Product gallery
MRP ৳ ৭২.০০৭% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৬৬.৯৬/6's Strip
১
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Myosit হলো ইনোসিটল ও নিকোটিনিক অ্যাসিডের (নিয়াসিন) একটি এস্টার, যা মূলত পেরিফেরাল ভাসোডাইলেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর কার্যকারিতা সম্পর্কে আধুনিক শক্তিশালী গবেষণা তথ্য সীমিত, তাই এটি প্রধান চিকিৎসার পরিবর্তে সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজ, যেমন রেনড'স ফেনোমেনন/সিনড্রোম-এ হাত-পায়ের ঠান্ডাভাব, ব্যথা ও রঙ পরিবর্তনের উপসর্গ উপশমে Myosit ব্যবহৃত হয়।
  • পেরিফেরাল আর্টারিয়াল ডিজিজ সংক্রান্ত ইন্টারমিটেন্ট ক্লডিকেশনে, জীবনযাত্রার পরিবর্তন (ব্যায়াম, ধূমপান বর্জন)-এর সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে Myosit ব্যবহৃত হতে পারে।

সীমিত প্রমাণ-ভিত্তিক/সহায়ক ব্যবহার

  • চিলব্লেইন ও অন্যান্য সামান্য পেরিফেরাল সার্কুলেশন সমস্যায় Myosit ব্যবহৃত হতে পারে।

যেহেতু আধুনিক নিয়ন্ত্রিত গবেষণা তথ্য সীমিত, তাই Myosit সাধারণত স্ট্যান্ডার্ড চিকিৎসার সাথে সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Myosit একটি পেরিফেরাল ভাসোডাইলেটর শ্রেণির ওষুধ (নিয়াসিন/নিকোটিনিক অ্যাসিড এস্টার জাতীয়)।

ফার্মাকোলজি

কার্যপ্রণালী

Inositol Nicotinate শরীরে ধীরে ধীরে হাইড্রোলাইসিস হয়ে নিকোটিনিক অ্যাসিড (নিয়াসিন) ও ইনোসিটল মুক্ত করে। মুক্ত হওয়া নিকোটিনিক অ্যাসিড প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন-সম্পর্কিত পথ ও রক্তনালীর মসৃণ পেশীর উপর সরাসরি প্রভাবের মাধ্যমে পেরিফেরাল ভাসোডাইলেশন ঘটায়, যা ত্বক ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গে রক্ত প্রবাহ বাড়ায়।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স

Inositol Nicotinate পরিপাকতন্ত্র থেকে শোষিত হয়ে ধীরে ধীরে হাইড্রোলাইজড হয়, যা সাধারণ নিকোটিনিক অ্যাসিডের তুলনায় ধীর ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব সৃষ্টি করে এবং তুলনামূলকভাবে কম তীব্র ফ্লাশিং ঘটায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

নির্দেশনাপ্রচলিত প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা
পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজ / রেনড'স ফেনোমেনন৫০০ মিগ্রা থেকে ১০০০ মিগ্রা মুখে, দিনে ৩-৪ বার, খাবারের সাথে বা পরে
ইন্টারমিটেন্ট ক্লডিকেশন (সহায়ক)৫০০ মিগ্রা থেকে ১০০০ মিগ্রা মুখে, দিনে ৩-৪ বার; কয়েক সপ্তাহ নিয়মিত ব্যবহারের পর কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হয়

শিশুদের মাত্রা

শিশুদের ক্ষেত্রে Myosit-এর ব্যবহার প্রতিষ্ঠিত নয়; এই বয়সগোষ্ঠীতে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়নি।

কিডনি/লিভার সমস্যায় সমন্বয়

কিডনি সমস্যায় নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই। মারাত্মক লিভার সমস্যায় Myosit এড়িয়ে চলা উচিত (নিষেধাজ্ঞা দেখুন); মৃদু থেকে মাঝারি লিভার সমস্যায় চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Myosit-এর সাথে নিচের মিথষ্ক্রিয়াগুলো চিকিৎসাগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের সাথে আলোচনা করা উচিত:

  • উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ ও অন্যান্য ভাসোডাইলেটর: Myosit-এর সাথে একযোগে ব্যবহারে রক্তচাপ অতিরিক্ত কমে যাওয়া ও পোস্চারাল হাইপোটেনশনের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
  • অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট (যেমন ওয়ারফারিন): উচ্চ মাত্রার নিকোটিনিক অ্যাসিড জাতীয় ওষুধ, যার মধ্যে Myosit অন্তর্ভুক্ত, রক্তক্ষরণের প্রবণতা পরিবর্তন করতে পারে বলে জানা গেছে; একসাথে ব্যবহারে নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • ডায়াবেটিসের ওষুধ (ইনসুলিন, সালফোনাইলইউরিয়া): Myosit-এর নিয়াসিন উপাদান গ্লুকোজ সহনশীলতা কমাতে পারে, যার ফলে ডায়াবেটিসের ওষুধের কার্যকারিতা প্রভাবিত হতে পারে।
  • অ্যালকোহল: অ্যালকোহলের সাথে Myosit সেবনে ফ্লাশিং ও হাইপোটেনশন প্রভাব আরও বাড়তে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Inositol Nicotinate ব্যবহার করা উচিত নয়:

  • Inositol Nicotinate, নিকোটিনিক অ্যাসিড বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা।
  • মারাত্মক হাইপোটেনশন (নিম্ন রক্তচাপ)।
  • সক্রিয় পেপটিক আলসার রোগ।
  • মারাত্মক লিভার সমস্যা।
  • সক্রিয় ধমনী রক্তক্ষরণ।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Myosit-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো ফ্লাশিং সেনসেশন (ত্বক লাল হওয়া ও উষ্ণতা অনুভূতি, মাঝেমধ্যে হালকা চুলকানি বা ঝিনঝিন অনুভূতিসহ), যা এর নিয়াসিন উপাদানের কারণে হয়ে থাকে এবং নিয়মিত ব্যবহারে সাধারণত কমে যায়। অন্যান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে:

  • পেটের অস্বস্তি (বমি বমি ভাব, বদহজম)
  • মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরা
  • সামান্য, ক্ষণস্থায়ী হাইপোটেনশন
  • হৃদস্পন্দনের অনুভূতি (কম সাধারণ)
  • ত্বকে র‍্যাশ বা চুলকানি (কম সাধারণ)

মারাত্মক বা দীর্ঘস্থায়ী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থায় Myosit-এর ব্যবহার সম্পর্কে পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রিত মানব গবেষণা তথ্য নেই। Myosit গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন স্পষ্টভাবে প্রয়োজন এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হয়; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।

Myosit বা এর মেটাবোলাইট বুকের দুধে নির্গত হয় কিনা তা প্রতিষ্ঠিত নয়। সতর্কতা হিসেবে, স্তন্যদানকারী মায়েদের Myosit ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত এবং প্রয়োজন না হলে এড়িয়ে চলা উচিত।

সতর্কতা

নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে Myosit সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত:

  • ডায়াবেটিস মেলিটাস: Myosit-এর নিয়াসিন উপাদান গ্লুকোজ সহনশীলতা প্রভাবিত করতে পারে এবং রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলতে পারে; নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • গাউট বা হাইপারইউরিসেমিয়া: Myosit-এর মতো নিকোটিনিক অ্যাসিড জাতীয় ওষুধ সিরাম ইউরিক অ্যাসিড বাড়াতে পারে এবং গাউট আরও খারাপ করতে পারে।
  • পিত্তথলির সমস্যা: সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।
  • হাইপোটেনশন-প্রবণ রোগী: Myosit-এর ভাসোডাইলেটরি প্রভাবের কারণে সতর্কতা প্রয়োজন।
  • লিভার সমস্যা: মৃদু থেকে মাঝারি লিভার সমস্যায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন এবং মারাত্মক লিভার সমস্যায় এড়িয়ে চলুন (প্রতিনির্দেশনা দেখুন)।

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারিত মাত্রা ও সময়কাল মেনে Myosit গ্রহণ করা উচিত।

মাত্রাধিক্যতা

Myosit-এর অতিরিক্ত মাত্রা গ্রহণে তীব্র ফ্লাশিং, উল্লেখযোগ্য হাইপোটেনশন, মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া এবং পেটের অস্বস্তি হতে পারে। এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

সংরক্ষণ

রুম তাপমাত্রায় (৩০°C এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্ক রোগী

বয়স্ক রোগীরা Myosit-এর হাইপোটেনসিভ ও ফ্লাশিং প্রভাবের প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারেন; সতর্কতার সাথে ও নিবিড় পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করা উচিত।

কিডনি সমস্যা

নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের সুস্পষ্ট তথ্য নেই; চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।

লিভার সমস্যা

মৃদু থেকে মাঝারি লিভার সমস্যায় সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন; মারাত্মক লিভার সমস্যায় Myosit নিষিদ্ধ (প্রতিনির্দেশনা দেখুন)।

ডায়াবেটিস রোগী

রক্তে শর্করা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন, কারণ Myosit-এর নিয়াসিন উপাদান গ্লুকোজ সহনশীলতা প্রভাবিত করতে পারে।

শিশু রোগী

শিশুদের ক্ষেত্রে Myosit-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়; এই বয়সগোষ্ঠীতে ব্যবহারের সুপারিশ করা হয় না।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Myosit 750 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Myosit 750 mg Tablet মূলত পেরিফেরাল ভাসোডাইলেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন রেনড'স ফেনোমেনন ও পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজ সংক্রান্ত ইন্টারমিটেন্ট ক্লডিকেশনে, যা অঙ্গপ্রত্যঙ্গে রক্ত প্রবাহ উন্নত করতে সহায়তা করে। এর কার্যকারিতার প্রমাণ সীমিত, তাই এটি সাধারণত সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Q: Myosit 750 mg Tablet কেন ফ্লাশিং ঘটায়?

A: Myosit 750 mg Tablet শরীরে ধীরে ধীরে ভেঙে নিকোটিনিক অ্যাসিড (নিয়াসিন) মুক্ত করে, যা ত্বকের কাছাকাছি রক্তনালী প্রসারিত করে উষ্ণ, লালচে অনুভূতি তৈরি করে। Myosit 750 mg Tablet-এর ক্ষেত্রে এই প্রভাব সাধারণত মৃদু হয় এবং নিয়মিত ব্যবহারে কমে যায়।

Q: ডায়াবেটিস থাকলে কি Myosit 750 mg Tablet নেওয়া যাবে?

A: ডায়াবেটিস রোগীদের Myosit 750 mg Tablet সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত, কারণ এর নিয়াসিন উপাদান রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণ প্রভাবিত করতে পারে। রক্তে শর্করা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত এবং শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Q: গর্ভাবস্থায় Myosit 750 mg Tablet কি নিরাপদ?

A: গর্ভাবস্থায় Myosit 750 mg Tablet-এর ব্যবহার সম্পর্কে তথ্য সীমিত। সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে স্পষ্ট প্রয়োজন থাকলেই কেবল ব্যবহার করা উচিত।

Q: কাদের Myosit 750 mg Tablet ব্যবহার করা উচিত নয়?

A: যাদের Myosit 750 mg Tablet বা নিকোটিনিক অ্যাসিডের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা, মারাত্মক হাইপোটেনশন, সক্রিয় পেপটিক আলসার রোগ, মারাত্মক লিভার সমস্যা বা সক্রিয় ধমনী রক্তক্ষরণ আছে, তাদের Myosit 750 mg Tablet ব্যবহার করা উচিত নয়।

Q: মাত্রা মিস হলে বা অতিরিক্ত মাত্রা গ্রহণ করলে কী করা উচিত?

A: মাত্রা মিস হলে মনে পড়ার সাথে সাথে তা গ্রহণ করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় ঘনিয়ে এলে দ্বিগুণ মাত্রা নেবেন না। অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে, যেমন তীব্র ফ্লাশিং, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দিলে, অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor