
Sodicarb600 mg
Popular Pharmaceuticals Ltd.
Sodium Bicarbonate নির্দিষ্ট অ্যাসিড-বেস ও ইলেক্ট্রোলাইট সমস্যার চিকিৎসা ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।
Sodium Bicarbonate নির্দিষ্ট অ্যাসিড-বেস ও ইলেক্ট্রোলাইট সমস্যার চিকিৎসা ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী নির্দেশনাগুলো নিচে শ্রেণীবদ্ধ করা হলো।
সাধারণ ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস বা অধিকাংশ কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের ক্ষেত্রে Sodium Bicarbonate প্রথম সারির চিকিৎসা নয় এবং শুধুমাত্র চিকিৎসকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে নির্দেশিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত।
| নির্দেশনা | Sodium Bicarbonate-এর সাধারণ মাত্রা |
|---|---|
| গুরুতর মেটাবলিক অ্যাসিডোসিস (শিরাপথে) | রক্তের গ্যাস/সিরাম বাইকার্বোনেট ঘাটতির ভিত্তিতে পৃথকভাবে নির্ধারিত হয়; সাধারণত ধীরগতির ইনফিউশন হিসেবে Sodium Bicarbonate প্রয়োগ করে বারবার রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে মাত্রা সমন্বয় করা হয়। |
| কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট (নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সহায়ক) | বর্তমান নির্দেশিকা অনুযায়ী সাধারণত ১ mEq/kg শিরাপথে Sodium Bicarbonate, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে। |
| গুরুতর স্যালিসাইলেট বিষক্রিয়া (প্রস্রাব ক্ষারীয়করণ) | প্রস্রাবের pH ৭.৫-৮ এর কাছাকাছি রাখতে ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে শিরাপথে ইনফিউশন হিসেবে Sodium Bicarbonate প্রয়োগ করা হয়। |
| অ্যান্টাসিড (মুখে সেবন) | ০.৩-২ গ্রাম Sodium Bicarbonate পানিতে মিশিয়ে দিনে ১-৪ বার খাবারের পর ও ঘুমানোর আগে; সর্বোচ্চ মাত্রা অতিক্রম না করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ২ সপ্তাহের বেশি ব্যবহার না করা। |
নবজাতক ও শিশুদের ক্ষেত্রে গুরুতর মেটাবলিক অ্যাসিডোসিসে হিসাব করা বাইকার্বোনেট ঘাটতির ভিত্তিতে Sodium Bicarbonate ধীরগতিতে (দ্রুত বোলাস নয়) প্রয়োগ করা হয়, কারণ দ্রুত প্রয়োগে হাইপারন্যাট্রেমিয়া ও ইন্ট্রাক্রেনিয়াল হেমোরেজের ঝুঁকি রয়েছে।
লিভারের জন্য Sodium Bicarbonate-এর নির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত নেই। কিডনি সমস্যায় Sodium Bicarbonate সতর্কতার সাথে কম মাত্রায় ও নিবিড় পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করতে হবে।
Sodium Bicarbonate-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণত সোডিয়াম ও ক্ষারীয় লোডের সাথে সম্পর্কিত এবং অতিরিক্ত বা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে বেশি দেখা যায়।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Sodium Bicarbonate ব্যবহার নিষিদ্ধ:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।