
Hypen SR1.5 mg
Opsonin Pharma Ltd.

Xelix SR নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
একক ওষুধে রক্তচাপ পর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রণ না হলে চিকিৎসকের পরামর্শে ACE ইনহিবিটর, অ্যাঞ্জিওটেনসিন রিসেপ্টর ব্লকার বা ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকারের মতো অন্যান্য অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ ওষুধের সাথে সংমিশ্রণে Xelix SR ব্যবহার করা যেতে পারে।
Xelix SR থায়াজাইড-জাতীয় (thiazide-like) মূত্রবর্ধক এবং অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ থেরাপিউটিক শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত একটি ওষুধ, যা সালফোনামাইড গোত্রের সাথে রাসায়নিকভাবে সম্পর্কিত।
Indapamide বৃক্কের দূরবর্তী নালিকার কর্টিক্যাল অংশে সোডিয়াম-ক্লোরাইড সিমপোর্টার প্রতিরোধ করে সোডিয়াম, ক্লোরাইড ও পানির প্রস্রাবের মাধ্যমে নিঃসরণ বৃদ্ধি করে, পাশাপাশি সামান্য পরিমাণে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম নিঃসরণও বাড়ায়। এছাড়া Indapamide রক্তনালীর মসৃণ পেশীর উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে ভাসোডাইলেশন ঘটায়, যা কম মাত্রাতেও রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। মুখে সেবনের পর Indapamide ভালোভাবে শোষিত হয়, যকৃতে বিপাকিত হয় এবং এর অর্ধায়ু প্রায় ১৪-১৮ ঘণ্টা, যা দিনে একবার সেবনযোগ্য করে তোলে।
সাধারণত সকালে দৈনিক ১.২৫ মি.গ্রা. Xelix SR দিয়ে চিকিৎসা শুরু করা হয়। কমপক্ষে ৪ সপ্তাহ পর প্রয়োজন হলে মাত্রা বাড়িয়ে ২.৫ মি.গ্রা. করা যেতে পারে, এবং পরবর্তী ৪ সপ্তাহ পর প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ৫ মি.গ্রা. পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। ৫ মি.গ্রা.-এর বেশি মাত্রা বাড়ানোর পরিবর্তে সাধারণত দ্বিতীয় একটি অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ ওষুধ যোগ করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
সাধারণত দৈনিক ২.৫ মি.গ্রা. Xelix SR দিয়ে শুরু করা হয়; প্রায় এক সপ্তাহ পর প্রয়োজন হলে ৫ মি.গ্রা. পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।
Xelix SR ট্যাবলেট সাধারণত সকালে, খাবারের সাথে বা ছাড়া, পুরোটা গিলে পানির সাথে সেবন করতে হয়। সাসটেইনড-রিলিজ ফর্মুলেশন চূর্ণ, চিবানো বা ভাঙা উচিত নয়। চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী নিয়মিতভাবে সেবন করতে হবে; কোনো ডোজ বাদ পড়লে একসাথে দুই ডোজ সেবন করা যাবে না।
উপরোক্ত যেকোনো অবস্থায় Indapamide ব্যবহার করা উচিত নয়।
Xelix SR সেবনে বেশিরভাগ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মৃদু ও সাময়িক হয়ে থাকে। সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, ক্লান্তি বা দুর্বলতা, মাংসপেশিতে খিঁচুনি এবং বমি বমি ভাব।
Xelix SR সেবনে বিশেষত উচ্চ মাত্রায় হাইপোক্যালেমিয়া, হাইপোন্যাট্রেমিয়া ও হাইপোম্যাগনেসেমিয়া হতে পারে।
Xelix SR রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়াতে পারে (গাউটের ঝুঁকি) এবং ক্লাসিক থায়াজাইডের তুলনায় কম মাত্রায় হলেও রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়াতে পারে।
Xelix SR রক্তচাপ অতিরিক্ত কমিয়ে দিতে পারে এবং আলোক-সংবেদনশীলতা (photosensitivity) বাড়াতে পারে।
বিরল ক্ষেত্রে Xelix SR স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম, তীব্র কোণ-বন্ধ গ্লুকোমা, প্যানক্রিয়াটাইটিস, হেপাটাইটিস এবং রক্তকণিকা সংক্রান্ত সমস্যার সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় Xelix SR শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ব্যবহার করা উচিত। সাধারণত সুস্থ গর্ভবতী নারীর ক্ষেত্রে রুটিন মূত্রবর্ধক হিসেবে Xelix SR ব্যবহার উপযুক্ত নয়, তবে কোনো রোগগত কারণে শোথ হলে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার বিবেচনা করা যেতে পারে।
স্তন্যদান: Xelix SR স্তন্যদুগ্ধে নিঃসৃত হয় কিনা তা সুনিশ্চিত নয়, তবে এটি স্তন্যদুগ্ধ উৎপাদন কমিয়ে দিতে পারে। স্তন্যদানকালে Xelix SR ব্যবহার একান্ত প্রয়োজন মনে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন; প্রয়োজনে স্তন্যদান সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে।
Xelix SR সেবনকালে নিয়মিতভাবে রক্তের ইলেক্ট্রোলাইট (বিশেষত সোডিয়াম ও পটাশিয়াম) এবং বৃক্কের কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত, বিশেষত বয়স্ক রোগী, হৃদস্পন্দনজনিত সমস্যার রোগী এবং ডিগক্সিনের মতো কার্ডিয়াক গ্লাইকোসাইড সেবনকারীদের ক্ষেত্রে।
Xelix SR-এর মাত্রাধিক্য সেবনে বমি বমি ভাব, বমি, দুর্বলতা, পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা, ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা, রক্তচাপ মারাত্মকভাবে কমে যাওয়া এবং শ্বাসক্রিয়া দুর্বল হয়ে পড়া হতে পারে। Xelix SR-এর মাত্রাধিক্যের জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (antidote) নেই। মাত্রাধিক্যের সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করুন অথবা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
Xelix SR ঘরের তাপমাত্রায় (৩০°সে-এর নিচে), আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, বায়ুরোধী পাত্রে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
শিশুদের ক্ষেত্রে Xelix SR-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তাই সাধারণত শিশুদের ক্ষেত্রে এর ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না।
বয়স্ক, বিশেষত বয়স্ক নারী রোগীদের ক্ষেত্রে Xelix SR সেবনে হাইপোক্যালেমিয়াসহ তীব্র হাইপোন্যাট্রেমিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকতে পারে; তাই কম মাত্রায় শুরু করে সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
তীব্র বৃক্ক বা যকৃতের অকার্যকারিতায় Xelix SR ব্যবহার নিষিদ্ধ (প্রতিনির্দেশনা দেখুন); মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার সমস্যায় সতর্কতার সাথে এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ব্যবহার করা যেতে পারে।
Q: Xelix SR 1.5 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Xelix SR 1.5 mg Tablet উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে (একা অথবা অন্যান্য ওষুধের সাথে) এবং কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলিউরজনিত তরল ধারণ (শোথ) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
Q: Xelix SR 1.5 mg Tablet কীভাবে সেবন করতে হয়?
A: Xelix SR 1.5 mg Tablet সাধারণত দিনে একবার সকালে, খাবারের সাথে বা ছাড়া, চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী পুরোটা গিলে সেবন করতে হয়। সাসটেইনড-রিলিজ ট্যাবলেট চূর্ণ বা চিবানো উচিত নয়।
Q: কাদের Xelix SR 1.5 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়?
A: Xelix SR 1.5 mg Tablet অথবা সালফোনামাইড-জাতীয় ওষুধে অতি সংবেদনশীল ব্যক্তি, অ্যানুরিয়া বা তীব্র বৃক্কীয় অকার্যকারিতার রোগী, তীব্র যকৃতের অকার্যকারিতা বা হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথির রোগী, এবং অসংশোধিত হাইপোক্যালেমিয়ার রোগীদের Xelix SR 1.5 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়।
Q: Xelix SR 1.5 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: Xelix SR 1.5 mg Tablet-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, ক্লান্তি ও মাংসপেশিতে খিঁচুনি। এছাড়া Xelix SR 1.5 mg Tablet রক্তে পটাশিয়াম, সোডিয়াম কমিয়ে দিতে পারে এবং ইউরিক অ্যাসিড বা সুগারের মাত্রা বাড়াতে পারে।
Q: গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালে কি Xelix SR 1.5 mg Tablet ব্যবহার করা যাবে?
A: গর্ভাবস্থায় Xelix SR 1.5 mg Tablet শুধুমাত্র স্পষ্ট প্রয়োজন ও চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত, কারণ সম্ভাব্য উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি হতে হবে। Xelix SR 1.5 mg Tablet স্তন্যদুগ্ধ উৎপাদন কমিয়ে দিতে পারে, তাই স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: Xelix SR 1.5 mg Tablet-এর মাত্রাধিক্য সেবন করলে কী করা উচিত?
A: Xelix SR 1.5 mg Tablet-এর মাত্রাধিক্য সেবনে বমি বমি ভাব, বমি, দুর্বলতা, ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা ও রক্তচাপ মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে। সন্দেহ হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা সেবা নিন বা বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।