
Gynomix
Drug International Ltd.

Gynastin একটি সংমিশ্রণ যোনি-সংক্রমণনাশক (vaginal anti-infective) ওষুধ, যা মিশ্র যোনি সংক্রমণের স্থানীয় (ভ্যাজাইনাল) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, যেখানে একাধিক ধরনের জীবাণু একসাথে সংক্রমণের কারণ হতে পারে।
Gynastin সাধারণত তখনই ব্যবহৃত হয় যখন ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা বা মাইক্রোস্কোপির মাধ্যমে মিশ্র সংক্রমণ সন্দেহ করা হয় বা নিশ্চিত হয়; একক নির্দিষ্ট জীবাণু শনাক্ত হলে এবং সংকীর্ণ-বর্ণালীর ওষুধ পছন্দনীয় হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলা উচিত।
Gynastin একটি সংমিশ্রণ স্ত্রীরোগ/যোনি সংক্রমণনাশক (combination gynecological/vaginal anti-infective) শ্রেণীর ওষুধ, যাতে একটি অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল/নাইট্রোইমিডাজল অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল (মেট্রোনিডাজল), একটি অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক (নিওমাইসিন সালফেট), একটি পলিয়িন অ্যান্টিফাঙ্গাল (নিস্ট্যাটিন), এবং একটি পলিপেপটাইড অ্যান্টিবায়োটিক (পলিমিক্সিন বি) একত্রে থাকে।
Metronidazole + Neomycin Sulphate + Nystatin + Polymyxin B এর চারটি উপাদান একসাথে যোনি মিউকোসায় স্থানীয়ভাবে কাজ করে:
যোনি মিউকোসা থেকে প্রতিটি উপাদানের সিস্টেমিক শোষণ সাধারণত কম, তবে একেবারে নগণ্য নয়, বিশেষত যদি যোনির আবরণ প্রদাহযুক্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত থাকে - এ কারণেই অ্যালকোহল, অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট এবং কিডনি ফাংশন সংক্রান্ত সতর্কতাগুলো গুরুত্বপূর্ণ।
Gynastin শুধুমাত্র যোনিপথে ব্যবহারের জন্য এবং চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা | সাধারণ মেয়াদ |
|---|---|---|
| মিশ্র যোনি সংক্রমণ (ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিস / ট্রাইকোমোনিয়াসিস / ক্যান্ডিডিয়াসিস) | একটি ভ্যাজাইনাল ট্যাবলেট যোনির গভীরে প্রবেশ করাতে হবে, সাধারণত রাতে ঘুমানোর আগে | টানা ৭ থেকে ১০ রাত, অথবা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী |
গুরুত্বপূর্ণ: Gynastin ঠিক চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবহার করুন; লক্ষণ আগে ভালো হয়ে গেলেও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে বন্ধ করবেন না, মাত্রা বাড়াবেন না, কমাবেন না, বা অন্য কাউকে এই ওষুধ ব্যবহার করতে দেবেন না। চিকিৎসা মাঝপথে বন্ধ করলে সংক্রমণ থেকে যেতে পারে বা পুনরায় দেখা দিতে পারে।
উপরোক্ত অতি-সংবেদনশীলতা থাকলে Metronidazole + Neomycin Sulphate + Nystatin + Polymyxin B ব্যবহার করা উচিত নয়। কিডনি সমস্যার মতো অন্যান্য সতর্কতাগুলো একেবারে প্রতিনির্দেশনা নয়, বরং আপেক্ষিক সতর্কতা - যা সতর্কতা অংশে বর্ণনা করা হয়েছে।
Gynastin-এর বেশিরভাগ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া প্রয়োগস্থলে হালকা ও স্থানীয় প্রকৃতির:
উল্লেখযোগ্য এলার্জি প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ (র্যাশ, ফোলাভাব, শ্বাসকষ্ট) দেখা দিলে অবিলম্বে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গর্ভাবস্থা: Gynastin সাধারণত গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে প্রতিনির্দেশিত, মূলত মেট্রোনিডাজল উপাদান সংক্রান্ত সতর্কতাবশত, যদিও যোনিপথে ব্যবহারে সিস্টেমিক শোষণ মুখে খাওয়া মেট্রোনিডাজলের তুলনায় অনেক কম। পরবর্তী ত্রৈমাসিকে Gynastin শুধুমাত্র তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন এটি স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি বলে চিকিৎসক মনে করেন, এবং কেবল চিকিৎসকের সরাসরি পরামর্শ ও তত্ত্বাবধানে।
স্তন্যদান: মেট্রোনিডাজল বুকের দুধে নির্গত হয়। এ কারণে, স্তন্যদানকারী মা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া Gynastin ব্যবহার করবেন না; চিকিৎসক ব্যবহারের সুবিধা বিবেচনা করে সাময়িকভাবে স্তন্যদান বন্ধ রাখা বা কিছু সময়ের জন্য দুধ বের করে ফেলে দেওয়ার পরামর্শ দিতে পারেন।
সঠিকভাবে যোনিপথে ব্যবহৃত Gynastin-এর ক্ষেত্রে মাত্রাধিক্যতার সম্ভাবনা কম, কারণ এই পথে সিস্টেমিক শোষণ সীমিত। যদি ভুলবশত একটি ভ্যাজাইনাল ট্যাবলেট গিলে ফেলা হয়, বা অতিরিক্ত পরিমাণে ব্যবহার করা হয়, তাহলে মেট্রোনিডাজল ও অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড/পলিপেপটাইড উপাদানের কারণে বমি বমি ভাব, বমি, ধাতব স্বাদ, পেটে অস্বস্তি, বা মাথা ঘোরার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
ভুলবশত গিলে ফেললে বা মাত্রাধিক্যতা সন্দেহ হলে বাড়িতে নিজে চিকিৎসা না করে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা নেওয়ার সময় ওষুধের প্যাকেট/লিফলেট সাথে নিয়ে যান।
৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে স্বাভাবিক ঘরের তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
Q: Gynastin Vaginal Suppository কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Gynastin Vaginal Suppository একটি ভ্যাজাইনাল ট্যাবলেট যা মিশ্র যোনি সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, যেখানে ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিস, ট্রাইকোমোনিয়াসিস এবং/অথবা ইস্ট (ক্যান্ডিডা) সংক্রমণ একসাথে থাকতে পারে। এটি একটি পণ্যে ব্যাকটেরিয়া, প্রোটোজোয়া এবং ছত্রাকের বিরুদ্ধে ব্যাপক স্থানীয় সুরক্ষা দেয়।
Q: Gynastin Vaginal Suppository কতদিন ব্যবহার করতে হবে?
A: Gynastin Vaginal Suppository সাধারণত দিনে একবার যোনিতে প্রবেশ করাতে হয়, সাধারণত রাতে ঘুমানোর আগে, প্রায় ৭ থেকে ১০ রাত ধরে, অথবা চিকিৎসক যতদিন নির্দেশ দেন। লক্ষণ আগে ভালো হয়ে গেলেও পুরো কোর্স সম্পূর্ণ করা জরুরি, যাতে সংক্রমণ সম্পূর্ণরূপে সেরে যায় এবং পুনরায় দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা কমে।
Q: Gynastin Vaginal Suppository ব্যবহারকালে কি অ্যালকোহল পান করা যাবে?
A: না। Gynastin Vaginal Suppository ব্যবহারকালে এবং কোর্স শেষ হওয়ার পর অন্তত ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা অ্যালকোহল এড়িয়ে চলতে হবে, কারণ মেট্রোনিডাজল উপাদান অ্যালকোহলের সাথে ডাইসালফিরাম-জাতীয় প্রতিক্রিয়া ঘটাতে পারে, যার ফলে মুখ লাল হয়ে যাওয়া, মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, বমি এবং বুক ধড়ফড় হতে পারে।
Q: গর্ভাবস্থায় Gynastin Vaginal Suppository ব্যবহার করা কি নিরাপদ?
A: গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে Gynastin Vaginal Suppository ব্যবহার সাধারণত সুপারিশ করা হয় না। পরবর্তী গর্ভাবস্থায় এটি শুধুমাত্র তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন চিকিৎসক মনে করেন এটি স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় এবং উপকারিতা সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি। গর্ভবতী হলে বা গর্ভবতী হওয়ার সন্দেহ হলে Gynastin Vaginal Suppository ব্যবহারের আগে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: Gynastin Vaginal Suppository ব্যবহারকালে কি যৌন সম্পর্ক বা কনডম ব্যবহার করা যাবে?
A: Gynastin Vaginal Suppository ব্যবহারকালে যৌন সম্পর্ক এড়িয়ে চলাই ভালো। গর্ভনিরোধের জন্য ল্যাটেক্স কনডম বা ডায়াফ্রামের উপর নির্ভর করলে জেনে রাখুন যে ট্যাবলেটের বেস ল্যাটেক্সকে দুর্বল করে দিতে পারে, যা এর কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়; চিকিৎসাকালীন এবং পরে কিছুদিন বিকল্প গর্ভনিরোধক পদ্ধতি ব্যবহার করুন।
Q: ভুলবশত Gynastin Vaginal Suppository-এর ট্যাবলেট গিলে ফেললে বা বেশি ব্যবহার করে ফেললে কী করব?
A: ভুলবশত Gynastin Vaginal Suppository-এর ট্যাবলেট গিলে ফেললে, বা নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি ব্যবহার করে ফেললে মনে হলে, বাড়িতে নিজে সামলানোর চেষ্টা না করে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা আপনার স্থানীয় বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।