
Arofil SR300 mg
Incepta Pharmaceuticals Ltd.

G-Theophylline একটি মিথাইলজ্যান্থিন গোত্রের ব্রঙ্কোডাইলেটর, যা সাধারণত ইনহেলারভিত্তিক চিকিৎসায় পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ না হলে দ্বিতীয়/তৃতীয় সারির চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী নির্দেশনাগুলো নিচে শ্রেণিবদ্ধ করা হলো।
G-Theophylline আকস্মিক শ্বাসকষ্টের জরুরি (rescue) চিকিৎসা নয় এবং দ্রুত-কার্যকর ইনহেলারের বিকল্প নয়।
G-Theophylline একটি মিথাইলজ্যান্থিন গোত্রের ব্রঙ্কোডাইলেটর (জ্যান্থিন ডেরিভেটিভ); অ্যান্টি-অ্যাজমা/অ্যান্টি-সিওপিডি এজেন্ট।
Theophylline শ্বাসনালীর মসৃণ পেশি শিথিল করে এবং উদ্দীপকের প্রতি শ্বাসনালীর প্রতিক্রিয়া হ্রাস করে ব্রঙ্কোডাইলেশন ঘটায়। এর সম্ভাব্য প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ফসফোডাইস্টারেজ এনজাইমের অ-নির্বাচনী বাধাদান (কোষে সাইক্লিক এএমপি বৃদ্ধি), অ্যাডেনোসিন রিসেপ্টরের প্রতিরোধ, এবং উচ্চ মাত্রায় প্রদাহ-বিরোধী প্রভাব। Theophylline কেন্দ্রীয় শ্বাস-প্রশ্বাস উদ্দীপনা বাড়ায় এবং ডায়াফ্রামের সংকোচনক্ষমতা উন্নত করে, যা নবজাতকের অ্যাপনিয়ায় এর ঐতিহাসিক ব্যবহারে সহায়ক। এটি প্রধানত যকৃতে CYP1A2 এনজাইমের মাধ্যমে বিপাকিত হয়, ফলে অনেক ওষুধের সাথে মিথষ্ক্রিয়ার সম্ভাবনা থাকে। এর অর্ধায়ু সাধারণত সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক অধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে প্রায় ৩-৯ ঘণ্টা, তবে নবজাতক, বৃদ্ধ এবং যকৃতের সমস্যা, হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা বা জ্বরযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে তা দীর্ঘ হতে পারে এবং ধূমপায়ী ও শিশুদের ক্ষেত্রে কম হতে পারে।
G-Theophylline-এর থেরাপিউটিক ইনডেক্স সংকীর্ণ হওয়ায় ওজন, বয়স, ক্লিনিক্যাল প্রতিক্রিয়া এবং নিয়মিত সিরাম G-Theophylline মাত্রা পরীক্ষার ভিত্তিতে প্রতিটি রোগীর জন্য আলাদাভাবে মাত্রা নির্ধারণ করতে হয়। সাধারণত গৃহীত থেরাপিউটিক সিরাম মাত্রা প্রায় ১০-১৫ mcg/mL; এর চেয়ে বেশি হলে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
সাধারণত দৈনিক প্রায় ১০ mg/kg পর্যন্ত (সাধারণত দৈনিক ৯০০ mg-এর বেশি নয়), বিভক্ত মাত্রায় অথবা দীর্ঘ-কার্যকরী ফর্মুলেশন হিসেবে দিনে একবার বা দুইবার, সিরাম মাত্রা ও প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী সমন্বয় করে।
এই মাত্রাগুলো শুধুমাত্র প্রাথমিক নির্দেশক সীমা; চিকিৎসককে অবশ্যই সিরাম G-Theophylline মাত্রা পরীক্ষা করে প্রতিটি রোগীর জন্য মাত্রা চূড়ান্ত করতে হবে, বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে।
নির্ধারিত সময়ে প্রতিদিন নিয়মিতভাবে G-Theophylline সেবন করুন। দীর্ঘ-কার্যকরী (extended-release) ট্যাবলেট/ক্যাপসুল পুরোটা গিলে ফেলতে হবে — চূর্ণ করা, চিবানো বা ভাঙা যাবে না, কারণ এতে দ্রুত পুরো মাত্রা মুক্ত হয়ে বিষক্রিয়া হতে পারে। খাবারের সাথে বা খালি পেটে যেভাবে শুরু করা হয়েছে সেভাবেই ধারাবাহিকভাবে সেবন করুন। কোনো মাত্রা বাদ পড়লে মনে পড়ার সাথে সাথে তা সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় ঘনিয়ে এলে বাদ পড়া মাত্রাটি বাদ দিন — দ্বিগুণ মাত্রা নেবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া G-Theophylline-এর ব্র্যান্ড পরিবর্তন করবেন না।
G-Theophylline প্রধানত যকৃতের CYP1A2 এনজাইমের মাধ্যমে বিপাকিত হয় এবং এর সাথে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে। নিচের তালিকাটি প্রধান মিথষ্ক্রিয়াগুলোর সংক্ষিপ্ত সারাংশ; এটি সম্পূর্ণ তালিকা নয়, তাই নতুন কোনো ওষুধ (কাউন্টার ওষুধসহ) শুরুর আগে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের সাথে আলোচনা করুন।
| মিথষ্ক্রিয়াকারী ওষুধ/পদার্থ | G-Theophylline-এর উপর প্রভাব | ক্লিনিক্যাল গুরুত্ব |
|---|---|---|
| সিপ্রোফ্লক্সাসিন | G-Theophylline-এর মাত্রা বাড়ায় | বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে; মাত্রা কমানো ও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন |
| এরিথ্রোমাইসিন, ক্লারিথ্রোমাইসিন | G-Theophylline-এর মাত্রা বাড়ায় | সিরাম মাত্রা পর্যবেক্ষণ করুন |
| সিমেটিডিন | G-Theophylline-এর মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায় | এড়িয়ে চলুন বা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন |
| ফ্লুভক্সামিন | G-Theophylline-এর মাত্রা বাড়ায় | একসাথে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন বা মাত্রা কমান |
| ইস্ট্রোজেনযুক্ত জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি | G-Theophylline-এর মাত্রা বাড়াতে পারে | মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে |
| ফেনিটোইন | G-Theophylline-এর মাত্রা কমায় | উভয় ওষুধের মাত্রা পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন |
| রিফাম্পিন | G-Theophylline-এর মাত্রা কমায় | G-Theophylline-এর মাত্রা বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে |
| কার্বামাজেপিন | G-Theophylline-এর মাত্রা কমায় | G-Theophylline-এর মাত্রা বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে |
| ধূমপান (এবং ধূমপান বন্ধ করা) | ধূমপানে মাত্রা কমে, বন্ধ করলে মাত্রা বাড়ে | ধূমপানের অভ্যাস পরিবর্তনের আগে চিকিৎসককে জানান |
| ক্যাফেইন/অন্যান্য উদ্দীপক | সংযোজিত উদ্দীপক প্রভাব | নার্ভাসনেস, কম্পন, ধড়ফড়ানি বাড়তে পারে; ক্যাফেইন সীমিত করুন |
Theophylline বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি জ্ঞাত অতিসংবেদনশীলতা থাকলে তা ব্যবহার করা উচিত নয়। অন্য কোনো জ্যান্থিন-জাতীয় বা Theophylline-যুক্ত ওষুধের সাথে একত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ এতে সংযোজিত বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে। চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ছাড়া Theophylline ব্যবহার উপযুক্ত নয়।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণত মাত্রার সাথে সম্পর্কিত এবং সিরাম G-Theophylline মাত্রা থেরাপিউটিক সীমার কাছাকাছি বা তার বেশি হলে বেশি দেখা যায়। সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:
গুরুতর বিষক্রিয়ার লক্ষণ — ক্রমাগত বা বারবার বমি, তীব্র দ্রুত হৃদস্পন্দন, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, বা খিঁচুনি — দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন (মাত্রাধিক্যতা ও সতর্কতা অংশ দেখুন)।
গর্ভাবস্থা: G-Theophylline প্লাসেন্টা অতিক্রম করে। কিছু প্রাণী গবেষণায় উচ্চ মাত্রায় ভ্রূণের উপর বিরূপ প্রভাব দেখা গেছে এবং মানুষের উপর তথ্য সীমিত; গর্ভাবস্থায় নিরাপত্তা সুনিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়। সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই কেবল চিকিৎসকের নির্দেশনায় গর্ভাবস্থায় G-Theophylline ব্যবহার করা উচিত, সাধারণত ঘনিষ্ঠ সিরাম মাত্রা পর্যবেক্ষণসহ।
স্তন্যদান: G-Theophylline মায়ের সিরাম মাত্রার কাছাকাছি ঘনত্বে বুকের দুধে প্রবেশ করে। শিশুর মধ্যে খিটখিটে ভাব, খাওয়ায় অসুবিধা, বা বিরল ক্ষেত্রে মৃদু বিষক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিতে পারে। স্তন্যদানকালে G-Theophylline ব্যবহার শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে করা উচিত এবং শিশুর মধ্যে খিটখিটে ভাব বা খাওয়ায় অনীহা লক্ষ্য রাখা উচিত।
G-Theophylline একটি সংকীর্ণ থেরাপিউটিক ইনডেক্সের ওষুধ — কার্যকর মাত্রা ও বিষাক্ত মাত্রার মধ্যে পার্থক্য খুবই সামান্য, এবং থেরাপিউটিক সীমার সামান্য উপরেও বিষক্রিয়া (গুরুতর হৃদস্পন্দন সমস্যা ও খিঁচুনিসহ) হতে পারে। চিকিৎসা শুরুর সময়, মাত্রা পরিবর্তনের পরে, বিষক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে, অথবা G-Theophylline-এর নিঃসরণ প্রভাবিত করে এমন কোনো অবস্থা বা ওষুধ পরিবর্তিত হলে নিয়মিত সিরাম G-Theophylline মাত্রা পরীক্ষা অপরিহার্য।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন:
ধূমপানের অভ্যাসে যেকোনো পরিবর্তন (শুরু করা, বন্ধ করা, বা পরিমাণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন) G-Theophylline-এর নিঃসরণ পরিবর্তন করে এবং চিকিৎসকের মাধ্যমে মাত্রা পুনর্মূল্যায়নের প্রয়োজন হয় — চিকিৎসককে না জানিয়ে ধূমপানের অভ্যাস পরিবর্তন করবেন না। ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় বা ওষুধ সীমিত রাখুন, কারণ এগুলো G-Theophylline-এর উদ্দীপক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বাড়াতে পারে। বমি বমি ভাব, বারবার বমি, দ্রুত বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন বা বিষক্রিয়ার অন্য কোনো লক্ষণ দেখা দিলে পরবর্তী মাত্রা স্থগিত রেখে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ব্র্যান্ড বা ফর্মুলেশন পরিবর্তন করবেন না চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া।
G-Theophylline-এর মাত্রাধিক্যতা বা বিষক্রিয়া গুরুতর, এমনকি প্রাণঘাতীও হতে পারে। প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে থাকতে পারে বমি বমি ভাব, বারবার বমি, পেটে ব্যথা, মাথাব্যথা, অস্থিরতা ও ঘুম না হওয়া। সিরাম মাত্রা আরও বাড়লে তীব্র দ্রুত হৃদস্পন্দন, হৃদস্পন্দনের ছন্দে সমস্যা (arrhythmia), তীব্র রক্তচাপ হ্রাস, রক্তে শর্করা বৃদ্ধি, রক্তে পটাশিয়াম হ্রাস, খিঁচুনি (যা কখনো কখনো পূর্ব লক্ষণ ছাড়াই দেখা দিতে পারে, বিশেষত হঠাৎ বড় মাত্রায় গ্রহণের ক্ষেত্রে), এবং বিরল ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটতে পারে। যেহেতু বিষক্রিয়া দ্রুত বাড়তে পারে এবং কোনো পূর্ব লক্ষণ ছাড়াই খিঁচুনি হতে পারে, তাই সন্দেহজনক G-Theophylline মাত্রাধিক্যতা বা উল্লেখযোগ্য বিষক্রিয়ার যেকোনো লক্ষণে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন। বাড়িতে নিজে থেকে মাত্রাধিক্যতা সামলানোর চেষ্টা করবেন না।
ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
শিশুদের ক্ষেত্রে: শিশুদের দীর্ঘস্থায়ী হাঁপানিতে G-Theophylline-এর দীর্ঘ ব্যবহারের ইতিহাস রয়েছে, তবে বয়সভেদে এর নিঃসরণ ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয় এবং নবজাতক ও এক বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে নিঃসরণ কম ও অনির্দিষ্ট, তাই শিশুদের ক্ষেত্রে সতর্ক, ওজনভিত্তিক মাত্রা নির্ধারণ ও নিয়মিত সিরাম মাত্রা পর্যবেক্ষণ আবশ্যক। এই বয়সসীমার শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে করা উচিত।
বয়স্কদের ক্ষেত্রে: ৬০ বছরের বেশি বয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে G-Theophylline-এর নিঃসরণ কমে যায়, ফলে কম মাত্রায়ও বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে; কম প্রারম্ভিক মাত্রা ও ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়।
Q: G-Theophylline 300 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: G-Theophylline 300 mg Tablet একটি ব্রঙ্কোডাইলেটর, যা দীর্ঘস্থায়ী হাঁপানি ও ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি)-এর দীর্ঘমেয়াদী রক্ষণাবেক্ষণমূলক চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত তখনই যোগ করা হয় যখন ইনহেলড ব্রঙ্কোডাইলেটর ও স্টেরয়েড যথেষ্ট না হয়, এবং এটি হঠাৎ শ্বাসকষ্টের তাৎক্ষণিক উপশমের জন্য নয়।
Q: G-Theophylline 300 mg Tablet সেবনকালে বারবার রক্ত পরীক্ষা করাতে হয় কেন?
A: G-Theophylline 300 mg Tablet-এর থেরাপিউটিক ইনডেক্স সংকীর্ণ, অর্থাৎ কার্যকর মাত্রা ও বিষাক্ত মাত্রার মধ্যে পার্থক্য কম। নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে সিরাম G-Theophylline 300 mg Tablet মাত্রা পরিমাপ করে চিকিৎসক তা নিরাপদ ও কার্যকর সীমায় রাখতে এবং প্রয়োজনে মাত্রা সমন্বয় করতে পারেন।
Q: G-Theophylline 300 mg Tablet সেবনকালে কি চা বা কফি পান করা যাবে?
A: G-Theophylline 300 mg Tablet সেবনকালে ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় (চা, কফি, এনার্জি ড্রিংক) ও অন্যান্য উদ্দীপক সীমিত রাখা উচিত, কারণ ক্যাফেইন নার্ভাসনেস, কাঁপুনি ও দ্রুত হৃদস্পন্দনের মতো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বাড়াতে পারে।
Q: আমি ধূমপায়ী এবং G-Theophylline 300 mg Tablet সেবন করি — এটি কি গুরুত্বপূর্ণ?
A: হ্যাঁ। ধূমপান শরীর থেকে G-Theophylline 300 mg Tablet নিঃসরণের গতি বাড়িয়ে দেয়, তাই ধূমপায়ীদের প্রায়ই বেশি মাত্রা প্রয়োজন হয়। ধূমপান বন্ধ করলে G-Theophylline 300 mg Tablet-এর মাত্রা বেড়ে বিষক্রিয়া হতে পারে যদি মাত্রা সমন্বয় না করা হয়, তাই ধূমপানের অভ্যাস পরিবর্তনের আগে সবসময় চিকিৎসককে জানান।
Q: G-Theophylline 300 mg Tablet-এর একটি মাত্রা বাদ পড়লে কী করব?
A: মনে পড়ার সাথে সাথে বাদ পড়া মাত্রাটি সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় প্রায় ঘনিয়ে এলে বাদ পড়া মাত্রাটি বাদ দিয়ে স্বাভাবিক সময়সূচি অনুসরণ করুন। বাদ পড়া মাত্রা পুষিয়ে নিতে কখনো দ্বিগুণ মাত্রা নেবেন না, কারণ এতে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
Q: G-Theophylline 300 mg Tablet-এর বিষক্রিয়ার সতর্কতা লক্ষণগুলো কী কী?
A: ক্রমাগত বা বারবার বমি, অস্বাভাবিক অস্থিরতা, দ্রুত বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, বা খিঁচুনি লক্ষ্য রাখুন। এগুলো অতিরিক্ত G-Theophylline 300 mg Tablet মাত্রার লক্ষণ হতে পারে এবং এমন হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।