
Monas 1010 mg
ACME Laboratories Ltd.

Montair একটি FDA-অনুমোদিত লিউকোট্রিন রিসেপ্টর অ্যান্টাগোনিস্ট, যার নিম্নলিখিত প্রতিষ্ঠিত নির্দেশনা রয়েছে:
স্নায়বিক/মানসিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বক্সড ওয়ার্নিং থাকার কারণে, বর্তমান নির্দেশনা অনুযায়ী অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের ক্ষেত্রে Montair তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন অন্যান্য অ্যালার্জির ওষুধে পর্যাপ্ত কাজ না হয় বা সহ্য না হয়। Montair তীব্র হাঁপানি আক্রমণ বা তাৎক্ষণিক ব্রঙ্কোস্পাজম চিকিৎসার জন্য নির্দেশিত নয়, এবং এটি কোনো অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ওষুধ নয়।
Montair লিউকোট্রিন রিসেপ্টর অ্যান্টাগোনিস্ট (LTRA) শ্রেণির হাঁপানি ও অ্যালার্জি প্রতিরোধী ওষুধের অন্তর্ভুক্ত।
Montelukast শ্বাসনালীর মসৃণ পেশী ও অন্যান্য কোষে অবস্থিত সিস্টাইনিল লিউকোট্রিন রিসেপ্টর (CysLT1)-কে সিলেক্টিভভাবে ও প্রতিযোগিতামূলকভাবে ব্লক করে। এর ফলে লিউকোট্রিন C4, D4, ও E4 - যা মাস্ট সেল ও ইওসিনোফিল থেকে নির্গত শক্তিশালী প্রদাহজনক মধ্যস্থতাকারী - এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়, যা হাঁপানি ও অ্যালার্জিক রাইনাইটিসে শ্বাসনালীর ফোলাভাব, মসৃণ পেশী সংকোচন ও প্রদাহজনক কোষের কার্যকলাপ কমায়।
| নির্দেশনা | বয়স | Montair-এর প্রস্তাবিত মাত্রা |
|---|---|---|
| হাঁপানি প্রতিরোধ/দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা | ≥১৫ বছর | ১০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট প্রতি সন্ধ্যায় একবার |
| ৬-১৪ বছর | ৫ মি.গ্রা. চিবানো ট্যাবলেট প্রতি সন্ধ্যায় একবার | |
| ২-৫ বছর | ৪ মি.গ্রা. চিবানো ট্যাবলেট বা গ্র্যানুলস প্রতি সন্ধ্যায় একবার | |
| ১২-২৩ মাস | ৪ মি.গ্রা. গ্র্যানুলস প্রতি সন্ধ্যায় একবার | |
| ব্যায়ামজনিত ব্রঙ্কোকনস্ট্রিকশন | ≥১৫ বছর | ব্যায়ামের কমপক্ষে ২ ঘণ্টা আগে ১০ মি.গ্রা.; ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অতিরিক্ত মাত্রা নয় |
| ৬-১৪ বছর | ব্যায়ামের কমপক্ষে ২ ঘণ্টা আগে ৫ মি.গ্রা. চিবানো ট্যাবলেট; ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অতিরিক্ত মাত্রা নয় | |
| সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস | ≥১৫ বছর | ১০ মি.গ্রা. দিনে একবার, যেকোনো সময় |
| ৬-১৪ বছর | ৫ মি.গ্রা. চিবানো ট্যাবলেট দিনে একবার | |
| ২-৫ বছর | ৪ মি.গ্রা. চিবানো ট্যাবলেট বা গ্র্যানুলস দিনে একবার | |
| পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস | ≥১৫ বছর | ১০ মি.গ্রা. দিনে একবার |
| ৬-১৪ বছর | ৫ মি.গ্রা. চিবানো ট্যাবলেট দিনে একবার | |
| ২-৫ বছর | ৪ মি.গ্রা. চিবানো ট্যাবলেট বা গ্র্যানুলস দিনে একবার | |
| ৬-২৩ মাস | ৪ মি.গ্রা. গ্র্যানুলস দিনে একবার |
হালকা থেকে মাঝারি লিভার সমস্যা বা কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে Montair-এর মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই; তীব্র লিভার সমস্যায় Montair নিয়ে আনুষ্ঠানিক গবেষণা হয়নি।
Montair ট্যাবলেট খাবারের সাথে বা ছাড়া সেবন করা যায়। গ্র্যানুলস সরাসরি মুখে দেওয়া যায় বা এক চামচ ঠান্ডা/স্বাভাবিক তাপমাত্রার নরম খাবারের (যেমন আপেল সস) সাথে মিশিয়ে, অথবা বুকের দুধ বা ফর্মুলা দুধে মিশিয়ে দেওয়া যায়, এবং প্রস্তুতির ১৫ মিনিটের মধ্যে সেবন করতে হবে - গ্র্যানুলস পান করার জন্য তরলে মেশানো উচিত নয়, এবং ব্যবহারের আগ পর্যন্ত প্যাকেট খোলা উচিত নয়। দীর্ঘমেয়াদী রোগের (হাঁপানি, পেরিনিয়াল রাইনাইটিস) ক্ষেত্রে Montair উপসর্গমুক্ত সময়েও নিয়মিত প্রতিদিন সেবন করতে হবে, এবং হঠাৎ হাঁপানি আক্রমণ উপশমে কখনোই ব্যবহার করা উচিত নয়।
Montair-এর ক্লিনিক্যালি উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়া তুলনামূলক কম, তবে নিম্নলিখিতগুলো সুপ্রতিষ্ঠিত:
প্রস্তাবিত মাত্রায় থিওফাইলিন, ওয়ারফারিন, ডিগোক্সিন, মুখে খাওয়ার জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি, বা প্রেডনিসোন/প্রেডনিসোলোনের সাথে ক্লিনিক্যালি উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়নি। Montair শুরু করার আগে রোগীর সেবন করা সব ওষুধ ও সাপ্লিমেন্টের কথা চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানানো উচিত।
Montelukast বা এর ফর্মুলেশনের যেকোনো উপাদানের প্রতি জানা অতি সংবেদনশীলতা থাকলে Montelukast সেবন নিষিদ্ধ।
Montair সাধারণত সহনীয়। রিপোর্ট করা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে:
নতুন বা বাড়তে থাকা মেজাজ/আচরণ পরিবর্তন অথবা গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
প্রকাশিত প্রসপেক্টিভ ও রেট্রোস্পেক্টিভ কোহোর্ট গবেষণায় গর্ভাবস্থায় Montair ব্যবহারের সাথে জন্মগত ত্রুটির স্পষ্ট সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তবে অনিয়ন্ত্রিত হাঁপানি গর্ভাবস্থায় মা ও ভ্রূণ উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ (যেমন প্রি-এক্লাম্পসিয়া, কম ওজনের শিশু জন্ম) বলে সুপরিচিত, তাই Montair শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলেই ব্যবহার করা উচিত, এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে হাঁপানির চিকিৎসা সাধারণত গর্ভাবস্থায় অব্যাহত রাখা হয়, কারণ অনিয়ন্ত্রিত হাঁপানির ঝুঁকি সাধারণত চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার তাত্ত্বিক ঝুঁকির চেয়ে বেশি। গর্ভাবস্থায় Montair ব্যবহারের বিষয়ে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Montair সামান্য পরিমাণে বুকের দুধে প্রবেশ করে। এখন পর্যন্ত স্তন্যপান করা শিশুর ক্ষতির স্পষ্ট প্রমাণ নেই, তবে স্তন্যদানের উপকারিতা ও মায়ের চিকিৎসাগত প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Montair-এর সাথে গুরুতর স্নায়বিক/মানসিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্পর্ক পাওয়া গেছে, যার মধ্যে রয়েছে অস্থিরতা, আক্রমণাত্মক আচরণ, উদ্বেগ, অস্বাভাবিক স্বপ্ন, হ্যালুসিনেশন, বিষণ্নতা, অনিদ্রা, খিটখিটে ভাব এবং আত্মহত্যার চিন্তা বা আচরণ (মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে)। রোগী ও তত্ত্বাবধায়কদের যেকোনো নতুন বা বাড়তে থাকা মেজাজ, আচরণ বা চিন্তার পরিবর্তন লক্ষ্য রাখতে ও তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসককে জানাতে বলা উচিত; বিশেষত অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের ক্ষেত্রে, যেখানে বিকল্প চিকিৎসা বিদ্যমান, Montair শুরুর আগে ঝুঁকি ও উপকারিতা নিয়ে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করা উচিত।
Montair কোনো ব্রঙ্কোডাইলেটর নয় এবং তীব্র হাঁপানি আক্রমণের চিকিৎসায় নির্দেশিত নয়। রোগীদের তাৎক্ষণিক উপসর্গের জন্য নির্ধারিত দ্রুত-কার্যকরী রেসকিউ ইনহেলার ব্যবহার চালিয়ে যেতে হবে এবং সবসময় হাতের কাছে রাখতে হবে। চিকিৎসকের নির্দেশনা ছাড়া Montair সেবনের কারণে অন্যান্য হাঁপানির ওষুধ (কর্টিকোস্টেরয়েড সহ) হঠাৎ বন্ধ বা কমানো উচিত নয়।
বিরল ক্ষেত্রে, Montair সেবনকারী রোগীদের - বিশেষত মুখে খাওয়ার কর্টিকোস্টেরয়েডের মাত্রা কমানোর সময় - Churg-Strauss সিন্ড্রোমের অনুরূপ ভাস্কুলাইটিসের বৈশিষ্ট্যসহ সিস্টেমিক ইওসিনোফিলিক অবস্থা দেখা দিয়েছে। কার্যকারণ সম্পর্ক সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত না হলেও, চিকিৎসকদের ইওসিনোফিলিয়া, ভাস্কুলাইটিক র্যাশ, শ্বাসতন্ত্রের উপসর্গ বৃদ্ধি, হৃদযন্ত্রের জটিলতা এবং/অথবা স্নায়ু সমস্যার প্রতি সতর্ক থাকা উচিত।
Montair-এর চিবানো ট্যাবলেট ফর্মুলেশনে অ্যাসপার্টেম (ফিনাইলঅ্যালানিনের উৎস) থাকতে পারে, যা ফিনাইলকিটোনুরিয়া রোগীদের ক্ষেত্রে বিবেচনায় রাখা উচিত।
Montair-এর মাত্রাধিক্যের ক্ষেত্রে পেটব্যথা, ঘুম ঘুম ভাব, তৃষ্ণা, মাথাব্যথা, বমি এবং মানসিক-শারীরিক অতি সক্রিয়তা রিপোর্ট করা হয়েছে; স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মাত্রায় সাধারণত গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি, তবে অতিরিক্ত মাত্রার ওপর তথ্য সীমিত।
Montair-এর মাত্রাধিক্যের কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (antidote) নেই। মাত্রাধিক্যের সন্দেহ হলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন। বাড়িতে নিজে থেকে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না; চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সাধারণ উপসর্গভিত্তিক ও সহায়ক চিকিৎসা প্রয়োজন।
ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। Montair-এর গ্র্যানুলস প্যাকেট ব্যবহারের ঠিক আগ পর্যন্ত সিল করা অবস্থায় রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
Q: Montair 10 mg Tablet কীসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
A: Montair 10 mg Tablet হাঁপানির দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরোধ ও চিকিৎসা, ব্যায়ামজনিত ব্রঙ্কোকনস্ট্রিকশন প্রতিরোধ, এবং সিজনাল ও পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের উপসর্গ উপশমে ব্যবহৃত হয়। এটি প্রতিদিনের প্রতিরোধমূলক ওষুধ, হঠাৎ হাঁপানি আক্রমণের রেসকিউ চিকিৎসা নয়।
Q: Montair 10 mg Tablet কি হঠাৎ হাঁপানি আক্রমণে ব্যবহার করা যায়?
A: না। Montair 10 mg Tablet কোনো ব্রঙ্কোডাইলেটর নয় এবং তীব্র হাঁপানি আক্রমণ উপশমের মতো দ্রুত কাজ করে না। হঠাৎ উপসর্গের জন্য রোগীদের সবসময় নির্ধারিত দ্রুত-কার্যকরী রেসকিউ ইনহেলার হাতের কাছে রাখা উচিত।
Q: Montair 10 mg Tablet সেবনে কি মেজাজ বা আচরণে পরিবর্তন আসতে পারে?
A: হ্যাঁ। Montair 10 mg Tablet-এর একটি বক্সড ওয়ার্নিং রয়েছে গুরুতর স্নায়বিক/মানসিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য, যার মধ্যে রয়েছে অস্থিরতা, আক্রমণাত্মক আচরণ, উদ্বেগ, বিষণ্নতা, অস্বাভাবিক স্বপ্ন এবং বিরল ক্ষেত্রে আত্মহত্যার চিন্তা বা আচরণ। রোগী ও তত্ত্বাবধায়কদের যেকোনো নতুন বা বাড়তে থাকা মেজাজ, আচরণ বা চিন্তার পরিবর্তন লক্ষ্য রাখতে হবে এবং তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসককে জানাতে হবে।
Q: গর্ভাবস্থায় কি Montair 10 mg Tablet নিরাপদ?
A: গর্ভাবস্থায় Montair 10 mg Tablet শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলেই এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত। অনিয়ন্ত্রিত হাঁপানি মা ও ভ্রূণ উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায়, প্রয়োজনে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা প্রায়ই অব্যাহত রাখা হয়।
Q: শিশুদের জন্য Montair 10 mg Tablet কি নিরাপদ?
A: Montair 10 mg Tablet ৬ মাস বয়স থেকে (পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের জন্য, গ্র্যানুলস আকারে) এবং ১২ মাস বয়স থেকে হাঁপানির জন্য বয়স-উপযোগী মাত্রায় অনুমোদিত। তত্ত্বাবধায়কদের শিশুর মেজাজ বা আচরণে যেকোনো পরিবর্তনের প্রতি বিশেষভাবে সতর্ক থাকা উচিত।
Q: বেশি মাত্রায় Montair 10 mg Tablet সেবন করে ফেললে কী করব?
A: Montair 10 mg Tablet-এর মাত্রাধিক্যের সন্দেহ হলে বাড়িতে চিকিৎসার চেষ্টা না করে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।