Product gallery

G-Cotrimoxazole400 mg+80 mg


MRP ১২০.০৬১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১০৮.০৫/100's strip
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

G-Cotrimoxazole একটি সংমিশ্রণ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ওষুধ (সালফামেথক্সাজোল ও ট্রাইমেথোপ্রিম, যা কো-ট্রাইমক্সাজল/SMX-TMP নামেও পরিচিত), যা ব্যাকটেরিয়ার ফলিক অ্যাসিড সংশ্লেষণের দুটি ধাপকে ক্রমান্বয়ে বাধা দিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করে।

প্রমাণিত/অনুমোদিত ব্যবহার

  • সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়াজনিত মূত্রনালীর সংক্রমণ (Urinary Tract Infection)
  • শিশুদের কানের সংক্রমণ (Acute Otitis Media)
  • ব্রংকাইটিসের তীব্র বৃদ্ধি (প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে)
  • শিগেলোসিস (ব্যাকটেরিয়াজনিত আমাশয়)
  • ভ্রমণকালীন ডায়রিয়া (Traveler's Diarrhea)
  • নিউমোসিস্টিস জাইরোভেসি নিউমোনিয়া (PCP) — চিকিৎসা এবং প্রথম সারির প্রতিরোধমূলক ব্যবহার, বিশেষত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে (যেমন HIV/AIDS বা প্রতিস্থাপন রোগী)

গাইডলাইন-সমর্থিত/সহায়ক ব্যবহার

  • নির্দিষ্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে টক্সোপ্লাজমোসিস প্রতিরোধ
  • নোকার্ডিওসিস, সংমিশ্রণ বা বিকল্প চিকিৎসার অংশ হিসেবে, যেখানে গাইডলাইন সমর্থন করে

G-Cotrimoxazole শুধুমাত্র প্রমাণিত বা সন্দেহভাজন সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা উচিত, যাতে ওষুধ-প্রতিরোধী জীবাণুর বিকাশ কমানো যায়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

G-Cotrimoxazole একটি সংমিশ্রণ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল (সালফোনামাইড + ফোলেট-পাথওয়ে ইনহিবিটর); এটি কো-ট্রাইমক্সাজল/SMX-TMP নামেও পরিচিত।

ফার্মাকোলজি

Cotrimoxazole-এ থাকা দুটি উপাদান ব্যাকটেরিয়ার ফলিক অ্যাসিড সংশ্লেষণের ক্রমান্বয়ে দুটি ধাপকে বাধা দেয়। সালফামেথক্সাজোল ডাইহাইড্রোপটেরোয়েট সিন্থেটেজ এনজাইমকে বাধা দিয়ে PABA-কে ডাইহাইড্রোফলিক অ্যাসিডে রূপান্তর রোধ করে, আর ট্রাইমেথোপ্রিম ডাইহাইড্রোফলেট রিডাক্টেজ এনজাইমকে বাধা দিয়ে ডাইহাইড্রোফলিক অ্যাসিডকে টেট্রাহাইড্রোফলিক অ্যাসিডে রূপান্তর রোধ করে। এই দ্বৈত ক্রমান্বয়িক বাধাদান বিস্তৃত পরিসরের গ্রাম-পজিটিভ ও গ্রাম-নেগেটিভ জীবাণুর বিরুদ্ধে সমন্বিত ব্যাকটেরিসাইডাল প্রভাব তৈরি করে।

মুখে খাওয়ার পর Cotrimoxazole-এর উভয় উপাদান ভালোভাবে শোষিত হয় এবং ১-৪ ঘণ্টার মধ্যে সর্বোচ্চ রক্তের ঘনত্বে পৌঁছায়। এটি শরীরের বিভিন্ন টিস্যু ও তরলে ব্যাপকভাবে বিতরণ হয়। উভয় উপাদান মূলত কিডনির মাধ্যমে নিঃসৃত হয়, স্বাভাবিক কিডনি কার্যক্ষমতার রোগীদের ক্ষেত্রে অর্ধায়ু প্রায় ৮-১২ ঘণ্টা; কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

G-Cotrimoxazole-এর মাত্রা সংক্রমণের ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত হয় এবং ট্রাইমেথোপ্রিম উপাদানের হিসাবে প্রকাশ করা হয়।

রোগ/সংক্রমণপ্রাপ্তবয়স্ক মাত্রাশিশুদের মাত্রা (২ মাস বা তার বেশি)
মূত্রনালীর সংক্রমণ১টি ডাবল-স্ট্রেংথ (৮০০/১৬০ মি.গ্রা.) ট্যাবলেট প্রতি ১২ ঘণ্টা অন্তর, ১০-১৪ দিন৮ মি.গ্রা./কেজি/দিন (TMP) + ৪০ মি.গ্রা./কেজি/দিন (SMX), ১২ ঘণ্টা অন্তর ভাগ করে
শিগেলোসিস১টি ডাবল-স্ট্রেংথ ট্যাবলেট প্রতি ১২ ঘণ্টা অন্তর, ৫ দিনএকই ওজন-ভিত্তিক মাত্রা, ৫ দিন
ভ্রমণকালীন ডায়রিয়া১টি ডাবল-স্ট্রেংথ ট্যাবলেট প্রতি ১২ ঘণ্টা অন্তর, ৫ দিননিয়মিত ব্যবহৃত হয় না; চিকিৎসকের নির্দেশনা প্রয়োজন
নিউমোসিস্টিস জাইরোভেসি নিউমোনিয়া (চিকিৎসা)১৫-২০ মি.গ্রা./কেজি/দিন (TMP), ৬-৮ ঘণ্টা অন্তর ভাগ করে, ১৪-২১ দিনএকই উচ্চমাত্রার ওজন-ভিত্তিক রেজিমেন, বিশেষজ্ঞের নির্দেশনা অনুযায়ী
নিউমোসিস্টিস জাইরোভেসি নিউমোনিয়া (প্রতিরোধ)১টি ডাবল-স্ট্রেংথ বা সিঙ্গেল-স্ট্রেংথ ট্যাবলেট দৈনিক একবারচিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী ওজন-ভিত্তিক মাত্রা, সপ্তাহে ৩ দিন

কিডনির সমস্যা থাকলে: ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ১৫-৩০ মি.লি./মিনিট হলে স্বাভাবিক মাত্রার অর্ধেক দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়; ১৫ মি.লি./মিনিটের নিচে G-Cotrimoxazole ব্যবহার সুপারিশ করা হয় না, যদি না রোগী ডায়ালাইসিসে থাকেন এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকেন।

G-Cotrimoxazole ট্যাবলেট এক গ্লাস পানির সাথে সেবন করা উচিত এবং চিকিৎসাকালীন পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ বজায় রাখা উচিত। খাবারের সাথে বা ছাড়া সেবন করা যায়।

অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী G-Cotrimoxazole সম্পূর্ণ কোর্স সেবন করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, কোর্স দীর্ঘায়িত করবেন না, ডোজ বাদ দেবেন না, এবং অন্য কাউকে এই ওষুধ শেয়ার করবেন না।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

G-Cotrimoxazole-এর সাথে নিম্নলিখিত ওষুধের মিথষ্ক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ:

  • ওয়ারফারিন: G-Cotrimoxazole রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধী প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিতে পারে, রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়; একসাথে ব্যবহারে INR নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • ACE ইনহিবিটর, ARB, পটাশিয়াম-স্পেয়ারিং মূত্রবর্ধক: রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাওয়ার (হাইপারক্যালেমিয়া) ঝুঁকি বাড়ায়, বিশেষত বয়স্ক বা কিডনির সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে।
  • মেথোট্রেক্সেট: G-Cotrimoxazole মেথোট্রেক্সেটের বিষক্রিয়া ও অস্থিমজ্জা দমনের ঝুঁকি বাড়াতে পারে; একসাথে ব্যবহার এড়িয়ে চলা বা ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • ফেনিটোইন: G-Cotrimoxazole ফেনিটোইনের বিপাক বাধাগ্রস্ত করে এর রক্তের মাত্রা ও বিষক্রিয়া বাড়াতে পারে।
  • সালফোনাইলইউরিয়া (যেমন গ্লিবেনক্লামাইড): G-Cotrimoxazole রক্তে শর্করা কমানোর প্রভাব বাড়িয়ে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • ডোফেটিলাইড ও QT দীর্ঘায়িতকারী অন্যান্য ওষুধ: হৃদস্পন্দনের ছন্দে সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়; ডোফেটিলাইডের সাথে G-Cotrimoxazole-এর একযোগে ব্যবহার নিষিদ্ধ।
  • সাইক্লোস্পোরিন: G-Cotrimoxazole-এর সাথে ব্যবহারে কিডনির কার্যক্ষমতা সাময়িকভাবে হ্রাস পাওয়ার ঝুঁকি থাকে, বিশেষত প্রতিস্থাপন রোগীদের ক্ষেত্রে।

G-Cotrimoxazole শুরু করার আগে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে অন্য সকল ওষুধ সম্পর্কে অবহিত করুন।

প্রতিনির্দেশনা

Cotrimoxazole নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে সেবন করা যাবে না:

  • যাদের সালফোনামাইড, ট্রাইমেথোপ্রিম বা Cotrimoxazole-এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা রয়েছে, অথবা যাদের এসব উপাদানের কারণে পূর্বে ইমিউন থ্রম্বোসাইটোপেনিয়ার ইতিহাস আছে।
  • যাদের ফোলেট ঘাটতিজনিত মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়া রয়েছে।
  • ২ মাসের কম বয়সী শিশু।
  • প্রসবকালীন সময়ে ও প্রসবের কাছাকাছি সময়ে থাকা গর্ভবতী নারী (নবজাতকের কার্নিক্টেরাসের ঝুঁকি)।
  • যাদের গুরুতর যকৃতের ক্ষতি রয়েছে।
  • যাদের কিডনির কার্যক্ষমতা এতটাই খারাপ যে তা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়।
  • যারা একই সময়ে ডোফেটিলাইড সেবন করছেন।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

G-Cotrimoxazole সেবনে সাধারণত হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, তবে কিছু গুরুতর প্রতিক্রিয়ার ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।

সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

  • বমি বমি ভাব, বমি
  • ক্ষুধামন্দা
  • ডায়রিয়া
  • ত্বকে র‍্যাশ
  • মাথাব্যথা

কম সাধারণ/গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)

  • গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া, যার মধ্যে রয়েছে স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম ও টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিস
  • দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে রক্তের সমস্যা (অ্যাগ্রানুলোসাইটোসিস, অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া, থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া)
  • হাইপারক্যালেমিয়া, বিশেষত কিডনি সমস্যা বা বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে
  • যকৃতের ক্ষতি, যার মধ্যে কোলেস্ট্যাটিক জন্ডিসও রয়েছে (বিরল)
  • সূর্যালোকের প্রতি সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি
  • Clostridioides difficile-সম্পর্কিত ডায়রিয়া/কোলাইটিস

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: G-Cotrimoxazole সাধারণত গর্ভাবস্থায়, বিশেষত প্রথম ত্রৈমাসিকে (জন্মগত ত্রুটির সাথে সম্পর্ক থাকতে পারে) এবং প্রসবকালীন সময়ে (নবজাতকের কার্নিক্টেরাসের ঝুঁকি) এড়িয়ে চলা উচিত। G-Cotrimoxazole শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে, নিরাপদ বিকল্প না থাকলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই ব্যবহার করা উচিত। ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন; প্রসবের কাছাকাছি সময়ে G-Cotrimoxazole ব্যবহার নিষিদ্ধ।

স্তন্যদান: G-Cotrimoxazole-এর উভয় উপাদান বুকের দুধে নিঃসৃত হয়। নবজাতক, অপরিণত শিশু, বা হাইপারবিলিরুবিনেমিয়া/G6PD ঘাটতিযুক্ত শিশুকে স্তন্যদানকালে G-Cotrimoxazole এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ কার্নিক্টেরাস ও হিমোলাইসিসের ঝুঁকি থাকে। স্তন্যদানকালে G-Cotrimoxazole ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

গুরুতর ত্বক/অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া: G-Cotrimoxazole-এর সাথে বিরল কিন্তু গুরুতর এবং প্রাণঘাতী হতে পারে এমন প্রতিক্রিয়ার সম্পর্ক পাওয়া গেছে, যেমন স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম ও টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিস। ত্বকে র‍্যাশ বা অ্যালার্জির যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে G-Cotrimoxazole বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

হাইপারক্যালেমিয়া: G-Cotrimoxazole রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে পারে, বিশেষত কিডনির সমস্যা, বয়স্ক রোগী, বা অন্যান্য পটাশিয়াম-বৃদ্ধিকারী ওষুধ সেবনকারীদের ক্ষেত্রে; ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের সিরাম পটাশিয়াম পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

রক্তের সমস্যা: দীর্ঘমেয়াদী বা উচ্চমাত্রায় G-Cotrimoxazole ব্যবহারে ফোলেট বিরোধিতার কারণে অ্যাগ্রানুলোসাইটোসিস, অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া ও থ্রম্বোসাইটোপেনিয়ার মতো রক্তের সমস্যা হতে পারে; দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার ক্ষেত্রে নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়।

যকৃত ও কিডনির কার্যক্ষমতা: যকৃত বা কিডনির কার্যক্ষমতা ব্যাহত হওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে G-Cotrimoxazole সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত; কিডনির সমস্যায় মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন এবং গুরুতর যকৃত বা কিডনির সমস্যায় এটি নিষিদ্ধ (দেখুন প্রতিনির্দেশনা)।

সূর্যালোক সংবেদনশীলতা: G-Cotrimoxazole সূর্যালোকের প্রতি সংবেদনশীলতা বাড়াতে পারে; চিকিৎসাকালীন অতিরিক্ত রোদে যাওয়া এড়িয়ে চলুন।

G6PD ঘাটতি: গ্লুকোজ-৬-ফসফেট ডিহাইড্রোজিনেজ ঘাটতিযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে হিমোলাইসিস হতে পারে; সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।

অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণভাবে G-Cotrimoxazole সেবন করুন; নিজে থেকে বন্ধ, দীর্ঘায়িত, বাদ দেওয়া বা অন্যকে দেওয়া উচিত নয়।

মাত্রাধিক্যতা

G-Cotrimoxazole-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনে বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা, মাথা ঘোরা, বিভ্রান্তি, মাথাব্যথা এবং গুরুতর ক্ষেত্রে অস্থিমজ্জা দমন, জন্ডিস ও ক্রিস্টালিউরিয়া দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা মূলত সহায়ক ও উপসর্গভিত্তিক; কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই, তবে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ফোলিনিক অ্যাসিড ব্যবহার করা যেতে পারে।

সংরক্ষণ

G-Cotrimoxazole ট্যাবলেট/সাসপেনশন ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মোড়কে মুদ্রিত মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখের পরে ব্যবহার করবেন না।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে: ২ মাস বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে সংবেদনশীল মূত্রনালীর সংক্রমণ, কানের সংক্রমণ, শিগেলোসিস, এবং নিউমোসিস্টিস জাইরোভেসি নিউমোনিয়ার চিকিৎসা/প্রতিরোধে G-Cotrimoxazole ব্যবহারের অনুমোদন রয়েছে, ওজন অনুযায়ী মাত্রায় (ট্রাইমেথোপ্রিম উপাদানের হিসাবে)। ২ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে কার্নিক্টেরাসের ঝুঁকি এবং প্রতিষ্ঠিত নিরাপত্তা ও কার্যকারিতার অভাবের কারণে G-Cotrimoxazole নিষিদ্ধ।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে: কিডনির সমস্যা বা মূত্রবর্ধক সেবনকারী বয়স্ক রোগীরা G-Cotrimoxazole-এর গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার (হাইপারক্যালেমিয়া, রক্তের সমস্যা) ঝুঁকিতে বেশি থাকেন; সতর্কতার সাথে ও ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করা উচিত।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: G-Cotrimoxazole 400 mg+80 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: G-Cotrimoxazole 400 mg+80 mg Tablet একটি সংমিশ্রণ অ্যান্টিবায়োটিক যা মূত্রনালীর সংক্রমণ, নির্দিষ্ট শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, ভ্রমণকালীন ডায়রিয়া, শিগেলোসিস এবং নিউমোসিস্টিস জাইরোভেসি নিউমোনিয়ার চিকিৎসা ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়, বিশেষত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।

Q: G-Cotrimoxazole 400 mg+80 mg Tablet কীভাবে সেবন করব?

A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী এক গ্লাস পানির সাথে এবং পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ বজায় রেখে G-Cotrimoxazole 400 mg+80 mg Tablet সেবন করুন, খাবারের সাথে বা ছাড়া। লক্ষণ ভালো হয়ে গেলেও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোর্স মাঝপথে বন্ধ করবেন না।

Q: গর্ভাবস্থায় কি G-Cotrimoxazole 400 mg+80 mg Tablet সেবন করা যাবে?

A: গর্ভাবস্থায়, বিশেষত প্রথম ত্রৈমাসিকে ও প্রসবের কাছাকাছি সময়ে, G-Cotrimoxazole 400 mg+80 mg Tablet সাধারণত এড়িয়ে চলা উচিত। শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত, যেখানে নিরাপদ বিকল্প নেই এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি। প্রসবের কাছাকাছি সময়ে এটি নিষিদ্ধ।

Q: কাদের G-Cotrimoxazole 400 mg+80 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়?

A: যাদের সালফোনামাইড বা ট্রাইমেথোপ্রিমের প্রতি অ্যালার্জি রয়েছে, ২ মাসের কম বয়সী শিশু, ফোলেট ঘাটতিজনিত মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়ার রোগী, গুরুতর যকৃত বা কিডনির সমস্যাযুক্ত রোগী, এবং প্রসবের কাছাকাছি সময়ে থাকা গর্ভবতী নারীদের G-Cotrimoxazole 400 mg+80 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়।

Q: G-Cotrimoxazole 400 mg+80 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: G-Cotrimoxazole 400 mg+80 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, বমি, ক্ষুধামন্দা, ত্বকে র‍্যাশ এবং মাথাব্যথা। ত্বকে র‍্যাশ, জ্বর, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ বা জন্ডিসের মতো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কারণ এগুলো বিরল কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ হতে পারে।

Q: G-Cotrimoxazole 400 mg+80 mg Tablet অতিরিক্ত সেবন করলে কী করব?

A: অতিরিক্ত মাত্রায় G-Cotrimoxazole 400 mg+80 mg Tablet সেবনের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। নিজে থেকে কোনো ঘরোয়া চিকিৎসা নেবেন না।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor