
Attentin10 mg
Unimed Unihealth MFG. Ltd.
Atomoxetine Hydrochloride একটি নন-স্টিমুল্যান্ট (non-stimulant) ওষুধ, যা Attention-Deficit/Hyperactivity Disorder (ADHD) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
Atomoxetine Hydrochloride একটি নন-স্টিমুল্যান্ট (non-stimulant) ওষুধ, যা Attention-Deficit/Hyperactivity Disorder (ADHD) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
Atomoxetine Hydrochloride একটি নিয়ন্ত্রিত (controlled) পদার্থ নয় এবং স্টিমুল্যান্ট জাতীয় ADHD ওষুধের মতো অপব্যবহারের ঝুঁকি বহন করে না।
Atomoxetine Hydrochloride-এর মাত্রা শরীরের ওজন (শিশুদের ক্ষেত্রে) এবং চিকিৎসাগত সাড়ার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।
| ধাপ | মাত্রা |
|---|---|
| শুরুর মাত্রা | দিনে একবার ৪০ মিগ্রা |
| লক্ষ্য মাত্রা | কমপক্ষে ৩ দিন পর প্রায় ৮০ মিগ্রা/দিন পর্যন্ত বাড়ানো, একবারে সকালে অথবা সকাল ও বিকেলে ভাগ করে |
| সর্বোচ্চ মাত্রা | প্রয়োজনে আরও ২-৪ সপ্তাহ পর সর্বোচ্চ ১০০ মিগ্রা/দিন পর্যন্ত |
| ধাপ | মাত্রা |
|---|---|
| শুরুর মাত্রা | প্রায় ০.৫ মিগ্রা/কেজি/দিন |
| লক্ষ্য মাত্রা | কমপক্ষে ৩ দিন পর প্রায় ১.২ মিগ্রা/কেজি/দিন পর্যন্ত বাড়ানো |
| সর্বোচ্চ মাত্রা | ১.৪ মিগ্রা/কেজি/দিন অথবা ১০০ মিগ্রা/দিন, যেটি কম, তার বেশি নয় |
Atomoxetine Hydrochloride খাবারের সাথে বা ছাড়া সেবন করা যায়, এবং ধীরে ধীরে কমানোর প্রয়োজন ছাড়াই বন্ধ করা যায়।
Atomoxetine Hydrochloride-এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া শিশু/কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে কিছুটা ভিন্ন।
| জনগোষ্ঠী | সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (≥৫%) |
|---|---|
| শিশু ও কিশোর | পেটব্যথা, ক্ষুধামান্দ্য, বমি বমি ভাব, বমি, মাথাব্যথা, ঝিমুনি, মাথা ঘোরা, ক্লান্তি, খিটখিটে ভাব |
| প্রাপ্তবয়স্ক | মুখ শুকিয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, ক্ষুধামান্দ্য, মাথা ঘোরা, ঝিমুনি, ঘুমের সমস্যা, ঘাম বেশি হওয়া, প্রস্রাবে সমস্যা, উত্থান সমস্যা |
এছাড়া হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ বৃদ্ধি, শিশুদের বৃদ্ধিতে সাময়িক প্রভাব এবং বিরল কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়া (যকৃতের ক্ষতি, প্রায়াপিজম, অ্যালার্জি) হতে পারে — বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Atomoxetine Hydrochloride ব্যবহার করা যাবে না:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।