
Ifomes400 mg/4 m
Beacon Pharmaceuticals PLC

Mes-D একটি অনুমোদিত ইউরোপ্রোটেক্টিভ (মূত্রনালী সুরক্ষাকারী) ওষুধ, যা নির্দিষ্টভাবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়
Mes-D থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া বা অন্য কারণে সৃষ্ট রক্তমূত্র (hematuria) কমাতে নির্দেশিত নয় এবং এটি ইফোসফামাইড বা সাইক্লোফসফামাইডের অন্য কোনো টক্সিসিটি (যেমন অস্থিমজ্জা দমন) প্রতিরোধ করে না। Mes-D কেমোথেরাপির ক্যান্সার-বিরোধী কার্যকারিতা কমায় না।
ইউরোপ্রোটেক্টিভ/কেমোপ্রোটেক্টিভ এজেন্ট; থায়োল (সালফাইড্রিল) যৌগ - ক্যান্সার কেমোথেরাপিতে ব্যবহৃত একটি ডিটক্সিফাইং (বিষনাশক) ওষুধ, যার নাম Mes-D।
Mesna রিসেপ্টর-ভিত্তিক নয় বরং সরাসরি রাসায়নিক ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়ায় কাজ করে। শিরায় বা মুখে সেবনের পর Mesna দ্রুত রক্তে জারিত (অক্সিডাইজড) হয়ে নিষ্ক্রিয় ডাইসালফাইড বিপাক পদার্থ (ডাইমেসনা)-এ পরিণত হয়, যা পরে কিডনিতে পুনরায় বিজারিত হয়ে মুক্ত Mesna-তে পরিণত হয় ও প্রস্রাবে নির্গত হয়, যেখানে এর ঘনত্ব উচ্চ মাত্রায় পৌঁছায়।
মূত্রনালীতে, মুক্ত Mesna-র থায়োল গ্রুপ ইফোসফামাইড ও সাইক্লোফসফামাইডের বিষাক্ত বিপাক পদার্থ অ্যাক্রোলিনের সাথে যুক্ত হয়ে তাকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়, ফলে মূত্রথলির আবরণের ক্ষতি ও হেমোরেজিক সিস্টাইটিস প্রতিরোধ হয়। Mesna শরীরের অন্যান্য অংশে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পৌঁছায় না এবং কেমোথেরাপির কার্যকারিতায় হস্তক্ষেপ করে না। Mesna-র প্লাজমা অর্ধায়ু কম (প্রায় ১.৫ ঘণ্টা), তাই সুরক্ষা বজায় রাখতে বারবার বা সমন্বিত (শিরায়+মুখে) মাত্রা প্রয়োজন হয়।
Mes-D-র মাত্রা ইফোসফামাইড বা সাইক্লোফসফামাইডের মাত্রার শতাংশ হিসেবে (শরীরের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল অনুযায়ী) নির্ধারিত হয় এবং কেমোথেরাপি ইনফিউশনের সাথে নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে দিতে হয়।
| রেজিমেন | Mes-D মাত্রা/সময়সূচি |
|---|---|
| শিরায় বোলাস রেজিমেন (ইফোসফামাইডের সাথে) | ইফোসফামাইড দেওয়ার সময় (০ ঘণ্টা) ইফোসফামাইড মাত্রার ২০% Mes-D শিরায় দেওয়া হয়, এরপর ৪ ও ৮ ঘণ্টা পর পুনরাবৃত্তি করা হয় (মোট মাত্রা = ইফোসফামাইড মাত্রার ৬০%)। |
| শিরায় + মুখে রেজিমেন (ইফোসফামাইডের সাথে) | ০ ঘণ্টায় ইফোসফামাইড মাত্রার ২০% Mes-D শিরায়, এরপর ২ ও ৬ ঘণ্টায় ৪০% করে মুখে সেবন (মোট মাত্রা = ইফোসফামাইড মাত্রার ১০০%)। |
| উচ্চ-মাত্রার সাইক্লোফসফামাইড (প্রতিস্থাপন কন্ডিশনিং) | প্রাতিষ্ঠানিক প্রোটোকল অনুযায়ী ধারাবাহিক ইনফিউশন বা বিভক্ত বোলাস মাত্রায় Mes-D, সাধারণত সাইক্লোফসফামাইড মাত্রার ৬০-১৬০%। |
প্রয়োগবিধি: Mes-D শিরায় ইনজেকশন উপযুক্ত IV তরলে (যেমন ৫% ডেক্সট্রোজ বা নরমাল স্যালাইন) মিশিয়ে প্রায় ২০ মিগ্রা/মিলি ঘনত্বে পাতলা করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহার করতে হয়। মুখে সেবনের ট্যাবলেট তরল পানীয়ের সাথে খাবার সহ বা ছাড়া নেওয়া যায়; মুখে সেবনের ২ ঘণ্টার মধ্যে বমি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মাত্রা পুনরাবৃত্তি বা শিরায় পরিবর্তন করতে হতে পারে।
প্রতিটি চক্রে পর্যাপ্ত পানি/তরল গ্রহণ বজায় রাখুন এবং প্রস্রাবে রক্ত পরীক্ষা করুন, এমনকি নির্ধারিতভাবে Mes-D নেওয়ার পরেও। চিকিৎসকের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নির্ভুলভাবে Mes-D গ্রহণ করুন - বিলম্বিত বা অপর্যাপ্ত মাত্রা হেমোরেজিক সিস্টাইটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। বৃক্কের সমস্যায় সতর্কতার জন্য দেখুন 'শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার'।
Mes-D-এর ওপর আনুষ্ঠানিক ক্লিনিক্যাল ড্রাগ-ইন্টারঅ্যাকশন গবেষণা হয়নি, তবে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ
Mesna বা অন্য থায়োল (সালফাইড্রিল) যৌগের প্রতি পরিচিত অতিসংবেদনশীলতা থাকলে Mesna ব্যবহার প্রতিনির্দেশিত। Mesna-এর নিজস্ব অন্য কোনো সুপ্রতিষ্ঠিত সম্পূর্ণ প্রতিনির্দেশনা নেই; অন্যান্য সতর্কতা (যেমন কিছু প্রস্তুতিতে বেনজিল অ্যালকোহলের উপস্থিতি) 'সতর্কতা' ও 'শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার' অংশে আলোচনা করা হয়েছে।
Mes-D-এর সাথে দেখা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া প্রায়ই সহপ্রয়োগকৃত কেমোথেরাপির প্রতিক্রিয়া থেকে আলাদা করা কঠিন, তবে সাধারণ (>১০% রোগী) প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে
Mes-D-এর সাথে অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া (র্যাশ, আমবাত, চুলকানি এবং বিরল ক্ষেত্রে অ্যানাফাইল্যাক্সিস) হতে পারে; বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর ত্বকীয় প্রতিক্রিয়া (স্টিভেনস-জনসন সিন্ড্রোম/টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিস)-ও রিপোর্ট হয়েছে। Mes-D সেবনকালে র্যাশ, মুখ/ঠোঁট/জিহ্বা ফোলা, শ্বাসকষ্ট বা ত্বক খোসা ওঠা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Mes-D সর্বদা ইফোসফামাইড বা উচ্চ-মাত্রার সাইক্লোফসফামাইডের সাথে একত্রে দেওয়া হয়, যা ভ্রূণের ক্ষতি করতে পারে; Mes-D-এর নিজস্ব প্রজনন সুরক্ষা তথ্য সীমিত। গর্ভাবস্থায় Mes-D শুধুমাত্র তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন অনকোলজি চিকিৎসক দল মনে করেন যে কেমোথেরাপির সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের ঝুঁকির চেয়ে বেশি, এবং ঘনিষ্ঠ বিশেষজ্ঞ তত্ত্বাবধানে।
Mes-D/ইফোসফামাইড বা সাইক্লোফসফামাইড চিকিৎসাকালীন এবং শেষ মাত্রার অন্তত এক সপ্তাহ পর পর্যন্ত স্তন্যদান এড়িয়ে চলা উচিত। চিকিৎসা শেষে স্তন্যদান পুনরায় শুরুর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Mes-D ব্যবহারে নিম্নলিখিত সতর্কতাগুলো গুরুত্বপূর্ণ
Mes-D-এর অতিরিক্ত মাত্রা সম্পর্কে সীমিত তথ্য রয়েছে; প্রত্যাশিত প্রভাবগুলো হলো পরিচিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার তীব্রতা বৃদ্ধি, যেমন বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, নিম্ন রক্তচাপ বা অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া। Mes-D-এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। Mes-D-এর অতিরিক্ত মাত্রা সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন; চিকিৎসা হবে সহায়ক ও লক্ষণ-নির্ভর, চিকিৎসকের নির্দেশনায়।
বৃক্কের সমস্যা: বৃক্কের কার্যকারিতা হ্রাসপ্রাপ্ত রোগীদের ক্ষেত্রে Mes-D ও সহপ্রয়োগকৃত কেমোথেরাপির নিষ্কাশন পরিবর্তিত হতে পারে; মাত্রা ও পর্যবেক্ষণ পৃথকভাবে নির্ধারণ করতে হবে।
যকৃতের সমস্যা: Mes-D-এর জন্য নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের সুপ্রতিষ্ঠিত নির্দেশনা নেই; সহপ্রয়োগকৃত কেমোথেরাপির সাধারণ সতর্কতা মেনে চলুন।
বয়স্ক রোগী: Mes-D-এর জন্য নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত নয়; বয়স-সম্পর্কিত বৃক্কের কার্যকারিতা হ্রাস বিবেচনায় রেখে সাধারণ সতর্কতা প্রয়োগ করুন।
শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার: ইফোসফামাইড বা উচ্চ-মাত্রার সাইক্লোফসফামাইড গ্রহণকারী শিশুদের ক্ষেত্রে Mes-D শরীরের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল অনুযায়ী প্রাপ্তবয়স্কদের অনুরূপ মাত্রায় ব্যবহৃত হয়; আনুষ্ঠানিক শিশু-নির্দিষ্ট লেবেলিং সীমিত হলেও শিশু অনকোলজি অভিজ্ঞতা এর ব্যবহারকে সমর্থন করে। বেনজিল অ্যালকোহলযুক্ত Mes-D ইনজেকশন প্রস্তুতি অপরিণত ও কম ওজনের নবজাতকে এড়িয়ে চলা উচিত।
Q: Mes-D 400 mg/4 ml IV Injection কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Mes-D 400 mg/4 ml IV Injection ইফোসফামাইড এবং উচ্চ-মাত্রার সাইক্লোফসফামাইড কেমোথেরাপির কারণে সৃষ্ট হেমোরেজিক সিস্টাইটিস (মূত্রথলির প্রদাহ ও রক্তক্ষরণ) প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। Mes-D 400 mg/4 ml IV Injection নিজে ক্যান্সারের চিকিৎসা করে না এবং সবসময় কেমোথেরাপির সাথে একত্রে দেওয়া হয়।
Q: Mes-D 400 mg/4 ml IV Injection কি আমার কেমোথেরাপির কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়?
A: না। Mes-D 400 mg/4 ml IV Injection শুধুমাত্র মূত্রনালীতে একটি বিষাক্ত উপজাত পদার্থ নিষ্ক্রিয় করে এবং ইফোসফামাইড বা সাইক্লোফসফামাইডের ক্যান্সার-বিরোধী কার্যকারিতা কমায় না, এবং অন্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (যেমন রক্তকণিকা হ্রাস বা বমি) থেকেও সুরক্ষা দেয় না।
Q: Mes-D 400 mg/4 ml IV Injection-এর মাত্রার সময়সূচি এত গুরুত্বপূর্ণ কেন?
A: Mes-D 400 mg/4 ml IV Injection শুধুমাত্র তখনই মূত্রথলি রক্ষা করে যখন এটি প্রস্রাবে পর্যাপ্ত ঘনত্বে উপস্থিত থাকে। Mes-D 400 mg/4 ml IV Injection-এর মাত্রা বাদ পড়লে, বিলম্বিত হলে বা কমে গেলে হেমোরেজিক সিস্টাইটিসের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়, তাই অনকোলজি দলের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রতিটি মাত্রা নির্ভুলভাবে নেওয়া অপরিহার্য।
Q: Mes-D 400 mg/4 ml IV Injection-এর কী কী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য রাখা উচিত?
A: Mes-D 400 mg/4 ml IV Injection-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, ক্লান্তি এবং র্যাশের মতো মৃদু অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া। গুরুতর অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ (মুখ বা গলা ফোলা, শ্বাসকষ্ট) বা গুরুতর ত্বকীয় প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন - এগুলো বিরল কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়া যা Mes-D 400 mg/4 ml IV Injection-এর সাথে রিপোর্ট হয়েছে।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Mes-D 400 mg/4 ml IV Injection ব্যবহার করা যায়?
A: Mes-D 400 mg/4 ml IV Injection এমন কেমোথেরাপি ওষুধের সাথে দেওয়া হয় যা বিকাশমান ভ্রূণের ক্ষতি করতে পারে, তাই গর্ভাবস্থায় এটি শুধুমাত্র তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন অনকোলজি দল মনে করে উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি, ঘনিষ্ঠ বিশেষজ্ঞ তত্ত্বাবধানে। Mes-D 400 mg/4 ml IV Injection চিকিৎসাকালীন এবং শেষ মাত্রার অন্তত এক সপ্তাহ পর পর্যন্ত স্তন্যদান এড়িয়ে চলা উচিত; পুনরায় স্তন্যদান শুরুর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: মুখে সেবনের Mes-D 400 mg/4 ml IV Injection ট্যাবলেট খাওয়ার পর বমি হলে বা মাত্রা মিস হলে কী করব?
A: মুখে সেবনের Mes-D 400 mg/4 ml IV Injection মাত্রা নেওয়ার প্রায় ২ ঘণ্টার মধ্যে বমি হলে, বা কোনো মাত্রা মিস হয়েছে মনে হলে, নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে অবিলম্বে অনকোলজি দলের সাথে যোগাযোগ করুন - সুরক্ষা বজায় রাখতে মিসড মাত্রা পুনরাবৃত্তি করতে হতে পারে বা শিরাপথে দিতে হতে পারে।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।