
Gardasil0.5 ml
Healthcare Pharmaceuticals Ltd.
Human Papillomavirus Quadrivalent একটি নন-ইনফেকশাস (সংক্রামক নয়) রিকম্বিন্যান্ট ভ্যাকসিন, যা HPV (হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস) টাইপ ৬, ১১, ১৬ এবং ১৮ দ্বারা সৃষ্ট রোগ প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।
Human Papillomavirus Quadrivalent একটি নন-ইনফেকশাস (সংক্রামক নয়) রিকম্বিন্যান্ট ভ্যাকসিন, যা HPV (হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস) টাইপ ৬, ১১, ১৬ এবং ১৮ দ্বারা সৃষ্ট রোগ প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। নির্ধারিত বয়সসীমায় (সাধারণত ৯ থেকে ৪৫ বছর, স্থানীয় ও WHO/CDC নির্দেশিকা অনুযায়ী) Human Papillomavirus Quadrivalent প্রয়োগ করা হয়।
জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি ও WHO নির্দেশিকা অনুযায়ী কিশোর-কিশোরীদের (সাধারণত ৯-১৪ বছর) মধ্যে রুটিন টিকাদানের জন্য Human Papillomavirus Quadrivalent সুপারিশ করা হয়। Human Papillomavirus Quadrivalent বিদ্যমান HPV সংক্রমণ বা জরায়ুমুখের কোষের অস্বাভাবিকতার চিকিৎসা করে না, এবং Human Papillomavirus Quadrivalent নেওয়ার পরেও নিয়মিত জরায়ুমুখ ক্যান্সার স্ক্রিনিং চালিয়ে যেতে হবে।
Human Papillomavirus Quadrivalent একটি মাংসপেশিতে (intramuscular) প্রদানকৃত টিকার সিরিজ হিসেবে দেওয়া হয়; মোট ডোজ সংখ্যা প্রথম ডোজ নেওয়ার সময়কার বয়সের উপর নির্ভর করে।
| প্রথম ডোজের সময় বয়স | সময়সূচী | মোট ডোজ |
|---|---|---|
| ৯ থেকে ১৪ বছর | ০ ও ৬-১২ মাস (২-ডোজ সময়সূচী, WHO/CDC নির্দেশিকা অনুযায়ী) | ২ ডোজ |
| ১৫ থেকে ৪৫ বছর, অথবা যেকোনো বয়সের ইমিউনো-কম্প্রোমাইজড ব্যক্তি | ০, ২ ও ৬ মাস (৩-ডোজ সময়সূচী) | ৩ ডোজ |
Human Papillomavirus Quadrivalent এর প্রতিটি ডোজ ০.৫ মিলি, যা সাধারণত বাহুর ডেল্টয়েড পেশিতে বা ঊরুর সম্মুখ-পার্শ্বীয় অংশে ইনজেকশন আকারে দেওয়া হয়। কোনো কারণে Human Papillomavirus Quadrivalent এর কোনো ডোজ দেরিতে দেওয়া হলে সম্পূর্ণ সিরিজ নতুন করে শুরু করার প্রয়োজন নেই; পরবর্তী ডোজ যত দ্রুত সম্ভব দিতে হবে।
Human Papillomavirus Quadrivalent এর ফলে সাধারণত মৃদু ও স্বল্পস্থায়ী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Human Papillomavirus Quadrivalent প্রতিনির্দেশিত (contraindicated):
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।