Product gallery
MRP ৳ ৮.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ৭.২০/piece
১
Section

বিকল্প

Price
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Oxiflam একটি নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID), যা অক্সিক্যাম শ্রেণীভুক্ত এবং নিম্নলিখিত অবস্থায় ব্যথা ও প্রদাহ উপশমে ব্যবহৃত হয়:

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার

  • অস্টিওআর্থ্রাইটিস - জয়েন্টের ব্যথা, শক্ত ভাব ও ফোলা কমাতে।
  • রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস - প্রদাহজনিত জয়েন্ট ব্যথা ও ফোলা কমাতে।
  • অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিস - মেরুদণ্ডের ব্যথা ও শক্ত ভাব কমাতে।
  • তীব্র পেশি-হাড়জনিত সমস্যা - মচকে যাওয়া, লিগামেন্ট/পেশির টান, টেন্ডিনাইটিস, বারসাইটিস এবং কাঁধ বা কোমরের পেরিআর্থ্রাইটিসে স্বল্পমেয়াদী ব্যথা উপশমে।

Oxiflam শুধুমাত্র উপসর্গগত ব্যথা ও প্রদাহ উপশম করে; এটি আর্থ্রাইটিসের অন্তর্নিহিত রোগের গতিপথ পরিবর্তন করে না।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Oxiflam নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID) শ্রেণীর ওষুধ, নির্দিষ্টভাবে অক্সিক্যাম উপশ্রেণীর অন্তর্গত, যাতে পাইরক্সিক্যাম ও মেলোক্সিক্যামও অন্তর্ভুক্ত।

ফার্মাকোলজি

Tenoxicam মূলত সাইক্লো-অক্সিজেনেজ (COX-1 এবং COX-2) এনজাইমকে অ-নির্বাচনীভাবে ও প্রত্যাবর্তনযোগ্যভাবে বাধা দিয়ে কাজ করে, যার ফলে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন সংশ্লেষণ কমে যায়। প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন ব্যথা, প্রদাহ ও জ্বরের মূল মধ্যস্থতাকারী, তাই এর সংশ্লেষণ কমলে ব্যথানাশক, প্রদাহনাশক ও জ্বরনাশক প্রভাব দেখা যায়।

ফার্মাকোকাইনেটিক্স

  • শোষণ: মুখে সেবনের পর ভালোভাবে শোষিত হয়, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সর্বোচ্চ প্লাজমা মাত্রায় পৌঁছায়; খাবারের সাথে সেবনে শোষণ সামান্য বিলম্বিত হতে পারে তবে উল্লেখযোগ্যভাবে কমে না।
  • বিতরণ: রক্তে প্রোটিনের সাথে উচ্চমাত্রায় (৯৯%-এর বেশি) আবদ্ধ হয় এবং সাইনোভিয়াল ফ্লুইডে ভালোভাবে প্রবেশ করে।
  • বিপাক: মূলত যকৃতে, প্রধানত CYP2C9 এনজাইমের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় বিপাকদ্রব্যে রূপান্তরিত হয়।
  • নিঃসরণ: এর অস্বাভাবিক দীর্ঘ অর্ধায়ু (প্রায় ৬০-৭৫ ঘণ্টা) রয়েছে, যা দিনে একবার সেবনের সুযোগ দেয়; মূলত কিডনি এবং কিছুটা পিত্তের মাধ্যমে নিঃসৃত হয়।
  • স্থিতিশীল অবস্থা: দীর্ঘ অর্ধায়ুর কারণে, নিয়মিত দৈনিক সেবনের প্রায় ১০-১৫ দিন পর স্থিতিশীল প্লাজমা মাত্রায় পৌঁছায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিস (প্রাপ্তবয়স্ক)

নির্দেশনাপ্রস্তাবিত মাত্রা
রক্ষণাবেক্ষণ থেরাপিপ্রতিদিন একবার ২০ মি.গ্রা., পছন্দনীয়ভাবে খাবার বা দুধের সাথে, প্রতিদিন একই সময়ে

তীব্র পেশি-হাড়জনিত সমস্যা (প্রাপ্তবয়স্ক)

নির্দেশনাপ্রস্তাবিত মাত্রা
তীব্র ব্যথা (মচকানো, টান, টেন্ডিনাইটিস, বারসাইটিস)সর্বোচ্চ ২ দিন পর্যন্ত প্রতিদিন ৪০ মি.গ্রা., এরপর আরও ৫-৭ দিন প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিদিন ২০ মি.গ্রা.

ট্যাবলেট পুরোটা এক গ্লাস পানির সাথে গিলে খেতে হবে, পছন্দনীয়ভাবে খাবারের সাথে বা পরে, যাতে পাকস্থলীর অস্বস্তি কমে। চিকিৎসার লক্ষ্য অনুযায়ী সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায়, সবচেয়ে কম সময়ের জন্য Oxiflam ব্যবহার করা উচিত।

কিডনি, যকৃত, বয়স্ক ও শিশুদের ক্ষেত্রে মাত্রা সংক্রান্ত বিস্তারিত জানতে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার অংশ দেখুন।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Oxiflam-এর সাথে নিম্নলিখিত ওষুধ শ্রেণীগুলোর ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:

  • অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট (যেমন ওয়ারফারিন) ও অ্যান্টিপ্লেটলেট ওষুধ: হেমোস্ট্যাসিসের ওপর সংযোজিত প্রভাবের কারণে রক্তক্ষরণ (বিশেষত পরিপাকতন্ত্রে) ঝুঁকি বাড়ে; একসাথে ব্যবহার করলে ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
  • অন্যান্য NSAID ও অ্যাসপিরিন: পাকস্থলী-অন্ত্রের আলসার/রক্তক্ষরণ এবং কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি সংযোজিতভাবে বাড়ে; একসাথে ব্যবহার সাধারণত এড়িয়ে চলা উচিত।
  • ACE ইনহিবিটর, অ্যাঞ্জিওটেনসিন রিসেপ্টর ব্লকার (ARB) ও মূত্রবর্ধক ওষুধ: Oxiflam এসব ওষুধের রক্তচাপ কমানোর প্রভাব হ্রাস করতে পারে, এবং মূত্রবর্ধকের সাথে একত্রে ব্যবহারে তীব্র কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
  • লিথিয়াম: Oxiflam লিথিয়ামের কিডনি থেকে নিষ্কাশন কমিয়ে রক্তে এর মাত্রা ও বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে; লিথিয়ামের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
  • মেথোট্রেক্সেট: Oxiflam মেথোট্রেক্সেটের কিডনি থেকে নিষ্কাশন কমিয়ে এর বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে, বিশেষত উচ্চ মাত্রায়।
  • কর্টিকোস্টেরয়েড ও SSRI: একসাথে ব্যবহারে পরিপাকতন্ত্রে আলসার ও রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে।
  • সাইক্লোস্পোরিন: একসাথে ব্যবহারে কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ে।

প্রতিনির্দেশনা

Tenoxicam নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ:

  • Tenoxicam বা এর কোনো উপাদানের প্রতি জ্ঞাত অতিসংবেদনশীলতা।
  • অ্যাসপিরিন বা অন্যান্য NSAID দ্বারা সৃষ্ট হাঁপানি, ব্রঙ্কোস্পাজম, অ্যাঞ্জিওএডিমা বা আর্টিকেরিয়ার ইতিহাস।
  • সক্রিয় পেপটিক আলসার রোগ বা সক্রিয় পরিপাকতন্ত্রের রক্তক্ষরণ।
  • তীব্র (অনিয়ন্ত্রিত) হার্ট ফেইলিউর।
  • তীব্র কিডনি বিকলতা।
  • তীব্র যকৃত বিকলতা।
  • গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিক।
  • করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফট (CABG) সার্জারির প্রেক্ষাপটে ব্যবহার, যা NSAID শ্রেণীর সাধারণ সতর্কতা অনুযায়ী প্রযোজ্য।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Oxiflam-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণত মাত্রা ও ব্যবহারের সময়কালের সাথে সম্পর্কিত এবং NSAID শ্রেণীর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সাধারণ

  • বদহজম, বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা
  • ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য
  • মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা
  • শরীরে পানি জমা (এডিমা)
  • চর্মে র‍্যাশ

কম সাধারণ / গুরুতর

  • পরিপাকতন্ত্রে আলসার, রক্তক্ষরণ বা ছিদ্র (পারফোরেশন)
  • যকৃতের এনজাইম বৃদ্ধি
  • কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস, শরীরে পানি জমা, উচ্চ রক্তচাপ
  • কানে শোঁ শোঁ শব্দ (টিনিটাস), মাথা ঘোরা (ভার্টিগো)

বিরল কিন্তু গুরুতর

  • তীব্র চর্মরোগ (স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম, টক্সিক এপিডার্মাল নেক্রোলাইসিস)
  • অ্যানাফাইল্যাক্সিস, ব্রঙ্কোস্পাজম (বিশেষত অ্যাসপিরিন-সংবেদনশীল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে)
  • হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত থ্রম্বোটিক ঘটনা (হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক)

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: স্পষ্ট প্রয়োজন না হলে গর্ভাবস্থায় Oxiflam এড়িয়ে চলা উচিত। প্রথম ও দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে শুধুমাত্র চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই ব্যবহার করা উচিত। অন্যান্য NSAID-এর মতোই, Oxiflam গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে প্রতিনির্দেশিত, কারণ এটি ভ্রূণের ডাক্টাস আর্টেরিওসাস অকালে বন্ধ হয়ে যাওয়া, ভ্রূণের কিডনির সমস্যা এবং প্রসবকালীন জটিলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

স্তন্যদান: Oxiflam মায়ের বুকের দুধে নিঃসৃত হয় কিনা তা সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়; যেহেতু অনেক NSAID বুকের দুধে প্রবেশ করে, তাই চিকিৎসক উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি বলে নিশ্চিত না করলে স্তন্যদানকালে Oxiflam ব্যবহার সুপারিশ করা হয় না।

সতর্কতা

Oxiflam-এর ক্ষেত্রে NSAID শ্রেণীর সাধারণ হৃদযন্ত্র ও পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত ঝুঁকিগুলো প্রযোজ্য:

  • হৃদযন্ত্রের ঝুঁকি: Oxiflam-সহ NSAID ওষুধ গুরুতর থ্রম্বোটিক ঘটনা, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, যা প্রাণঘাতী হতে পারে; দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার এবং পূর্ব থেকে হৃদরোগ থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বেশি।
  • পরিপাকতন্ত্রের ঝুঁকি: NSAID ওষুধ পাকস্থলী বা অন্ত্রের রক্তক্ষরণ, আলসার ও ছিদ্র হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়, যা কোনো পূর্ব লক্ষণ ছাড়াই যেকোনো সময় হতে পারে, বিশেষত বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে।
  • কিডনির প্রভাব: দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে কিডনির কার্যক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, বিশেষত যাদের আগে থেকে কিডনি সমস্যা, হার্ট ফেইলিউর, যকৃতের সমস্যা রয়েছে বা যারা মূত্রবর্ধক/ACE ইনহিবিটর/ARB সেবন করছেন; পর্যাপ্ত পানি পান বজায় রাখা উচিত।
  • যকৃতের প্রভাব: যকৃতের এনজাইম বাড়তে পারে; যকৃতের কার্যক্ষমতা ব্যাহত হওয়ার লক্ষণ দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
  • বিলম্বিত পূর্ণ প্রভাব: দীর্ঘ অর্ধায়ুর কারণে, Oxiflam নিয়মিত দৈনিক সেবনে স্থিতিশীল প্লাজমা মাত্রা ও সম্পূর্ণ প্রদাহনাশক প্রভাবে পৌঁছাতে ১-২ সপ্তাহ সময় নিতে পারে।
  • পানি জমা: উচ্চ রক্তচাপ বা হার্ট ফেইলিউরের ইতিহাস থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে পানি জমা ও এডিমার সম্ভাবনার কারণে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
  • সংক্রমণের লক্ষণ আড়াল হওয়া: প্রদাহনাশক ও জ্বরনাশক ওষুধ হওয়ায় Oxiflam সংক্রমণের সাধারণ লক্ষণ আড়াল করে ফেলতে পারে।

অতিসংবেদনশীলতা, পরিপাকতন্ত্রের রক্তক্ষরণ, তীব্র হার্ট ফেইলিউর, তীব্র কিডনি/যকৃত বিকলতা এবং গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিক সংক্রান্ত বিস্তারিত জানতে প্রতিনির্দেশনা অংশ দেখুন।

মাত্রাধিক্যতা

Oxiflam-এর মাত্রাধিক্যের লক্ষণগুলোর মধ্যে থাকতে পারে বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা, পরিপাকতন্ত্রের রক্তক্ষরণ, তন্দ্রা, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে রক্তচাপ কমে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি বা তীব্র কিডনি বিকলতা।

Oxiflam-এর মাত্রাধিক্যের জন্য নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই। মাত্রাধিক্যের সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা / বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা লক্ষণভিত্তিক ও সহায়ক এবং যোগ্য চিকিৎসা কর্মীদের দ্বারা দ্রুত শুরু করা উচিত; বাড়িতে নিজে থেকে মাত্রাধিক্য সামলানোর চেষ্টা করবেন না।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

বয়স্ক রোগী

বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে Oxiflam ব্যবহারে গুরুতর পরিপাকতন্ত্র, কিডনি ও হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায়, সবচেয়ে কম সময়ের জন্য ব্যবহার করতে হবে এবং ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

কিডনি সমস্যা

হালকা থেকে মাঝারি কিডনি সমস্যায় Oxiflam সতর্কতার সাথে এবং কিডনি কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণসহ ব্যবহার করতে হবে; তীব্র কিডনি বিকলতায় এটি প্রতিনির্দেশিত (প্রতিনির্দেশনা অংশ দেখুন)।

যকৃত সমস্যা

হালকা থেকে মাঝারি যকৃত সমস্যায় সতর্কতার সাথে এবং যকৃতের কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণসহ ব্যবহার করতে হবে; তীব্র যকৃত বিকলতায় Oxiflam প্রতিনির্দেশিত (প্রতিনির্দেশনা অংশ দেখুন)।

শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশুদের ক্ষেত্রে Oxiflam-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি; শিশুদের ক্ষেত্রে এর ব্যবহার সুপারিশ করা হয় না।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

বিস্তারিত জানতে গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে অংশ দেখুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Oxiflam 20 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Oxiflam 20 mg Tablet একটি নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID), যা অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিস এবং মচকানো, পেশির টান, টেন্ডিনাইটিস, বারসাইটিসের মতো তীব্র পেশি-হাড়জনিত আঘাতের কারণে সৃষ্ট ব্যথা, ফোলা ও শক্ত ভাব উপশমে ব্যবহৃত হয়।

Q: Oxiflam 20 mg Tablet কীভাবে সেবন করব?

A: Oxiflam 20 mg Tablet সাধারণত দিনে একবার একটি ট্যাবলেট (২০ মি.গ্রা.) প্রতিদিন একই সময়ে, খাবার বা দুধের সাথে সেবন করতে হয়, যাতে পাকস্থলীর অস্বস্তি কমে। তীব্র ব্যথার ক্ষেত্রে চিকিৎসক সর্বোচ্চ ২ দিনের জন্য বেশি মাত্রা (৪০ মি.গ্রা.) এবং এরপর স্বাভাবিক রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা নির্ধারণ করতে পারেন। সর্বদা চিকিৎসকের নির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Oxiflam 20 mg Tablet সেবন করা যাবে?

A: চিকিৎসক স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় মনে না করলে গর্ভাবস্থায় Oxiflam 20 mg Tablet এড়িয়ে চলা উচিত, এবং গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে এটি কখনোই ব্যবহার করা যাবে না, কারণ এটি বিকাশমান শিশুর ক্ষতি করতে পারে এবং প্রসবকালীন জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। বুকের দুধে প্রবেশ করতে পারে বলে, চিকিৎসকের নির্দিষ্ট পরামর্শ ছাড়া স্তন্যদানকালেও Oxiflam 20 mg Tablet সুপারিশ করা হয় না।

Q: কাদের Oxiflam 20 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়?

A: যাদের Oxiflam 20 mg Tablet বা অন্যান্য NSAID/অ্যাসপিরিনে অ্যালার্জি রয়েছে (অ্যাসপিরিনজনিত হাঁপানি বা চর্মে আমবাতের ইতিহাসসহ), সক্রিয় পাকস্থলীর আলসার বা পরিপাকতন্ত্রের রক্তক্ষরণ আছে, তীব্র হার্ট ফেইলিউর, তীব্র কিডনি বা যকৃতের রোগ আছে, অথবা যারা গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে আছেন, তাদের Oxiflam 20 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়।

Q: Oxiflam 20 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?

A: Oxiflam 20 mg Tablet-এর সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বদহজম, বমি বমি ভাব, পেটে অস্বস্তি, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা এবং সামান্য পানি জমা (ফোলা)। কম ক্ষেত্রে এটি পাকস্থলীর আলসার, পরিপাকতন্ত্রের রক্তক্ষরণ বা কিডনির কার্যক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে, তাই সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় সবচেয়ে কম সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।

Q: বেশি মাত্রায় Oxiflam 20 mg Tablet সেবন করে ফেললে কী করব?

A: নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি Oxiflam 20 mg Tablet সেবন করলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা / বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। বাড়িতে নিজে থেকে মাত্রাধিক্য সামলানোর চেষ্টা করবেন না, কারণ এটি পাকস্থলী, কিডনি বা অন্যান্য গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor