Product gallery

Sporium0.05%

Ophthalmic Emulsion

Cyclosporine

MRP ২১০.০০১০% ডিস্কাউন্ট
Best PriceTk ১৮৯.০০/5 ml drop
স্টকে নেই
Section

Medicine overview

নির্দেশনা

Sporium মূলত কিডনি, লিভার বা হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপনের পর অঙ্গ প্রত্যাখ্যান (rejection) প্রতিরোধে অন্যান্য ইমিউনোসাপ্রেসেন্ট ওষুধের সাথে সংযুক্তভাবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া যেসব রোগীর গুরুতর সক্রিয় রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস অন্যান্য চিকিৎসায় (যেমন মেথোট্রেক্সেট) পর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় না, তাদের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় সারির চিকিৎসা হিসেবে Sporium ব্যবহৃত হয়। গুরুতর প্লাক সোরিয়াসিস রোগীদের ক্ষেত্রেও (যাদের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল নয় এবং যারা অন্তত একটি সিস্টেমিক থেরাপিতে সাড়া দেননি) দ্বিতীয় সারির চিকিৎসা হিসেবে Sporium নির্ধারিত হতে পারে। চক্ষু-প্রয়োগের ইমালশন আকারে Sporium দীর্ঘমেয়াদী শুষ্ক চোখের রোগ (ক্রনিক ড্রাই আই ডিজিজ) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, যেখানে প্রদাহজনিত কারণে চোখের জল উৎপাদন কমে যায়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Sporium ক্যালসিনিউরিন ইনহিবিটর শ্রেণির ইমিউনোসাপ্রেসেন্ট ওষুধ।

ফার্মাকোলজি

Cyclosporine কোষের অভ্যন্তরে সাইক্লোফিলিন প্রোটিনের সাথে যুক্ত হয়ে একটি কমপ্লেক্স তৈরি করে, যা ক্যালসিনিউরিন এনজাইমকে বাধা দেয়। এর ফলে NFAT নামক ট্রান্সক্রিপশন ফ্যাক্টরের সক্রিয়তা এবং নিউক্লিয়াসে স্থানান্তর বন্ধ হয়ে যায়, যা ইন্টারলিউকিন-২ (IL-2) সহ টি-লিম্ফোসাইট সক্রিয়করণের জন্য প্রয়োজনীয় সাইটোকাইনগুলোর উৎপাদন কমিয়ে দেয়। এভাবে Cyclosporine নির্বাচিতভাবে টি-কোষ নিয়ন্ত্রিত রোগ প্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া দমন করে, অস্থিমজ্জার ওপর সাধারণ বিষক্রিয়ামূলক প্রভাব ছাড়াই। চোখের ক্ষেত্রে, স্থানীয়ভাবে প্রয়োগকৃত Cyclosporine ল্যাক্রিমাল গ্রন্থি ও চোখের পৃষ্ঠের টি-কোষ নিয়ন্ত্রিত প্রদাহ কমিয়ে অশ্রু উৎপাদন বাড়াতে সহায়তা করে বলে ধারণা করা হয়। মুখে সেবনের পর Cyclosporine এর শোষণ ফর্মুলেশনভেদে ভিন্ন ও অসম্পূর্ণ হতে পারে, এবং এটি মূলত লিভার ও অন্ত্রের CYP3A4 এনজাইম দ্বারা বিপাকিত হয়ে পিত্তের মাধ্যমে নির্গত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

Sporium এর মাত্রা রোগের ধরন, ফর্মুলেশন, কিডনি-লিভারের কার্যকারিতা এবং রক্তে ওষুধের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করে ব্যক্তিভেদে নির্ধারণ করতে হয়।

নির্দেশনাপ্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা
অঙ্গ প্রতিস্থাপনে প্রত্যাখ্যান প্রতিরোধ (কিডনি, লিভার, হৃৎপিণ্ড)প্রাথমিকভাবে সাধারণত ৯-১৫ মি.গ্রা./কেজি/দিন (বিভক্ত মাত্রায়), প্রতিস্থাপনের কিছু ঘণ্টা আগে শুরু করে কর্টিকোস্টেরয়েডের সাথে চালিয়ে যাওয়া হয়, পরে রক্তের মাত্রা, কিডনির কার্যকারিতা ও ক্লিনিক্যাল প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী ধীরে ধীরে কমিয়ে রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রায় (প্রায়ই ৩-১০ মি.গ্রা./কেজি/দিন) আনা হয়।
গুরুতর সক্রিয় রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসপ্রাথমিকভাবে ২.৫ মি.গ্রা./কেজি/দিন দুই ভাগে বিভক্ত করে, প্রয়োজনে প্রতি ৮ সপ্তাহে ধীরে ধীরে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ প্রায় ৪ মি.গ্রা./কেজি/দিন পর্যন্ত নেওয়া যেতে পারে; প্রায়ই মেথোট্রেক্সেটের সাথে একত্রে ব্যবহৃত হয়।
গুরুতর প্লাক সোরিয়াসিসপ্রাথমিকভাবে ২.৫ মি.গ্রা./কেজি/দিন দুই ভাগে বিভক্ত করে, ৪ সপ্তাহ পর প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ৪ মি.গ্রা./কেজি/দিন পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে; চিকিৎসার মেয়াদ যথাসম্ভব সংক্ষিপ্ত রাখা হয়।
ক্রনিক ড্রাই আই ডিজিজ (চক্ষু ইমালশন)প্রতিটি আক্রান্ত চোখে দিনে দুইবার (প্রায় ১২ ঘণ্টা ব্যবধানে) এক ফোঁটা করে।

চিকিৎসাকালে নিয়মিত রক্তচাপ, সিরাম ক্রিয়েটিনিন এবং রক্তে Sporium এর মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা আবশ্যক।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

Sporium CYP3A4 এনজাইমের মাধ্যমে বিপাকিত হয় বলে এর সাথে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ মিথষ্ক্রিয়া ঘটতে পারে:

  • CYP3A4 ইনহিবিটর (যেমন কিটোকোনাজল, ক্লারিথ্রোমাইসিন, ডিলটিয়াজেম, গ্রেপফ্রুট জুস) রক্তে Sporium এর মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • CYP3A4 ইনডিউসার (যেমন রিফাম্পিন, ফেনিটয়েন, কারবামাজেপিন) রক্তে Sporium এর মাত্রা কমিয়ে অঙ্গ প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • অন্যান্য কিডনি-ক্ষতিকর ওষুধ (NSAIDs, অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক) Sporium এর সাথে একত্রে কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।
  • পটাশিয়াম-সংরক্ষণকারী ডাইইউরেটিক বা পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট Sporium এর সাথে হাইপারক্যালেমিয়া (রক্তে পটাশিয়াম বেড়ে যাওয়া) ঘটাতে পারে।
  • স্ট্যাটিন জাতীয় ওষুধ Sporium এর সাথে ব্যবহারে মায়োপ্যাথি/র‍্যাবডোমায়োলাইসিসের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • লাইভ ভ্যাকসিন Sporium সেবনকালে এড়িয়ে চলা উচিত।

Sporium শুরু করার আগে আপনার সব ওষুধ সম্পর্কে চিকিৎসককে জানান।

প্রতিনির্দেশনা

Cyclosporine নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়:

  • যাদের Cyclosporine বা এর ফর্মুলেশনের কোনো উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা (হাইপারসেনসিটিভিটি) রয়েছে।
  • সোরিয়াসিস চিকিৎসায় Cyclosporine ব্যবহারের সময় অতিরিক্ত অতিবেগুনি রশ্মি (UV) বা PUVA ফটোথেরাপির সাথে একত্রে ব্যবহার, কারণ এতে ত্বক ক্যান্সারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
  • ট্যাক্রোলিমাসের সাথে একযোগে ব্যবহার।

চক্ষু ইমালশন আকারে Cyclosporine সক্রিয় বা সন্দেহভাজন চোখের সংক্রমণ থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সিস্টেমিক Sporium ব্যবহারে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে:

  • কিডনির কার্যকারিতা হ্রাস ও সিরাম ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি
  • উচ্চ রক্তচাপ
  • কম্পন (ট্রেমর) ও মাথাব্যথা
  • অতিরিক্ত লোম গজানো (হারসুটিজম)
  • মাড়ি ফুলে যাওয়া (জিঞ্জিভাল হাইপারপ্লাসিয়া)
  • রক্তে কোলেস্টেরল/ট্রাইগ্লিসারাইড বৃদ্ধি
  • বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া
  • সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি
  • ক্লান্তি ও পায়ে খিঁচুনি

কম দেখা গেলেও গুরুতর প্রভাবের মধ্যে রয়েছে লিভারের কার্যকারিতা ব্যাহত হওয়া, ইলেকট্রোলাইট গোলযোগ, এবং দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে লিম্ফোমা ও ত্বক ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)। চক্ষু ইমালশন ব্যবহারে সাধারণত চোখে জ্বালাপোড়া, লালচেভাব, পানি পড়া ও দৃষ্টি ঝাপসা হতে পারে, যা সাধারণত মৃদু হয়।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

Sporium প্লাসেন্টা অতিক্রম করে এবং অকাল প্রসব ও কম ওজনের শিশু জন্মের ঝুঁকির সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। গর্ভাবস্থায় Sporium শুধুমাত্র তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন এটি স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় (যেমন প্রতিস্থাপিত অঙ্গ রক্ষার জন্য) এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের ঝুঁকির চেয়ে বেশি বলে বিবেচিত হয়; এক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ বিশেষজ্ঞ পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। Sporium বুকের দুধে প্রবেশ করে, তাই চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া স্তন্যদানকালে এটি ব্যবহার না করাই ভালো। গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালে Sporium ব্যবহারের আগে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

Sporium ব্যবহারে নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা মেনে চলতে হবে:

  • Sporium শুধুমাত্র সিস্টেমিক ইমিউনোসাপ্রেসিভ থেরাপিতে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে এবং পর্যাপ্ত পরীক্ষাগার সুবিধা থাকা অবস্থায় নির্ধারণ করা উচিত।
  • সংক্রমণ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি: দীর্ঘমেয়াদী Sporium ব্যবহারে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি এবং লিম্ফোমা ও ত্বক ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়, বিশেষত সোরিয়াসিস চিকিৎসায় বা অতিরিক্ত রোদ/UV এক্সপোজারের ক্ষেত্রে।
  • কিডনির ক্ষতি ও উচ্চ রক্তচাপ: Sporium মাত্রা-নির্ভর, কখনো কখনো অপরিবর্তনীয় কিডনির ক্ষতি করতে পারে এবং প্রায়শই উচ্চ রক্তচাপ সৃষ্টি বা বাড়িয়ে দেয়; নিয়মিত কিডনি কার্যকারিতা, রক্তচাপ ও রক্তে Sporium এর মাত্রা পর্যবেক্ষণ আবশ্যক।
  • লিভারের ক্ষতি: চিকিৎসাকালে নিয়মিত লিভার ফাংশন পরীক্ষা করা উচিত।
  • লাইভ ভ্যাকসিন এড়িয়ে চলুন (মিথষ্ক্রিয়া অংশ দেখুন)।
  • পূর্ব থেকে কিডনি সমস্যা, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ বা সক্রিয় সংক্রমণ থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।

মাত্রাধিক্যতা

Sporium এর মাত্রাধিক্য গ্রহণে এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, বিশেষত কিডনির কার্যকারিতা হ্রাস, আরও তীব্র হতে পারে। Sporium এর মাত্রাধিক্য সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন। এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই; চিকিৎসা মূলত সহায়ক (সাপোর্টিভ কেয়ার) এবং হাসপাতালে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে করা হয়।

সংরক্ষণ

Sporium ক্যাপসুল ও ওরাল সলিউশন ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন; ওরাল সলিউশন রেফ্রিজারেটরে রাখবেন না এবং খোলার পর লেবেলে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে ব্যবহার করুন। চক্ষু ইমালশনের প্রতিটি ভায়াল একবার ব্যবহারের জন্য এবং ব্যবহারের পর ফেলে দিতে হবে। Sporium এর সব ধরনের ফর্মুলেশন শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার

শিশু: অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে Sporium ব্যবহৃত হয়, ওজন অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারণ ও রক্তের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করে। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, সোরিয়াসিস বা ড্রাই আই ডিজিজে শিশুদের ক্ষেত্রে Sporium এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তাই বিশেষজ্ঞের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ছাড়া এসব ক্ষেত্রে ব্যবহার এড়ানো উচিত।

বয়স্ক: বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে Sporium ব্যবহার করতে হবে, কারণ তারা সংক্রমণ, ক্যান্সার ও রক্তচাপজনিত প্রভাবের প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারেন; কিডনির কার্যকারিতা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

কিডনি/লিভার সমস্যাযুক্ত রোগী: এসব রোগীর ক্ষেত্রে Sporium এর মাত্রা সমন্বয় ও ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q: Sporium 0.05% Ophthalmic Emulsion কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

A: Sporium 0.05% Ophthalmic Emulsion মূলত কিডনি, লিভার বা হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপনের পর অঙ্গ প্রত্যাখ্যান প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়, সাধারণত অন্যান্য ইমিউনোসাপ্রেসেন্টের সাথে। এছাড়া গুরুতর রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, গুরুতর সোরিয়াসিস এবং চোখের ড্রপ হিসেবে দীর্ঘমেয়াদী শুষ্ক চোখের রোগেও এটি ব্যবহৃত হয়।

Q: Sporium 0.05% Ophthalmic Emulsion কীভাবে সেবন করতে হবে?

A: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী প্রতিদিন একই সময়ে, খাবারের সাথে বা ছাড়া—তবে সবসময় একইভাবে—Sporium 0.05% Ophthalmic Emulsion সেবন করুন। চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া বিভিন্ন ব্র্যান্ড বা ফর্মুলেশনের মধ্যে পরিবর্তন করবেন না, এবং গ্রেপফ্রুট বা গ্রেপফ্রুট জুস এড়িয়ে চলুন কারণ এটি রক্তে Sporium 0.05% Ophthalmic Emulsion এর মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

Q: Sporium 0.05% Ophthalmic Emulsion এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি কী?

A: Sporium 0.05% Ophthalmic Emulsion কিডনির ক্ষতি, উচ্চ রক্তচাপ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেওয়ার কারণে সংক্রমণ ও নির্দিষ্ট কিছু ক্যান্সার (যেমন লিম্ফোমা, ত্বক ক্যান্সার) এর ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই এটি শুধুমাত্র অভিজ্ঞ চিকিৎসকের নিয়মিত পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করা উচিত।

Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Sporium 0.05% Ophthalmic Emulsion নেওয়া যাবে?

A: গর্ভাবস্থায় Sporium 0.05% Ophthalmic Emulsion শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজনে (যেমন প্রতিস্থাপিত অঙ্গ রক্ষায়) এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত, কারণ এটি অকাল প্রসব বা কম ওজনের শিশু জন্মের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এটি বুকের দুধেও প্রবেশ করে, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া স্তন্যদানের সময় এড়িয়ে চলা উচিত।

Q: Sporium 0.05% Ophthalmic Emulsion এর কোনো মাত্রা মিস হয়ে গেলে বা অতিরিক্ত সেবন হলে কী করব?

A: কোনো মাত্রা মিস হলে মনে পড়ামাত্র তা সেবন করুন, তবে পরবর্তী মাত্রার সময় কাছাকাছি হলে মিসড ডোজ বাদ দিন—দ্বিগুণ মাত্রা নেবেন না। অতিরিক্ত Sporium 0.05% Ophthalmic Emulsion সেবন হলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

Q: শিশুদের ক্ষেত্রে কি Sporium 0.05% Ophthalmic Emulsion ব্যবহার করা যায়?

A: অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে Sporium 0.05% Ophthalmic Emulsion ব্যবহৃত হয়। তবে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, সোরিয়াসিস বা ড্রাই আই ডিজিজে শিশুদের জন্য এর নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় সাধারণত তা এড়ানো হয়।

ডিসক্লেইমার

এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।

Doctor