
Inducin10 IU/ml
Incepta Pharmaceuticals Ltd.
Oxytocin একটি সিন্থেটিক হরমোন, যা মূলত হাসপাতালে চিকিৎসকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়: প্রতিষ্ঠিত ব্যবহার যথাযথ চিকিৎসাগত কারণে (যেমন—ঝিল্লি অকালে ফেটে যাওয়া ইত্যাদি।
Oxytocin একটি সিন্থেটিক হরমোন, যা মূলত হাসপাতালে চিকিৎসকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
কোনো চিকিৎসাগত কারণ ছাড়া ঐচ্ছিকভাবে প্রসব শুরু করাতে Oxytocin ব্যবহার করা হয় না, এবং এটি কখনও নিজে থেকে বা ওষুধের দোকান থেকে কিনে ব্যবহারযোগ্য নয়।
Oxytocin শুধুমাত্র প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী দ্বারা এমন পরিবেশে দেওয়া হয় যেখানে ভ্রূণের হৃদস্পন্দন ও জরায়ু সংকোচন নিরন্তর পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনে জরুরি সিজারিয়ান ডেলিভারির ব্যবস্থা রয়েছে। প্রসব শুরু বা বৃদ্ধির জন্য এটি সবসময় পাতলা করে ইনফিউশন পাম্পের মাধ্যমে শিরাপথে দিতে হয়, কখনোই দ্রুত আনডাইলুটেড ইনজেকশন হিসেবে নয়।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা |
|---|---|
| প্রসব শুরু/বৃদ্ধি | শিরাপথে ইনফিউশন: শুরুতে ০.৫–২ মিলিইউনিট/মিনিট, প্রতি ৩০–৬০ মিনিট অন্তর ১–২ মিলিইউনিট/মিনিট করে বাড়ানো যায় যতক্ষণ না উপযুক্ত সংকোচন প্যাটার্ন তৈরি হয় (সাধারণত ৫–৬ মিলিইউনিট/মিনিট), সাধারণত সর্বোচ্চ ২০ মিলিইউনিট/মিনিট পর্যন্ত। |
| প্রসব-পরবর্তী রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ | ১০০০ মিলি ননহাইড্রেটিং ডাইলুয়েন্টে ১০–৪০ ইউনিট শিরাপথে ইনফিউশন, অথবা প্লাসেন্টা প্রসবের পরপরই ১০ ইউনিট মাংসপেশিতে একক ইনজেকশন। |
| অসম্পূর্ণ/অনিবার্য গর্ভপাত (সহায়ক) | ৫০০ মিলি ডাইলুয়েন্টে ১০ ইউনিট শিরাপথে ইনফিউশন। |
কিডনি/লিভার সমস্যা: সুনির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের নিয়ম প্রতিষ্ঠিত নেই; পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হলে water intoxication-এর ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হয়।
প্রতিটি ক্ষেত্রে মাত্রা ভ্রূণ ও জরায়ুর প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী চিকিৎসক ব্যক্তিগতভাবে নির্ধারণ করেন।
Oxytocin ব্যবহারে নিম্নলিখিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো দেখা দিতে পারে:
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Oxytocin ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।