
Modesto XR3 mg
Incepta Pharmaceuticals Ltd.
Paliperidone একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের (অ্যাটিপিক্যাল) অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ, যা রিসপেরিডোনের প্রধান সক্রিয় বিপাক (মেটাবোলাইট)।
Paliperidone একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের (অ্যাটিপিক্যাল) অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ, যা রিসপেরিডোনের প্রধান সক্রিয় বিপাক (মেটাবোলাইট)। এর প্রধান ব্যবহারসমূহ হলো:
Paliperidone বয়স্ক ডিমেনশিয়া-জনিত সাইকোসিস রোগীদের চিকিৎসার জন্য অনুমোদিত নয় (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন)।
সকালে দিনে একবার ৬ মি.গ্রা. দিয়ে শুরু করে, ৩ মি.গ্রা. করে বাড়িয়ে দিনে ৩–১২ মি.গ্রা. পর্যন্ত (মাত্রা বৃদ্ধির মাঝে অন্তত ৪ দিনের ব্যবধান)।
১৮ বছরের কম বয়সীদের স্কিজোঅ্যাফেক্টিভ ডিসঅর্ডারে Paliperidone-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
ট্যাবলেট অবশ্যই পানি বা তরলের সাহায্যে পুরো গিলে খেতে হবে এবং কখনোই চিবানো, ভাঙা বা গুঁড়ো করা যাবে না। খাবারের সাথে বা ছাড়া, প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে সেবন করা উচিত। রোগীকে জানিয়ে রাখা উচিত যে ট্যাবলেটের খোসা অবিকৃত অবস্থায় মলে দেখা যেতে পারে — এটি OROS প্রযুক্তির স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য এবং এর অর্থ এই নয় যে ওষুধ শোষিত হয়নি।
Paliperidone সেবনে নিম্নলিখিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে:
| শ্রেণী | প্রতিক্রিয়া |
|---|---|
| সাধারণ | অস্থিরতা (akathisia), ঘুম ঘুম ভাব, কাঁপুনি, ডিসটোনিয়া, মাংসপেশি শক্ত হওয়া (এক্সট্রাপিরামিডাল লক্ষণ), দ্রুত হৃদস্পন্দন, ওজন বৃদ্ধি, বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, উদ্বেগ, মাথাব্যথা |
| প্রোল্যাকটিন বৃদ্ধিজনিত | মাসিকের অনিয়ম, স্তন থেকে দুধ ক্ষরণ, পুরুষের স্তন বৃদ্ধি, যৌন আকাঙ্ক্ষা হ্রাস, উত্থান সমস্যা |
| কম সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ (বিস্তারিত সতর্কতা অংশে দেখুন) | নিউরোলেপটিক ম্যালিগন্যান্ট সিনড্রোম, টারডিভ ডিস্কাইনেসিয়া, QT দীর্ঘায়ন, অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, উল্লেখযোগ্য ওজন বৃদ্ধি ও বিপাকীয় পরিবর্তন (রক্তে শর্করা ও লিপিড বৃদ্ধি), বিরল ক্ষেত্রে শ্বেত রক্তকণিকা হ্রাস |
Paliperidone বা রিসপেরিডোনের প্রতি জ্ঞাত অতি-সংবেদনশীলতা থাকলে, অথবা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতি-সংবেদনশীলতা থাকলে Paliperidone ব্যবহার করা যাবে না। অ্যানাফিল্যাক্সিস ও অ্যানজিওএডিমাসহ অতি-সংবেদনশীলতাজনিত প্রতিক্রিয়া রিপোর্ট করা হয়েছে।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।