
Emend40 mg
Opsonin Pharma Ltd.

Emestop একটি নির্বাচনমূলক নিউরোকাইনিন-১ (NK1) রিসেপ্টর প্রতিরোধী ওষুধ, যা বমি বমি ভাব ও বমি প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। এটি ইতিমধ্যে শুরু হয়ে যাওয়া বমি বমি ভাব বা বমির চিকিৎসার জন্য নয় — এটি প্রতিরোধমূলকভাবে, বমি সৃষ্টিকারী কারণের আগেই ব্যবহার করা হয়।
অ্যান্টিইমেটিক (বমি প্রতিরোধী) — নিউরোকাইনিন-১ (NK1) রিসেপ্টর প্রতিরোধী শ্রেণি। Emestop এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত এবং অ্যান্টিইমেটিক প্রতিরোধে 5-HT3 রিসেপ্টর প্রতিরোধী ও করটিকোস্টেরয়েডের সাথে সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Aprepitant মানব সাবস্ট্যান্স পি/নিউরোকাইনিন-১ (NK1) রিসেপ্টরের একটি নির্বাচনমূলক, উচ্চ-আসক্তিসম্পন্ন প্রতিরোধী, যার সেরোটোনিন (5-HT3), ডোপামিন বা করটিকোস্টেরয়েড রিসেপ্টরের প্রতি সামান্য বা কোনো আসক্তি নেই। কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের NK1 রিসেপ্টর অবরুদ্ধ করে Aprepitant সাবস্ট্যান্স পি-এর বমি সৃষ্টিকারী প্রভাব প্রতিরোধ করে এবং 5-HT3 রিসেপ্টর প্রতিরোধী ও করটিকোস্টেরয়েডের অ্যান্টিইমেটিক কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।
| জনগোষ্ঠী | ১ম দিন | ২য় দিন | ৩য় দিন |
|---|---|---|---|
| প্রাপ্তবয়স্ক ও ≥১২ বছর বয়সী শিশু (ক্যাপসুল) | কেমোথেরাপির ১ ঘণ্টা আগে মুখে ১২৫ মি.গ্রা. | প্রতিদিন একবার মুখে ৮০ মি.গ্রা. | প্রতিদিন একবার মুখে ৮০ মি.গ্রা. |
| ৬ মাস থেকে ১২ বছরের কম বয়সী শিশু (মুখে খাওয়ার সাসপেনশন) | কেমোথেরাপির ১ ঘণ্টা আগে ৩ মি.গ্রা./কেজি (সর্বোচ্চ ১২৫ মি.গ্রা.) | প্রতিদিন একবার ২ মি.গ্রা./কেজি (সর্বোচ্চ ৮০ মি.গ্রা.) | প্রতিদিন একবার ২ মি.গ্রা./কেজি (সর্বোচ্চ ৮০ মি.গ্রা.) |
Emestop অবশ্যই একটি 5-HT3 রিসেপ্টর প্রতিরোধী ও একটি করটিকোস্টেরয়েডের (যেমন ডেক্সামেথাসোন) সাথে সম্পূর্ণ অ্যান্টিইমেটিক পদ্ধতির অংশ হিসেবে দিতে হবে — সহায়ক ওষুধের সঠিক সময়সূচির জন্য চিকিৎসকের নির্দেশিত কেমোথেরাপি প্রোটোকল অনুসরণ করুন। কেমোথেরাপি না হওয়া দিনগুলোতে সকালের মাত্রা কেমোথেরাপির সময়সূচি নির্বিশেষে গ্রহণ করা হয়।
| জনগোষ্ঠী | মাত্রা |
|---|---|
| প্রাপ্তবয়স্ক | অ্যানেস্থেশিয়া শুরুর ৩ ঘণ্টার মধ্যে একক মাত্রা হিসেবে মুখে ৪০ মি.গ্রা. |
Emestop CYP3A4 যকৃত এনজাইমের একটি সাবস্ট্রেট এবং একটি মাঝারি মাত্রার প্রতিরোধী ও প্রবর্তক, যা এর অধিকাংশ ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়ার কারণ।
Aprepitant নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত:
Emestop সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়। সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো হলো ক্লান্তি, হেঁচকি এবং কোষ্ঠকাঠিন্য।
| মাত্রা | প্রাপ্তবয়স্ক | শিশু |
|---|---|---|
| সাধারণ (≥৩%) | ক্লান্তি, হেঁচকি, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, দুর্বলতা, বদহজম, পেটে ব্যথা, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, ক্ষুধামন্দা | ক্ষুধামন্দা, মাথাব্যথা, কাশি, ক্লান্তি, ডায়রিয়া |
| কম সাধারণ | যকৃত এনজাইম বৃদ্ধি, অনিদ্রা, উদ্বেগ | নিউট্রোপেনিয়া (শ্বেত রক্তকণিকা হ্রাস) |
| বিরল কিন্তু গুরুতর | অ্যানাফাইল্যাক্সিস ও অ্যাঞ্জিওএডিমাসহ অতি সংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া; গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া (যেমন স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম) | প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই; দ্রুত জানান |
Emestop সেবনকালে গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ (র্যাশ, মুখ/গলা ফোলা, শ্বাসকষ্ট) বা গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
প্রাণী গবেষণায় মানব মাত্রার কাছাকাছি এক্সপোজারে Emestop ভ্রূণের ক্ষতির প্রমাণ দেখায়নি, তবে গর্ভবতী নারীদের ওপর পর্যাপ্ত ও সুনিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই। গর্ভাবস্থায় Emestop শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ব্যবহার করা উচিত। গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের আগে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Emestop মানুষের বুকের দুধে প্রবেশ করে কিনা তা জানা নেই, যদিও এটি স্তন্যপায়ী প্রাণীর দুধে সনাক্ত হয়েছে। শিশুর ওপর সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাবের কারণে, চিকিৎসার সময় ও (ওষুধের অর্ধ-জীবনকাল বিবেচনায়) এর কিছুদিন পর স্তন্যদান স্থগিত রাখা অথবা মায়ের জন্য ওষুধের গুরুত্ব বিবেচনা করে Emestop ব্যবহার এড়িয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। Emestop সেবনকালে স্তন্যদানের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Emestop অতিরিক্ত সেবনের কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। প্রতিবেদিত অতিরিক্ত সেবনের ক্ষেত্রে (সর্বোচ্চ প্রস্তাবিত মাত্রার প্রায় ১১ গুণ পর্যন্ত) তন্দ্রা ও মাথাব্যথা দেখা গেছে, তবে অন্য কোনো গুরুতর প্রভাবের প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি; তবে এ বিষয়ে তথ্য সীমিত। হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে Emestop অপসারিত হয় না।
অতিরিক্ত সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সহায়ক চিকিৎসা ও জীবনরক্ষাকারী লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা উচিত — নিজে থেকে কোনো নির্দিষ্ট ঘরোয়া চিকিৎসা করবেন না।
Emestop ক্যাপসুল আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, মূল প্যাকেজিংয়ে, স্বাভাবিক ঘর তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে) সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
প্রস্তুতকৃত মুখে খাওয়ার সাসপেনশন ফ্রিজে (২–৮°সে) সংরক্ষণ করে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহার করতে হবে, অথবা ব্যবহারের আগে সর্বোচ্চ ৩ ঘণ্টা স্বাভাবিক ঘর তাপমাত্রায় রাখা যেতে পারে; এই সময়ের পর অব্যবহৃত অংশ ফেলে দিন।
Q: Emestop 40 mg Capsule কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Emestop 40 mg Capsule ক্যান্সারের কেমোথেরাপির কারণে সৃষ্ট বমি বমি ভাব ও বমি প্রতিরোধে (অন্যান্য অ্যান্টিইমেটিক ওষুধের সাথে) এবং অস্ত্রোপচার-পরবর্তী বমি বমি ভাব ও বমি প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি প্রতিরোধমূলক ওষুধ এবং ইতিমধ্যে শুরু হয়ে যাওয়া বমি বমি ভাব বা বমির চিকিৎসা করে না।
Q: কেমোথেরাপি-জনিত বমি বমি ভাবে Emestop 40 mg Capsule কি একা ব্যবহার করা যায়?
A: না। কেমোথেরাপি-জনিত বমি বমি ভাব ও বমির ক্ষেত্রে Emestop 40 mg Capsule সবসময় একটি 5-HT3 রিসেপ্টর প্রতিরোধী ও ডেক্সামেথাসোনের মতো একটি করটিকোস্টেরয়েডের সাথে সংযুক্তভাবে দিতে হয়। শুধু Emestop 40 mg Capsule ব্যবহার এক্ষেত্রে কার্যকর নয়।
Q: Emestop 40 mg Capsule কি জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির কার্যকারিতা প্রভাবিত করে?
A: হ্যাঁ। Emestop 40 mg Capsule চিকিৎসার সময় এবং পরবর্তী এক মাস পর্যন্ত হরমোনভিত্তিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে। এই সময়ে বিকল্প বা অতিরিক্ত অ-হরমোনভিত্তিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করুন।
Q: ওয়ারফারিনের সাথে Emestop 40 mg Capsule নেওয়া যাবে কি?
A: ওয়ারফারিন সেবনকারী রোগীদের ক্ষেত্রে Emestop 40 mg Capsule INR কমিয়ে দিতে পারে, যা ওয়ারফারিনের রক্ত পাতলা করার কার্যকারিতা কমাতে পারে। ওয়ারফারিন সেবনকারীদের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে প্রতিটি Emestop 40 mg Capsule কোর্সের ৭-১০ দিন পর, চিকিৎসকের উচিত INR নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Emestop 40 mg Capsule কি নিরাপদ?
A: পর্যাপ্ত মানব নিরাপত্তা তথ্যের অভাবে গর্ভাবস্থায় Emestop 40 mg Capsule শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে ব্যবহার করা উচিত; উপকারিতা ও ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন। Emestop 40 mg Capsule মানুষের বুকের দুধে প্রবেশ করে কিনা তা জানা নেই, তাই চিকিৎসার সময় ও অল্প পরে স্তন্যদান স্থগিত রাখা উচিত কিনা তা চিকিৎসকের সাহায্যে ঠিক করুন।
Q: Emestop 40 mg Capsule-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো ক্লান্তি, হেঁচকি ও কোষ্ঠকাঠিন্য। অন্যান্য প্রভাবের মধ্যে রয়েছে ডায়রিয়া, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা ও ক্ষুধামন্দা। মুখ ফোলা, র্যাশ বা শ্বাসকষ্টের মতো গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসা নিন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।