক্ত বা বড় ত্বকের অংশে, সিস্টেমিক স্যালিসাইলেট শোষণ ও বিষক্রিয়ার কারণ হতে পারে - দেখুন মাত্রাধিক্যতা অংশ।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে D-film-এর ব্যবহার সংক্রান্ত তথ্য সীমিত, কারণ ছোট, সীমিত স্থানে টপিক্যাল ব্যবহারে সিস্টেমিক শোষণ সাধারণত সামান্য হয়। সতর্কতা হিসেবে, প্রকৃত প্রয়োজন হলেই এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরই D-film সর্বনিম্ন স্থানে ও সর্বনিম্ন সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত, কারণ বেশি পরিমাণে শোষিত হলে স্যালিসাইলেট প্লাসেন্টা পার হতে পারে এবং বুকের দুধেও নির্গত হতে পারে।
শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য। D-film প্রয়োগের সময় চোখ, ঠোঁট, মিউকাস মেমব্রেন ও চারপাশের সুস্থ ত্বকের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন; অনিচ্ছাকৃত সংস্পর্শ হলে প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চিকিৎসার আগে চারপাশের সুস্থ ত্বক (যেমন পেট্রোলিয়াম জেলি দিয়ে) সুরক্ষিত করুন। ত্বকের বড় অংশে বা সুপারিশকৃত সময়ের চেয়ে বেশি দিন ব্যবহার করবেন না, কারণ এতে সিস্টেমিক স্যালিসাইলেট শোষণ ও বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে, বিশেষত শিশু ও কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে। যেসব শিশু বা কিশোর-কিশোরী চিকেনপক্স বা ফ্লু-জাতীয় অসুস্থতায় ভুগছে বা সেরে উঠছে, তাদের ক্ষেত্রে D-film ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ স্যালিসাইলেট এক্সপোজারের সাথে রেয়ে'স সিনড্রোমের তাত্ত্বিক সম্পর্ক রয়েছে, যদিও টপিক্যাল শোষণ মুখে খাওয়া স্যালিসাইলেটের তুলনায় অনেক কম। ভেজা অবস্থায় পণ্যটি দাহ্য (কলোডিয়ন ভিত্তিক); সম্পূর্ণ শুকানো পর্যন্ত আগুন বা তাপ থেকে দূরে রাখুন। অতিরিক্ত জ্বালা, সংক্রমণ বা লালচে ভাব ছড়িয়ে পড়লে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
D-film-এর মাত্রাধিক্যতা সঠিক টপিক্যাল ব্যবহারে বিরল, তবে বড় স্থানে, দীর্ঘ সময় বা অতিরিক্ত ব্যবহারে অথবা দুর্ঘটনাক্রমে গিলে ফেললে ঘটতে পারে। সিস্টেমিক স্যালিসাইলেট বিষক্রিয়ার লক্ষণের মধ্যে রয়েছে কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ (টিনিটাস), বমি বমি ভাব, বমি, মাথা ঘোরা, দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস, বিভ্রান্তি বা তন্দ্রাভাব। দুর্ঘটনাক্রমে গিলে ফেললে বা টপিক্যাল ব্যবহারের পর সিস্টেমিক বিষক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে, অবিলম্বে চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; নিজে থেকে নির্দিষ্ট কোনো ঘরোয়া চিকিৎসা করবেন না। চোখে লাগলে কয়েক মিনিট ধরে পানি দিয়ে ধুয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো, তাপ ও খোলা আগুন থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন (কলোডিয়ন ভিত্তি দাহ্য)। বাষ্পীভবন রোধে পাত্রের মুখ শক্তভাবে বন্ধ রাখুন এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
ডায়াবেটিস ও রক্ত সঞ্চালন সমস্যাযুক্ত রোগী: চিকিৎসকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ছাড়া পায়ে D-film ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ এতে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ও ক্ষত সারতে দেরি হওয়ার ঝুঁকি বেশি।
কিডনি সমস্যা: সতর্কতার সাথে এবং সীমিত স্থানে ব্যবহার করতে হবে, কারণ উল্লেখযোগ্য শোষণ হলে কমে যাওয়া রেনাল ক্লিয়ারেন্স সিস্টেমিক স্যালিসাইলেট জমা হওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
শিশু: শরীরের পৃষ্ঠতলের তুলনায় বেশি শোষণের ঝুঁকির কারণে শুধুমাত্র ছোট, নির্দিষ্ট স্থানে প্রাপ্তবয়স্কের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত; চিকেনপক্স বা ফ্লু-জাতীয় উপসর্গে আক্রান্ত শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়।
বয়স্ক রোগী: নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করলে সাধারণত নিরাপদ, তবে ত্বক পাতলা ও জ্বালাপ্রবণ হওয়ায় ছোট স্থানে ব্যবহার ও ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ পরামর্শযোগ্য।
Q: D-film 15 ml Topical Solution কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: D-film 15 ml Topical Solution একটি টপিক্যাল সলিউশন যা সাধারণ আঁচিল, পায়ের তলার আঁচিল, কর্ণ ও ক্যালাস অপসারণে ব্যবহৃত হয়, ক্ষতস্থানের পুরু ও শক্ত হয়ে যাওয়া ত্বককে নরম করে ধীরে ধীরে ভেঙে ফেলার মাধ্যমে।
Q: D-film 15 ml Topical Solution কীভাবে সঠিকভাবে প্রয়োগ করব?
A: আক্রান্ত স্থান প্রায় ৫ মিনিট গরম পানিতে ভিজিয়ে, আলগা মৃত ত্বক আলতোভাবে ঘষে তুলে ফেলুন, সম্পূর্ণ শুকিয়ে নিন, এরপর শুধুমাত্র আঁচিল বা কর্ণে অ্যাপ্লিকেটর ব্রাশ দিয়ে D-film 15 ml Topical Solution প্রয়োগ করুন, চারপাশের সুস্থ ত্বক এড়িয়ে, এবং ঢাকার আগে সম্পূর্ণ শুকাতে দিন। সাধারণত এটি ৬-১২ সপ্তাহ পর্যন্ত দিনে একবার করে চালিয়ে যেতে হয়।
Q: আমার ডায়াবেটিস থাকলে কি D-film 15 ml Topical Solution ব্যবহার করতে পারি?
A: না। ডায়াবেটিস বা রক্ত সঞ্চালন সমস্যাযুক্ত রোগীদের পায়ে চিকিৎসকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ছাড়া D-film 15 ml Topical Solution ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ এতে ত্বকে আলসার বা ধীরে সারা ক্ষতের ঝুঁকি থাকে।
Q: গর্ভাবস্থায় D-film 15 ml Topical Solution ব্যবহার কি নিরাপদ?
A: তথ্য সীমিত। প্রকৃত প্রয়োজন হলেই এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরই D-film 15 ml Topical Solution গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালে সর্বনিম্ন স্থানে ও সর্বনিম্ন সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।
Q: চোখে লাগলে বা গিলে ফেললে কী করব?
A: চোখে লাগলে প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। দুর্ঘটনাক্রমে গিলে ফেললে, বা ব্যবহারের পর কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ, বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা বা দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাসের মতো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসা সহায়তা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
Q: শিশুরা কি D-film 15 ml Topical Solution ব্যবহার করতে পারে?
A: D-film 15 ml Topical Solution শিশুদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কের তত্ত্বাবধানে ছোট স্থানে ব্যবহার করা উচিত, এবং যেসব শিশু বা কিশোর-কিশোরী চিকেনপক্স বা ফ্লু-জাতীয় অসুস্থতায় ভুগছে তাদের ক্ষেত্রে রেয়ে'স সিনড্রোমের তাত্ত্বিক ঝুঁকির কারণে ব্যবহার করা উচিত নয়।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।