
Prodep20 mg
Sun Pharmaceutical Ltd.
Fluoxetine Hydrochloride একটি সিলেক্টিভ সেরোটোনিন রিআপটেক ইনহিবিটর (SSRI) শ্রেণির ওষুধ, যা নিচের রোগসমূহের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় ইত্যাদি।
Fluoxetine Hydrochloride একটি সিলেক্টিভ সেরোটোনিন রিআপটেক ইনহিবিটর (SSRI) শ্রেণির ওষুধ, যা নিচের রোগসমূহের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, প্রমাণের শক্তি অনুযায়ী শ্রেণিবদ্ধ:
Fluoxetine Hydrochloride শুধুমাত্র একজন দক্ষ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে এই নির্দেশনাগুলোর জন্য ব্যবহার করা উচিত।
Fluoxetine Hydrochloride-এর মাত্রা রোগ নির্ণয়, রোগীর প্রতিক্রিয়া ও সহনশীলতার উপর ভিত্তি করে চিকিৎসক কর্তৃক নির্ধারিত হওয়া উচিত।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ শুরুর মাত্রা | সাধারণ মাত্রার পরিসীমা |
|---|---|---|
| মেজর ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার | দিনে একবার ২০ মিগ্রা (সকালে) | ২০-৮০ মিগ্রা/দিন |
| OCD | দিনে একবার ২০ মিগ্রা | ২০-৮০ মিগ্রা/দিন |
| বুলিমিয়া নার্ভোসা | দিনে একবার ৬০ মিগ্রা (প্রয়োজনে ধীরে ধীরে বাড়ানো) | সাধারণত ৬০ মিগ্রা/দিন |
| প্যানিক ডিসঅর্ডার | দিনে একবার ১০ মিগ্রা | ১০-৬০ মিগ্রা/দিন |
| PMDD | দিনে একবার ২০ মিগ্রা | ২০ মিগ্রা/দিন |
MDD (৮ বছর বা তদূর্ধ্ব) এবং OCD (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব)-এর ক্ষেত্রে সাধারণত কম মাত্রা (যেমন ১০ মিগ্রা/দিন) দিয়ে শুরু করে চিকিৎসক ওজন, প্রতিক্রিয়া ও সহনশীলতা অনুযায়ী ধীরে ধীরে মাত্রা বাড়ান।
যকৃতের কার্যক্ষমতা হ্রাসপ্রাপ্ত রোগীদের ক্ষেত্রে Fluoxetine Hydrochloride-এর কম মাত্রা বা কম ঘন ঘন সেবনের সময়সূচি ব্যবহার করা উচিত।
Fluoxetine Hydrochloride খাবারের সাথে বা ছাড়াই সেবন করা যায়। ২০ মিগ্রা/দিনের বেশি মাত্রা বমিভাব ও ঘুমের সমস্যা কমাতে দুই ভাগে (সকাল ও দুপুরে) ভাগ করে দেওয়া যেতে পারে।
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ওষুধ বন্ধ, বৃদ্ধি, হ্রাস বা অন্য কারো সাথে ভাগ করবেন না। দীর্ঘমেয়াদী সেবনের পর হঠাৎ বন্ধ করা এড়ানো উচিত; প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে মাত্রা কমাতে হবে।
Fluoxetine Hydrochloride-এর সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াসমূহ:
Fluoxetine Hydrochloride নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।