
Rolac10 mg
Renata Limited

Emodol একটি নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ (NSAID), যা স্বল্পমেয়াদী ব্যথা নিয়ন্ত্রণের জন্য অনুমোদিত। এটি দীর্ঘমেয়াদী বা সাধারণ মৃদু ব্যথার জন্য নির্দেশিত নয়।
Emodol কোনো অ্যান্টিবায়োটিক নয় এবং সংক্রমণ চিকিৎসায় এর কোনো ভূমিকা নেই।
Emodol নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ (NSAID) শ্রেণির অন্তর্গত, নির্দিষ্টভাবে পাইরোলিজিন কার্বক্সিলিক এসিড গ্রুপের একটি শক্তিশালী, নন-সিলেক্টিভ NSAID ব্যথানাশক। এর চক্ষু-প্রয়োগ (ophthalmic) ফর্মটি পৃথকভাবে একটি টপিক্যাল চোখের NSAID হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ।
Ketorolac Tromethamine সাইক্লো-অক্সিজেনেজ-১ (COX-1) ও সাইক্লো-অক্সিজেনেজ-২ (COX-2) উভয় এনজাইমকে নন-সিলেক্টিভভাবে ও প্রত্যাবর্তনযোগ্যভাবে (reversibly) বাধা দেয়। এর ফলে ব্যথা, প্রদাহ ও জ্বরের জন্য দায়ী প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনের উৎপাদন হ্রাস পায়।
| বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |
|---|---|
| কার্যকারিতা শুরু | প্রায় ১০ মিনিট (IV/IM); প্রায় ৩০-৬০ মিনিট (মুখে সেবনে) |
| সর্বোচ্চ প্রভাব | ১-২ ঘণ্টা |
| কার্যকারিতার স্থায়িত্ব | ৪-৬ ঘণ্টা |
| অর্ধায়ু (Half-life) | প্রায় ৫-৬ ঘণ্টা (বয়স্ক ও কিডনি সমস্যায় দীর্ঘতর) |
| বিপাক/নিঃসরণ | যকৃতে বিপাক; প্রধানত কিডনির মাধ্যমে নিঃসরণ |
ওপিওয়েডের বিপরীতে, Ketorolac Tromethamine ওপিওয়েড রিসেপ্টরে কাজ করে না এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের সংকোচন বা আসক্তি ঘটায় না, তবে এর শক্তিশালী COX বাধাদানের কারণে পাকস্থলী, কিডনি ও রক্তক্ষরণজনিত ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য (দেখুন সতর্কতা)।
Emodol-এর মাত্রা রোগীর বয়স, ওজন, কিডনির কার্যক্ষমতা, এবং প্রয়োগের পথের ওপর নির্ভর করে। মুখে সেবন ও ইনজেকশন মিলিয়ে মোট ব্যবহারকাল কখনোই ৫ দিনের বেশি হওয়া উচিত নয়, কারণ দীর্ঘ ব্যবহারে পাকস্থলী, কিডনি ও রক্তক্ষরণজনিত জটিলতার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
| রোগীর ধরন | মাত্রা |
|---|---|
| প্রাপ্তবয়স্ক (১৭-৬৪ বছর) | প্রথমে ২০ মি.গ্রা., এরপর প্রতি ৪-৬ ঘণ্টায় ১০ মি.গ্রা. প্রয়োজন অনুযায়ী; সর্বোচ্চ ৪০ মি.গ্রা./দিন |
| ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব, কিডনি সমস্যা, বা ওজন ৫০ কেজির কম | প্রথমে ১০ মি.গ্রা., এরপর প্রতি ৪-৬ ঘণ্টায় ১০ মি.গ্রা.; সর্বোচ্চ ৪০ মি.গ্রা./দিন |
| রোগীর ধরন | একক মাত্রা | বারবার মাত্রা (প্রতি ৬ ঘণ্টায়) |
|---|---|---|
| ৬৫ বছরের কম বয়সী প্রাপ্তবয়স্ক | IM: ৬০ মি.গ্রা.; IV: ৩০ মি.গ্রা. | ৩০ মি.গ্রা.; সর্বোচ্চ ১২০ মি.গ্রা./দিন |
| ৬৫+ বছর, কিডনি সমস্যা, বা ৫০ কেজির কম ওজন | IM: ৩০ মি.গ্রা.; IV: ১৫ মি.গ্রা. | ১৫ মি.গ্রা.; সর্বোচ্চ ৬০ মি.গ্রা./দিন |
কিডনি বা যকৃতের সমস্যায় সমন্বয়: উন্নত (advanced) কিডনি বিকলতায় এবং তরল-স্বল্পতাজনিত কিডনি বিকলতার ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Emodol সম্পূর্ণ প্রতিনির্দেশিত। মৃদু থেকে মাঝারি কিডনি সমস্যা, কম ওজন এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে কমানো মাত্রা প্রয়োজন (উপরের সারণি দেখুন)। যকৃতের সমস্যায় সুনির্দিষ্ট মাত্রা সমন্বয়ের তথ্য নেই; উল্লেখযোগ্য যকৃতের রোগে সতর্কতার সাথে ব্যবহার বা এড়িয়ে চলা উচিত।
Emodol-এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ-মিথষ্ক্রিয়া রয়েছে:
Emodol শুরু করার আগে আপনার সেবন করা অন্য সকল ওষুধের কথা চিকিৎসককে জানান।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Ketorolac Tromethamine প্রতিনির্দেশিত (contraindicated):
Emodol-এর সাথে সম্পর্কিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াসমূহ সাধারণ মৃদু থেকে বিরল কিন্তু গুরুতর পর্যন্ত বিস্তৃত:
Emodol সেবনকালে কালো/রক্তাক্ত মল, রক্ত বমি, অস্বাভাবিক ক্ষত/রক্তক্ষরণ, গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া, বা প্রস্রাব কমে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গর্ভাবস্থায় সাধারণত Emodol এড়িয়ে চলা উচিত। প্রথম ও দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ব্যবহার শুধুমাত্র তখনই বিবেচনা করা উচিত যখন সম্ভাব্য উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে স্পষ্টভাবে বেশি, সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায়, সংক্ষিপ্ততম সময়ের জন্য, এবং চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে, কারণ গর্ভাবস্থার প্রায় ২০ সপ্তাহ বা তার পরে NSAID ব্যবহার ভ্রূণের কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস, অ্যামনিওটিক ফ্লুইড কমে যাওয়া (oligohydramnios), এবং কিছু ক্ষেত্রে নবজাতকের কিডনি সমস্যার সাথে সম্পর্কিত।
গর্ভাবস্থার ৩০ সপ্তাহ বা তার পর Emodol অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে, কারণ এটি ভ্রূণের ডাক্টাস আর্টেরিওসাসের অকাল বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি করে, এবং প্রসবকালীন সময়ে Emodol সম্পূর্ণ প্রতিনির্দেশিত, কারণ এটি জরায়ু সংকোচনে প্রভাব ফেলে এবং মা ও শিশু উভয়ের রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়।
স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে Emodol সম্পূর্ণ প্রতিনির্দেশিত। চিকিৎসক নিশ্চিত না করা পর্যন্ত স্তন্যদান পুনরায় শুরু করা উচিত নয়।
Emodol ব্যবহারে বেশ কিছু গুরুতর ঝুঁকি রয়েছে যার জন্য সতর্কতা প্রয়োজন:
Emodol-এর মাত্রাধিক্যতার লক্ষণসমূহের মধ্যে থাকতে পারে তীব্র পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব, বমি, পাকস্থলী/অন্ত্রের রক্তক্ষরণ, ঝিমুনি, মাথা ঘোরা, দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে খিঁচুনি বা তীব্র কিডনি ক্ষতি।
Emodol-এর মাত্রাধিক্যতা সন্দেহ হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন অথবা জরুরি সেবা/বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (antidote) নেই; চিকিৎসা লক্ষণভিত্তিক ও সহায়ক (যেমন প্রয়োজনে দ্রুত গ্যাস্ট্রিক ডিকনটামিনেশন এবং রক্তক্ষরণ, কিডনির কার্যক্ষমতা, তরল/ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য পর্যবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা)। হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ওষুধ অপসারণ কার্যকরভাবে হয় না। বাড়িতে নিজে থেকে মাত্রাধিক্যতার চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না।
Emodol ৩০°সে তাপমাত্রার নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে সুরক্ষিত রেখে সংরক্ষণ করুন। ইনজেকশনযোগ্য দ্রবণ হিমায়িত করবেন না। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
কিডনি সমস্যায়: উন্নত কিডনি বিকলতা বা তরল-স্বল্পতাজনিত কিডনি বিকলতার ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে Emodol প্রতিনির্দেশিত। মৃদু থেকে মাঝারি কিডনি সমস্যায় কমানো মাত্রা প্রয়োজন (মাত্রা ও সেবনবিধি দেখুন)।
যকৃতের সমস্যায়: সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন; উল্লেখযোগ্য যকৃতের রোগে Emodol সাধারণত এড়িয়ে চলা উচিত।
বয়স্ক রোগী: বয়স্করা Emodol-এর পাকস্থলী, কিডনি, ও হৃদরোগজনিত প্রভাবের প্রতি বেশি সংবেদনশীল এবং তাদের ক্ষেত্রে কমানো মাত্রা ও ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
শিশু: শিশুদের ক্ষেত্রে Emodol-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়, এবং বর্তমান লেবেলিং অনুযায়ী মুখে সেবনযোগ্য ও ইনজেকশনযোগ্য Emodol শিশু রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য নির্দেশিত নয়। কেবলমাত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে, স্পষ্ট প্রয়োজন থাকলে এবং ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণসহ শিশুদের ক্ষেত্রে Emodol ব্যবহার বিবেচনা করা যেতে পারে।
গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মা: দেখুন গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে।
Q: Emodol 10 mg Tablet কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
A: Emodol 10 mg Tablet একটি শক্তিশালী NSAID যা মাঝারি থেকে তীব্র তীব্র (acute) ব্যথার স্বল্পমেয়াদী (৫ দিন বা তার কম) ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়, প্রায়ই ওপিওয়েড ব্যথানাশকের বিকল্প হিসেবে। এর একটি চোখের ড্রপ ফর্মও রয়েছে যা অ্যালার্জিক চোখের চুলকানি এবং ছানি অপারেশন পরবর্তী প্রদাহে ব্যবহৃত হয়।
Q: Emodol 10 mg Tablet কতদিন পর্যন্ত সেবন করা যায়?
A: মুখে সেবনযোগ্য ট্যাবলেট এবং যেকোনো ইনজেকশন মিলিয়ে Emodol 10 mg Tablet-এর মোট ব্যবহারকাল কখনোই ৫ দিনের বেশি হওয়া উচিত নয়, কারণ দীর্ঘ ব্যবহারে গুরুতর পাকস্থলীর রক্তক্ষরণ, কিডনির ক্ষতি, ও অন্যান্য জটিলতার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। চিকিৎসকের নির্দেশের চেয়ে বেশি সময় Emodol 10 mg Tablet সেবন করবেন না।
Q: কাদের Emodol 10 mg Tablet সেবন করা উচিত নয়?
A: Emodol 10 mg Tablet বা অ্যাসপিরিন/অন্যান্য NSAID-এর প্রতি জানা অ্যালার্জি থাকা ব্যক্তি; সক্রিয় পাকস্থলীর আলসার বা রক্তক্ষরণ; উন্নত কিডনি রোগ; রক্তক্ষরণজনিত রোগ বা রক্ত পাতলাকারী ওষুধ সেবনকারী; এবং প্রসবকালীন বা স্তন্যদানকারী নারীদের ক্ষেত্রে Emodol 10 mg Tablet ব্যবহার করা উচিত নয়। এটি অ্যাসপিরিন, অন্যান্য NSAID, বা প্রোবেনেসিডের সাথে একত্রে ব্যবহার করা যাবে না। Emodol 10 mg Tablet শুরুর আগে আপনার সম্পূর্ণ চিকিৎসা ইতিহাস চিকিৎসককে জানান।
Q: গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে কি Emodol 10 mg Tablet ব্যবহার করা যায়?
A: গর্ভাবস্থায় সাধারণত Emodol 10 mg Tablet এড়িয়ে চলা উচিত, এবং গর্ভাবস্থার ৩০ সপ্তাহ থেকে শুরু করে প্রসবকালীন সময় পর্যন্ত এটি ব্যবহার করা যাবে না, কারণ এতে শিশুর হৃদযন্ত্রের রক্তনালী (ডাক্টাস আর্টেরিওসাস) অকালে বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং অ্যামনিওটিক ফ্লুইড কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। স্তন্যদানকালে Emodol 10 mg Tablet সম্পূর্ণ প্রতিনির্দেশিত। চিকিৎসক স্পষ্টভাবে প্রয়োজনীয় মনে করলেই কেবল গর্ভাবস্থায় Emodol 10 mg Tablet ব্যবহার করা উচিত।
Q: Emodol 10 mg Tablet-এর সবচেয়ে গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী কী?
A: Emodol 10 mg Tablet-এর সবচেয়ে গুরুতর ঝুঁকিগুলো হলো পাকস্থলী বা অন্ত্রের রক্তক্ষরণ/ক্ষত (যা কোনো পূর্ব-লক্ষণ ছাড়াই ঘটতে পারে), কিডনির ক্ষতি, হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বৃদ্ধি, এবং রক্তক্ষরণ প্রবণতা বৃদ্ধি। Emodol 10 mg Tablet সেবনকালে কালো/রক্তাক্ত মল, রক্ত বমি, তীব্র পেটে ব্যথা, অস্বাভাবিক ক্ষত, বুকে ব্যথা, বা প্রস্রাব কমে গেলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Q: শিশুরা কি Emodol 10 mg Tablet সেবন করতে পারে?
A: শিশুদের ক্ষেত্রে Emodol 10 mg Tablet-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়, এবং বর্তমান লেবেলিং অনুযায়ী এটি শিশু রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য নির্দেশিত নয়। শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক স্পষ্ট প্রয়োজন মনে করলে এবং ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণসহ এটি ব্যবহার করা উচিত।
ডিসক্লেইমার
এই পেজে দেওয়া তথ্য যথাসম্ভব সঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকতে পারে, এবং কোনো ওষুধ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না থাকার মানে এই নয় যে সেটি নিরাপদ। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বা কোনো সমস্যা হলে সবসময় একজন ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের সাথে কথা বলুন।