
Gabapen300 mg
Incepta Pharmaceuticals Ltd.

Gpentin নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী শ্রেণীবদ্ধ:
মৃগীরোগে Gpentin একা কার্যকর নয় এবং সবসময় অন্যান্য অ্যান্টিএপিলেপটিক ওষুধের সাথে একত্রে ব্যবহার করতে হয়। অন্যান্য অফ-লেবেল নির্দেশনায় শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত।
Gpentin একটি অ্যান্টিকনভালসেন্ট (অ্যান্টিএপিলেপটিক) শ্রেণীর ওষুধ এবং এটি নিউরোপ্যাথিক পেইন এজেন্ট (GABA অ্যানালগ) হিসেবেও শ্রেণীবদ্ধ।
গঠনগতভাবে GABA-এর সাথে সম্পর্কিত হলেও, Gabapentin GABA-A বা GABA-B রিসেপ্টরের সাথে আবদ্ধ হয় না এবং GABA গ্রহণ বা বিপাকে প্রভাব ফেলে না। এর সঠিক কার্যপ্রণালী সম্পূর্ণরূপে জানা যায়নি।
Gabapentin কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের ভোল্টেজ-গেটেড ক্যালসিয়াম চ্যানেলের আলফা-২-ডেল্টা (α2δ) সাবইউনিটের সাথে উচ্চ আসক্তিতে আবদ্ধ হয়। এই সংযোগ স্নায়ু প্রান্তে ক্যালসিয়াম প্রবাহ কমায়, ফলে উত্তেজক নিউরোট্রান্সমিটার (যেমন গ্লুটামেট) নিঃসরণ হ্রাস পায় এবং স্নায়ু উত্তেজনা কমে। এই কার্যপ্রণালী Gabapentin-এর অ্যান্টিকনভালসেন্ট ও ব্যথানাশক উভয় প্রভাবের জন্য দায়ী বলে মনে করা হয়।
ফার্মাকোকাইনেটিক্স: Gabapentin একটি স্যাচুরেবল ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমের মাধ্যমে ক্ষুদ্রান্ত্র থেকে শোষিত হয়, অর্থাৎ মাত্রা বাড়ার সাথে সাথে জৈব উপলভ্যতা (bioavailability) কমতে থাকে। এটি শরীরে বিপাকিত হয় না এবং প্লাজমা প্রোটিনের সাথে আবদ্ধ হয় না। Gabapentin প্রায় সম্পূর্ণরূপে অপরিবর্তিত অবস্থায় কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়, স্বাভাবিক কিডনি কার্যক্ষমতার রোগীদের ক্ষেত্রে অর্ধায়ু প্রায় ৫-৭ ঘণ্টা। কিডনি সমস্যায় মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন।
| নির্দেশনা | সাধারণ মাত্রা |
|---|---|
| মৃগীরোগ (সহায়ক, আংশিক খিঁচুনি) | প্রথম দিন ৩০০ মি.গ্রা., দ্বিতীয় দিন দিনে দুইবার ৩০০ মি.গ্রা., তৃতীয় দিন দিনে তিনবার ৩০০ মি.গ্রা. দিয়ে শুরু করে প্রয়োজন অনুযায়ী মাত্রা বাড়ানো হয়। কার্যকর রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা সাধারণত দৈনিক ৯০০-১৮০০ মি.গ্রা., তিনটি ভাগে বিভক্ত (কিছু রোগীর ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ তত্ত্বাবধানে দৈনিক ৩৬০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত প্রয়োজন হতে পারে)। |
| পোস্টহারপেটিক নিউরালজিয়া | প্রথম দিন: দিনে একবার ৩০০ মি.গ্রা.; দ্বিতীয় দিন: দিনে দুইবার ৩০০ মি.গ্রা.; তৃতীয় দিন: দিনে তিনবার ৩০০ মি.গ্রা.। প্রয়োজন ও সহনশীলতা অনুযায়ী দৈনিক সর্বোচ্চ ১৮০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত (তিন ভাগে) বাড়ানো যেতে পারে। |
| নিউরোপ্যাথিক ব্যথা (অফ-লেবেল, যেমন ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি) | সাধারণত দিনে একবার ৩০০ মি.গ্রা. দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে কার্যকর মাত্রায় নেওয়া হয়, সাধারণত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দৈনিক ৯০০-১৮০০ মি.গ্রা়া (ভাগ করে)। |
৩ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে দৈনিক ১০-১৫ মি.গ্রা./কেজি (তিন ভাগে) দিয়ে শুরু করে প্রায় ৩ দিনে চিকিৎসকের মূল্যায়ন অনুযায়ী কার্যকর মাত্রায় (সাধারণত দৈনিক ২৫-৪০ মি.গ্রা./কেজি, তিন ভাগে) বাড়ানো হয়।
যেহেতু Gpentin কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়, ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স (CrCl) অনুযায়ী মাত্রা কমানো প্রয়োজন; হেমোডায়ালাইসিসে থাকা রোগীদের প্রতিটি ডায়ালাইসিস সেশনের পর অতিরিক্ত মাত্রা প্রয়োজন হয়। চিকিৎসকের নির্দেশনায় পৃথকভাবে মাত্রা নির্ধারণ করতে হবে।
Gpentin খাবারের সাথে বা ছাড়া সেবন করা যায়। অ্যালুমিনিয়াম বা ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত অ্যান্টাসিড ব্যবহার করলে, Gpentin এর কমপক্ষে ২ ঘণ্টা পরে সেবন করুন, কারণ অ্যান্টাসিড এর শোষণ কমিয়ে দিতে পারে। ক্যাপসুল/ট্যাবলেট পানির সাথে পুরো গিলে ফেলুন; চিবাবেন না। দিনে তিনবার সেবনের ক্ষেত্রে মাত্রাগুলো সমানভাবে বিভক্ত রাখুন।
Gpentin হঠাৎ বন্ধ করবেন না, কারণ এতে withdrawal (প্রত্যাহারজনিত) খিঁচুনি হতে পারে, এমনকি মৃগীরোগের ইতিহাস না থাকা রোগীদের ক্ষেত্রেও। বন্ধ করার প্রয়োজন হলে চিকিৎসক অন্তত এক সপ্তাহ ধরে ধীরে ধীরে মাত্রা কমাবেন।
Gpentin যকৃতে বিপাকিত না হওয়ায় তুলনামূলকভাবে কম ফার্মাকোকাইনেটিক মিথষ্ক্রিয়া দেখায়, তবে ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়াগুলো হলো:
Gabapentin বা এর ফর্মুলেশনের যেকোনো উপাদানের প্রতি জানা অতি-সংবেদনশীলতা (hypersensitivity) থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Gabapentin প্রতিনির্দেশিত।
Gpentin-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণত মাত্রা-নির্ভর এবং মাত্রা বাড়ানোর প্রাথমিক পর্যায়ে বেশি দেখা যায়।
গর্ভাবস্থা: মানুষের গর্ভাবস্থায় Gpentin ব্যবহারের তথ্য সীমিত। শুধুমাত্র সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে এবং চিকিৎসকের নির্দেশনায় গর্ভাবস্থায় Gpentin ব্যবহার করা উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া Gpentin বন্ধ করা উচিত নয়, কারণ অনিয়ন্ত্রিত খিঁচুনি মা ও ভ্রূণ উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ।
স্তন্যদান: Gpentin মায়ের বুকের দুধে নির্গত হয়। শিশুর উপর এর প্রভাব সম্পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায়, প্রয়োজন স্পষ্ট হলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে, শিশুর ঝিমুনি বা খাওয়ায় সমস্যা পর্যবেক্ষণ করে স্তন্যদানকালে Gpentin ব্যবহার করা উচিত।
হঠাৎ বন্ধ করা: Gpentin হঠাৎ বন্ধ করা উচিত নয়, কারণ এতে মৃগীরোগের ইতিহাস না থাকলেও প্রত্যাহারজনিত খিঁচুনি হতে পারে। চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে অন্তত এক সপ্তাহ ধরে ধীরে ধীরে মাত্রা কমাতে হবে।
আত্মহত্যার চিন্তা/আচরণ: Gpentinসহ অ্যান্টিএপিলেপটিক ওষুধগুলোতে আত্মহত্যার চিন্তা বা আচরণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। রোগী ও পরিচর্যাকারীদের মেজাজ পরিবর্তন, উদ্বেগ, অস্থিরতা বা আত্মহত্যার চিন্তার প্রতি সতর্ক থাকতে হবে এবং অবিলম্বে জানাতে হবে।
শ্বাস অবদমন: Gpentin গুরুতর শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করতে পারে, বিশেষত পূর্ব থেকে শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা (যেমন COPD), বয়স্ক রোগী, অথবা ওপিওয়েড বা অন্যান্য CNS ডিপ্রেসেন্টের সাথে একত্রে ব্যবহারে (দেখুন ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া)।
কিডনি সমস্যা: কিডনি কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে মাত্রা কমাতে হবে; দেখুন মাত্রা ও সেবনবিধি।
CNS প্রভাব: Gpentin মাথা ঘোরা ও ঝিমুনি সৃষ্টি করতে পারে যা গাড়ি চালানো বা যন্ত্রপাতি পরিচালনার ক্ষমতা ব্যাহত করতে পারে; Gpentin কীভাবে প্রভাব ফেলে তা না জানা পর্যন্ত এসব কার্যক্রম এড়িয়ে চলুন।
অপব্যবহার ও নির্ভরতা: বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত পদার্থ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ না হলেও, বিশেষত মাদকাসক্তির ইতিহাস থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বা ওপিওয়েডের সাথে একত্রে ব্যবহারে Gpentin-এর অপব্যবহারের একটি স্বীকৃত ঝুঁকি রয়েছে। শুধুমাত্র নির্ধারিত মাত্রায় ব্যবহার করুন।
Gpentin-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনে দ্বিগুণ দৃষ্টি, জড়ানো কথা, ঝিমুনি, অবসাদ এবং ডায়রিয়া দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে অবিলম্বে নিকটস্থ জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। বাড়িতে নিজে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না। উল্লেখযোগ্য কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে Gpentin শরীর থেকে অপসারণ করা যায়; চিকিৎসা সাধারণত সহায়ক এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে দেওয়া হয়।
ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°C এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
বয়স্ক রোগীদের কিডনি কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে বলে তাদের ক্ষেত্রে Gpentin-এর মাত্রা কম প্রয়োজন হতে পারে; তারা মাথা ঘোরা, ঝিমুনি এবং পেরিফেরাল ইডিমার প্রতিও বেশি সংবেদনশীল। কিডনি কার্যক্ষমতার ভিত্তিতে মাত্রা নির্ধারণ করতে হবে।
Gpentin ৩ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের আংশিক খিঁচুনির সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে অন্যান্য অ্যান্টিএপিলেপটিক ওষুধের সাথে একত্রে অনুমোদিত। ৩-১১ বছর বয়সী শিশুদের মাত্রা ওজন-ভিত্তিক (দেখুন মাত্রা ও সেবনবিধি); ১২ বছর ও তার বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা প্রযোজ্য। মৃগীরোগ ছাড়া অন্য নির্দেশনায় (যেমন নিউরোপ্যাথিক ব্যথা) ১৮ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে Gpentin-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। শিশুদের ক্ষেত্রে মেজাজ পরিবর্তন, আক্রমণাত্মক আচরণ বা অতিসক্রিয়তা প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় বেশি দেখা যেতে পারে; পরিচর্যাকারীদের ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
Q: Gpentin 300 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Gpentin 300 mg Tablet প্রধানত মৃগীরোগে আংশিক খিঁচুনির সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে এবং দাদ রোগের পর স্নায়ুর ব্যথা (পোস্টহারপেটিক নিউরালজিয়া) উপশমে ব্যবহৃত হয়। চিকিৎসকের নির্দেশনায় ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথির মতো অন্যান্য স্নায়ুর ব্যথাতেও এটি সাধারণত ব্যবহৃত হয়।
Q: ভালো লাগলে কি হঠাৎ Gpentin 300 mg Tablet বন্ধ করে দেওয়া যায়?
A: না। Gpentin 300 mg Tablet হঠাৎ বন্ধ করলে প্রত্যাহারজনিত খিঁচুনি হতে পারে, এমনকি মৃগীরোগ না থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও। বন্ধ করার প্রয়োজন হলে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, যিনি অন্তত এক সপ্তাহ ধরে ধীরে ধীরে মাত্রা কমাবেন।
Q: ওপিওয়েড ব্যথানাশকের সাথে Gpentin 300 mg Tablet খাওয়া কি নিরাপদ?
A: ওপিওয়েডের সাথে Gpentin 300 mg Tablet একত্রে খেলে তীব্র ঝিমুনি এবং শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বাড়ে, যা প্রাণঘাতী হতে পারে। এই সংমিশ্রণ শুধুমাত্র চিকিৎসকের নির্দিষ্ট নির্দেশনা ও ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করা উচিত।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Gpentin 300 mg Tablet খাওয়া যাবে?
A: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে Gpentin 300 mg Tablet শুধুমাত্র চিকিৎসক যদি মনে করেন যে উপকারিতা সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি, তখনই ব্যবহার করা উচিত, কারণ মানুষের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা তথ্য সীমিত। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গর্ভাবস্থায় Gpentin 300 mg Tablet বন্ধ বা শুরু করবেন না, কারণ অনিয়ন্ত্রিত খিঁচুনিরও ঝুঁকি রয়েছে।
Q: Gpentin 300 mg Tablet-এর একটি মাত্রা মিস হয়ে গেলে কী করব?
A: মনে পড়ামাত্র মিসড মাত্রা সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে মিসড মাত্রা বাদ দিন। দ্বিগুণ মাত্রা সেবন করবেন না। চিকিৎসকের নির্ধারিত নিয়মিত সময়সূচি বজায় রাখুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে Gpentin 300 mg Tablet-এর মাত্রা বাদ দেবেন না।
Q: Gpentin 300 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো কী কী?
A: Gpentin 300 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মাথা ঘোরা, ঝিমুনি, হাত-পা ফুলে যাওয়া, হাঁটাচলায় অস্থিরতা এবং ক্লান্তি। চিকিৎসা শুরুর সময় বা মাত্রা বাড়ানোর সময় এগুলো বেশি লক্ষণীয় হয়। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী হলে, অথবা মেজাজ পরিবর্তন বা আত্মহত্যার চিন্তা দেখা দিলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।