
Tenocard50 mg
Aristopharma Ltd.
উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) Atenolol উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়, এককভাবে অথবা অন্যান্য রক্তচাপ-নিয়ন্ত্রক ওষুধের সাথে মিলিয়ে।
Atenolol উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়, এককভাবে অথবা অন্যান্য রক্তচাপ-নিয়ন্ত্রক ওষুধের সাথে মিলিয়ে। তবে বর্তমান আন্তর্জাতিক নির্দেশিকা (২০১৭ সালের ACC/AHA হাইপারটেনশন গাইডলাইন) অনুযায়ী Atenolol-এর মতো বিটা-ব্লকারকে জটিলতাবিহীন উচ্চ রক্তচাপের প্রথম সারির চিকিৎসা হিসেবে অগ্রাধিকার দেওয়া হয় না — ACE ইনহিবিটর, ARB, ক্যালসিয়াম-চ্যানেল ব্লকার বা থায়াজাইড মূত্রবর্ধক ওষুধ সাধারণত আগে বিবেচনা করা হয়। যেসব রোগীর অন্য কারণে বিটা-ব্লকার প্রয়োজন (যেমন পূর্বে হৃদরোগ, নির্দিষ্ট ছন্দজনিত সমস্যা), অথবা প্রথম সারির ওষুধে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ না হলে, সেক্ষেত্রে Atenolol সংযোজন/সমন্বয় চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
দীর্ঘমেয়াদী এনজাইনা (হৃদপিণ্ডে রক্তপ্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে বুকে ব্যথা) নিয়ন্ত্রণে Atenolol একটি স্বীকৃত চিকিৎসা, যা হৃদস্পন্দন ও হৃদপিণ্ডের অক্সিজেন চাহিদা কমিয়ে এনজাইনার প্রকোপ কমায়।
হেমোডায়নামিক্যালি স্থিতিশীল রোগীদের ক্ষেত্রে, নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন তীব্র হার্ট অ্যাটাকের পর হৃদরোগজনিত মৃত্যুহার কমাতে Atenolol ব্যবহৃত হয়; এই ব্যবহার হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে শুরু ও পরিচালিত হয়।
কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা নির্দিষ্ট হৃদছন্দজনিত সমস্যায় (যেমন অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশন) হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণের জন্য Atenolol অফ-লেবেল ব্যবহার করেন; এটি অনুমোদিত নির্দেশনা নয় এবং বিশেষজ্ঞের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল।
Atenolol-এর মাত্রা ও সেবনকাল একজন যোগ্য চিকিৎসক রোগের ধরন, রোগীর প্রতিক্রিয়া, কিডনির কার্যক্ষমতা এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করেন; সব রোগ বা সব রোগীর জন্য Atenolol-এর একই মাত্রা প্রযোজ্য নয়। নিচের টেবিলে সাধারণ তথ্যের জন্য নির্দেশনাভিত্তিক মাত্রা দেওয়া হলো, এটি চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়।
| নির্দেশনা | প্রচলিত প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রা (Atenolol) |
|---|---|
| উচ্চ রক্তচাপ | শুরুতে দিনে একবার ৫০ মি.গ্রা.; ১-২ সপ্তাহে রক্তচাপ পর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রণ না হলে দিনে একবার ১০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। দৈনিক ১০০ মি.গ্রা.-এর বেশি মাত্রায় বাড়তি উপকারিতার সম্ভাবনা কম। সাধারণত অন্য ওষুধের সাথে মিলিয়ে দেওয়া হয়; নিয়মিত প্রথম সারির চিকিৎসা নয় (নির্দেশনা অংশ দেখুন)। |
| এনজাইনা পেক্টোরিস | শুরুতে দিনে একবার ৫০ মি.গ্রা.; প্রয়োজনে দিনে একবার ১০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে; কিছু রোগীর ক্ষেত্রে দিনে ২০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত প্রয়োজন হতে পারে। |
| তীব্র হার্ট অ্যাটাক (হাসপাতালে শুরু করা হয়) | শিরাপথে ৫ মি.গ্রা. ৫ মিনিট ধরে, ১০ মিনিট পর প্রয়োজনে আরও ৫ মি.গ্রা.; এরপর শেষ শিরাপথ মাত্রার ১০ মিনিট পর মুখে ৫০ মি.গ্রা., ১২ ঘণ্টা পর আরেকবার ৫০ মি.গ্রা.; এরপর নিয়মিত মাত্রা দিনে একবার ১০০ মি.গ্রা. অথবা দিনে দুইবার ৫০ মি.গ্রা.। শুধুমাত্র হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ তত্ত্বাবধানে দেওয়া হয়। |
| কিডনি সমস্যা (যেকোনো নির্দেশনায়) | ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ১৫-৩৫ মি.লি./মিনিট হলে: সর্বোচ্চ দিনে একবার ৫০ মি.গ্রা.। ১৫ মি.লি./মিনিটের কম হলে: সর্বোচ্চ দিনে একবার ২৫ মি.গ্রা.। চিকিৎসকের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন (বিশেষ জনগোষ্ঠীর ব্যবহার অংশ দেখুন)। |
| অফ-লেবেল হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ (যেমন নির্দিষ্ট ছন্দজনিত সমস্যা) | মাঝে মাঝে বিশেষজ্ঞরা Atenolol ব্যবহার করেন; মাত্রা ব্যক্তিভেদে নির্ধারিত হয় এবং কোনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড নেই; এটি অনুমোদিত নির্দেশনা নয়। |
সেবনবিধি:
Atenolol সেবনে ব্র্যাডিকার্ডিয়া (ধীর হৃদস্পন্দন), হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, রক্তচাপ কমে যাওয়া এবং বমি বমি ভাব বা ডায়রিয়ার মতো পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিছু রোগী Atenolol সেবনকালে মন খারাপ বা অস্বাভাবিক স্বপ্ন দেখার কথা জানান।
Atenolol সেবনকালে নিম্নলিখিত যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন: অত্যন্ত ধীর বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, মূর্ছা যাওয়া, তীব্র মাথা ঘোরা, হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ (শ্বাসকষ্ট বাড়া, পা/গোড়ালি ফুলে যাওয়া, হঠাৎ ওজন বৃদ্ধি), শ্বাসকষ্ট বা শ্বাসনালীতে শোঁ শোঁ শব্দ (বিশেষত হাঁপানি বা COPD থাকলে), অথবা অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ (র্যাশ, মুখ/গলা ফুলে যাওয়া, তীব্র চুলকানি)। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য নিজে থেকে হঠাৎ Atenolol বন্ধ করবেন না — আগে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন (সতর্কতা অংশ দেখুন)।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Atenolol ব্যবহার করা যাবে না:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।