
Robic500 mg
Square Pharmaceuticals PLC.

Ornid একটি নাইট্রোইমিডাজল গ্রুপের ওষুধ, যার অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল (অ্যানেরোবিক-বিরোধী) কার্যকারিতা রয়েছে। প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী এর ব্যবহার নিম্নরূপ ভাগ করা যায়:
Ornid যুক্তরাষ্ট্রে অনুমোদিত বা বিপণিত নয়, তাই এর কোনো FDA লেবেল নেই; উপরের নির্দেশনাগুলো বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসা-অনুশীলন এবং গাইডলাইন-সমর্থিত ব্যবহারের প্রতিফলন।
নাইট্রোইমিডাজল গ্রুপ — অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল (অ্যানেরোবিক-বিরোধী) ওষুধ। Ornid মেট্রোনিডাজল, টিনিডাজল ও সেকনিডাজলের মতো একই ফার্মাকোলজিক্যাল গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত।
Ornidazole সংবেদনশীল অ্যানেরোবিক ও মাইক্রোএয়ারোফিলিক জীবাণুর ভেতরে প্রবেশ করে, যেখানে এর নাইট্রো গ্রুপ জীবাণুর অভ্যন্তরীণ রেডক্স প্রোটিন দ্বারা বিজারিত (reduced) হয়। এর ফলে উৎপন্ন বিষাক্ত মধ্যবর্তী পদার্থ জীবাণুর DNA-এর সাথে যুক্ত হয়ে তার গঠন নষ্ট করে এবং নিউক্লিক অ্যাসিড সংশ্লেষণ বাধাগ্রস্ত করে, যার ফলে জীবাণুর মৃত্যু ঘটে। মানুষের বায়বীয় (aerobic) কোষে এই পরিবেশ না থাকায় ওষুধটি নির্বাচনীভাবে অ্যানেরোবিক জীবাণু ও প্রোটোজোয়ার উপর কাজ করে।
Ornid-এর মাত্রা সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দেশনা, সংক্রমণের তীব্রতা, রোগীর বয়স, ওজন এবং কিডনি/লিভারের কার্যক্ষমতা অনুযায়ী নির্ধারণ করা উচিত। সাধারণ নির্দেশিকা নিচে দেওয়া হলো:
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা | শিশুদের মাত্রা | সাধারণ মেয়াদ |
|---|---|---|---|
| অন্ত্রের অ্যামিবিয়াসিস | ৫০০ মিগ্রা দিনে দুইবার | ২৫-৪০ মিগ্রা/কেজি/দিন বিভক্ত মাত্রায় | ৫-৭ দিন |
| অ্যামিবিক লিভার অ্যাবসেস | ৫০০ মিগ্রা দিনে দুইবার | ২৫-৪০ মিগ্রা/কেজি/দিন বিভক্ত মাত্রায় | ৫-১০ দিন |
| জিয়ার্ডিয়াসিস | একক ১.৫ গ্রাম মাত্রা, অথবা ৫০০ মিগ্রা দিনে দুইবার | ৪০ মিগ্রা/কেজি একক মাত্রায় | ১-২ দিন |
| ট্রাইকোমোনিয়াসিস / ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস | একক ১.৫ গ্রাম মাত্রা, অথবা ৫০০ মিগ্রা দিনে দুইবার; সঙ্গীকেও একইসাথে চিকিৎসা দিতে হবে | সাধারণত প্রযোজ্য নয় | ১-৫ দিন |
| অ্যানেরোবিক ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ | ৫০০-১০০০ মিগ্রা প্রতি ১২ ঘণ্টায় (মুখে বা শিরায়), সাধারণত বায়বীয় জীবাণু-বিরোধী ওষুধের সাথে | ওজন অনুযায়ী নির্ধারিত; বিশেষজ্ঞের পরামর্শ প্রয়োজন | প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী ৫-১০ দিন |
| অস্ত্রোপচার প্রফিল্যাক্সিস | অস্ত্রোপচারের ৩০-৬০ মিনিট আগে ৫০০-১০০০ মিগ্রা শিরায় একক মাত্রা | সাধারণত প্রযোজ্য নয় | একক মাত্রা (কখনো অস্ত্রোপচার-পরবর্তী আরও ১-২ মাত্রা) |
অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল স্টুয়ার্ডশিপ: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী Ornid সম্পূর্ণ কোর্স সেবন করুন; লক্ষণ কমে গেলেও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ করবেন না, মাত্রা বাড়াবেন না, কোনো ডোজ বাদ দেবেন না, এবং অন্য কাউকে এই ওষুধ দেবেন না।
লিভারের সমস্যায় মাত্রা সমন্বয়ের জন্য "সতর্কতা" অংশ এবং কিডনি সমস্যা/বয়স্কদের জন্য "শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার" অংশ দেখুন।
Ornid-এর সাথে নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ মিথষ্ক্রিয়াগুলো লক্ষণীয়:
Ornid শুরু করার আগে আপনার চিকিৎসককে সকল ওষুধ, সাপ্লিমেন্ট এবং মদ্যপানের অভ্যাস সম্পর্কে জানান।
Ornidazole নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত (contraindicated):
Ornid-এর বেশিরভাগ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মৃদু ও সাময়িক। রিপোর্ট করা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে:
গুরুতর র্যাশ, শ্বাসকষ্ট, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ/কালশিটে, বা ক্রমাগত অসাড়তা/ঝিনঝিন অনুভব করলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে Ornid প্রতিনির্দেশিত। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে শুধুমাত্র সুস্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই Ornid ব্যবহার করা উচিত; গর্ভাবস্থার যেকোনো পর্যায়ে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ আবশ্যক।
স্তন্যদান: Ornid বুকের দুধে নির্গত হয়। স্তন্যদানকারী মায়েদের ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত; মাত্রা ও চিকিৎসার মেয়াদ অনুযায়ী চিকিৎসাকালীন সাময়িকভাবে স্তন্যদান বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে।
Ornid-এর অতিরিক্ত মাত্রা সেবনে বমি বমি ভাব, বমি, ভারসাম্যহীনতা, বিভ্রান্তি এবং বিরল ক্ষেত্রে খিঁচুনির মতো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া তীব্র হতে পারে। এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (antidote) নেই।
অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের সন্দেহ হলে সাথে সাথে নিকটস্থ হাসপাতালে যান বা জরুরি চিকিৎসা সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে লক্ষণভিত্তিক ও সহায়ক চিকিৎসা দেওয়া হয়; নিজে থেকে কোনো নির্দিষ্ট ঘরোয়া চিকিৎসা করার চেষ্টা করবেন না।
৩০°C এর নিচে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর ব্যবহার করবেন না।
Q: Ornid 500 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Ornid 500 mg Tablet অন্ত্রের অ্যামিবিয়াসিস (অ্যামিবিক ডিসেন্ট্রি), অ্যামিবিক লিভার অ্যাবসেস, জিয়ার্ডিয়াসিস এবং ট্রাইকোমোনিয়াসিসের মতো প্রোটোজোয়া সংক্রমণ এবং অ্যানেরোবিক ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। কিছু অস্ত্রোপচারের আগে অ্যানেরোবিক সংক্রমণ প্রতিরোধেও একক মাত্রায় ব্যবহার করা হয়।
Q: Ornid 500 mg Tablet সেবনকালে মদ্যপান করা যাবে কি?
A: না। Ornid 500 mg Tablet সেবনকালে এবং কোর্স শেষ হওয়ার পর কমপক্ষে ৩ দিন মদ্যপান এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এতে ডিসালফিরামের মতো প্রতিক্রিয়া (মুখ লাল হওয়া, মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, বমি, দ্রুত হৃৎস্পন্দন) হতে পারে।
Q: গর্ভাবস্থায় Ornid 500 mg Tablet কি নিরাপদ?
A: গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে Ornid 500 mg Tablet প্রতিনির্দেশিত। পরবর্তী ত্রৈমাসিকে চিকিৎসক সুস্পষ্ট প্রয়োজন মনে করলে এবং উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে তবেই ব্যবহার করা যেতে পারে। গর্ভবতী বা গর্ভধারণের পরিকল্পনা করলে Ornid 500 mg Tablet সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: ভালো লাগলে কি Ornid 500 mg Tablet বন্ধ করে দেওয়া যাবে?
A: না। চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী Ornid 500 mg Tablet এর সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করা উচিত, লক্ষণ আগে কমে গেলেও। কোর্স মাঝপথে বন্ধ করা, ডোজ বাদ দেওয়া, বা অন্য কাউকে ওষুধ দেওয়া সংক্রমণ পুনরায় ফিরে আসার কারণ হতে পারে, তাই সবসময় সম্পূর্ণ কোর্স মেনে চলুন।
Q: Ornid 500 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, বমি, মুখে ধাতব বা তেতো স্বাদ, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা এবং ঝিমুনি। এগুলো সাধারণত মৃদু ও সাময়িক। গুরুতর র্যাশ, শ্বাসকষ্ট, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ, বা ক্রমাগত অসাড়তা/ঝিনঝিন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: শিশুদের ক্ষেত্রে Ornid 500 mg Tablet কি নিরাপদ?
A: শিশু বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ওজন-ভিত্তিক মাত্রায় শিশুদের অ্যামিবিয়াসিস ও জিয়ার্ডিয়াসিসের চিকিৎসায় Ornid 500 mg Tablet ব্যবহার করা যায়। খুব ছোট শিশু ও নবজাতকদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সুপ্রতিষ্ঠিত নয়, তাই শুধুমাত্র সুস্পষ্ট প্রয়োজনে এবং নিবিড় চিকিৎসা তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।