Product gallery
MRP ২৫.০৮% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ২৩.৮৩/25 ml vial
স্টকে নেই
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Sodib নির্দিষ্ট অ্যাসিড-বেস ও ইলেক্ট্রোলাইট সমস্যার চিকিৎসা ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী নির্দেশনাগুলো নিচে শ্রেণীবদ্ধ করা হলো।

প্রতিষ্ঠিত/অনুমোদিত ব্যবহার (ইনজেকশন)

  • গুরুতর কিডনি রোগ, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস (ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস, সহায়ক থেরাপি হিসেবে), শক বা মারাত্মক পানিশূন্যতাজনিত সার্কুলেটরি সমস্যা, এক্সট্রাকরপোরিয়াল সার্কুলেশন এবং গুরুতর প্রাইমারি ল্যাকটিক অ্যাসিডোসিসের কারণে সৃষ্ট মেটাবলিক অ্যাসিডোসিসের চিকিৎসায় Sodib ব্যবহৃত হয়।
  • নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে (যেমন পূর্ব-বিদ্যমান মেটাবলিক অ্যাসিডোসিস, হাইপারক্যালেমিয়া, ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট বিষক্রিয়া) কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে বর্তমান রিসাসিটেশন নির্দেশিকা অনুযায়ী Sodib প্রয়োগ করা হয়।
  • গুরুতর স্যালিসাইলেট বা ফেনোবারবিটাল বিষক্রিয়ায় প্রস্রাব ক্ষারীয় করে ওষুধের নিঃসরণ বাড়াতে Sodib ব্যবহৃত হয়।

প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার (মুখে সেবনযোগ্য)

  • বুক জ্বালা, অম্লতা ও পেটের অস্বস্তির স্বল্পমেয়াদী উপশমে অ্যান্টাসিড হিসেবে Sodib ব্যবহৃত হয়।
  • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রস্রাব ক্ষারীয়করণের জন্যও Sodib ব্যবহার করা যেতে পারে।

নির্দেশিকা-সমর্থিত/সহায়ক ব্যবহার

  • দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে ক্রনিক মেটাবলিক অ্যাসিডোসিস নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসকের নির্দেশনায় সামগ্রিক চিকিৎসার সহায়ক অংশ হিসেবে Sodib ব্যবহৃত হতে পারে।

সাধারণ ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস বা অধিকাংশ কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের ক্ষেত্রে Sodib প্রথম সারির চিকিৎসা নয় এবং শুধুমাত্র চিকিৎসকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে নির্দেশিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Sodib একটি অ্যালকালাইজিং এজেন্ট, অ্যান্টাসিড এবং ইলেক্ট্রোলাইট রিপ্লেনিশার শ্রেণির ওষুধ।

ফার্মাকোলজি

Sodium Bicarbonate শরীরে বাইকার্বোনেট (HCO3-) ও সোডিয়াম (Na+) আয়ন সরবরাহ করে। বাইকার্বোনেট রক্তের প্রধান বাফার হিসেবে কাজ করে অতিরিক্ত হাইড্রোজেন আয়ন প্রশমিত করে রক্তের pH বাড়ায়। শিরাপথে দেওয়া হলে Sodium Bicarbonate দ্রুত রক্তের বাইকার্বোনেট মাত্রা বাড়িয়ে অ্যাসিডোসিসের লক্ষণ প্রশমিত করে। মুখে সেবনে Sodium Bicarbonate পাকস্থলীর হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের সাথে বিক্রিয়া করে সোডিয়াম ক্লোরাইড, পানি ও কার্বন ডাই অক্সাইড তৈরি করে সাময়িকভাবে অম্লতা প্রশমিত করে। প্রস্রাব ক্ষারীয় করার মাধ্যমে Sodium Bicarbonate স্যালিসাইলেটের মতো অ্যাসিডিক ওষুধের রেনাল নিঃসরণ বাড়ায়, আবার ক্ষারীয় ওষুধের নিঃসরণ কমায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

নির্দেশনাSodib-এর সাধারণ মাত্রা
গুরুতর মেটাবলিক অ্যাসিডোসিস (শিরাপথে)রক্তের গ্যাস/সিরাম বাইকার্বোনেট ঘাটতির ভিত্তিতে পৃথকভাবে নির্ধারিত হয়; সাধারণত ধীরগতির ইনফিউশন হিসেবে Sodib প্রয়োগ করে বারবার রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে মাত্রা সমন্বয় করা হয়।
কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট (নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সহায়ক)বর্তমান নির্দেশিকা অনুযায়ী সাধারণত ১ mEq/kg শিরাপথে Sodib, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে।
গুরুতর স্যালিসাইলেট বিষক্রিয়া (প্রস্রাব ক্ষারীয়করণ)প্রস্রাবের pH ৭.৫-৮ এর কাছাকাছি রাখতে ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে শিরাপথে ইনফিউশন হিসেবে Sodib প্রয়োগ করা হয়।
অ্যান্টাসিড (মুখে সেবন)০.৩-২ গ্রাম Sodib পানিতে মিশিয়ে দিনে ১-৪ বার খাবারের পর ও ঘুমানোর আগে; সর্বোচ্চ মাত্রা অতিক্রম না করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ২ সপ্তাহের বেশি ব্যবহার না করা।

শিশুদের মাত্রা

নবজাতক ও শিশুদের ক্ষেত্রে গুরুতর মেটাবলিক অ্যাসিডোসিসে হিসাব করা বাইকার্বোনেট ঘাটতির ভিত্তিতে Sodib ধীরগতিতে (দ্রুত বোলাস নয়) প্রয়োগ করা হয়, কারণ দ্রুত প্রয়োগে হাইপারন্যাট্রেমিয়া ও ইন্ট্রাক্রেনিয়াল হেমোরেজের ঝুঁকি রয়েছে।

কিডনি/লিভার সমন্বয়

লিভারের জন্য Sodib-এর নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত নেই। কিডনি সমস্যায় Sodib সতর্কতার সাথে কম মাত্রায় ও নিবিড় পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করতে হবে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Sodib প্রস্রাবের pH পরিবর্তন এবং রাসায়নিক অসামঞ্জস্যতার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য মিথষ্ক্রিয়া ঘটাতে পারে।

  • স্যালিসাইলেট ও লিথিয়াম: Sodib-এর প্রভাবে প্রস্রাব ক্ষারীয় হওয়ায় এসব ওষুধের রেনাল নিঃসরণ বেড়ে যায়, ফলে কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।
  • অ্যামফিটামিন, কুইনিডিনসহ অন্যান্য ক্ষারীয় ওষুধ: Sodib-জনিত ক্ষারীয় প্রস্রাব এসব ওষুধের নিঃসরণ কমিয়ে দেয়, ফলে রক্তে মাত্রা বেড়ে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • টেট্রাসাইক্লিন ও আয়রন লবণ: Sodib-এর সাথে একসাথে সেবনে এসবের শোষণ কমে যেতে পারে; মাত্রার মধ্যে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধান রাখা উচিত।
  • এন্টেরিক-কোটেড ওষুধ: Sodib-এর ক্ষারীয় পরিবেশে এন্টেরিক আবরণ অকালে ভেঙে যেতে পারে।
  • ক্যালসিয়ামযুক্ত দ্রবণ/শিরাপথের ক্যাটেকোলামিন: শিরাপথে Sodib-এর সাথে একসাথে দিলে রাসায়নিক অসামঞ্জস্যতার কারণে অধঃক্ষেপ হতে পারে; পৃথক লাইনে দিতে হবে।
  • সোডিয়াম-নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস: Sodib মোট সোডিয়াম গ্রহণে যোগ হয়; লবণ-নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসের রোগীদের সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।

প্রতিনির্দেশনা

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Sodium Bicarbonate ব্যবহার নিষিদ্ধ:

  • Sodium Bicarbonate বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা।
  • বমি বা ক্রমাগত গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সাকশনের মাধ্যমে ক্লোরাইড হ্রাস।
  • হাইপোক্লোরেমিক অ্যালকালোসিস সৃষ্টিকারী ডাইইউরেটিক একসাথে ব্যবহার।
  • হাইপোক্যালসেমিয়া, কারণ Sodium Bicarbonate-জনিত অ্যালকালোসিস টিটানি সৃষ্টি করতে পারে।
  • মেটাবলিক বা রেসপিরেটরি অ্যালকালোসিস।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Sodib-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণত সোডিয়াম ও ক্ষারীয় লোডের সাথে সম্পর্কিত এবং অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে বেশি দেখা যায়।

  • সাধারণ: মুখে সেবনকৃত Sodib-এর কারণে ঢেঁকুর, পেট ফাঁপা, পেট ফোলাভাব (কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের কারণে)।
  • ইলেক্ট্রোলাইট/অ্যাসিড-বেস: মেটাবলিক অ্যালকালোসিস, হাইপোক্যালেমিয়া, হাইপারন্যাট্রেমিয়া, হাইপোক্যালসেমিয়া (সংবেদনশীল রোগীদের টিটানি)।
  • তরল-সম্পর্কিত: তরল ধারণ, শোথ, এবং উচ্চ সোডিয়াম লোডে উচ্চ রক্তচাপ বা হার্ট ফেইলিউর খারাপ হওয়া।
  • ইনজেকশন স্থানে: ব্যথা, জ্বালা, এবং শিরার বাইরে Sodib চলে গেলে টিস্যু নেক্রোসিস।
  • অন্যান্য (বিরল): অতি সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থায় মানুষের উপর Sodib-এর নিয়ন্ত্রিত গবেষণা সীমিত। গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলেই Sodib ব্যবহার করা উচিত; ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। দীর্ঘমেয়াদি বা উচ্চমাত্রার Sodib ব্যবহার তাত্ত্বিকভাবে তরল ধারণ, অ্যালকালোসিস বা অতিরিক্ত সোডিয়াম লোড সৃষ্টি করতে পারে। বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় সাধারণ মাত্রায় স্বল্পমেয়াদি অ্যান্টাসিড হিসেবে Sodib সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে মনে করা হয়, তবে নিয়মিত বা উচ্চমাত্রার ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সতর্কতা

নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে Sodib সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত:

  • কিডনি সমস্যা: অতিরিক্ত সোডিয়াম ও বাইকার্বোনেট নিঃসরণ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় Sodib-এর কারণে তরল ধারণ ও অ্যালকালোসিসের ঝুঁকি বাড়ে।
  • হার্ট ফেইলিউর, উচ্চ রক্তচাপ বা শোথ: Sodib-এর সোডিয়াম লোড তরল ধারণ ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ খারাপ করতে পারে।
  • অ্যালকালোসিসের ঝুঁকি: অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদি Sodib ব্যবহারে মেটাবলিক অ্যালকালোসিস হতে পারে, বিশেষত কিডনি সমস্যা বা বমি/নাসোগ্যাস্ট্রিক সাকশনের ক্ষেত্রে (প্রতিনির্দেশনা দেখুন)।
  • শিরাপথে প্রয়োগ: অ্যাসিড-বেস ভারসাম্য ও ইলেক্ট্রোলাইট পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন; শিরার বাইরে Sodib চলে গেলে টিস্যু নেক্রোসিস হতে পারে।
  • মুখে অ্যান্টাসিড ব্যবহার: Sodib স্বল্পমেয়াদি বা মাঝে মাঝে ব্যবহারের জন্য; দীর্ঘস্থায়ী উপসর্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত, দীর্ঘমেয়াদে এটি দিয়ে চিকিৎসা করা উচিত নয়।
  • সোডিয়াম-নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস: প্রতি মাত্রা Sodib মোট সোডিয়াম গ্রহণ বাড়ায়; লবণ-নিয়ন্ত্রিত রোগীদের চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত।

মাত্রাধিক্যতা

Sodib-এর অতিরিক্ত মাত্রায় গুরুতর মেটাবলিক অ্যালকালোসিস, হাইপোক্যালেমিয়া, হাইপারন্যাট্রেমিয়া, হাইপোক্যালসেমিয়াজনিত টিটানি, পেশির কাঁপুনি, বিভ্রান্তি, খিঁচুনি এবং হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা দেখা দিতে পারে। Sodib-এর অতিরিক্ত মাত্রার সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসা সাধারণত হাসপাতালে সহায়ক পদ্ধতিতে করা হয়; কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই।

সংরক্ষণ

ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু

নবজাতক ও শিশুদের গুরুতর মেটাবলিক অ্যাসিডোসিসে ঘনিষ্ঠ চিকিৎসা তত্ত্বাবধানে Sodib ব্যবহার করা যেতে পারে; নবজাতক ও ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে দ্রুত শিরাপথে Sodib প্রয়োগ এড়িয়ে চলা উচিত কারণ এতে হাইপারন্যাট্রেমিয়া ও ইন্ট্রাক্রেনিয়াল হেমোরেজের ঝুঁকি থাকে।

বয়স্ক

বয়স্ক রোগীদের কিডনি বা হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার প্রবণতা থাকায় Sodib সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত, সোডিয়াম লোড ও তরল ধারণের প্রতি খেয়াল রেখে।

কিডনি সমস্যা

Sodib কম মাত্রায় ও নিবিড় পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করা উচিত।

লিভার সমস্যা

Sodib-এর নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত নেই; সাধারণ সোডিয়াম ও তরল সংক্রান্ত সতর্কতা প্রযোজ্য।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Sodib 7.5% IV Infusion কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Sodib 7.5% IV Infusion মেটাবলিক অ্যাসিডোসিস সংশোধনে (সাধারণত হাসপাতালে শিরাপথে), নির্দিষ্ট বিষক্রিয়ায় প্রস্রাব ক্ষারীয় করতে, এবং মুখে সেবনে বুক জ্বালা, অম্লতা ও পেটের অস্বস্তির স্বল্পমেয়াদী উপশমে অ্যান্টাসিড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Q: আমি কি প্রতিদিন হজমের সমস্যায় Sodib 7.5% IV Infusion খেতে পারি?

A: না। Sodib 7.5% IV Infusion সাধারণত স্বল্পমেয়াদি বা মাঝে মাঝে অ্যান্টাসিড হিসেবে ব্যবহারের জন্য, সাধারণত ২ সপ্তাহের বেশি নয়, যদি না চিকিৎসক অন্যথা নির্দেশ দেন। ঘন ঘন বা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে মেটাবলিক অ্যালকালোসিস, সোডিয়াম আধিক্য ও তরল ধারণ হতে পারে।

Q: কাদের Sodib 7.5% IV Infusion ব্যবহার করা উচিত নয়?

A: বমি বা ক্রমাগত পাকস্থলী সাকশনের কারণে ক্লোরাইড হারানো রোগী, হাইপোক্লোরেমিক অ্যালকালোসিস সৃষ্টিকারী ডাইইউরেটিক গ্রহণকারী, হাইপোক্যালসেমিয়া রোগী এবং যাদের ইতিমধ্যে মেটাবলিক বা রেসপিরেটরি অ্যালকালোসিস আছে তাদের Sodib 7.5% IV Infusion ব্যবহার করা উচিত নয়।

Q: গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে Sodib 7.5% IV Infusion কি নিরাপদ?

A: নিয়ন্ত্রিত গবেষণা সীমিত হওয়ায় গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে Sodib 7.5% IV Infusion ব্যবহার করা উচিত। স্তন্যদানকালে সাধারণ মাত্রায় স্বল্পমেয়াদি ব্যবহার সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে মনে করা হয়, তবে নিয়মিত বা উচ্চমাত্রার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Q: বেশি মাত্রায় Sodib 7.5% IV Infusion খেলে কী হতে পারে?

A: অতিরিক্ত Sodib 7.5% IV Infusion গ্রহণে মেটাবলিক অ্যালকালোসিস, পটাশিয়াম কমে যাওয়া, সোডিয়াম বেড়ে যাওয়া, পেশির কাঁপুনি, বিভ্রান্তি, খিঁচুনি বা হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা হতে পারে। সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

Q: Sodib 7.5% IV Infusion কি বাড়িতে শিরাপথে দেওয়া যায়?

A: না। শিরাপথে Sodib 7.5% IV Infusion শুধুমাত্র হাসপাতাল বা ক্লিনিক্যাল পরিবেশে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর মাধ্যমে দেওয়া হয়, রক্তের গ্যাস ও ইলেক্ট্রোলাইট নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে; এটি বাড়িতে ব্যবহারের জন্য নয়।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor