
Lindac200 mg
Popular Pharmaceuticals Ltd.
Sulindac একটি নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID), যা বিভিন্ন হাড়-সন্ধি ও প্রদাহজনিত রোগের লক্ষণ উপশমে ব্যবহৃত হয়।
Sulindac একটি নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগ (NSAID), যা বিভিন্ন হাড়-সন্ধি ও প্রদাহজনিত রোগের লক্ষণ উপশমে ব্যবহৃত হয়।
Sulindac এসব রোগের লক্ষণ উপশম করে, তবে রোগের মূল কারণ পরিবর্তন করে না। সবচেয়ে কম কার্যকর মাত্রায়, সবচেয়ে কম সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।
Sulindac সাধারণত খাবারের সাথে দিনে দুইবার মুখে সেবন করতে হয়, যাতে পেটে অস্বস্তি কম হয়।
| নির্দেশনা | প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা | সাধারণ সময়কাল |
|---|---|---|
| অস্টিওআর্থ্রাইটিস | ১৫০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার; প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ২০০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার পর্যন্ত সমন্বয় করা যায় | দীর্ঘমেয়াদী, নিয়মিত পর্যালোচনা সাপেক্ষে |
| রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস | ১৫০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার; প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ২০০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার পর্যন্ত সমন্বয় করা যায় | দীর্ঘমেয়াদী, নিয়মিত পর্যালোচনা সাপেক্ষে |
| অ্যাংকাইলোজিং স্পন্ডিলাইটিস | ১৫০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার; প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ২০০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার পর্যন্ত সমন্বয় করা যায় | দীর্ঘমেয়াদী, নিয়মিত পর্যালোচনা সাপেক্ষে |
| তীব্র কাঁধের ব্যথা | ২০০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার | ৭-১৪ দিন |
| তীব্র গাউটি আর্থ্রাইটিস | ২০০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার | প্রায় ৭ দিন |
সর্বোচ্চ দৈনিক মাত্রা: ৪০০ মি.গ্রা.। সবচেয়ে কম কার্যকর মাত্রায়, সবচেয়ে কম সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।
শিশুদের ক্ষেত্রে Sulindac-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তাই কোনো নির্দিষ্ট মাত্রা সুপারিশ করা হয় না।
কিডনি বা লিভারের কার্যক্ষমতা কম থাকলে Sulindac-এর মাত্রা কমাতে হতে পারে এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। বিস্তারিত জানতে দেখুন শিশু_ও_বয়স্কদের_ক্ষেত্রে_ব্যবহার।
Sulindac-এর সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (১% এর বেশি রোগীর ক্ষেত্রে):
গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া, কালো/রক্তমিশ্রিত মল, ত্বক বা চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, বা অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Sulindac ব্যবহার করা উচিত নয়:
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।