
Arpolax20 mg
Incepta Pharmaceuticals Ltd.
প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার মেজর ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার (বড় ধরনের বিষণ্নতা) : প্রাপ্তবয়স্কদের মেজর ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডারের চিকিৎসায় Citalopram Hydrobromide ব্যবহৃত হয়।
নিচের অবস্থাগুলোতে Citalopram Hydrobromide সরাসরি অনুমোদিত নয়, তবে চিকিৎসকের বিবেচনায় প্রায়ই ব্যবহৃত হয়:
এই অফ-লেবেল ব্যবহারগুলো একজন যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারিত হওয়া উচিত।
| রোগীর ধরন | প্রস্তাবিত মাত্রা |
|---|---|
| সাধারণ প্রাপ্তবয়স্ক | শুরুতে দিনে একবার ২০ মি.গ্রা.; কমপক্ষে এক সপ্তাহ পর প্রয়োজনে সর্বোচ্চ দিনে একবার ৪০ মি.গ্রা. পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে |
| ৬০ বছরের বেশি বয়সী (বয়স্ক) | সর্বোচ্চ দিনে একবার ২০ মি.গ্রা. |
| যকৃতের কার্যক্ষমতা হ্রাস (হেপাটিক ইমপেয়ারমেন্ট) | সর্বোচ্চ দিনে একবার ২০ মি.গ্রা. |
| CYP2C19 পুওর মেটাবোলাইজার | সর্বোচ্চ দিনে একবার ২০ মি.গ্রা. |
| CYP2C19 ইনহিবিটরের সাথে একযোগে ব্যবহার (যেমন ওমিপ্রাজল, সিমেটিডিন) | সর্বোচ্চ দিনে একবার ২০ মি.গ্রা. |
কোনো রোগীর ক্ষেত্রেই দিনে ৪০ মি.গ্রা.-এর বেশি মাত্রা সুপারিশ করা হয় না, কারণ এতে হৃদস্পন্দনের QT ইন্টারভাল দীর্ঘায়িত হওয়া এবং টরসাদ দ্য পয়েন্টের ঝুঁকি বাড়ে। বিস্তারিত জানতে সতর্কতা অংশ দেখুন।
প্যানিক ডিসঅর্ডারে অফ-লেবেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাধারণত প্রথম সপ্তাহে কম মাত্রায় (যেমন দিনে ১০ মি.গ্রা.) Citalopram Hydrobromide শুরু করা হয়, তারপর সহনযোগ্যতা অনুযায়ী ধীরে ধীরে বাড়ানো হয়, তবে সংশ্লিষ্ট রোগীগোষ্ঠীর সর্বোচ্চ মাত্রা অতিক্রম করা যাবে না।
মৃদু থেকে মাঝারি বৃক্ক সমস্যায় সাধারণত মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না; তীব্র বৃক্ক সমস্যায় সতর্কতা প্রয়োজন।
শিশুদের ক্ষেত্রে Citalopram Hydrobromide-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়; বিশেষজ্ঞ তত্ত্বাবধান ছাড়া এই বয়সে ব্যবহার সুপারিশ করা হয় না।
নিয়মিত সেবনের পর হঠাৎ Citalopram Hydrobromide বন্ধ করা উচিত নয়; চিকিৎসকের পরামর্শে ধীরে ধীরে মাত্রা কমিয়ে বন্ধ করতে হবে।
Citalopram Hydrobromide সেবনে নিচের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো দেখা দিতে পারে।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।